বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

সিরিয়াঃ ইমাদ মুঘ্নিয়েকে হত্যা করা হয়েছে

দামাস্কাস থেকে সাম্প্রতিক খবরের শিরোনাম হল কাফার সুসেহ শহরে একটি গাড়ি বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা। পরে জানা গেল যে এই বিস্ফোরণ হেজবুল্লাহ‘র শীর্ষ নেতা ইমাদ মুঘ্নিয়ের উপর সফল হত্যা হামলা ছিল।

ইমাদ মুঘ্নিয়েকে হেজবুল্লাহ'র হাসান নাস্রাল্লাহ এর পরবর্তী নেতা ভাবা হয়। এফ বি আই এর মোস্ট ওয়ান্টেড লিস্টে তার নাম আছে, আর ধারণা করা হয় যে ১৯৮৩ সালে বৈরুতে মেরিনদের ব্যারাকে যে আক্রমণ চালানো হয়, যেখানে ২৪১ জন মেরিন মারা যান, তিনি তা পরিচালিত করেছিলেন।

প্রতিক্রিয়া গুলো দ্রুত এসেছে, ওয়াসিম লিখেছেন:

আমি সকালে বিচ্ছিন্ন ভাবে শুনতে পাচ্ছিলাম যে গাড়ি বোমায় ইমাদ মুঘ্নিয়ে মারা গেছে কিন্তু একজন বন্ধুকে ফোন করে তার পর নিশ্চিত হলাম। সে ফোন তুলেই বলল ‘ ইমাদ মুঘ্নিয়ে’ আর আমার মনটা দমে গেল। একটি সংগ্রামে যেখানে অনেকে কথা বলে আর শুধু অল্প কিছু লোক কাজ করে সেখানে কাজের একজনকেও হারানো গভীর ভাবে বোঝা যায়। দ্রুত প্রতিঘাত আসবে…

রাজান তাকে সন্ত্রাসী বলতে অস্বীকার করেছেন। তিনি বরং তাকে যোদ্ধা হিসেবে দেখতে চান:

আমার কামরা কাঁপছিল এই শব্দ শোনার সাথে সাথে। আমি ভেবেছি এটা ইজরায়েল, পড়শিরা ভেবেছে গ্যাসের ট্যাঙ্ক, কিন্তু যে মারা গেল শুধু সেই জানল যে ওটা কি। কোন সন্ত্রাসী না বরং একজন যোদ্ধা মারা গেছেন।

কে এটা করেছে তা নিয়ে অনেক তথ্য আসছে। সব থেকে স্বাভাবিক দোষ আসবে ইজরায়েল আর আমেরিকার দিকে। হেজবুল্লাহ মোসাদের দিকে দোষ চাপিয়েছে। বিশেষ করে, হারিরির ১৪ মার্চ মৃত্যু বার্ষিকী, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রীর দামাস্কাস সফর আর লেবাননের মার্চ ১৪ এর সাংসদ ওয়ালিদ জুমব্লাত একদিন আগে গৃহযুদ্ধের বিরুদ্ধে মন্তব্য দিয়েছেন সিরিয়া আর হেজবুল্লাহ নিয়ে – এর ফলে অনেকের মনে হবে যে এই হত্যাকান্ডের পেছনে ১৪ মার্চ এর হাত আছে কি না। অনেকে আবার এটাও মনে করছে যে এ ওয়াশিংটন আর দামাস্কাস এর ভেতরে হওয়া চুক্তির একটি ছোট অংশ।

জোসুয়ার ল্যান্ডিস ব্লগে দ্রুত আপডেট হওয়া মন্তব্য সহকারে একটি চিত্তাকর্ষক আলোচনা আছে। কিছু মন্তব্য এখানে দেয়া হল:

কিফা নাবকি  বলেছেন:

আমি বৈরুতে বিরোধী দলের লোকদের সাথে কথা বলেছি, আর অনেকে চিন্তিত যে এটা সিরিয়ানরা করে থাকতে পারে। তারা এইভাবে বলেছে: যদি এটা আমেরিকানরা করে থাকে তাহলে ঠিক আছে কারন তারা অনেক দিন ধরে তার পেছনে ছিল। যদি এটা ইজরায়েলিরা হয় তাহলে এটা খুব খারাপ (উপরের সব কারনে) । সব থেকে খারাপ হবে যদি সিরিয়ানরা তাকে মেরে থাকে, আমেরিকানদের সাথে চুক্তির অংশ হিসাবে। মুঘ্নিয়ের মতো পুরস্কার যা সিরিয়ার জন্য বেশ বড় কিছু, যেমন এম১৪ এর উপর বিশেষ ছাড়, বিরোধী দলের উপর ভেটো, ইত্যাদি।

এম এস কে  বলেছেন:

ইজরায়েলিরা অবশ্যই প্রতিশোধ চায় আর তাদের কর্মসূচির মধ্যে বেছে বেছে লোককে হত্যা করা আছে। ইমাদ মুঘ্নিয়ে কে হত্যা করে ইজরায়েলি নেতৃত্ব ইজরায়েলি জনগণের কাছে অনেক বাহবা পাবে কারন ১৯৮০ থেকে সে তাদের কাছে একজন শয়তান আর একই সময় এই অন্চলের লোকদের তারা জানাচ্ছে”আমারা যে কাউকে যে কোথাও আমাদদের লক্ষ্য বানাতে পারি”। সে দামাস্কাসে নিরাপদ না থাকলে , কে কোথায় নিরাপদ?

কুনফুজ  বলেছেন:

সিরিয়া এটি করেছে- এটি ফালতু কথা। এভাবে নিজেদের রাজধানীতে করবে না। তারা তাকে মারতে চাইলে লেবাননের হাতে তাকে তুলে দেবে, আর তারপর চুপচাপ তাকে অপহরণের কথা বলবে সেই সংস্থার নামে যার হাতে তাকে তুলে দিয়েছে। আর কিফা তো বলেছেন, এটা একটা বড় পুন:বিন্যাসের শুরু।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .