বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

ভেনিজুয়েলা: বাচ্চারা কিভাবে তাদের সমাজকে তুলে ধরেছে আলোকচিত্রের মাধ্যমে

আনক্লা২ হচ্ছে একটা শিক্ষামূলক সমবায় যা ভেনিজুয়েলার নানা সমাজের ভিতর থেকে বাচ্চাদের আলোকচিত্র, প্রযুক্তি আর মিডিয়া সম্পর্কে শিক্ষা প্রদানে নিবেদিত। এই প্রতিষ্ঠান অনুসারে বাচ্চারা যখন আলোকচিত্রের মাধ্যমে কোন কিছুর ছবি দেখে তাদের ভিতরের সত্ত্বাকে আবিষ্কার করার একটা উপায় হিসেবে একে আবিস্কার করে আর তাদের শরীর ও অন্তরকে বুঝতে সাহায্য করে। আনক্লা২ কে ধন্যবাদ কারন তাদের জন্যে ভেনিজুয়েলার অনেক ছোট আর গরীব সমাজের বাচ্চারা আবিষ্কার করেছে তাদের পরিবেশকে নতুনভাবে দেখার আর মূল্যায়ন করার উপায়। আর একই সময়ে, নতুন ধরনের দক্ষতা শিখেছে যা তাদেরকে জীবনের অন্যান্য ক্ষেত্রেও সাহায্য করবে।

venezuela kids

এই আলোকচিত্র কর্মশালার ফলে অপূর্ব কিছু গ্যালারী তৈরি হয়েছে বাচ্চাদের দ্বারা, আর এখন অনেকেই এই কাজ সম্পর্কে সরাসরি জানতে পাবে কারন বাচ্চারা ব্লগও করে যেখানে তাদের সমাজের জীবন প্রতিফলিত হয়। এইসব ব্লগ ৯-১৫ বছরের বাচ্চাদের দারা রচিত, যেমন মেরিদা প্রদেশের কমিউনিটি অফ লা মুচুই এর ব্লগ সরাসরি বাচ্চাদের কাছ থেকে ‘সাংবাদিকের দৃষ্টিকোণ’ প্রকাশ করে ।

Community blog

এইরকম ব্লগের দুটো উদাহরণ এল গুয়ারাতারো প্রেগান্তন আর রিপোর্তেরোস দেল ২৩ (উভয়ই স্প্যানিশ ভাষায়)। এ ব্লগদুটো কারাকাস শহরের সব থেকে গরীব আর সহিংস এলাকার বাচ্চাদের দ্বারা তৈরি। তাদের মূল লক্ষ্য হল দুটি সমাজের দৈনিক জীবনযাপন সম্পর্কে জানানো ছাড়াও আসলে কিরকম সহিংসতা এই দুই সমাজে আছে তা দেখানো।

Kid in narroe street

এখানে রিপোর্তিরোস দেল ২৩ এর শেষের একটা পোস্টের উদাহরণ:

Benjamin estaba tomando fotografías en la subida que lleva al sector llamado “La Planada”. Una señoa en la puerta de su casa no dejaba de mirarlo, curiosa e integrada. El se percato y con gran gesto de agrado comenzó a mostrarle las fotografías que había tomado.

‘লা প্লানাদা'তে যাওয়ার পথে বেঞ্জামিন ছবি তুলেছে। দরজার ভিতরে দাঁড়ানো একজন মহিলা তার ঔতসুক্য ধরে রাখতে পারেনি। সে এটা দেখতে পেয়ে খুশীমনেই তার ছবি ওই মহিলাকে দেখিয়েছে।

পরিচিতি হিসাবে এল গুয়ারাতারো প্রেগান্তন নিজেদেরকে ব্যাখ্যা করেছে:

Nosotros nacimos y vivimos en El Guarataro, el barrio más famoso de Caracas y de toda Venezuela. Es un barrio lleno de vida y de sueños, que también sufre por la violencia y por los problemas que nunca faltan. El Guarataro es famoso por algo muy bueno: aquí nació el poeta Aquiles Nazoa. Si en El Guarataro todo fuera como Aquiles Nazoa escribía y quería, viviríamos de maravilla. Eso no ha sido posible, pero nosotros hemos creado un periódico que se llama El Guarataro Preguntón, después de hacer un taller de fotografía y redacción con la Cooperativa Ancla 2 (con los que aprendimos a tomar) fotografias y a elaborar un periódico, que le hablará al país de cómo somos, de cómo vivimos, de qué cosas queremos cambiar y cada vez que nos lean y nos vean, van a tener que respondernos porque vamos a preguntar de todo.

আমরা জন্মেছি আর বসবাস করছি এল গুয়ারাতারোতে যা কারাকাসের এমনকি সমগ্র ভেনিজুয়েলার সব থেকে নাম করা বস্তি। এটা একটা সমাজ যা স্বপ্নে আর জীবনে ভরপুর তবে চিরস্থায়ীভাবে সহিংসতা আর বিবিধ সমস্যা থেকেও এটি ভোগে। এল গুয়ারাতারো একটি খুব ভালো জিনিষের জন্য বিখ্যাত: আকুইলেস নাজোয়া এখানে জন্মেছিল। যদি এল গুয়ারাতারোর সব কিছু নাজোয়ার কবিতার মতো হতো, তাহলে সব কিছু চমৎকার হতো; কিন্তু তা সম্ভব হয়নি। তা সত্ত্বেও আমরা এল গুয়ারাতারো প্রেগান্তন নামে একটা সংবাদপত্র করেছি যা দেশকে বলবে আমরা কেমন আর কি ভাবে থাকি, কি কি জিনিষের পরিবর্তন আমরা চাই। প্রত্যেকবার তারা আমাদেরকে দেখবে আর আমাদের সম্পর্কে পড়বে এবং তাদেরকে উত্তর দিতে হবে কারন আমরা সব কিছু সম্পর্কে প্রশ্ন করব।

‘ভয়েসেস’ নামে এই প্রামান্যচিত্রে (ভিডিও.মুভ ফরম্যাটে), মেরিডার বাচ্চাদের সাথে করা কাজের কিছু অংশ দেখা যাবে।

সব ছবি ব্যবহার করা হয়েছে আনক্লা২ এর অনুমতি নিয়ে।

PlayPlay

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .