বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

কি ঘটছে ভেনেজুয়েলায়?

২০১৪ সালে বিক্ষোভের সময় একজন ব্যক্তি উপরের দিকে তাকিয়ে আছে। জাতীয় সমাবেশ এবং সুপ্রিম কোর্টের মধ্যে চলমান রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের বহু আগে থেকেই দেশটি বিভিন্ন বিশৃঙ্খলা প্রত্যক্ষ করে আসছে। ফ্লিকার ব্যবহারকারী আন্দ্রেজএজিপির মাধ্যমে পাওয়া ছবি। সিসি ২.০ লাইসেন্সের আওতায় প্রকাশিত।

এখানে আমাদের বিশেষ ঘটনাপ্রবাহ শুনুন ইন টু দ্য ডিপ পডকাস্টঃ “ভেনেজুয়েলা থেকে বলছি”।

গত কয়েক মাস থেকে চলমান রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতাকে অনেক ভেনেজুয়েলান যে শব্দটি দিয়ে অবহিত করছে তা হলো স্বৈরতন্ত্র, যেটা কিনা ৩০শে মার্চ ২০১৭ আরো চরমে পৌছে যখন সুপ্রিম কোর্ট জাতীয় সংসদকে সম্পুর্ণ বাতিল ঘোষনা করে।

এর ফলে চারিদিকে প্রতিবাদের ঝড় উঠে এবং আন্তর্জাতিক মহল ক্ষোভ প্রকাশ করে। কিছু ব্যক্তি একে স্ব-আরোপিত অভ্যুত্থান বলে বর্ণনা করছে। অনেক ভেনেজুয়েলানের মতে, এই ঘোষণার ফলে তাদের দেশে গণতন্ত্রের সামান্য আভাসও আর থাকলোনা।

সুপ্রিম কোর্ট জাতীয় সমাবেশের ভুমিকা অধিগ্রহ করে এবং প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাডুরোকে আইন সভার কিছু দায়িত্ব বুঝে নেয়ার অনুমতি দেয়, কিন্তু খুব দ্রুতই আবার সব বদলে যায় – কিছু দিন পর প্রেসিডেন্ট মাডুরো কোর্টের এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার আদেশ দিলে কোর্ট সেই সিদ্ধান্ত বদলে ফেলে

জাতীয় সমাবেশ পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হলেও, দেশ ও দেশের বাইরের বিভিন্ন সংস্থা এতে মোটেও সন্তুষ্ট নয়। এমনকি পুলিশি সহিংসতার মুখোমুখি হয়েও, প্রতিদিন বিপুল সংখ্যায় বিক্ষোভকারীরা সমবেত হচ্ছে।

এ ঘটনায় বিভিন্ন দেশের সরকার তাদের উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। এবং অরগানাইজেশন অব আমেরিকান স্টেটস, ২০১৭ সালের ৩ এপ্রিল একটি জরুরি বৈঠক ডেকে, ভেনেজুয়েলার সাম্প্রতিক ঘটনা প্রবাহ পর্যবেক্ষণ করে এই মন্তব্যে উপনিত হয় যে, “এটি সাংবিধানিক শৃঙ্খলার সম্পুর্ন বিপরীত” এবং আরো যোগ করেঃ

যদিও এই সিদ্ধান্তের কিছুটা পরিমার্জন করা হয়েছে, তবে এটা খুবই জরুরি যে ভেনেজুয়েলান সরকার সম্পুর্ন গণতান্ত্রিক শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করবে।

২০১৫ সালের নির্বাচনে ভেনেজুয়েলার বিরোধী দল দুই-তৃতীয়াংশ আসন পাওয়ার পর থেকেই জাতীয় অধিবেশনের ক্ষমতার উপর বিভিন্ন বিধিনিষেধ আরোপ করা শুরু হয়, গত কয়েক সপ্তাহের ঘটনা সেই সময় শুরু হওয়া আন্দোলনেরই নতুন রূপ।

কেন এই স্ব-আরোপিত আন্দোলন শুরু হলো

২০১৬ সালের জানুয়ারি মাসে, ভোটে অনিয়মের অভিযোগে, সুপ্রিম কোর্ট আমাজনিয়ান স্টেটের চার জন সংসদ সদস্যের (তিন জন বিরোধী দল এরং একজন ক্ষমতাশীন দলের) নির্বাচন বাতিল করে দেয়। মাডুরোর ইউনাইটেড সোশিয়ালিস্ট পার্টি তখন জাতীয় অধিবেশন নিয়ন্ত্রণ করে এবং তারা সেই সব বিচারপতি নিয়োগ দেয় যারা তাদের প্রতি সহানুভূতিশীল। বিরোধী দল আভিযোগ করে যে, আদালত তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নষ্ট করার চেষ্টা করছে, এর ফলে আর সব কিছুর সাথে সুপ্রিম কোর্টের ন্যায় বিচার বিলুপ্ত হচ্ছে।

বিরোধীদল এরপর সেই তিন প্রশ্নবিদ্ধ সংসদ সদস্যকে শপথ করায়। যার ফলশ্রুতিতে সুপ্রিম কোর্ট আদেশ দেয় যে পুরো জাতীয় অধিবেশন আদালত অবমাননা করেছে এবং এর দারা গৃহীত সকল সিদ্ধান্ত বাতিল করা হল। এর পর দশ মাসেরও বেশী সময় তাদের বাজেট সংকোচন করে মাসে মাত্র ৩৮ ডলার বেতন দেয়া হয়।

এই অচলাবস্থা অক্টোবর পর্যন্ত চলতে থাকে, যখন জাতীয় নির্বাচন কাউন্সিল প্রেসিডেন্ট মাডুরোর বিরুদ্ধে ডাকা একটি গণভোট স্থগিত করে এবং সকল আঞ্চলিক নির্বাচন সাংবিধানিক নির্ধারিত সময়ের থেকে পিছিয়ে ২০১৭ সালে নিয়ে যায়। বিরোধীদল অভিযোগ করে যে প্রেসিডেন্ট মাডুরো এবং তার অনুসারীরা ধীরে ধীরে একটি অভ্যুত্থানের জন্ম দিচ্ছে, এবং দাবি জানায় তাকে যেন রাজনৈতিক অপরাধী হিসেবে বিচারের আওতায় আনা হয়।

২০১৭ সালের জানুয়ারি মাসে, জাতীয় অধিবেশন – তখনও আদালত অবমাননার দায়ে অভিযুক্ত – ঘোষণা দেয় যে মাডুরো পদত্যাগ করেছে এবং নতুন করে নির্বাচন দাবী করে।

চীন এবং রাশিয়া থেকে আগত বিভিন্ন ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের সাথে রাষ্ট্র চালিত তেল কোম্পানিগুলোর যৌথ উদ্যোগের বিষয়টি জাতীয় সমাবেশ নাকচ করে দিলে মাডুরো সরকার সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানায়, যার ফলশ্রুতিতে জাতীয় সমাবেশকে বাতিল করা হয় এবং সকল ক্ষমতা সুপ্রিম কোর্ট নিজের হাতে তুলে নেয়।

একটি রাজনৈতিক অচলাবস্থা

আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমগুলোর শিরোনাম যারা পর্যবেক্ষন করছেন তারা জানেন, ভেনেজুয়েলা গত কয়েক বছর থেকেই সঙ্কটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, আর সুপ্রিম কোর্টের এই সল্প সময়ের শাসনভার অধিগ্রহণ সেই সঙ্কটেরই নতুন অগ্রগতি।

তবে ভেনেজুয়েলায় যে শুধু একটি সঙ্কট তা নয়। এখানে অনেক সমস্যা পরস্পরযুক্ত হয়ে সাধারন ভেনেজুয়েলানদের জীবনে প্রভাব ফেলছে।

প্রথম সঙ্কট হল রাজনৈতিক। ২০১৩ সালে মৃত্যুর আগে হুগো শেভেজ নিজে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাডুরোকে তার উত্তরসূরি হিসেবে নির্বাচিত করে যান। মাডুরো বলেন যে উনি শেভেজের সোশিয়ালিস্ট বলিভারিয়ান রেভ্যুলুশনকে এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছেন, যার উদ্দেশ্য ছিল ভেনেজুয়েলান জনগণের মধ্যে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং চলমান উচ্চমাত্রার দারিদ্র‍্য দূর করা।

কিন্তু মাডুরো তার পূর্বসূরীর মত জনগণের আস্থা এবং সম্মান কোনটিই অর্জন করতে পারেনি। তিন বছরের অর্থনৈতিক সঙ্কট এবং রেকর্ড মাত্রায় অপরাধ আর দারিদ্র মাডুরোর জনপ্রিয়তাকে গত কয়েক বছরে সর্বনিম্ন মাত্রায় নিয়ে এসেছে। তাকে আরো অভিযুক্ত করা হয় যে, তিনি ভিন্নমত পোষণকারীদের ওপর স্বৈরতান্ত্রিক পদ্ধতি অবলম্বন করছেন। তার সরকার প্রতিবাদ দমন করেছে, সংবাদপত্র বিভাজন করেছে এবং স্বাধীন মত প্রকাশে হস্তক্ষেপ করেছে। প্রতিদ্বন্দ্বী, সমালোচক বা সাংবাদিক, যেই সরকারের মন্দদিক তুলে ধরেছে তাকেই বন্দি করা হয়েছে। অনেকেই নিয়েছে স্বেচ্ছা নির্বাসন আর বাকিরা স্রেফ চুপ হয়ে গেছে।

২০১৭ সালের ৭ এপ্রিল কারাকাসের বিক্ষোভকারীরা। ছবিঃ লুইস কারলোস ডায়াজ। অনুমতি সাপেক্ষে প্রকাশিত।

ভেনেজুয়েলায় রাজনৈতিক বিরোধীদল বলতে মুলত ডেমক্রেটিক ইউনিটি রাউন্ডটেবিলই উল্লেখযোগ্য, এটি বিভিন্ন বাম এবং মধ্যডান পন্থিদের নিয়ে তৈরি করা একটি জোট। তবে অনেক ভেনেজুয়েলান এই জোটকে বিশ্বাস করেনা, কারণ এখানে সেই সব ব্যক্তিরাও আছে যারা সেই সময় সক্রিয় রাজনীতি করত যখন দারিদ্র ছিল অসহনীয় মাত্রায় আর জনগণের বিশাল অংশকে বিতাড়িত করা হয়েছিল।

এই জোট এমন অনেক রাজনৈতিক দলকে একত্র করেছে যারা এক সময় একে অপরের সাথে সংঘর্ষে জড়িত ছিল, তবে একত্র হলেও এখনও তাদের মধ্যে রয়েছে ক্ষমতার লড়াই, মতাদর্শিক মতবিরোধ এবং কর্মপন্থার অমিল। তাছাড়া সাম্প্রতিক প্রতিবাদগুলোতে দেখা গেছে প্রতিবাদকারীরা একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিত্ব করছেনা। বরং তাদের মধ্যে অনেকে কোন একটি নির্দিষ্ট বিরোধীদলীয় অংশের প্রতিনিধিত্ব করছে আর অন্যেরা সাধারন গণতান্ত্রিক নীতি এবং অর্থনৈতিক অধিকারের কথা বলছে।

একটি পতনমুখী অর্থনীতি এবং খাদ্য সঙ্কট

রাজনীতি ভেনেজুয়েলানদের জীবনের প্রতিটি অংশেই প্রভাব বিস্তার করছে তবে মানুষের প্রধান প্রয়োজনটি মুলত অর্থনীতির উপর নির্ভরশীল।

মাডুরোর প্রশাসন একটি গভীর অর্থনৈতিক সঙ্কটের মধ্যে পরেছে। দেশটির প্রধান আয়ের উৎস হল তেল, কিন্তু গত কয়েক বছরে তেলের দাম কমে গেছে, আর প্রশাসন এই লোকসানের কোন ক্ষতিপূরণ দিতে পারেনি। ২০১৪ সালে ভেনেজুয়েলার মুদ্রাস্ফীতির হার ছিল ৫০%, যা ২০১৬ তে এসে ৮০০% এ ঠেকেছে। এদিকে মুল্য নিয়ন্ত্রণে না থাকায় পন্য সরবরাহে ঘাটতি হচ্ছে। সরকার যদিও সাধারণ পন্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করে তবে কালো বাজারিদের মুল্যের উপর অত্যন্ত শক্তিশালী প্রভাব রয়েছে। কয়েক দিনের ব্যবধানে সাধারণ পন্যের মুল্য আকাশচুম্বি হতে পারে আর জাতীয় মুদ্রা একই হারে দুর্বল হয়ে যায়।

সাধারণ ভেনেজুয়েলানদের জন্য এর অর্থ হল ক্ষুধা আর খাদ্যাভাব। সুপার মার্কেটগুলোর ভিতরে ও বাইরে লম্বা লাইন আর সিমান্ত পার হয়ে কলম্বিয়া থেকে খাদ্য সংগ্রহ করা দেখলেই বোঝা যায় খাদ্য সঙ্কট কি আকার ধারণ করেছে।

খাদ্য সঙ্কটের কোন চুড়ান্ত সমাধান না হওয়ায় এখন খাদ্য লুট হচ্ছে এবং ভেনেজুয়েলানদের দৈনিক খাদ্যাভ্যাসে একটি স্পষ্ট পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে।

দেশের কিছু অঞ্চলে দুর্ভিক্ষের সম্ভাবনাকে সরকার এবং কিছু গণমাধ্যম সম্পুর্ণ অস্বীকার করে এবং আরো বলে যে এগুলো সরকারের বিরুদ্ধে প্রচারণা।

যাহোক, কিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বলে যে তথ্যের অভাবে সমস্যা কতটা গুরুতর তা নির্ণয় করা যাচ্ছেনা। গত কয়েক বছরে দারিদ্র্য এবং অর্থনৈতিক সঙ্কট গুরুতর অবস্থা ধারণ করেছে তবে ভেনেজুয়েলান কর্তৃপক্ষ হালনাগাদ তথ্য উপস্থাপন করছেনা।

গণমাধ্যম এবং তথ্য অধিকার

ভেনেজুয়েলানদের জন্যে তাদের দেশে যা কিছু ঘটছে তার সব কিছু জানতে পারাটা বেশ কঠিন।

সরকার গণমাধ্যমের উপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করায় এখানে তথ্য অধিকার সম্পুর্ণ হুমকির মুখে। আর এই অবস্থার উন্নয়ন অত্যন্ত কঠিন কারণ ভেনেজুয়েলার ইন্টারনেট সংযোগ এই অঞ্চলের মধ্যে সবচেয়ে ধীরগতির এবং নিরাপত্তাহীন।

যেখানে গণমাধ্যম গুজব ছড়ানোর দায়ে অভিযুক্ত এবং রাজনৈতিক আগ্রাসনের শিকার সেখানে নাগরিক মাধ্যম হল বিভিন্ন প্রতিবাদ ও সংঘাতের তথ্য পাবার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উৎস। এমনকি যেসব ওয়েবসাইট দেশের চলমান অর্থনৈতিক অবস্থা এবং বৈদেশিক মুদ্রার সল্পতা নিয়ে প্রতিবেদন করেছে তারাও রাজনৈতিক বিভাজনের শিকার হয়েছে।

স্বাস্থ্য সমস্যা, সহিংসতা এবং তৃনমূল প্রতিষ্ঠানের সাহায্যের চেষ্টা

দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলোতে এখন যে বিষয়টি নিয়ে সবচেয়ে বেশী বিতর্ক হচ্ছে তা হল ভেনেজুয়েলার স্বাস্থ্য সঙ্কট

ওষুধ পত্রের অভাব, দুর্বল চিকিৎসা ব্যবস্থা আর তার সাথে আঞ্চলিক আদিবাসীদের প্রান্তিকীকরণ একটি ভয়ংকর পরিস্থিতির জন্ম দিয়েছে। তাই ভেনেজুয়েলানরা এখন তাদের প্রয়োজনীয় ওষুধ সামগ্রীর জন্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং অন্যান্যদের শরণাপন্ন হচ্ছে

সহিংসতাও গত এক দশকে অত্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। ভেনেজুয়েলায় নিহতের মাত্রা পৃথিবীতে অন্যতমগুলোর একটি। সমস্যা হল ভেনেজুয়েলানরা, বিশেষ করে যারা শহরের বস্তিতে থাকে তারা বিভিন্ন অপরাধী চক্রের শরণাপন্ন হচ্ছে।

এই সহিংসতা কমিয়ে আনার জন্য গ্রাসরুট নামক একটি প্রতিষ্ঠান তাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছে। সহিংসতা নিবারণ এবং জনগণের মধ্যে শান্তি ফিরিয়ে আনার জন্যে মি কনভাইভ নামে একটি দল গত ছয় বছর ধরে কারাকাসে বিভিন্ন কর্মসুচির আয়োজন করছে।

Niños jugando libres en la calle, cantando y riendo, dueños de los espacios, así como lo mostramos en este video queremos que suceda en cada comunidad de Caracas y del país.
Nuestro objetivo es la disminución al mínimo de la violencia a través de la prevención, creando una ciudad de la convivencia.

 

ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা স্বাধীনভাবে তাদের নিজেদের মত খেলছে, নাচছে এবং গাইছে। এই ভিডিওতে আমরা যা দেখছি তা আমরা কারাকাসের সব সম্প্রদায় এমনকি পুরো দেশে দেখতে চাই। আমাদের লক্ষ্য হল সহিংসতা কমিয়ে এমন একটি নগর তৈরি করা যেখানে সকলে শান্তিপুর্ণভাবে সহ অবস্থান করবে।

পরিস্থিতি উন্নয়নের এমন অনেক উদ্যোগ নেয়ার পরও কোঠর বাস্তবতা স্রোতের মত ভেনেজুয়েলনদের দেশ ছাড়তে বাধ্য করছে। অপরদিকে প্রতিটি রাজনৈতিক পক্ষ শুধু একে অপরকে দোষারোপ করে যাচ্ছে যার ফলে পরিস্থিতি আরো গুরুতর আকার ধারণ করছে।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .