বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

ভারত: সূর্যগ্রহণ দেখা

জুলাই এর ২২ তারিখে সকাল ৫.২০ থেকে ৭.৪০ এর মধ্যে ভারতে একবিংশ শতকের সব থেকে দীর্ঘ সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে একটা সরু করিডর দিয়ে যা অর্ধেক পৃথিবীর সমান।

সূর্যগ্রহণের পথ সুরাট, ইন্দোর, ভুপাল, বারানাসি আর পাটনা শহরগুলোকে অতিক্রম করবে।

ভারতে এই সূর্যগ্রহণ নিয়ে বিশাল উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। যদিও ভূমিকম্প সতর্কীকরন ব্লগ বলেছে যে গ্রহণ আসলে ভারতে ৪ ধরনের মানুষের কাছে উৎসাহের বিষয়- প্রধানত: জ্যোতিষী, নভোচারী, ধর্মীয় লোক আর নব্য-পর্যটক, কিন্তু মনে হচ্ছে যে উপরের শ্রেনীবিভাগের অন্তত একটাতে ভারতীয়রা নিজেদের খুঁজে নেবে।

হিন্দুদের জন্য, এই গ্রহণ কেবলমাত্র জ্যোতির্বিদ্যার বিষয় না। এটা ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বিশ্বাসের সাথে নিবিড়ভাবে গ্রথিত, গ্রহণের সাথে অনেক কল্পকাহিনী যুক্ত। এস্ট্রোনমি ইন্ডিয়া ব্লগ তাদের কয়েকটিকে অমূলক দেখাতে চেষ্টা করেছেন এখানে

ভ্রমণ আর আতিথীয়তার বানিজ্য এই গ্রহণের সাথে যুক্ত এবং অনেকে এই উৎসাহকে কাজে লাগিয়ে অর্থ উপার্জনের সব ব্যবস্থা করে ফেলেছে। গ্রহণ পথের সব স্থানগুলো এরই মধ্যে শত শত মানুষকে জায়গা করে দেয়ার ব্যবস্থা করেছে যাতে তারা এই গ্রহণ দেখতে পারেন। গুডরীড লিখেছে যে বিহারের তারেগানার মতো ছোট গ্রামও প্রস্তুতি নিয়ে ব্যস্ত নাসা কর্তৃক তালিকাভুক্ত হওয়ার পর থেকে যে এটা খুব ভাল স্থান যেখান থেকে পুরো গ্রহণ দেখা যাবে।

আর গ্রহণ অনুসরণের কথা আসলে, ট্যুর আয়োজকরা অগুণতি অনুরোধ পাচ্ছেন ফ্লাইট চার্টার করার জন্যে যাতে তারা এই ঘটনা মেঘের উপর থেকে দেখতে পারেন। আসলে দেশপরদেশ ইন্ডিয়া বলছে যে গ্রহণ দেখার জন্যে বিশেষ একটি ফ্লাইট আসলেই ঠিক করা হয়েছে। এই সুযোগ পাবার জন্য ভারতীয় রুপি ৭৫০০০ (প্রায় ১৫৬০ আমেরিকান ডলার) খরচ করতে হবে- যা দিল্লী থেকে ৩ ঘন্টার এই যাত্রার জন্যে জানালার ধারের আসনের মূল্য হবে।

ধর্মীয় মনা হিন্দুরা একত্রিত হবেন তীর্থস্থান যেমন বারানাসি, কুরুক্ষেত্র (হরিয়ানা) ইত্যাদি জায়গায় নদীতে স্নান করার জন্য। হরিয়ানার জেলা প্রশাসন আশা করছেন যে ১০ লাখের মতো তীর্থযাত্রী আসবেন আর তীর্থযাত্রীদের কোন ধরনের দূর্ঘটনার বিরুদ্ধে বীমা পলিসি নেয়ার সুযোগ দিচ্ছেন তারা।

যদি আপনি একজন সৌভাগ্যবান মানুষ হন যে এই দূর্লভ দিব্যসুন্দর ঘটনা দেখার জন্যে, দয়া করে চোখকে নিরাপদ রাখার যথেষ্ট সরন্জাম নিয়ে যাবেন।

আনন্দময় অবলোকন!

উপরের সূর্যগ্রহণের ম্যাপ: নাসা/গডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টারের এফ এসপেনাক এবং জে এন্পারসন এর সৌজন্যে

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .