বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

থাইল্যান্ড: বিমান বন্দরে আটকা পড়া বিদেশী

যখন প্রতিবাদকারীরা দুই সপ্তাহ আগে দুর্নীতিপরায়ন থাই সরকারের বিরুদ্ধে চুড়ান্ত লড়াই হিসেবে ব্যাংকক এয়ারপোর্ট দখল করে নেয় তখন বেশীর ভাগ বিদেশী ব্যাংকক বিমান বন্দর থেকে দুরে ছিল। কিন্তু বিমানবন্দরের ভেতরে একজন বিদেশীও ছিল প্রতিবাদকারীদের সাথে, যিনি সেখানে আটকা পড়েছিল।

ফিনল্যান্ডের জোনাস পুটকোনেন পিএডি বা পিপলস এ্যালায়েন্স ফ্রম ডেমোক্রেসির কর্মীদের সাথে যোগ দেন এবং তাদের সাথে পাঁচদিন ও পাঁচরাত অবস্থান নেন। তিনি বিমানবন্দরের প্রতিবাদ কেন্দ্রে ঘুমিয়েছেন এবং খেয়েছেন। তিনি পাঁচটি গুলি ও দুটি গ্রেনেড আক্রমণ ঘটনার সাক্ষী এবং প্রতিবাদকারীদের প্রতিদিনের কাজকর্ম সরাসরি দেখেছেন। সৌভাগ্যবশত: তার কাছে একটি ভিডিও ক্যামেরা ছিল। এখন তিনি বিশ্বকে এই বিমানবন্দর অবরোধের ঘটনাগুলি সবার সাথে ভাগাভাগি করে নিতে চান যে ঘটনার তিনি চাক্ষুস সাক্ষী:

গত নভেম্বর এর ২৬ তারিখে পিএডি ব্যাংককের দুটি প্রধান বিমান বন্দরের দখল করে ও অবরোধ করে। তাদের এই অবরোধের উদ্দেশ্য ছিল দেশের প্রধান সারির নেতাদের পদত্যাগ করানোর। তাদের উদ্দেশ্য সফল হয়েছে যখন থাইল্যান্ডের সর্বোচ্চ আদালত ক্ষমতাসীন শাসক দলের বিরুদ্ধে রায় দেয় এবং তার ক্ষমতা বিলোপ করে দেয়। নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগে তাদের এই শাস্তি দেওয়া হয়।

জুনাস বর্ণনা করেন কিভাবে তিনি বিমানবন্দরে পৌছান:

রাত ১১.৩০ মিনিটে ব্যাংকক পোষ্ট এর খবরে আমি পড়ি যে সুবর্ণভূমি বিমানবন্দরে গুলি চালানো হয়েছে। ঠিক ১২ টার সময় আমি সিন্ধান্ত নেই, আমি আমার স্ত্রীকে জাগিয়ে তুলি এবং সবকিছু গোছগাছ করে ফেলি। আমি থাইল্যান্ডের ঠিক মাঝামাঝি বাস করতাম এবং আমি খুব দ্রুত আামি আমার গাড়ি চালিয়ে যে বিমানবন্দরে আসি। আমি আমার হৃদয়ে মাঝ থেকে এক জোরালো আওয়াজ শুনছিলাম। —- আমি রাত ৩.০০ টায় সেখানে পৌছাই। সে রাতে সুবর্ণভূমির একমাত্র বিদেশী অবরোধ কারী।

জোনাস প্রতিবাদকারীদের কর্মদক্ষতা দেখে মুগ্ধ যারা বিমান বন্দরের ভেতরে গ্রেনেড আক্রমণের পরও শান্ত ছিল।

জোনাস পিডিএ কর্মীদের পুলিশের বিরুদ্ধে পাল্টা হামালা চালানোর ছবি তুলেছে যারা বিমানবন্দরের প্রতিবাদকারীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করছিল। শেষে পুলিশই রণেভঙ্গ দেয়।

ব্যাংককের এই প্রতিবাদ থেকে জোনাস যা শিখেছেন:

শৃংখলাবদ্ধ প্রতিবাদের জয়, এই সমস্ত কাজে নৈরাজ্য ছড়িয়ে কোন লাভ হয় না, বরঞ্চ নিয়ম এবং আইনের পথে প্রতিবাদ করা, সঠিক পরিকল্পনা এবং নেতাদের নির্দেশ মেনে চলা ভালো। থাইল্যান্ডের পিডিএ-এর লোকেরা আমাকে এক মহৎ শিক্ষা দিয়েছে কি ভাবে রাজনৈতিক বাস্তবতায় এক বিশাল প্রতিবাদ জয় এনে দেয়—- প্রতি আক্রমণ সবসময় সেরা প্রতিরক্ষা এমনকি প্রতিবাদের সময়ও।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .