বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

কি ভাবে এক রুশ সাংবাদিক একটি চেচেন বিবাহকে নস্যাৎ করল

Dustin Hoffman's character crashes the wedding of Elaine Robinson in the 1967 classic film "The Graduate." Image from YouTube, edited by Kevin Rothrock.

১৯৬৭ সালের ক্লাসিক চলচ্চিত্র “দি গ্রাজুয়েট”-এ ডাস্টিন হফম্যানের চরিত্র এলাইনে রবিনসনের বিয়ের অনুষ্ঠান নস্যাৎ করে দেয়। ছবি ইউটিউব থেকে নেওয়া, সম্পাদনা করেছে কেভিন রুথরক-এর।

নোভায়া গাজেতার এক অনুসন্ধানী সাংবাদিক এলেনা মিলাশিনা, যখন ফেসবুকে চেচনিয়ার এক ছিনতাই প্রচেষ্টার–এর বিরুদ্ধে কথা বলে উঠেন, তখন সে সম্ভবত আশা করতে পারেনি যে তার এই বিষয়টি উক্ত প্রজাতন্ত্রের জন্য হতে যাচ্ছে প্রথম সফল মাঠ পর্যায়ের প্রচারণা।
মিলাশিনা, সম্প্রতি চেচনিয়ার নোজহি ইয়ার্ট জেলার বাইতারকি গ্রামের এক ১৭ বছরের বালিকা হেডা গোইলাবিয়েভার যোগাযোগ করে। গোইলাবিয়েভা, মিলাশিনাকে জানায় যে চেচেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ প্রাপ্ত বাইতারকির গ্রামপ্রধান ৫৭ বছর বয়স্ক নাজহুদ গুচিগভ তাকে বিয়ে করতে চায়। যদিও এই বিষয়ে এক পরিষ্কার ইঙ্গিত রয়েছে যে, উক্ত বালিকা এবং তার পরিবারকে কাছে বিয়ের এই প্রস্তাব গ্রহণযোগ্য নয়, তবে গুচিগভ এই কাজে সফল হওয়ার জন্য অবিরাম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।:

…выставил посты по всему селу, чтобы родители, наотрез отказавшиеся выдавать дочь за человека, которому она годится во внучки, не увезли ее подальше от престарелого жениха.

…গুচিগফ সারা গ্রাম জুড়ে পাহারা বসিয়েছে, যাতে তার হবু বধুর পিতামাতা তার কনেকে নিয়ে গ্রাম থেকে পালিয়ে যেতে না পারে, যে কন্যার পিতামাতা বারংবার তাদের মেয়েকে এমন এক পুরুষের হাতে তুলে দিতে অস্বীকার করেছে যে কিনা তার দাদার বয়সী।

দৃশ্যত গুচিগভ বালিকার পিতামাতাকে এক চূড়ান্ত সময়সীমা বেঁধে দেয়; সে বলে ২মে তারিখের মধ্যে মেয়েটিকে তার হাতে তুলে না দিলে সে জোর করে মেয়েটিকে উঠিয়ে নিয়ে যাবে।

হেডা গোইলাবিয়েভা, বয়স ১৭ এবং নাজহুদ গুচিগভ, বয়স ৫৭, ছবি নোভাইয়া গাজেতা-এর

গুচিগভের এই চ্যালেঞ্জের কারণে কোন গ্রামবাসী এবং মেয়েটির পরিবার যৌক্তিক কারণে শঙ্কিত, যারা প্রকাশ্যে এক সরকার কর্মকর্তা প্রতিরোধ করার কথা ভেবে আতঙ্কিত। মিলাশিনা সংবাদ প্রদান করেছে যে হেডার বন্ধুরা তাকে সাহায্য করার চেষ্টা করছে ইনস্টাগ্রামে চেচেন নেতা কাদিরভকে এই ঘটনা উল্লেখ করার মাধ্যমে, যেখানে চেচেন এই নেতা অত্যন্ত সক্রিয়। কাভাকাজ সেন্টার নামের এক ওয়েব সাইট তাদের এক বার্তার লিঙ্কের স্ক্রিনশট প্রদান করেছে (যা চেচেন ভাষায় লেখা), কিন্তু মনে হচ্ছে মূল ইনস্টাগ্রাম পোষ্টটি মুছে ফেলা হয়েছে, ধারণা করা হচ্ছে সাধারণ মানুষের কাছে যাতে চেচনিয়ার সুন্দর ভাবমূর্তি বজায় থাকে তারই অনুপ্রেরণায় এই কাজ করা হয়েছে।

মিলাশিনা এই ঘটনা সম্বন্ধে নোভায়া গাজেতায় এক কাহিনী লিখেছে, যা সে আবার তার ফেসবুক পাতায় পুনরায় পোষ্ট করে, ইকো অফ মস্কো এবং টিভি রেইনে কর্মরত তার সহ সাংবাদিকের কাছে সে আবেদন জানায়, যাতে এই কাহিনীটি তারা সবার সামনে তুলে ধরে। সে বলেছে :

Не только мы читаем инстаграмы чеченской власти. Чеченская власть читает с такой же активностью – нас. Времени на официальные запросы (из-за праздника и даты ультиматума) нет, хотя их я тоже сегодня пошлю. Пожалуйста, распространите информацию, если есть такая возможность.
Это единственное, что может помочь 17-летней Хеде.

আমরা চেচেন নেতার ইনস্টাগ্রাম একাউন্ট পাঠ করেছি, কিন্তু চেচেন নেতাররাও সেই একই ধরনের আগ্রহ নিয়ে আমাদের লেখা পাঠ করেছে। এখন আনুষ্ঠানিক কোন তদন্তের সময় নেই (কারণ মে মাসের ছুটি এবং চূড়ান্ত সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার কারণে), যদিও আমি যথারীতি আজ তাদের কাছে একটি লেখা পাঠিয়ে দেব। তবে দয়া করে, যদি আপনারা পারেন, তাহলে এই তথ্যটি তুলে ধরুন, এটি হচ্ছে একমাত্র উপায় যা ১৭ বছরের হেডাকে সাহায্য করতে পারবে।

ইকো অফ মস্কো, মিলাশিনার প্রবন্ধটি পুনরায় প্রকাশ করেছে

এই সকল তথ্যের প্রতি মনোযোগ আকর্ষণ করা হয়েছে যে রামজান কাদিরভ মূলত ২০১০ সাল থেকে কণে অপহরণ প্রথা এবং ২০১২ সালে অপ্রাপ্তবয়স্ক বিয়ে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। মিলাশিনা এই বিষয়ের প্রতি জোর দিয়েছেন যে গুচিগভের এই হুমকি, চেচেন নেতার চাওয়ার বিরুদ্ধে যায়।

৩০ এপ্রিল তারিখে, স্যোশাল মিডিয়ায় এই প্রচারণা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পর মিলাশিনা ফেসবুকে সংবাদ প্রদান করে যে অবশেষে সে টেলিফোনে গুচিগভের সাথে যোগাযোগ করতে সক্ষম হয়েছেন। সে অপহরণ করার ইচ্ছে পোষণ করা এই ব্যক্তির কথা বলতে সক্ষম হয় যে এই ঘটনায় তার ভূমিকার কথা অস্বীকার করেছে। গুচিগভ উল্লেখ করে যে ইতোমধ্যে তার ঘরে এক বিবি রয়েছে এবং তার আর কোন দ্বিতীয় স্ত্রীর দরকার নেই।

অবশেষে মিলাশিনা এই সংবাদটি নিশ্চিত করেছে যে বিয়ে বাতিল করা হয়েছে, মিলাশিনা এই ঘটনায় সর্বশেষ যে সংবাদ প্রদান করেছে, যেখানে লেখা রয়েছে :

Обновлено 18:00 (мск). Свадьбы не будет.

সর্বশেষ সংবাদ, সন্ধ্যা ছয়টা (মস্কো সময় অনুসারে)। এই বিয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে না।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .