বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া ওবামার জয় উদযাপন করলো

প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হবার পর বরাক ওবামাকে অভিনন্দন! দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার ব্লগাররাও তার জয় আনন্দের সাথে উদযাপন করেছে। বাস্তবতা হচ্ছে ওবামার এই বিজয় অনেক ব্লগারের মনে এই প্রতিচ্ছবি তৈরী করে যে তাদের স্থানীয় রাজনীতিতেও পরিবর্তন প্রয়োজন। এই অঞ্চলের মানুষের দৃষ্টিভঙ্গির কিছু উদাহরণ এখানে তুলে ধরা হল।

রোগ ইকোনমিষ্ট আশা করছে, ব্রুনাইতে হয়ত এবার কিছু পরিবর্তন আসবে:

এটি এখন চুড়ান্ত। এই মুহূর্তে পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী মানুষটি হলেন বারাক ওবামা। বিষয়টি প্রমান করে যে পৃথিবীতে কোন কিছুই অসম্ভব নয়, যদি আমরা তার জন্য কঠোর পরিশ্রম করি (হে ঈশ্বর, ব্রুনাই দেশটির এ রকম একজন প্রয়োজন যে দেশটিতে পরিবর্তন আনতে সক্ষম)।

ক্যাম্বোডিয়া কলিং ওবামাকে স্মরণ করিয়ে দেন তাকে কি চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে:

কেন আমি কৌতুহলী? কারণ সবার চিন্তা ছিল কে বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাশালী দেশের নেতা হচ্ছেন? ওবামার ওপর প্রচন্ড চাপ থাকবে। যদি ওবামা ব্যার্থ হন তাহলে আরেকজন কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট খুঁজে নিতে আমেরিকার লম্বা সময় লেগে যাবে।

রিটার্ন টু রাই কেটাক ব্লগ ওবামার জয়কে পুর্ব তিমুর-এর স্বাধীনতা উদযাপন এর সাথে তুলনা করেছেন:

ওবামার জয়ের সাথে ফোন কল আর ইমেইল আসছিল, অনলাইন চ্যাট বা কথাবার্তা—সবকিছুর মধ্যে একটা ইতিবাচক ভাষা ছিল। ইতিহাস আমাদের তৈরী করে না, আমরা ইতিহাস তৈরী করি। মে ২০, ২০০২ এর পর আমার আর কখনই এরকম অনুভূতি হয়নি। একজন তিমুরবাসী বন্ধু ইমেইলে একই রকম তুলনা করেছিল।

তিমুরের স্বাধীনতার পর বারাক ওবামার জয় ২১ শতকের এক অন্যতম ঘটনা। পরবর্তীতে যা কিছুই ঘটুক, এক মহান অগ্রযাত্রা ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে।

ইন্দোনেশিয়া এনোনিমাস ভাবছেন যে ইন্দোনেশিয়া কি ওবামার মতো কোন প্রার্থীকে ভোট দেবে:

ইন্দোনেশিয়া অবশ্যই অন্য অনেকে দেশের মতো অনেক জাতির একটি দেশ, যারা ওবামার প্রতিক্ষায়। আমরা ওবামাকে ভালোবাসি, এতে কোন সন্দেহ নেই। এখন প্রশ্ন হচ্ছে: যদি আমাদের দেশে কোন ওবামা থাকে। আমরা কি তাকে বের করতে সক্ষম হব? আমরা কি তাকে ভোট দেব?

ইন্দোনেশিয়াতে আমাদের ওবামাকে হতে হবে অর্ধেক ইন্দোনেশিয়ান এবং অর্ধেক চাইনিজ। আমরা বলতে পারি আমাদের ওবামা হবে মধ্য জাভায় অবস্থিত সোলোর জাভানিজ মা ও ইন্দোনেশিয়া-চাইনিজ পিতা, যার পূর্ব পুরুষরা চায়নার ফুজিয়ান প্রদেশ থেকে এসেছে, তাদের সন্তান।

জিজে জার্কাতা লিখছে যে ওবামার উপর পৃথিবীর মানুষের এক বিশাল প্রত্যাশা রয়েছে:

এই মানুষটির জন্য এটি এক বিশাল চাপ। শুধু আমেরিকার মানুষদের নয়, সারা পৃথিবীর মানুষের আশা এখন তার উপর।

বাস্তবতা হচ্ছে এখনো এক অর্থনৈতিক সমস্যা রয়ে গেছে। আমেরিকার অর্থনীতিকে আবার নতুন করে গড়তে হবে। এখনও আমেরিকার অনেক সৈন্য ইরাক ও আফগানিস্থানে মারা যাচ্ছে। হাজার হাজার লোক কর্মহীন। অনেকে তাদের ঘর হারাবে। আমি জানি এই সমস্ত ঘটনা এই ওবামার কারনে ঘটেনি। তিনি এর জন্য দায়ী নন। লোকজন এখন একটা সুখী জীবনের সন্ধানে রয়েছে, তাদের সুখী ভবিষ্যৎের জন্য। কোন অন্ধকার সুড়ঙ্গের শেষে দৃশ্যমান এক উজ্জল আলোর অপেক্ষায়।

মালয়েশিয়া থেকে মহাগুরু৫৮ বিশ্বাস করেন:

আমারেকিানরা নিজেদের উদ্ধার করেছে এমন একজন মানুষকে ভোট দিয়ে যাকে আমরা সকলেই শ্রদ্ধা করি এবং সম্মান জানাই। মনোযোগ দিয়ে তার ভাষণ শুনুন, এই ভাষণ আমাদের এক আশা দেয়। তাঁর উচ্চারিত প্রত্যেকটি শব্দ, তার নি:সৃত প্রত্যেকটি বাক্য আমেরিকার সৎ ইচ্ছা হয়ে ধরা দেয়। আজ, সারা বিশ্ব এক নতুন যুগের সুচনার উৎসবে মেতে উঠছে।

অবনক্সাস ৫এক্সমম এক মালয়েশিয়ান ব্লগার। তিনি যারা ওবামার জয়ে অতি উল্লসিত তাদের উপদেশ দিয়েছেন তারা যেন মালয়েশিয়ার স্থানীয় সমস্যার ক্ষেত্রেও একই ধরনের চিন্তা নিয়ে কাজ করে।

এটার কোন মানে হয় না। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ওবামার জয়ে অনেক মালয়েশিয়ান ব্লগার উহ-আহ করছে। তার খুব মনোযোগ দিয়ে ওবামাকে লিখছে এবং কি ভাবে তিনি আমেরিকা ও বিশ্বের মাঝে পরিবর্তন আনতে পারেন সে সমন্ধে লিখে যাচ্ছে।

এখন আমাদের নিজেদের উঠোন, এই সুন্দর মালয়েশিয়ায় এই রকম কোন কাজ করতে তারা কোনদিনই উৎসাহী হয় না। কেন আমেরিকায় যা হচ্ছে তা নিয়ে এত নাচানাচি, যখন আমরা এমনকি আমাদের নিজেদের দেশে কোন পরিবর্তন আনার চেষ্টা করি না।

কেন আমি দেখি না তারা আমাদের দেশের রাজনীতি নিয়ে প্রশ্ন তোলে না। কেন তারা সে সমস্ত বিষয় নিয়ে উত্তেজিত হয় না যেগুলো আমাদের উপর প্রভাব বিস্তার করে। কেন আমেরিকায় যা হচ্ছে তা নিয়ে এত মাতামাতি যখন আমরা আমাদের দেশের কারো বিরুদ্ধে একটা আঙ্গুলও তুলতে পারি না।

ওবামাকে নির্বাচিত করে আমেরিকা এক বিশাল ব্যাতিক্রমী অর্জন করেছে এটি স্বীকার করে লিম কিট সিয়াং মালয়েশিয়ায় জাতিগত সম্পর্ক উন্নয়ন ও জাতির উন্নয়নে ব্যর্থতা নিয়ে বেদনার্ত হয়েছে:

ওবামার ঐতিহাসিক অর্জন অনেক মালয়েশিয়ানদের মনে এক প্রশ্ন তৈরী করেছে, এটা কি সম্ভব যে একজন চাইনিজ, ভারতীয়, কাদাজান (মালয়েশিয়ার এক ক্ষুদ্র মালয় আদিবাসী জাতি, যারা মূলত খ্রীষ্টান) জাতির কোন একজন কি কোনদিন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী হতে পারবে? যদিও সংবিধানে পরিস্কারভাবে লেখা রয়েছে যে যে কোন মালয়েশিয়ান নাগরিক ধর্ম বা জাতিগত বৈশিষ্টের ঊর্ধ্বে উঠে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী হতে পারে।

যদি এ রকম কোন প্রশ্ন আজ হতে পঞ্চাশ বছর আগে জিজ্ঞেস করা হত তাহলে এই জাতির নির্মাতারা কোন দ্বিধা ছাড়াই বলতেন যে সংবিধানে এ ক্ষেত্রে কোন বাধা নেই।

কিন্তু এখন এই সময়ে যদি একই প্রশ্ন আবার করা যায় তাহলে বেশ কিছু জোরালো কন্ঠ (যখন এই প্রশ্নটি সংসদে উত্থাপিত হয়েছিল) থাকবে যারা এর উত্তর দিবে, না।

কেন মালয়েশিয়ার জাতিগত সম্পর্ক এবং জাতি নির্মাণ পঞ্চাশ বছর আগের তুলনায় পিছিয়ে গেছে, যখন আমেরিকার এই জাতিগত সম্পর্ক আরো জোরালো হয়েছে, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বারাক ওবামার ঐতিহাসিক বিজয়ের মাধ্যমে।

মালয়েশিয়ার রকি ব্রু বারাক ওবামার দিকে কিছু প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছেন:

তিনি কি আমেরিকার অর্থনীতিকে আবার চাঙ্গা করতে পারবেন? তিনি কি গুয়ানতানামো-বে বন্ধ করে দিতে পারবেন? আমেরিকার সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যে পবিত্র যুদ্ধ তিনি কি থামিয়ে দিতে পারবেন? আমার সন্দেহ রয়েছে। কিন্তু তাতে কার কি আসে যায়। আহ? তারা বলছে বুশের পরে যে কেউ আমেরিকার জন্য একজন ভালো প্রেসিডেন্ট হতে পারে, অন্তত ক্ষতিগ্রস্ত বাকী বিশ্বের জন্য।

থাইল্যান্ডে অবিস্থত আমেরিকার দুতাবাস ব্যাংককে এক ছদ্ম নির্বাচন আয়োজন করেছিল। কল্পনা করুন সেই নির্বাচনে কে জয়লাভ করেছিল। হ্যাপী লাইক এ হিপ্পো ব্যাংককবাসীর মনোভাব বর্ণনা করছেন

নির্বাচনের কয়েকদিন আগে থেকে ব্যাংককের থাই টেলিভিশন চ্যানেল ও রেডিও ওবামার সমন্ধে আলাপ করছিল এবং মনে হচ্ছিল তারা পিএডি নামের দলটির প্রতিবাদের কথা ভুলে গিয়েছিল। আমি জানি প্রত্যেকটি থাইবাসী ওবামাকে সমর্থন করে, এমনকি রেডিও জকি ও সংবাদ উপস্থাপকরা ওবামাকে ভালোবাসে। শীঘ্রই আমরা আশা করতে পারি ওবামার আদলে পুতুল এবং তার নামে অন্য খেলনা থাইল্যান্ডের রাস্তায় বিক্রি হতে থাকবে।

সিঙ্গাপুর থেকে ডিকে প্রথমে ডেমেক্রেটিক দল ওবামাকে বেছে নেওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল

আমি স্বীকার করে নিচ্ছি, যখন হিলারীর বদলে ওবামা ডেমেক্রেটিক দলীয় প্রার্থী হলো, তখন আমি খানিকটা চিন্তিত হয়ে পড়ি। আমার মূল ভাবনাটি ছিল সে একজন কৃষ্ণাঙ্গ। আমেরিকানরা এখনও কোন নিগ্রো প্রেসিডেন্টকে মেনে নিবে না। আমি খুশী যে আমি ভুল ভেবেছিলাম। আমি আনন্দিত ওবামা আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছে। যদিও আমরা জানি না তিনি সঠিক ব্যাক্তি কিনা, যিনি আমেরিকাকে সামনে নিয়ে যাবে এবং এক অস্থিরতা থেকে পৃথিবীকে বের করে আনবে। তবে আমরা জানি হোয়াইট হাউসে তার আগমনে অনেক কিছু আগের চেয়ে ভালো হতে পারে।

সিঙ্গাপুরের স্টার্স ইন দ্যা মেকিং ছিল ম্যাককেইনের সমর্থক:

যখন ম্যাককেইন নির্বাচনী প্রচারের সময় তার চুড়ান্ত ভাষণটি দেন তখন আমাদের চোখে পানি চলে আসে। আমার কাছে জন ম্যাককেইন আমেরিকার পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হবার জন্যে বেশী যোগ্য ছিল। পররাষ্ট্র নীতি এবং যুদ্ধে তার অভিজ্ঞতা আমেরিকার ভালো কাজে আসতো। এই অস্থির কঠিন সময়ে তিনি ছিলে আমেরিকা ও সারা বিশ্বের জন্য স্থায়ীত্বের প্রতীক।

কিন্তু আমেরিকার পরিবর্তনের পক্ষে ভোট দিয়েছে। ওবামা ভালো মানুষ এবং তিনি জাতিকে একজোট হয়ে নেতৃত্ব দিবেন। তিনি আমেরিকার স্বপ্নের প্রতীক, কিন্তু কতদিন এই স্বপ্ন টিকে থাকবে? যখন ওবামা প্রথম বছরে তার অফিসে যোগ দেবেন তখন বাস্তবতা তাকে মাটিতে নামিয়ে আনবে নাতো? তার কাছে কি খুব বেশী আশা করা হচ্ছে না?

এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিষয় নিয়ে পরিকল্পনার জন্য ওবামা একজন ফিলিপিনোকে বেছে নিয়েছেন। মিডফিল্ড এ ব্যাপারে তার প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছে:

ফিলিপিনো হিসেবে আমরা দেখতে পাচ্ছি প্রধান উপদেষ্টা একজন ফিলিপিনো যিনি এশিয়া প্যাসিফিক ইস্যুতে ওবামা সাথে কাজ করবে। এতে ফিলিপিনোরা উপকৃত হবে এবং সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াই যেভাবে চলুক না কেন, তিনি ফিলিপিনো ইউএসএএফএফই বিল ও অন্যান বিষয় সমন্ধে নিরপেক্ষ দৃষ্টি রাখবেন।

এ ফিলিপিনা মম ব্লগার ওবামার পররাষ্ট্র নীতি সম্পর্কে কৌতুহলী:

ফিলিপিনো হিসেবে আমার পছন্দ সিনেটর বারাক ওবামাকে, তার পররাষ্ট্র নীতিকে, ওবামার মধ্যে আমি বিশ্ব নেতা হবার গুণ দেখেছি। বন্ধু বা শত্রু যে হোক না কেন তার জন্য সামরিক পথে না গিয়ে আলোচনায় বসা এবং কুটনৈতিক উপায়ে সমস্যার সমাধান করাই ভালো। মোটের উপর আমাদের শত্রুদের সাথে বসে আলাপ করায় কাকে আহত হতে হয়?

ওবামার নির্বাচন আমেরিকা ও সারা পৃথিবীর সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কাছে একটা সঙ্কেত যে, আমেরিকা বর্ণবৈষমের শিকল ভেঙ্গে ফেলছে, তারা সকল বর্ণ ও ধর্মের জাতির জন্য তাদের হৃদয় উন্মুক্ত করছে।

টনিও ক্রুজ ফিলিপিনো সক্রিয় কর্মীদের ওবামার প্রচারণার ও পরিকল্পনার সমকক্ষ এক প্রচারণা তৈরী করতে বলছেন:

চলুন আমরা ফিলিপিনোরা ওবামার জয় থেকে উদ্দীপ্ত হই। খুব দ্রুত আমরা পরিবর্তনের জন্য প্রচারণা শুরু করি (ওবামা দুই বছর আগে তার এই প্রচারনা শুরু করে, ফিলিপিনোর পরবর্তী নির্বাচন শুরু হবে দুই বছরের কম সময়ের মধ্যে)। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে চ্যালেজ্ঞ ছুড়ে দেওয়া এবং আমাদের এই চাওয়াকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের কেন্দ্রে রাখা উচিৎ। অবশ্যই ফিলিপাইনের রাজনীতি আমেরিকার রাজনৈতিক পদ্ধতি থেকে আলাদা। কিন্তু ওবামার পুরো অভিজ্ঞতাকে ছুঁড়ে ফেলে দেওয়ার জন্য এটা কোন অজুহাত হতে পারে না। অনেক কিছু শিক্ষনীয় রয়েছে এবং সম্ভবত তা আমাদের নিজেদের বাস্তবতায় কাজে লাগতে হবে।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .