বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

ভিডিও: জাতিসংঘ আয়োজিত ভিডিও প্রতিযোগিতার বিজয়ীরা নাগরিক দূতে পরিণত হলেন

আমরা আপনাদের সামনে পাঁচটি ভিডিও তুলে ধরছি যেগুলো জাতিসংঘের এক ভিডিও প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়েছে। এইসব ভিডিওতে বর্ণনা করা হয়েছে, যদি এর নির্মাতাদের সুযোগ দেওয়া হয় তা হলে তারা বিশ্বের নেতাদের কাছে কি কি বলবে। নিউ ইয়র্কে অনুষ্ঠিত জাতি সংঘ দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে এই পাঁচজন ভিডিও ব্লগার তাদের বক্তব্য তুলে ধরার সৌভাগ্য অর্জন করেছিল।

এর আগের এক পোস্টে আমরা ইউএনসিটিজেন এম্বাসাডর (জাতিসংঘের নাগরিক দূত) হবার জন্য এক বিশেষ প্রতিযোগিতার কথা ঘোষণা করেছিলাম। প্রতিযোগিতার বিষয় ছিল ভিডিও নির্মাতা ব্লগাররা সুযোগ পেলে বিশ্ব নেতৃবৃন্দের কাছে কি বলত। এই বিষয়ে তারা তাদের ভিডিও তৈরি করেছিল এবং প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ভিডিও নির্মাতারা ২৩ অক্টোবর জাতি সংঘ দিবসে মহাসচিব বান কি মুনের সাথে সরাসরি কথা বলার সুযোগ পেয়েছে। প্রতিযোগীদের চিহ্নিত করা এবং বেছে নেবার কাজটি সমাধা হয়েছিল ইউটিউবের মাধ্যমে এবং এখানে জাতিসংঘের নিজস্ব চ্যানেলে ভিডিও ঘোষণাটি রয়েছে

যুক্তরাষ্ট্রের এমিলি ট্রাউটমেন, যিনি সম্প্রতি কঙ্গো ম্যাটার ভিডিওর সাথে তার সম্পর্কের কথা লিখেছেন, তিনি জাতিসংঘ ভিডিও প্রতিযোগিতার অন্যতম এক বিজয়ী। এই ভিডিওতে তিনি বলছেন বিশ্ব নেতৃবৃন্দকে অবশ্যই মনে রাখতে হবে, তাদের যে কোন একজন ব্যক্তি একই সময়ে বিশ্বের প্রায় ৬০০ কোটি জনতার প্রতি দায়িত্বশীল:

এই প্রতিযোগিতার আরেকজন বিজয়ী কানাডার জেরিমি ওয়াকার। তিনি জাতি সংঘকে বলছেন প্রতিষ্ঠানটি যেন প্রমাণ করে যে সে বিশ্বের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সক্ষম। প্রতিষ্ঠানটি সেই সমস্ত মানুষদের আশা ফিরিয়ে দেয়, যারা এই সময়ে বিশ্বাস করতে চায় যে এখনো পরিবর্তন সম্ভব:

ব্রাজিলের ব্রেনো কোয়েলহো একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন। এই ভিডিওতে তিনি প্রশ্ন করছেন, পৃথিবীকে উন্নত ও নিরাপদ রাখার জন্য কি কি করা প্রয়োজন। অনেকে এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে, কি ভাবে পৃথিবীকে নিরাপদ করা সম্ভব? সে বিষয়ে ভিডিওর সকলেই তার উত্তর দিচ্ছে অনেক ভালোবাসা দিয়ে এবং লোভ এবং ঘৃণা না করে এই কাজটি করা সম্ভব:

মেক্সিকোর মারিকারমেন অর্টেগা অনেক লোকের কণ্ঠস্বর তার ভিডিওতে ধারণ করেছেন, কিন্তু তিনি ভিন্ন ভিন্ন ভাষায় এগুলো ধারণ করেছেন:

কানাডার ক্রিস্টিনা ম্যাথ্যিউ এক সংক্ষিপ্ত বার্তা তার ভিডিওতে দিয়েছেন। সকলের সমান অধিকার, গ্রহণ যোগ্যতা বা টিকে থাকা ও ন্যায়বিচারের জন্য কি কি প্রয়োজন তা সরাসরি তিনি উল্লেখ করেছেন:

জাতিসংঘ টেলিভিশন তার নিজস্ব চ্যানেল এক ভিডিও রেখে দিয়েছে, যে ভিডিওতে নিউ ইয়র্ক শহরে অনুষ্ঠিত জাতি সংঘ দিবসে এই পাঁচজন সিটিজেন এ্যাম্বাসাডর বা নাগরিক দূতের উপস্থিতির দৃশ্য রয়েছে:

সবাইকে অভিনন্দন!

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .