বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

ইকুয়েডর: স্থানীয় লোকেরা জিরাফ সেলিটোর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করছে

ইকুয়েডরের প্রানী বৈচিত্র সর্বজনবিদিত আর এ দেশ বেশ অনেক ধরনের প্রানী আর গাছকে নিয়ে গর্ব করে। কিন্তু তাদের একটি প্রিয় পশু আছে যা অন্য দেশ থেকে এসেছিল আর লোজায় বসবাসকারীরা তার মৃত্যুতে এখন শোক করছে। লোজা চিড়িয়াখানায় সেলিটো নামক এক জিরাফকে তার ঘরের কাছে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়, যেখানে সে ২০০৩ সাল থেকে বসবাস করছিল। এলাকার একটা বড় পর্যটক আকর্ষণ সেলিটো ইকুয়েডরের একমাত্র জিরাফ ছিল আর স্থানীয় সব বয়সীদের জন্য গর্বের একটি প্রতীক ছিল। সুর ইকুয়েডর এর করা একটি পর্যটন পোস্টারের ডিজাইন এখানে দেখতে পারেন

ময়না তদন্তের রিপোর্ট ছাড়া মৃত্যুর কারন এখনো জানা যায়নি, কিন্তু অনেকে মনে করছে যে তাকে বিষ দেয়া হতে পারে। অন্যরা চিড়িয়াখানার খারাপ রক্ষনাবেক্ষণ আর দুরবস্থার কথা বলেছে। মৃত্যুর কারন যাই হোক অনেক লোজা বসবাসকারীর মন খারাপ আর কিছু স্থানীয় ব্লগার চিড়িয়াখানায় তাদের অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করেছে।

চেলিতো
ছবি নেলসন পিদ্রার সৌজন্যে, অনুমতিক্রমে ব্যবহৃত

এঞ্জেল গুয়ালানের এই পশু সম্পর্কে চমৎকার স্মৃতি আছে:

Todos vamos extrañar su gran amabilidad para recibir a los turista que tenia este animal, hace algunos meses atrás fue mi ultima visita a su morada, era muy amigable siempre se acercaba para que le den un poco de alimento y dejarse acariciar tranquilamente.

আমরা সবাই পর্যটকদের সাথে এই পশুর বন্ধুভাবাপন্ন আচরণের অভাব বোধ করব, কয়েক মাস আগে যখন আমি তাকে শেষ দেখতে যাই, সে খুব বন্ধুভাবাপন্ন ছিল আর সব সময়ে কাছে আসতো যাতে অন্যরা তাকে খাওয়াতে আর আদর করতে পারে।

ডিস্প্যাচেস ফ্রম দ্যা ইকুয়েডর ব্লগের বিদেশী ব্লগার সেলিটোর আকর্ষণ দেখেছে:

সেপ্টেম্বরের প্রথমে আমি যখন প্রথম লোজাতে আসি আমার কাজে আমাকে বলা হলো যে স্থানীয় চিড়িয়াখানায় গিয়ে আমাকে জিরাফ দেখতে হবে। জিরাফ সেলিটো শহরের গন্যমান্যদের মধ্যে পড়ে। এটি ইকুয়েডোরের একমাত্র জিরাফ আর সম্ভবত ইকুয়েডরের স্থানীয় না এমন একমাত্র প্রানী যা প্রদর্শিত হচ্ছে। আমি গিয়ে দেখেছিলাম যে বাচ্চা আর বড়রা বেড়ার বাইরে ঘিরে তাকে ঘাস পাতা খাওয়াচ্ছে। তারা বেশ তৃপ্ত তাদের প্রিয় শহরের পশুর সাথে সময় অতিবাহিত করতে পেরে। এখানে চিড়িয়াখানায় যাওয়ার খরচ ২৫ সেন্ট তাই সেলিটোকে নিয়মিত দেখতে যাওয়া সবার জন্য সম্ভব ছিল।

ফলাফল না পাওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর দায় কারো উপর দেয়া যায় না, কিন্তু সুর ইকুয়েডোর কিছুটা দোষ গ্রহণ করেছে:

Es muy tarde para establecer culpables por su muerte, pero creo que todos tuvimos un grano de culpa, por no reclamar una compañera para su jaula, por no tomar mayores precauciones en su cuidado, por dar por sentado que estaba bien, por solo tenerlo como un ícono turístico para tomarnos fotos y realmente no realizar una campaña para su bienestar.

তার মৃত্যুর দোষ দেয়ার জন্য এখন অনেক দেরী হয়ে গেছে, কিন্তু আমার মনে হয় আমাদের প্রত্যেকের কিছু না কিছু দোষ আছে; তার একটা সঙ্গীর জন্য জোর না করা, তার দেখাশোনায় আরো খেয়াল না করা, মনে করার জন্য যে সে ঠিক আছে। তাকে শুধুমাত্র পর্যটনের একটা চিহ্ন হিসাবে দেখা হয়েছে, ছবি তোলার জন্য। আর তার ভালো থাকার জন্য কোন উদ্যোগে অংশগ্রহণ করিনি।

পশুটার মৃত্যুর পরে স্থানীয়রা লোজার রাস্তায় নেমে আসে স্থানীয় সরকারের কাছে এই দাবী জানাতে যে চিড়িয়াখানার পশুদের ভালো রক্ষানাবেক্ষণ যেন হয়। ভোসেস লোজানাস লিখেছে যারা মিছিলে অংশগ্রহণ করেছিল তারা কি রকম সারা পেয়েছে:

Pancartas, globos anaranjados y amarillos, figuras de cartón, niños vestidos con disfraces de jirafa, camisetas con mensajes relacionados al motivo de la marcha recorrieron las pricnipales de la ciudad en una multitud que cubría fácilmente las cuatro cuadras. Los mensajes que se leían fueron: “Cuidemos el zoológico”, “Respeto a los animales”, “Salvemos el zoológico” y “Devuelvan a Chelito”.

হলুদ আর কমলা বেলুন, কার্ডবোর্ড থেকে কেটে নেয়া চিহ্ন, জিরাফের পোশাক পরা বাচ্চা, শার্টে মিছিলের বাণী লেখা নিয়ে সবাই প্রধান সড়ক দিয়ে হেঁটে গেছে (এতে অংশগ্রহণ এত স্বত:স্ফুর্ত ছিল) যা সহজে চার ব্লক জুড়ে প্রসারিত হয়েছে। বাণী বেশ শক্তিশালী ছিল: “আসুন চিড়িয়াখানা বাঁচাই,” আর “সেলিটোকে ফেরত দাও”।

যদিও সেলিটোর মতো একটা জিরাফ দক্ষিণ আমেরিকার মতো একটা দেশে খাপছাড়া মনে হতে পারে, কিন্তু এটা লোজার জীবনের একটা বড় অংশ ছিল। তারপরেও ক্যাফে দে চুকো এই অভাবের জন্য শোক করতে করতে ভাবছে, “একটা ছোট শহর কেনই বা জিরাফ চাইবে?

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .