বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

ভারত: চীন আর তিব্বতের মধ্যে

গত কয়েকদিন ধরে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নজর ছিল তিব্বতের পরিস্থিতি আর চীন এই অভ্যুত্থান কি করে সামলিয়েছে তার দিকে। কিন্তু ভারতে বেশ বিতর্ক হচ্ছে চীনের এই কর্মকান্ডের ব্যাপারে আর তিব্বত নিয়ে ভারত- চীন সম্পর্কের ভূমিকা নিয়ে। তিব্বতের ব্যাপারে ভারতের অবস্থান কি হবে? ভারতের ‘ছোট লাসা’ বা ধর্মশালায় তিব্বত নির্বাসিত সরকারের প্রধান দালাই লামা আছেন। ১৯৫৯ এ দালাই লামা তিব্বত থেকে পালিয়ে ভারতে আসেন আর তখন থেকে এখানেই আছেন। ১৯৫০ থেকে তিব্বতের বেশ অনেক লোক ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন।

রামানের স্ট্রাটিজিক এনালাইসিস ব্লগ আমাদের মনোযোগ বর্তমান অভ্যুত্থানে তিব্বত যুব কংগ্রেসের ভূমিকার দিকে নিয়ে বলেছে:

এটি (তিব্বত যুব কংগ্রেস) তিব্বত আর সিচুয়ানের লোকেদের তাদের ভয় ছেড়ে তাদের দেশে তাদের অধিকার প্রকাশ করার সাহস যুগিয়েছে। তাদের নীতি হলো ‘তিব্বত তিব্বতীদের জন্য’। এরা পরম আরাধ্য (দালাই লামা)'র নীতি ‘তিব্বতের স্বায়ত্বশাসন’ মানে না বরং তারা চায় সম্পূর্ণ স্বাধীনতা। তারা বেইজিং অলিম্পিকের বিরুদ্ধেও না।

ভারতের ব্লগগুলো দেখলে দেখা যায় যে তাদের কেউ কেউ তিব্বতের ব্যাপারে ভারতের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন করেছে আর ভাবছে যে চীনের প্রেক্ষিতে ভারতের কি আরো দৃঢ় অবস্থানে থাকা উচিত কি না। অ্যাকর্ন আমাদের মনোযোগ টেনেছেন তিব্বতের নেতা তিনজিং সুনদু'র একটি শান্তিপূর্ণ মিছিল ভারত থেকে তিব্বতে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টার ব্যাপারে :

এর একমাত্র কারন হয়ত ছিল চীনা সরকার কে এই পরিস্থিতি (তাদেরকে ফেরত পাঠানো) মোকাবেলার লজ্জা থেকে বাঁচানো।

সুদর্শন তার ব্লগে তর্ক করেছেন যে ভারতের আরো শক্তিশালী অবস্থান নেয়া উচিত। তিনি লিখেছেন:

চল ভারত। তিব্বতিদের স্বাধীনতার সংগ্রামে তাদের সমর্থন করা উচিত। সহজ কাজ যেটা ভারত করতে পারে তা হল অলিম্পিক বর্জন করা .. আমি বুঝতে পারি না চীনের সাথে আমরা তাল মেলাতে চাচ্ছি কেন । আমরা কি চিন্তিত যে আমাদের শিশুরা সস্তা, দূষিত খেলনা দিয়ে খেলতে পারবে না? আমি অবাক হবো না যদি সরকার ভয়ে থাকে যে কেন্দ্রে পলিটবুরো তাদের চীনের কমরেডদের বিরুদ্ধে কথা বলার জন্য সমর্থন সরিয়ে নেবে।

ব্রহ্মা চেলানেই, একজন নিরাপত্তা বিশ্লেষক তিব্বত আর ভারত- চীন সম্পর্কে তার প্রভাব নিয়ে লিখেছেন আর বলেছেন যে তিব্বতে যা হচ্ছে তা ভারত অবজ্ঞা করতে পারে না কারন ভারতের জন্য তা দীর্ঘমেয়াদী কৌশলী প্রভাব ফেলবে। চেলানেই বলেছেন যে ভারত সরকারের উচিত তাদের নীতি পর্যালোচনা করা। তিনি বলেছেন:

তারা এই সাধারণ জিনিষটি বুঝতে পারছে না যে শান্ত করার চেষ্টা আর মুখোমুখি হওয়ার মধ্যে আরও ১০০ টা জিনিষ আছে। একটা ভুল পছন্দ – বেইজিং এর কথা শোনা বা মুখোমুখি হওয়া – যে কোন আইনী বিতর্ক নীতির ব্যাপার কে রোধ করেছে।

চেলানেই তিনটি বিষয় বলেছেন যা তিব্বতের প্রেক্ষিতে ভারতের করা উচিত যার মধ্যে একটা হল ভারতের উচিত তিব্বতকে চীনের অংশ হিসেবে বলা বন্ধ করা। তিনি ঠিকই বলেছেন যে প্রধান মন্ত্রী মানমোহন সিং এর সাম্প্রতিক চীন সফরে সম্পর্কের সুরে বিশেষ পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। তিনি লিখেছেন:

গত জানুয়ারি , মানমোহন সিং ভারতের প্রথম প্রধান মন্ত্রী হলেন যিনি বেইজিং থেকে ফিরেছিলেন তার আপ্যায়ন কারীদের খুশি করার জন্য তিব্বতের প্রসঙ্গ অযাচিতভাবে না এনে। এই টি শব্দটি যুক্ত বিবৃতি থেকে কোনভাবে বাদ পড়েছে – একটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার যা মিডিয়া ধরতে পারে নি।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .