বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

নাচ আর ঢাকের শব্দে শুরু হলো আর্জেন্টিনার ‘কার্নিভাল অব দ্য কান্ট্রি

[উল্লেখ ব্যতীত সবগুলো লিংকই স্প্যানিশ ভাষার]

আর্জেন্টিনার সবচে’ জনপ্রিয় উত্সব হলো “কার্নিভাল অব দ্য কান্ট্রি”। রাজধানী বুয়েন্স আয়ার্স থেকে ২৩০ কিলোমিটার দূরের শহর গুয়ালেগুয়াইচু শহরে উৎসবটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

নোটাস দ্য আন ভিয়াজি পার্টিকুলার ব্লগে সেরিল তার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন:  

…al ritmo de tambores, alegría y colores se llevo acabo el ultimo fin de semana del “Carnaval del País”, el mas importante de Argentina en Gualeguaychu, Entre Ríos. Es una fiesta contagiosa, que sorprende con sus impresionantes carros alegóricos, cuerpos esculturales y sonrisas interminables, la gente no para de bailar y festejar… 

…ঢাকের তাল, আনন্দমুখর বর্ণিল পরিবেশের মধ্যে দিয়ে শুরু হয়েছে ‘কার্নিভাল অব দ্য কান্ট্রি'। আর্জেন্টিনার এন্ট্রে রিওস প্রদেশের গুয়ালেগুয়াইচু শহরে এটি উদযাপিত হচ্ছে। আকর্ষণীয় ঘোড়ার গাড়ি, ভাস্কর্যের শরীর আর অনাবিল হাসি-তামাশা দেখে দর্শকরাও নিশ্চুপ থাকতে পারেন না। উদযাপনের আনন্দ তাদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়ে। তারাও যোগ দেন নাচে, উদযাপন উৎসবে…

স্বৈরশাসকের আমলে আর্জেন্টিনায় এই উত্সব নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। তবে সেটা বন্ধ করা যায়নি। দীর্ঘদিন ধরে এই শহরে উত্সবটি আয়োজিত হচ্ছে। কর্সোড্রম চত্বরে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে গুয়ালেগুয়াইচু বছরের পর বছর চমক দেখিয়ে আসছে।

জানুয়ারির ৪ তারিখে শুরু হওয়া উত্সবে এবার হাজার হাজার পর্যটক যোগ দিয়েছেন। উৎসব চলবে প্রতি শনিবার করে মার্চের এক তারিখ পর্যন্ত।

এল ভেস্টিডিটো নেগ্র ব্লগ ২০১২ সালের কিছু ছবি প্রকাশ করেছে:

Imagen del blog El Vestidito Negro bajo licencia (CC BY-ND 3.0)

এল ভেস্টিডিটো নেগ্র ব্লগ থেকে ছবি নেয়া হয়েছে। ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্সের (সিসি বিওয়াই-এনডি ৩.০) আওতায় প্রকাশিত।

Imagen del blog El Vestidito Negro bajo licencia (CC BY-ND 3.0)

এল ভেস্টিডিটো নেগ্র ব্লগ থেকে ছবি নেয়া হয়েছে। ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্সের (সিসি বিওয়াই-এনডি ৩.০) আওতায় প্রকাশিত।

এ বছর উৎসবে কী কী থাকছে সেটাই শেয়ার করেছে রেভ্যুলুশন মিডিয়া:

গ্যাবো পর এল মুনডো উৎসবের কিছু ছবি পোস্ট করেছেন। তাছাড়া গুয়ালেগুয়াইচুতে কীভাবে যাওয়া যাবে, কোথায় থাকা যাবে, সে বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন।   

আমেলিয়া ম্যাকগোল্ডরিক তার ফটোগ্রাফি ব্লগে উৎসবের পাশাপাশি পর্যটক হিসেবে শহরের যেখানে যেখানে ঘুরেছেন, সেসবের ছবি পোস্ট করেছেন।

এদিকে কার্নিভালে অংশগ্রহণকারীরা প্রচণ্ড শব্দদূষণ করছে, এমন অভিযোগ এনেছে প্রতিবেশীরা। এল দিয়া অনলাইন ব্যাখ্যা দিয়েছে:  

Las calles fueron el centro de diversión y de libre albedrío de alrededor de 90 mil personas que coparon la ciudad. Literalmente no cabía un alma más y sin embargo seguían entrando más y más vehículos.

Pero cuando decimos libre albedrío no lo hacemos por el solo hecho de utilizar un término que puede sonar fuerte, sino que fue la sensación que tuvieron muchos vecinos que prefirieron casi encerrarse en sus casas o, aquellos que tenían un poco más de suerte, mudarse momentáneamente de los barrios turísticos para estar más tranquilos en otros puntos de la ciudad.

রাস্তা হয়ে যায় জনতার বিনোদন কেন্দ্র। তারা যা খুশি তাই করতে মেতে উঠেন। প্রায় ৯০ হাজার মানুষের ভার সইতে হয় শহরকে। আক্ষরিক অর্থে আপনি যেমন একের অধিক আত্মা মানিয়ে নিতে পারেন না, তারপর মানুষ এবং গাড়ি আসতেই আছে।

আমরা যখন যা ইচ্ছা তাই করার কথা বলি, তার মানে আমরা আপনাকে বলি না যে, প্রচণ্ড জোরে শব্দ করুন। এর ফলে আমাদের অনেক প্রতিবেশী ঘরের মধ্যে থাকতেই পছন্দ করেন। তবে যারা বেশি ভাগ্যবান তারা শহর ছেড়ে আশেপাশে চলে যান। সেখানে তারা শান্তিমতো দুদণ্ড সময় কাটাতে পারেন।

উত্সব শুরুর সময়ে কম্পারসাস কঙ্গো ব্যান্ড ঢাক বাজায়, নাচ শুরু হয়ে যায়, বর্ণিল হয়ে উঠে চারপাশ। আর পর্যটকরা আরো একটি বছর “কার্নিভাল অব দ্য কান্ট্রি” উত্সবে মেতে উঠেন।

থ্রিকেটোডোনোটিসিয়াস থেকে ইউটিউব ভিডিওটি নেয়া হয়েছে।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .