বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

স্প্যানিশ ভাষী ব্লগাররা জাপানের ভূমিকম্পের ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন

গত ১১ই মার্চ তারিখে ৮.৯ মাত্রার যে ভূমিকম্প জাপানকে নাড়িয়ে দিয়েছিল সারা বিশ্বব্যাপী স্প্যানিশ ভাষী ব্লগাররা তার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।

ছবি রোবের্তো ম্যাক্সওয়েল এর সৌজন্যে (সিসি বাই – এনসি – এস এ ২.০)

ব্লগ রেকুর্সোস দে আটুয়াভেদা ( নিজ সাহায্যকারী যন্ত্র) জাপানীদের প্রতিক্রিয়ার উপরে মন্তব্য করেছেনঃ

Hay algo que me llama la atención de los japoneses tras semejante desgracia: la dignidad y calma con la que interiorizan el dolor. Se aferran a su código interno de conducta (disciplina y orden) y se ponen manos a la obra para salir adelante. Es un pueblo que durante milenios ha estudiado como canalizar su energía interior (el Chi) y por naturaleza son muy introspectivos. Esto se nota en la reacción de Japón tras el terremoto. [El énfasis es del autor]

জাপানী যারা এমন বড় মাপের দুর্যোগের ভিতর দিয়ে এসেছেন তাদেরকে দেখলে একটা জিনিষ যা আমাকে নাড়া দেয় তা হলো: যে সম্ভ্রম আর শান্ত হয়ে তারা তাদের কষ্টকে আত্মস্থ করে। তারা তাদের চিরন্তন ব্যবহারিক ধারাকে আঁকড়িয়ে ধরে (নিয়মানুবর্তিতা আর নিয়ম) আর তারা তাদের কাধকে চাকার সাথে লাগিয়ে চলেছেন এগিয়ে যাওয়ার জন্য। এটা একটা জনগোষ্ঠী যারা শিখেছেন তাদের অভ্যন্তরীন শক্তিকে চালিত করতে শতক ধরে, আর যা তার চরিত্র অনুসারে অন্তর্দৃষ্টিতে দেখা যায়। এইসব গুণাবলী ভূমিকম্পে জাপানের প্রতিক্রিয়াতে দেখা যায়।

নোরা তার ব্লগ উনা জাপানোসা এন জাপোন (জাপানে একটা জাপানী মেয়ে) এ গত কয়েক দিনে তিনি কি বোধ করেছেন তা তুলে ধরেছেন আর গতানুগতিক মিডিয়ার সংবাদ আর বাস্তবতার মধ্যে পার্থক্যের ব্যপারে তার মতামত জানিয়েছেন:

Los que vivimos en Tokyo y los alrededores, sentimos el terremoto y lo pasamos mal, muy mal, pero hay gente que quiere transmitir lo que no es, que confunde la situación de las ciudades verdaderamente afectadas con la tranquilidad que hay en la capital. La situación en Tokyo no es del todo normal, siguen las réplicas, tenemos cortes de luz, los trenes funcionan en horarios determinados para ahorrar energía, pero no es lo que dice la prensa amarillista ni lo que están transmitiendo algunas personas. Espero que sepan a quién leer y qué leer, y espero que puedan informarse bien.

আমরা যারা টোকিও আর এর আশেপাশের এলাকায় আছি তারা ভূমিকম্পকে অনুভব করেছি, আর আমরা আসলেই ভীত ছিলাম, কিন্তু কিছু মানুষ আসলে যা তার থেকে বাড়িয়ে কিছু বলার চেষ্টা করছেন, যার ফলে যেসব শহর আসলেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তার সাথে রাজধানীর শান্ত পরিস্থিতিকে মিলিয়ে ফেলছেন। টোকিওর পরিস্থিতি সম্পূর্ন স্বাভাবিক না, এখনো কম্পন হচ্ছে, বিদ্যুত চলে যাচ্ছে, কম ট্রেন চলছে এনার্জি বাঁচাতে কিন্তু এটা এমন না যা ট্যাবলয়েড প্রেস আর কিছু মানুষ বলছেন। আমি আশা করি মানুষ জানে কাকে আর কি পড়তে হবে, আর তারা নিজেদের যথাযথভাবে জানাতে পারবে।

ব্লগ নিপোক একটি খোলা চিঠি প্রকাশ করেছে জাপানে থাকা স্প্যানিশ নাগরিকদের নিয়ে।

Somos un grupo de españoles que actualmente está viviendo en Japón, nos hemos propuesto escribir esta carta pública a los medios con la intención de criticar la forma en la que el periodismo está tratando las noticias sobre el terremoto, el tsunami y los posteriores problemas en la central nuclear de Fukushima y Japón en general

আমরা একদল স্প্যানিশ যারা আসলে জাপানে আছি, আর আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি মিডিয়াকে এই খোলা চিঠি লেখার সাংবাদিকদের সমালোচনা করার জন্য যেভাবে তারা ভূমিকম্প, সুনামি আর এর ফলে সৃষ্ট ফুকুসিমা পারমানবিক রিঅ্যাক্টর আর সাধারণভাবে জাপান নিয়ে যে সংবাদ দিয়েছেন সে ব্যাপারে।

জুয়ান ক্রুজ তার ব্লগ মিরা কুই তে লো তেঙ্গো দিচো (আমি তোমাকে হাজার বার বলেছি) পারমাণবিক শক্তি নিয়ে যে বিতর্ক চলছে তা নিয়ে লিখেছেন:

El accidente nuclear que ha venido aparejado a la tremenda consecuencia del seísmo y del tsunami convierte ahora el debate sobre ese tipo de energia en un endiablado conflicto que no se liquidará tan solo con las seguridades científicas acerca del control que se establece sobre los peligros que entrañan estas centrales.

পারমাণবিক যে দূর্ঘটনা ভূমিকম্পের আর সুনামির একই সময়ে যা ঘটেছে এই ধরনের শক্তির ব্যাপারে বিতর্ককে পাল্টিয়ে ফেলে। এটি এখন কাঁটাযুক্ত একটা সংঘাতে পরিণত হয়েছে যা সহজে বাতিল করা যাবেনা যদিও বৈজ্ঞানিকেরা প্রতিশ্রুতি দেন যে এইসকল স্টেশন নিয়ে আশংকা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রনের মধ্যে আছে।

১৯৮৬ সালে ইতিহাসের সব থেকে বড় পারমানবিক দূর্ঘটনা ঘটে ইউক্রেইনের প্রিপায়াতে -চেরনোবিলে। তবে, ৩০০ পরিবার যারা সিদ্ধান্ত নেন তাদের বাড়িতে ফিরে যাওয়ার এবং তারা এখনও সেখানে বাস করছেন। জাপানের ভূমিকম্পের পরে চেরনোবিলের ঘটনা আবার আলোচনায় উঠে এসেছে, যেখানে ফুকুশিমার কাছে পারমানবিক শক্তি কেন্দ্রে আগুনের সম্ভাবনা পারমাণবিক শক্তি নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। সাংবাদিক আল্ভারো কোল্মের মোরেনো তার ব্লগ ফ্রেন্তে আল এস্ক্রিতোরিওতে ২০০৬ সালের এপ্রিলে লা ভাঙ্গার্ডিয়াতে প্রকাশিত একটি রিপোর্ট তুলে ধরেছেন, যেখানে তিনি চেরনোবিলের আর বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে লিখেছেন:

Y, sin embargo, ahí vive gente. Algún tiempo después de que el gobierno decretara la evacuación sin condiciones de los 350.000 soviéticos que vivían en la ‘Zona de Exclusión’, varios centenares de personas decidieron regresar a sus antiguas poblaciones aun a riesgo de perecer a causa de la radiación. En un principio, las autoridades sanitarias prohibieron tal retorno e incluso instalaron una alambrada alrededor del área afectada. Pero la gente se las ingeniaba para regresar a casa y al final, viendo que aquello se convertía en el juego del gato y el ratón, el ejército permitió que esos ciudadanos volvieran a ocupar un territorio a todas luces contaminado.

কিন্তু তারপরেও মানুষ সেখানে বাস করে। যে ‘বিশেষ এলাকা’ থেকে ৩৫০,০০০ জন রুশকে কোন শর্ত ছাড়া সরিয়ে আনার সরকারের নির্দেশ দেয়ার কিছুক্ষন পরে তেজস্ক্রিয়তা থেকে মৃত্যুর সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও বেশ কয়েকশো মানূষ সিদ্ধান্ত নেন তাদের মূল বাসস্থানে ফিরে যাওয়ার। প্রথমে স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষরা ফিরে যেতে নিষেধ করেন আর ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় তারের বেড়াও দিয়ে দেন। কিন্তু মানুষ বাড়ি ফিরতে সক্ষম হয়, আর অবশেষে, এটা বুঝতে পেরে যে এটা ইদুঁর বেড়ালের খেলাতে পরিণত হয়েছে, সেনা বাহিনী তাদেরকে একটা এলাকা দখল করতে দেন যেটা অবশ্যই দূষিত।

পৃথিবীব্যাপী প্রাকৃতিক বিপর্যয় ঘটছে। প্রত্যেক বছর প্রচন্ড আবহাওয়া আমাদেরকে মনে করিয়ে দেয় যে প্রকৃতি বেঁচে আছে। বৃষ্টি, বন্যা, লা নিনা আর এল নিনো জাতীয় জিনিষ, ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরি, টর্নেডো আর হারিক্যান।

প্রতি বছর, বলিভিয়াতে বন্যা হয় ফেব্রুয়ারী মাসের বৃষ্টিতে, আর ২০১১ এর ব্যতিক্রম ছিলনা। ব্রাজিলে, গাব্রিয়েলা বালদেলির মাধ্যমে গ্লোবাল ভয়েসেস আমাদেরকে ২০১১ এর প্রথম দিকের ঘটনা জানিয়েছে। আর্জেন্টিনার সান্তিয়েগো দেল এস্তেরো প্রদেশে প্রকৃতি আক্রমন করে বন্যা আর ধ্বস দিয়ে যা ব্লগ নো কুয়েরেমোস ইনুন্দারনোস ( আমরা প্লাবিত হতে চাইনা) জানিয়েছে। এ্টি একদল লোক তৈরি করেছেন এইসকল প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের বিরুদ্ধে শক্তি সঞ্চয় করার জন্যে।

ঘরে একটি শিশু- ছবি লরা স্নাইডার এর সৌজন্যে

বিশ্বব্যাপি বিভিন্ন দূর্ঘটনার সংবাদ আর অতি সম্প্রতি জাপানেরটি দেখার পরে, যে প্রশ্নটা দেখা যাচ্ছে সেটা হলো: বিপদের সম্মুখিন হয়ে, আপনি কি আপনার বাড়ি ফেলে চলে যাবেন? একই প্রশ্ন করেছেন ওমালাদেদ তার ব্লগ হিস্টোরিয়াস দে লা সিয়েন্সিয়া (বিজ্ঞানের গল্প) যেখানে তিনি ব্যাখ্যা করেছেন তেজস্ক্রিয়তার প্রভাব আর বাড়ি ত্যাগ করার প্রযোজনীয়তা আছে কি না তা নিয়ে:

la probabilidad de contraer cáncer de aquellas personas pasó de ser del 20% al 21,8%. Ahora os traslado la pregunta. Si os dijeran a vosotros que la zona en la que vivís que en lugar de tener un 20% de probabilidades de contraer un cáncer es de un 21,8%, ¿abandonaríais vuestras casas?

ক্যান্সার হওয়ার সম্ভবাবনা ২০% থেকে ২১.৮% বৃদ্ধি পায়। তাই আমি প্রশ্নটা ঘুরিয়ে করবো। যদি আপনাকে বলা হয় যে এলাকায় আপনি বাস করছেন সেখানে আপনার ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা ২০% এর পরিবর্তে ২১.৮% হবে, আপনি কি আপনার বাড়ি ছেড়ে চলে যাবেন?

ছবি রোবের্তো ম্যাক্সওয়েল এর সৌজন্যে (সিসি বাই – এনসি – এস এ ২.০)

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .