বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

ব্রাজিলঃ ধর্ষিত বালিকার গর্ভপাতের অনুমোদনে ভ্যাটিক্যানের তীব্র নিন্দা

ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহে, ব্রাজিলের উত্তর-পূর্বেরপেরনাম্বুকোর এক নিম্নবিত্ত, গরীব এলাকায় বসবাসকারি এক পরিবারে একটি ৯ বছরের বালিকা, যার ওজন মাত্র ৩৫.৯ কেজি এবং দৈহিক উচ্চতা ৪.৪ফিট, তার মাকে জানায় যে তার পেটে প্রচন্ড যন্ত্রণা হচ্ছে। তারা দুজনে কাছাকাছি এক স্বাস্থকেন্দ্রে যায় যেখানে পরীক্ষা করে দেখা যায় যে বালিকাটি গর্ভবতী, এবং তার পেটে রয়েছে ১৫সপ্তাহের দুটি জমজ ভ্রুণ। এর পরেই বালিকাটি তার মার কাছে স্বীকার করে যে তাকে ও তার ১৪বছরের দিদিকে তাদের সৎবাবা গত তিন বছর ধরে বলাৎকার করে এসেছে। ধরা পড়ে তাদের সৎবাবা স্বীকার করে যে ছোট মেয়েটির ৬বছর বয়স থেকেই সে তাকে ধর্ষন করে এসেছে। এই ঘটনার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত লোকটিকে জেলেই হয়তো থাকতে হবে।

ক্যাথলিক চার্চের কঠোর বিরোধিতা সত্তেও, একটি মেডিকাল টীম বালিকাটির আইনসম্মত গর্ভপাত করে। ব্রাজিলিয়ান আইন অনু্যায়ি গর্ভপাত একমাত্র ধর্ষণের (গর্ভের ২০সপ্তাহের মধ্যে যদি করা হয়, তবেই) ও মায়ের জীবনহানির সঙ্কা, এই দুই ক্ষেত্রে আইনসম্মত। এই বালিকাটির ক্ষেত্রে দুটিই প্রযোজ্য ছিল।

এ সত্তেও, এই কেসটি নিয়ে রোমান ক্যাথলিক চার্চ ও আইনজ্ঞদের মাঝে এক সামাজিক বিবাদের উৎপত্তি হয়। ভ্যাটিক্যানের সমর্থনপ্রাপ্ত আর্চবিশপ ডম জোসে কারদোসো সোব্রিনহো, বালিকাটির মা, ও বালিকাটির গর্ভপাত করে যে মেডিকাল টিম তাদের সবাইকে শাস্তি হিসেবে সামাজিক বর্জনের আদেশ দেয়। বালিকাটিকে এই শাস্তির বাইরে রাখা হয় কারন সে নাবালিকা। অথচ আর্চবিশপ সৎবাবাটিকে শাস্তি দেন না এই বলে, যে ‘ধর্ষনের চেয়েও বড় পাপ হচ্ছে গর্ভপাত, যা একটি নিস্পাপ জীবনকে গর্ভেই শেষ করে দেয়।’

এই খবরটি ব্রাজিলে গর্ভপাত ইস্যুকে আবার সর্বসমক্ষে নিয়ে এসেছে, এবং একটি সেকুলার রাষ্ট্রের ব্যক্তিগত ও আইনি মামলায় রোমান ক্যথলিক চার্চের দখলদারির ব্যপারটা পর্তুগীজভাষী ব্লগদুনিয়াকে আলোরিত করে তুলেছে। সেবাস্তিও নুনেস তার রেসপন্সা ডে পেড্রা [পর্তুগীজ ভাষায়] ব্লগে লিখছেন:

É impressionante a hipocrisia envolvida neste julgamento inquisitorial feito pala Igreja Católica. Uma criança violentada em seu corpo e seus direitos, desde os 6 anos de idade, com risco elevado de morrer pela continuação da gestação, tem, conforme a estúpida decisão destes cardeais, que aceitar a beleza do milagre da vida e morrer, se necessário for, pois esta foi a vontade de Deus.

E depois a Igreja Católica não entende porque o povo abandona as suas fileiras. Conforme o julgamento da Igreja foi a vontade de Deus que fez o padrasto da criança estuprá-la covardemente. Triste Deus este.

ক্যথলিক চার্চের এই দু-মুখো বিচারের নমুনা দেখে অবাক না হয়ে উপায় নেই। ৬বছর বয়স থেকে ধর্ষিত এক বালিকা, যার গর্ভপাত না করলে খুব সম্ভবত মৃত্যু হতে পারে, তাকে মৃত্যুর মুখেও নবজাতকের জীবনের অলৌকিকতা মেনে নিতে হবে, কারন এই বোকা কার্ডিনালের মতে বালিকার ধর্ষণ ও এই শিশুদের জন্ম হয়েছে ইশ্বরের ইচ্ছায়। এর পরেও ক্যথলিক চার্চ বুঝতে নারাজ কেনো মানুষ তাদের ত্যাগ করছে। চার্চের মতে, ইশ্বরের ইচ্ছাতেই এই বাবা ঐ বালিকাটিকে ধর্ষণ করে। তাই যদি হয় সেই ইশ্বর খুবই অকেজো বলতে হবে।

লেলে টেলেস, তার Technosapiens ব্লগে ব্যঙ্গ করে জানাচ্ছেন যে কেমন করে অক্লেশে সেই আর্চবিশপ আন্তর্জাতিক মহিলা দিবসের দিনে এক ভাগ্যের অসহায় শিকারকে শাস্তি দিলেন:

O mais indignante é que no dia internacional da mulher, um senhorzinho religioso aparece para mostrar que o mundo dele ainda é machista, e que machistas deveriam ser o estado e a ciência.

O bispo queria que a menina seguisse grávida de outra menina porque ele diz que defende o direito à vida. Mas como a menina de nove anos de idade corria risco de morte se continuasse com a gestação, logo, subentende-se que o bispo defendia a vida do… estuprador.

সব থেকে জঘন্য ব্যপার এই যে আন্তর্জাতিক মহিলা দিবসে এই ধর্মীয় লোকটা পৃথিবীকে দেখিয়ে দিল যে ওঁর দুনিয়াটা কত যৌনবৈষম্যবাদী। এই বিশপ চাইছিল যে এই বালিকাটি সন্তানের জন্ম দিক কারন তিনি জীবনের অধিকারে বিশ্বাসী। কিন্তু বিশপ আসলে ধর্ষনকারীর জীবনের অধিকার রক্ষায় বিশ্বাসি।

ভিটর লেসসার ব্লগে একটি লেখা, Ignorância [অজ্ঞতা] প্রশ্ন তোলে যে ক্যথলিক চার্চ কি জানে যে সবাই তাদের মানে না এবং অনেকেই ভ্যাটিকানের এই ‘পরামর্শ’ নিয়ে নানান প্রশ্ন তুলেছে?

[…] ele [o cardeal] está afirmando que devemos voltar a idade média quando o Estado e a Igreja se confundiam e o clero ditava as regras supostamente estabelecidas por Deus. Quando milhões de pessoas foram queimadas em nome de Deus, quando a igreja dizia que os homens deviam servir a seu senhor feudal porque Deus assim desejava e muitos outros fatos. Em momento nenhum ele pensou que o Brasil não é constituido somente de católicos, que o Brasil é um país laico (sem religião definida) e que os seus habitantes elegeram pessoas que fizeram uma constituição legítima para reger o país e sua população. Em momento nenhum o bispo lembrou que não está na idade média e que, acima da instituição a qual ele pertence, existe um Estado que deve atender às necessidades de todos os seus cidadãos. Afinal, todos são iguais perante a lei e pagam impostos para sustentar a nação. Não pensem que essa é uma atitude isolada de um bispo, é uma postura sustentada pela Igreja católica. A igreja católica não somente é contra o aborto em casos de estupro, mas também contra a lei que protege os homossexuais, que pagam impostos e são juridicamente iguais ao bispo. Portanto, se a igreja aceita que parcelas oprimidas (como as mulheres que são agredidas por seus maridos) sejam protegidas por lei, por que outra parcela como a dos homossexuais não podem ser progida? Afinal, são ou não são todos iguais? A igreja católica também proibe o uso de camisinha ou qualquer método anticoncepcional.

উনি [সেই কার্ডিনাল] বলছেন যে আমাদের আবার সেই মধ্য যুগে ফিরে যেতে যখন চার্চ আর প্রশাসন অভিন্ন ছিল ও চার্চ সামাজিক নিয়ম বানাত যা নাকি ভগবানের নামে চালান হত। যখন লক্ষ লক্ষ মানুষকে ধর্মের নামে পুড়িয়ে মারা হত, যখন চার্চ নির্ধারণ করত যে সাধারন মানুষ তাদের মনিবদের সেবা করতে বাধ্য কারন তাই ছিল ভগবানের ইচ্ছা, এবং এমন আরো অনেক কিছু। উনি একবারো ভাবলেন না যে ব্রাজিলে শুধু ক্যথলিকরাই বসবাস করে না, ব্রাজিল এক ধর্মনিরপেক্ষ দেশ এবং তার নাগরিকগন এক আইনসঙ্গত সরকার নির্বাচন করেছে রাষ্ট্র ও নাগরিকদের চালানোর জন্য। বিসপ ভুলে গেছেন যে আমরা আর মধ্য যুগে বাস করি না, ও অনার সংগঠনের ওপরে আছে রাষ্ট্র, যা ব্রাজিলের নাগরেকদের নানান প্রয়োজনের দিকে নজর রাখে। আইনের চোখে সকলেই সমান এবং সকলেই রাষ্ট্র নির্মানের খাতে ট্যাক্স জমা করে। আমি মনে করি না যে এই ঘটনাটা এই বিশপের নিজের মতামত মাত্র। এর পেছনে রয়েছে ক্যথলিক চার্চ। এই ক্যথলিক চার্চ ধর্ষণের ক্ষেত্রেও গর্ভপাত বিরোধী, এমনকি সমকামীদের পক্ষে আনা আইনেরও বিরোধী, সেই সমকামীরা যারা আইনের চোখে বিশপের থেকে কোন অংশে কম নয়। এই চার্চ যদি পীড়িত সংখালঘিষ্ঠদের সংরক্ষণকারী আইনের পক্ষে হয় (যেমন স্বামী দ্বারা নীর্যাতিত নারিদের পক্ষে) তবে অন্য একটা দল কেন সংরক্ষনের অধিকারী হবে না? ক্যথলিক চার্চ পরিবার পরিকল্পনার জন্য কন্ডম ব্যবহারেরও বিরোধী।

দানিয়েল ব্রাগা এই ইস্যু নিয়ে তার ব্লগে Mausoléu do Gargula [pt]ধর্মান্ধতা নিয়ে লিখেছেন। তিনি কিছু প্রশ্ন করেছন শুধুমাত্র বালিকাটির শারীরিক অবস্থার সম্পর্কে নয় বরং আর্থিক সংক্রান্ত প্রশ্ন এবং একটা ৯বছরের বালিকার দুটি সন্তানের মা হওয়া কতটা যুক্তিসংগত তাই নিয়ে।

Acredito que uma das piores coisas já inventadas pelo homem é a cegueira religiosa. Observem bem que não estou falando da religião em si, pois esta é realmente importante ao homem, mas sim de dogmas absurdos que acabam causando a cegueira religiosa.
[…]
Surgem algumas perguntas e não vou de forma alguma respondê-las, deixando a todos a tarefa de refletir sobre as possíveis respostas:

* Será que esta menina conseguirá prosseguir com esta gravidez sem que seu corpo seja mais maltratado do que já está? Poderia esta gravidez ter um risco elevado levando então a morte das crianças, todas as três?
* Como uma criança poderá criar estas duas crianças?
* Qual o dano social futuro desta família?
* Como estará a mente desta pobre criança que deveria estar brincando com bonecas mas que foi o alvo dos abusos de um estuprador?
* Como será a estrutura familiar que esta menina vive?
* Como ficaria esta mesma estrutura familiar depois do nacimento destes bebês?
* Qual deveria ser o papel da religião neste caso? Um papel punitivo ou confortante?
* Sendo punida, direta ou indiretamente, pelos representantes religiosos, como esta criança se sentirá agora? Será que ela somatizará os problemas jogando em si mesma a responsabilidade do hediondo fato?

আমার মনে হয় ধর্মান্ধতা মানুষের সৃষ্টি করা সব থেকে খারাপ জিনিষ। আমি ধর্মের কথা বলছি না, কারন মানুষের জীবনে ধর্মের একটা গুরুত্তপূর্ণ স্থান আছে, কিন্তু আমি বলছি সেই গোঁড়া ধর্মমতের কথা যা মানুষকে ধর্মান্ধ করে দেয়।

প্রশ্ন জাগে এবং আমি তার উত্তর না দিয়ে আপনাদের এগুলোর উত্তর খোজার দায়িত্ত দিলাম:

*এই বালিকাটি তার শরীরের আরো ক্ষতি না ডেকে এনে এই গর্ভ টেনে নিয়ে যেতে পারতো? এই অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থা টেনে নিয়ে গেলে, তিনজনেরই কি মৃত্যু হতে পারতো না?
* যে নিজেই বালিকা, সে কিভাবে এই দুটি সন্তান মানুষ করত?
* এই পরিবারের ভবিষ্যতের সামাজিক ক্ষতির পরিমান কি?
*এই বালিকাটির, যার এখন পুতুল খেলার বয়স, এই ধর্ষণের ফলে তার মানষিক অবস্থা এখন কি?
* এই বালিকার পারিবারিক কাঠামো কি?
* তার দুটি সন্তান হলে তার পারিবারিক কাঠামো কি দাঁড়াবে?
*এই ক্ষেত্রে ধর্মের ভুমিকা কি? পরিত্রাতা না শাস্তিদাতা?
* ধর্মের পরিচালকদের হাতে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ শাস্তি পেয়ে বালিকার মনের অবস্থা এখন কেমন?
* বালিকাটির কি কোনো শারীরিক সমস্যা হচ্ছে, সে কি এই ভয়াবহ কান্ডের জন্য নিজেকে দোষী ভাবছে?

প্রেসিডেন্ট লুলা পর্যন্ত এই ইস্যু নিয়ে বলেছেন যে ব্যক্তিগত ভাবে তিনি ক্যথলিক ও গর্ভপাত বিরোধী কিন্তু রাষ্ট্রনেতা হিসেবে এই ধরনের ঘটনার ক্ষেত্রে গর্ভপাতের তিনি পক্ষে। ক্যথলিক চার্চের নীতির সমালোচনা করে তিনি বলেন:

[…] a medicina fez o que tinha que ser feito, salvar a vida de uma menina de 9 anos. […] Como cristão e como católico, lamento profundamente que um bispo da Igreja católica tenha um comportamento, eu diria, conservador como esse.

৯বছরের বালিকাটির জীবন বাঁচানোর জন্য যা করা প্রয়োজন ছিল, চিকিৎসাশাস্ত্র তা করেছে… একজন ক্যাথলিক হিসেবে আমার ক্যাথলিক চার্চের এই গোঁড়া মনোভাবের জন্য খুবই দু:খ হচ্ছে।

ক্যাথলিক চার্চের তরফ থেকে তাদের উকিল জানায় যে সে বালিকাটির মায়ের বিরুদ্ধে খুনের মামলা দায়ের করবে, ফেডেরাল কন্সটিটিউসানের আর্টিকেল ১ ও ৫ ধারা অনুযায়ী, যাতে “রাইট টু লাইফ” (জীবনের অধিকার) সম্পর্কে লেখা আছে। তার মতে “ধর্ম ছাড়াও আইনত যা করা হয়েছে তা অন্যায়”। কিন্তু পেরমানবুকোর পাব্লিক প্রসিকিউটর বলেছেন:

O Ministério Público de Pernambuco, através da promotora Jeanne Bezerra, está acompanhando junto à Secretaria Executiva da Mulher e à ONG Curumim o caso da garota de nove anos grávida em decorrência de estupro em Alagoinha. De acordo com as informações repassadas à promotora pelo órgão e pela entidade, a garota está recebendo o acompanhamento médico, psicológico e social assegurados pelo Estatuto da Criança e do Adolescente. Até agora, não foi necessária a atuação judicial do MPPE. Como a legislação brasileira PERMITE o aborto em vítimas de estupro até a 20ª semana de gestão (entendimento do STJ), o procedimento pode ser realizado de acordo com avaliação médica, INDEPENDE de autorização judicial e, portanto, de parecer do Ministério Público.

পেরমানবুকোর পাব্লিক প্রসিকিউটর, প্রোমোটার জীন বেজ্জেরার দ্বারা, মহিলা ও এনজিও কুরুমিম এর এক্সিকুটিভ সেক্রেটারিয়াটের সাথে এই কেস অনুসরণ করছেন। প্রোমোটরের দেওয়া খবরে বালিকাটি মেডিকাল, মানসিক ও সামাজিক যত্ন পাচ্ছে যা চাইল্ড ও এডলোসেন্ট আইন অনুযায়ী তার পাওয়ার কথা। এখনো পর্যন্ত কোনো বিচারসংক্রান্ত কোনো পদক্ষেপের প্রয়োজন হয়নি আমাদের তরফ থেকে। যেহেতু ব্রাজিলিয়ান আইন ধর্ষণের ক্ষেত্রে ২০সপ্তাহ পর্যন্ত গর্ভপাতের অনুমতি দেয়, এটি সঠিক মেডিকেল মুল্যায়নের পর করা যেতে পারে প্রসেকিউটরের মতামত ছাড়াই।

যদিও বেশির ভাগ ব্লগাররাই চার্চের এই মতামতের বিরোধী, অল্প সংখক ব্লগাররা আর্চবিসপের দেওয়া এই সামাজিক বর্জনের শাস্তির পক্ষে। এদের মধ্যে পেরনাম্বুকোর জর্গ ফেররাজ আর্চবিসপ জোসে কারদোসো সোব্রিনহোর পক্ষ নিয়ে তার উদ্দেশ্যে এক খোলা চিঠি ছাপিয়েছে যা তার ব্লগে ১০০র বেশি মন্তব্য আকর্ষণ করেছে, পক্ষে ও বিপক্ষে। আরো একটি খোলা চিঠি তে মাইতে টোস্টা যে নিজেও একজন মা, লিখেছেন কেন তার মতে চার্চের নীতিই সঠিক:

Nesse momento, em que essa menina precisava de apoio, de ajuda, de atendimento médico, psicológico e porque não, espiritual, vozes se levantaram para apontar uma saída “mais fácil”, que querem fazer crer que era a única razoável…

Logicamente, a situação da menina preocupa. Mas e os gêmeos? Não merecem nosso cuidado? Nossa preocupação? A vida humana não-nascida é tão vida quanto a nascida, e merece o mesmo cuidado. Por serem frutos de uma relação violenta, que não deveria ter sido consumada, não são humanos? Quer dizer que um feto é gente quando é desejado, e é coisa quando não o é?

O que é mais fácil para os envolvidos? Dar assistência, cuidar, acompanhar? Ou “eliminar o problema”? Mas… pergunto, mais fácil para quem? Afinal, essa menina vai crescer, não sem marcas deixadas por esse episódio. Apesar de todas as pessoas ao seu redor lhe dizerem que foi melhor assim, que seu corpo não comportava, que era gravidez de risco, que eram crianças frutos de violência e ela não precisava conviver com elas, que a lei não pune… ela sempre terá na sua consciência que consentiu na morte dos próprios filhos… essa é uma memória que não se apaga nunca, e que tem um gosto amargo.

এই মুহূর্তে যখন বালিকাটির সহায়তার দরকার ছিল, মেডিকাল, মানষিক ও আত্মিক, তখন সব থেকে সহজ উপায় তাকে দেখিয়ে তারা আমাদের বোঝাতে চায় যে এটাই সঠিক উপায়…

বালিকাটির ব্যাপারটা দুর্ঘটনাজনক ঠিকই কিন্তু তার না জন্মানো সন্তানের কথা কি আমাদের ভাবা উচিত নয়? তাদের জীবন কি জীবন নয়? ধর্ষনের ফসল যা হওয়া উচিত ছিল না, তা হয়েছে বলে কি তাদের মানুষ হিসেবে গণ্য করা হবে না? তার মানে কি এই দাঁড়ায় যে যে সন্তান কাম্য তার বেলাতেই তাকে আমরা মানুষ হিসেবে ধরবো অন্যথায় নয়?

সহজ উপায় কোনটা? সেবা যত্ন না সমস্যার দূরীকরন? আমি ভাবছি, সহজ কার জন্য? এই বালিকাটি যখন বড় হবে, তখন তো তার মনে এর দাগ থেকেই যাবে, অন্যরা যাই বলুক, ওর মনে এইটা চিরকাল থেকে যাবে যে ও নিজের সন্তানের মৃত্যুতে সায় দিয়েছে…এই স্মৃতি কখনোই মুছবে না, এবং এই স্মৃতি বড়োই তিক্ত…

দুর্ভাগ্যক্রমে এই ধরনের ঘটনার এটাই প্রথম বা এটাই হয়তো শেষ নয়। ধর্ষণের দায়ে আরো এক সৎবাবাকে আ্যরেস্ট করা হয়েছে, এইবার রিওগ্র্যান্ড দ সুল এ। ১১বছরের এই বালিকাটি ৭মাস গর্ভবতী ও হাসপাতালে ভর্তি। এই গর্ভের কারনে তার মৃত্যু হতে পারে। দুটি কেসেই তদন্ত চলছে।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .