বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

মেক্সিকোর নাগরিকরা আয়তজিনাপায় নিখোঁজ ব্যক্তিদের জন্য নাটক প্রদর্শন করছে এবং ছবি আঁকছে

Retratos

মেক্সিকোর অনেক শিল্পীর জন্য, আয়তজিনাপার শহুরে শিক্ষক মহাবিদ্যালয়ের ৪৩ জন ছাত্রের নিখোঁজ হয়ে যাওয়া তাদের কাজের এক অপরিহার্য উপাদান হয়ে উঠেছে। যেমন, আঁকিয়ে এবং গ্রাফিক শিল্পীরা বেশ কিছু প্রতিকৃতি এঁকেছে যা #ইলাস্ট্রেটরউইথআয়তজিনাপা (আয়তজিনাপার অঙ্কনশিল্প) হ্যাশট্যাগের মাধ্যমে ল্যাটিন আমেরিকার ব্লগ পরিমণ্ডলে অনেক বার ছড়ানো হয়েছে।

ভালেরিয়া গাল্লো নামের এক শিল্পী প্রথম এই উদ্যোগ গ্রহণ করে এবং নিখোঁজ ছাত্রদের যাতে আরো কাছাকাছি পৌছানো যায় সেই লক্ষ্যে এদের প্রতিকৃতি আঙ্কনের মধ্যে দিয়ে অন্য অনেক শিল্পী এতে যোগ দেয়। মুয়েসোগ্রাফো.কম-কে প্রদান করা এক সাক্ষাৎকারে গাল্লো জানান কি ভাবে বিষয়টি শুরু হয়েছিল।

Se me ocurrió que dibujar a los estudiantes nos acercaría un poco más a ellos, y le conté mi idea a algunos colegas. Empezamos a retratarlos y a subir las ilustraciones a Facebook y a Twitter con el hashtag #IlustradoresConAyotzinapa. El mismo día mi pareja, Alfonso Ochoa, creó el blog en Tumblr.

আমার ক্ষেত্রে বিষয়টি এভাবে ঘটেছিল যে ভেবেছিলাম নিখোঁজ এইসব ছাত্রদের ছবি আঁকার ফলে তা তাদেরকে খানিকটা আমাদের কাছে নিয়ে আসবে, আর আমি আমার কয়েকজন সহকর্মীকে আমার এই চিন্তাটা তুলে ধরি। আমরা এই সমস্ত ছাত্রের ছবি আঁকতে শুরু করলাম এবং #ইলাস্ট্রেটরউইথআয়তজিনাপা হ্যাশট্যাগের মাধ্যমে অঙ্কিত এই সকল ছবি ফেসবুক এবং টুইটারে প্রদান করতে শুরু করলাম। একই দিনে আমার ছেলে বন্ধু আলফান্সো ওচাও টাম্বলারে একটি ব্লগ তৈরী করল

ন্যাশনাল স্কুল অফ ড্রামাটিক আর্টস (ইনাট) এবং সোনারা ইউনিভার্সিটি অফ পারফর্মিং আর্টস (ইউনিসন)-এর ছাত্ররাও তাদের কিছু নাটক এই সকল ছাত্রদের প্রতি উৎসর্গ করেছে, এমনকি তদন্তে এই সংবাদ প্রদান করার আগে যে সম্ভবত ছাত্ররা আর বেঁচে নেই, এটি এমন একটি বিষয় যা এখনো নিশ্চিত নয়। এই প্রতিকৃতি অঙ্কন উদ্যোগের সাথে বাকী দুটি কাজের মিল হচ্ছে, ছাত্রদের আরো বেশী মানবিক করে তোলা এবং ৪৩ একটি সংখ্যা এমন ভাবনার চেয়ে আরো এগিয়ে যাওয়া, যে সংখ্যাটি এই বেদনাদায়ক ঘটনায় সারা মেক্সিকো জুড়ে ক্ষোভ প্রকাশের জন্য বেছে নেওয়া আন্দোলনের কেন্দ্রে ছিল।

এক নাটকে, ইউনিসনের অভিনেতারা প্রতিটি ছাত্রের নাম উচ্চারণ করছে।

 

একই ভাবে ইনাট-এর এক নাটকে অভিনেতারা ছাত্রদের নাম এবং বয়স স্মরণ করছে।

অতি সম্প্রতি ইনাট আরেকটি নাটক প্রদর্শন করে যা মেক্সিকো এবং সারা বিশ্বের সামাজিক মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে প্রদর্শিত হয়:

মূল ভিডিওটি ফেসবুকে পোস্ট করা হয়েছিল এবং অনেক ব্যবহারকারীর এতে মন্তব্য করতে মনোযোগী হয়, যারা এই নাটক ব্যাখ্যা করে এবং তাদের ভাবনা তুলে ধরে। হুয়ান গার্সিয়া:

El mensaje que yo me llevo es que: los zapatos representan a personas que han muerto por alzar la voz a la opresión y los chicos, representan a la población general que intentan hacer cambios pero son ejecutados o intimidados con la sangre de otros por un gobierno que utiliza el terrorismo para someter a la población. Hablando de México, debemos despertar y dejar atrás esa estúpida idea de que “Peña [Nieto, el presidente de la República] es el culpable de todo” y de que “estaríamos mejor con obrador” por que déjenme decirles, señores, que los dos son seres viles, indecentes, e inadecuados para gobernar un país. México, despierta y date cuenta que, como este video muestra, la población es la mayoría y si dejáramos atrás el miedo y si nos pudiéramos organizar, podríamos lograr un cambio verdadero. […] La culpa no es del gobierno sino del pueblo que sigue ciegamente [al primero] que les regale una torta, una tarjeta de regalo, o que les hable de su adorada “morena”. Que lástima me da por todas la víctimas hasta ahora, pero me da más lastima aún ver cómo el pueblo desesperado y poco educado se une a las filas de otro […] partidista que solo ha trabajado incansablemente para llegar al poder y que garantiza perpetuar el ciclo de opresión.

আমার ভেতরে যে বার্তা আমি বয়ে নিয়ে বেড়াচ্ছি তা হল দমনের বিরুদ্ধে তাদের আওয়াজ তুলতে গিয়ে যারা নিহত হয়েছে সেই সকল ব্যক্তির জুতা তাদের প্রতিনিধিত্ব করছে, আবার এই কিশোরেরা সাধারণ জনতার প্রতিনিধিত্ব করছে যারা পরিবর্তন আনতে সচেষ্ট কিন্তু তাদের মেরে ফেলা হচ্ছে অথবা ভয় দেখানো হচ্ছে অন্যের রক্ত দেখিয়ে, আর তা করছে এমন এক সরকার যারা জনতাকে দমন করার জন্য সন্ত্রাসবাদের আশ্রয় নিচ্ছে। মেক্সিকোর বিষয়ে কথা বলতে গেলে, আমাদের অবশ্য জেগে উঠতে হবে এই সমস্ত মূর্খের মত ভাবনা বাদ দিতে হবে যে পেনাকে [নিয়েটো, প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপতি] সকল কিছুর জন্য অভিযুক্ত করা হবে এবং আমরা হয়ত আরো ভাল থাকতাম যদি অব্রাদোরের [২০১২ সালে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী আন্দ্রেস ম্যানুয়েল লোপেজ] হাতে ক্ষমতা থাকত, ভদ্রমহিলা এবং মহোদয়গণ আপনাদের জানাই, উভয় বাজে, ইতর মানুষ, যারা একটি রাষ্ট্র পরিচালনায় যথেষ্ট দক্ষ নয়। মেক্সিকো, জেগে ওঠ এবং উপলব্ধি কর, যেমনটা এই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, জনগণই সংখ্যাগরিষ্ঠ এবং যদি আমরা ভয়কে পেছনে ফেলে আসি এবং আমাদের সংগঠিত করতে পারি, তাহলে আমারা সত্যিকারের এক পার্থক্য গড়ে তুলতে পারব […]। কেবল সরকারকে দোষারোপ করলেই চলবে না, তার বদলে সেই সমস্ত নাগরিক এতে দোষী যারা অন্ধভাবে সরকারকে অনুসরণ করে, তাদের প্রতি এক আচরণ করে, এক উপহার কার্ড প্রদান করে, অথবা যে ব্যক্তি এদের সাথে তাদের” কৃষ্ণ কুমারী মেরির” উপাসনা নিয়ে কথা বলে। এখন পর্যন্ত আমি এই ঘটনার শিকার সকলের জন্য এমনই বেদনা অনুভব করছি, কিন্তু আমি আরো বেশী বেদনার্ত এখনো এই বিষয়টি দেখার জন্য যে মরিয়া এবং অশিক্ষিতের অন্য দলের ভিন্ন পদে যোগ দিচ্ছে,[…] যারা শুধুমাত্র বিরামহীন ভাবে কাজ করে যাচ্ছে যাতে তারা বেড়ে উঠে ক্ষমতার জন্য এবং নিপীড়ন চক্রের এক অশুভ শক্তি হবার বিষয়টি নিশ্চিত হয়।

এই সকল ছাত্রদের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা নিয়ে গ্লোবাল ভয়েসেস-এর বিশেষ সংবাদ পাঠ করুন।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .