বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

পশ্চিম আফ্রিকাঃ ক্যামারুনের চারটি ঐতিহাসিক রুপকথা

এই সপ্তাহের ব্লগ পরিক্রমা শুরু হচ্ছে সাহিত্য দিয়ে- ভয়েস ইন দ্যা ডেজার্ট  ব্লগ বাচ্চাদের উদ্দেশ্যে লেখা বই ‘দ্যা ডোর অফ নো রিটার্ণ‘ এর সমালোচনা করেছেনঃ

সারাহ মুসি কে ২০০৭ গ্লেন ডিম্পলেক্স পুরষ্কার পাওয়ার জন্য অভিনন্দন। এই বছরের প্রথম দিকে আমি ‘দ্যা ডোর অফ নো রিটার্ন’ পড়েছি আর খুব ভালো লেগেছে।

সম্প্রতি আফ্রিকায় বাচ্চাদের বইয়ের যে জোয়ার এসেছে তা অভুতপূর্ব। গত আগস্টেই মনে হয় আমান্ডা ক্রেগ টাইমস পত্রিকায় তার কলামে বলেছিলেন যে শিশু সাহিত্যিকরা আফ্রিকা নিয়ে লেখার সাহস অনেক দিন ধরে পাননা। ওই কলামে ছিল আমার মার লেখা এই সুন্দর চিঠি ( একটা সময় যখন তিনিও ওয়াটারস্টোনে যাচ্ছিলেন আর সাবধানে ‘সোফিয়া আর আল্বিনো উট’ নামক বইয়ের কপিগুলো ঠিক করছিলেন যাতে সেগুলো আরো স্পষ্ট করে দেখা যায়- আমি অবশ্য এমন কখনো করিনি)।

বুরকিনা ফাসো থেকে আমরা এখন দ্বিভাষী ক্যামেরুনে যাই যেখানে স্ক্রিবলস ফ্রম দ্যা ডেন ব্লগ এর ডিবুসি টান্ডে তার স্মৃতি থেকে ব্লগে লিখেছেন ‘ব্রিটিশ এবং ফ্রেঞ্চ ক্যামেরুন্স একত্র করার জন্য চারটি মিথ“:

এংলোফোন জাতীয়তাবাদী নেতা আর পন্ডিতরা তাড়াতাড়ি বুঝতে পেরেছেন যে এংলোফোন ইতিহাসকে পুনরুদ্ধার করা একটা অমূল্য রাজনৈতিক সম্পদ যার মাধ্যমে সরকারের সাথে লড়া যায় আর জনগনের মধ্যে বোধ জাগ্রত করা যায়। তাই তারা চেষ্টা করেছে ইতিহাসের মধ্যে এংলোফোন পরিচয়কে ফিরিয়ে আনতে আর সরকার আর কিছু পন্ডিত দ্বারা গঠিত কিছু কল্পকাহিনীর বিরুদ্ধে তারা দাড়াচ্ছে। এখানে আমরা মাত্র কয়েকটা উদাহরন দিতে পারব।

যদিও প্রত্যেকটি কল্পকাহিনী ব্লগে বিস্তারিত আলোচিত হয়েছে কিন্তু তারপরেও মূল ধারনা এখানে দেয়া হলোঃ

কল্পকাহিনী ১: ক্যামেরুন সব সময় একটির বেশি ছিলনা

কল্পকাহিনী ২: একসাথে হওয়াকে দুই দল স্বত:স্ফর্ততভাবে নিয়েছে

কল্পকাহিনী ৩: ফুম্বানে ১৯৬১ সালে যুক্ত ক্যামেরুনের সংবিধানে সবাই সম্মত হয়েছিল

কল্পকাহিনী ৪: ১৯৭২ এর একীভুত রাষ্ট্র ক্যামেরুনের লোকের ব্যপক ভোটের ফল

ক্যামেরুনের ব্লগার রোজমেরি একোসো এনাঙ্গা'স পোভ নামক ব্লগে ‘আফ্রিকানদের সত্যিকারের স্বাধীনতা দরকার সাম্রাজ্যবাদী দান নয়‘ নামক লেখা সম্বন্ধে তার মত দিয়েছেনঃ

আমি ২০০৫ এর একটা লেখা পেয়েছি যেখানে আফ্রিকার সাথে পশ্চিমের সম্পর্কের কথা আমি এতদিন যা বলেছি তাই দেখা যাচ্ছে।

আমি আগেও বলেছি, আমি বিরক্ত হই ভন্ডামি দেখে যার মাধ্যমে পশ্চিমা বিশ্ব বা অন্তত তাদের সরকার আমাদেরকে আমাদের সম্বন্ধে যা বিশ্বাস করতে বলে। নিচের লেখাটা ব্রিটেনের কমিউনিস্ট পার্টির অনুমতি নিয়ে এখানে দেয়া হলো। এর মাধ্যমে এর লেখকের সামাজিক, অর্থনৈতিক আর রাজনৈতিক মতামত বোঝা যায়, আর আমি নিজেকে কমিউনিস্ট বা সমাজবাদী না মনে করলেও আমি যে গভীর গবেষনার ফলে এই লেখা হয়েছে তা দেখে অবাক হয়েছি। এতে দেখা যায় যে মানুষ নিজের জন্য চিন্তা করলে কি হয়। আমি জন পিল্গারের এই উক্তিতে বেশি মুগ্ধ হয়েছিঃ

‘বর্তমানে আফ্রিকায় প্রত্যেক ৳১ সাহায্যের জন্য পশ্চিমের ব্যাঙ্ক, সংস্থা আর সরকার থেকে ৳৩ নেয়া হয়- আর তার হিসাবের মধ্যে আসেনা বহুজাতিক কোম্পানির দেশ থেকে তুলে নেয়া লাভের কথা।’

আমরা আফ্রিকার বিষয়েই থাকি – গ্রান্ডিউস পারলার ব্লগের ইমনাকোইয়া জিজ্ঞেস করেছেন ‘আফ্রিকম: নাইজেরিয়ার অবস্থান কোথায়?

এখানে অসন্তোষের বিষয় হলো প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশের সাথে দেখা করার পর নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুসা ইয়ার'আদুয়ার একটি মন্তব্য যেখানে তিনি ঘোষনা করেছেনঃ

‘আমরা নিরাপত্তার ব্যাপারে আলোচনা করেছি, নাইজেরিয়ার ভিতরের নিরাপত্তা, নাইজার ডেল্টা, গালফ আফ গিনি আর আফ্রিকা মহাদেশের শান্তি আর নিরাপত্তা। আমরা আফ্রিকোমের সাথে পার্টনার হবো শুধু নাইজেরিয়াকে সাহায্য করার জন্য না বরং আফ্রিকা মহাদেশকে শান্তি আর নিরাপত্তা পাবার জন্য। এটি একটা ব্যবস্থা যেখানে আফ্রিকার প্রত্যেকটা আঞ্চলিক অর্থনৈতিক গ্রুপের কাছে অপেক্ষমান সেনা থাকবে।’ -ভয়েস অফ আমেরিকার সৌজন্যে (ডিসেম্বর ১৩, ২০০৭)

এই ব্যাপারে ইমনাকোইয়া বলেছেনঃ

প্রথম সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক মিডিয়া ঘটনায় ইয়ার'আদুয়া নিজেকে একজন বোকা প্রেসিডেন্ট হিসাবেই শুধু প্রমান করেননি যে ‘আমি কখনো এই মুহুর্ত ভুলবো না’ ধরনের মুগ্ধ বাক্য বলেছেন- এটা বোঝা যায়নি তিনি হোয়াইট হাউসের সাজ সজ্জায় মুগ্ধ হয়েছেন না কি কুখ্যাত জর্জ বুশকে দেখে ভড়কে গেছেন- কারন যাই হোক – ইয়ার'আদুয়া মিডিয়ার ব্যাপারে একজন মধ্যমানের ব্যক্তি হিসাবে প্রতীয়মান হয়েছেন। আফ্রিকোম সম্বন্দ্ধে তার মন্তব্য যাতে কিছু কাট ছাট দরকার দেখিয়ে দেয় যে আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয় কতোটা ঢিলেঢালা। এরা কি মিটিং পরবর্তী ঘটনা চিন্তা করে ওয়াশিংটনের উদ্দেশ্যে আবুজা ত্যাগের আগেই বেচারা ইয়ার'আদুয়াকে বলে দিতে পারেনি – যে কি বলতে আর কি না বলতে , আর কি ভাবে কি বলতে হবে?

- ডেভিড আজাও

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .