বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

বাহরাইন: আইনের দেশে

বাহরাইনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী কর্তৃক বাংলাদেশী শ্রমিকদের জন্য কাজের অনুমতি দেয়াতে নিষেধাজ্ঞা জারির পর সে দেশী ব্লগার খালিদ সরকারের এই অবিবেচনা প্রসূত সিদ্ধান্তে আশ্চর্য হয়েছে। কারন বাহরাইন গর্ব করে থাকে গণতন্ত্রের দেশ হিসেবে যেহেতু এর আইন আর সংবিধান আছে।

তিনি লিখেছেন:

في العهد الجديد .. عهد ما يسمي بالحرية و الديمقراطية و حرية الصحافة يكتب البعض لكونه قد وجد أخيرا متنفسا ليعبر عن رأى ما..في موضوع ما !!! هذا المتنفس كان محظورا غالبا .. لأسباب يطلق عليها جزافا ..أسباب أمنية …!!! طبعا أمنية لطرف ما ..!!! فالحكومة مثلا يمنع ذكرها إلا بكل خير ..!!! انتقادها أو وضعها في قفص الاتهام يعد من الممنوعات بالمصطلح المدني أو من المحرمات بالمصطلح الديني ..!!! بالرغم من إن الحكومة ليست سوى مجرد بشر .. يصيب ويصيب ويصيب ..بمفهوم العهد السابق ….!!!تصيب و تخطيء بالمفهوم الجديد ..!!!

في العهد الجديد ظهر مصطلح الديمقراطية.. والمدعومة بدولة المؤسسات و القانون ..!! في هذا العهد .. حيث اى فعل أو توجه أو عمل يجب إن يستند إلى قرار أو مرسوم أو تشريع ..!!! ولكن مؤخرا ظهرت عدة أموار تناقضه أو تتجاهله وعلى المكشوف .. كما يقال ..!!! فحرية الصحافة أصبحت بعد فترة من العهد الجديد تشكل عبأ على السلطة التنفيذية وهذه الأخيرة بدأت في الضغط على ما يسمي بالسلطة الرابعة وهى الصحافة ..!!! وظهر ما يسمي بالتقنين على ما يطرح للنشر .. فجريدة تحظر نشر موضوع ما وأخرى تبتر فقرة و أخرى تحذف جملة أو كلمة ..!! وأخرى تنشر بالكامل ..وخاصة الصحف الالكترونية ..!!! هذا النشر أو الحظر أو البتر يعتمد على نوع العلاقة التي تربط الجريدة بالسلطة التنفيذية والمتمثلة بالحكومة ..!!!

مؤخرا صدر قرار أو تعليمات من سعادة وزير الداخلية – مملكة البحرين – بإيقاف إصدار تأشيرات العمل للرعايا البنغاليين…!!!! بسبب الجريمة البشعة التي ارتكبها احد رعايا بنغلادش ..!!! وهنا يطرح مجرد سؤال .. ما هي الدوافع الأساسية لمثل هذا القرار أو التعليمات ..؟؟!! وما هى المرجعية القانونية لإصداره ..؟؟!!! هناك جريمة و هناك تحقيق وهناك قضاء ..!!! فلماذا هذا الحظر على أمة ” بنغلادش “..؟؟!!! ولماذا هذا التمييز ..؟؟!! وتحت اى عرف أو قانون أو تشريع يتم معاقبة شعب بجريرة فرد أو مجموعة …؟؟!!! السنا في دولة المؤسسات و القانون …؟؟!!! هل كان قرارا صائبا ..؟؟!! بالتأكيد .. لا ..وهو خطأ فادح .. فاليوم يتحدث الجميع وعل كافة الأطياف إن كافة البنغاليين مجرمون … قتلة .. يجب طردهم ..!!

এই নতুন যুগে (যাকে আমরা গণতন্ত্র আর প্রচার মাধ্যমের স্বাধীনতার যুগ বলি) কিছু লোক লেখে কারন তারা একটা স্বাধীন জায়গা পেয়েছে কিছু বিষয়ে তাদের মতামত জানানোর!! এই জায়গা প্রায় সব সময় ‘নিরাপত্তার কারনে’ নিষিদ্ধ ছিল। অবশ্য কিছু লোকের জন্য এটা নিরাপত্তার ব্যাপার! যেমন সরকারের পক্ষে ছাড়া কথা বলা যাবে না। সাধারণভাবে তার সমালোচনা করা বা তাকে দোষারোপ করা আইন বহির্ভূত আর ধর্মগতভাবে পাপ। যদিও সরকার মানুষ দিয়ে তৈরি, যারা পুরানো ব্যবস্থায় শুধু ঠিক কাজ করে, তারা নতুন ব্যবস্থায় ঠিক আর ভুল দুটোই করে!!!

নতুন ব্যবস্থায় গণতন্ত্র আবির্ভূত হয়েছে আর এটি একটা রাষ্ট্র দ্বারা সমর্থিত, এর প্রতিষ্ঠান আর আইন দ্বারা বলবৎ! এই যুগে আপনি যা কিছু করেন তা একটা সিদ্ধান্ত, ডিক্রি বা সাংবিধানিক সংশোধন থেকে আসতে হবে!! সম্প্রতি এর ব্যত্যয় ঘটিয়ে কিছু ঘটনা খোলাখুলি ভাবে হয়েছে। এই নতুন যুগে প্রচার মাধ্যমের স্বাধীনতা সরকারের উপর একটা বোঝা হয়েছে, যা আবার প্রচার মাধ্যমকে চাপ দিচ্ছে। এর ফলে কি প্রকাশিত হচ্ছে তার উপর কিছুটা নিয়ন্ত্রণ হয়েছিল। যেমন একটা পত্রিকা একটা লেখা সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ না করতে পারে, আর একজন একটা অনুচ্ছেদ বাদ দিতে পারে, আর একজন একটা বাক্য বা একটা শব্দ বাদ দিতে পারে। অন্যরা বিশেষ করে অনলাইন প্রকাশকরা পুরো লেখাটা প্রকাশ করবে। গতানুগতিক প্রচার মাধ্যমে কোন লেখা প্রকাশ বা নিয়ন্ত্রণ করা নির্ভর করে সংবাদপত্র আর নির্বাহী শাখা যা সরকারের কেউ থাকে তাদের মধ্যেকার সম্পর্কের উপর ।

সম্প্রতি , বাহরাইনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী একটা ডিক্রি জারি করেছেন বাংলাদেশীদের নতুন কাজের অনুমোদন না দেয়ার জন্য!! এটা একজন বাংলাদেশীর জঘন্য অপরাধ করার কারনে!! এখানে আমি জানতে চাই: এই আইন করার পেছনে মূল উদ্দেশ্য কি? এর আইনী দিক গুলো কি? একটা অপরাধ হলে, তদন্ত হবে আর বিচার ব্যবস্থাও আছে তার জন্য। তাহলে বাংলাদেশের লোকের উপর এই নিষেধাজ্ঞা কেন? আর এই পক্ষপাতিত্ব কেন? আর কোন আইনের আওতায় একজন বা একদলের অপরাধের জন্য একটা গোটা জাতিকে শাস্তি দেয়া হচ্ছে? আমরা সংস্থা আর আইনের দেশে আছি না? এই সিদ্ধান্ত কি ঠিক? অবশ্যই না আর এটা একটা গুরুতর ভুল। আজকে সবাই এমন ভাবে বলছে যেন সব বাংলাদেশী অপরাধী আর খুনী, যাদেরকে বের করে দেয়া উচিত।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .