বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

· অক্টোবর, 2014

গল্পগুলো মাস রাউন্ডআপ মাস অক্টোবর, 2014

কর্পোরেট স্পন্সরশিপ বাংলাদেশের লোকসংস্কৃতির মর্যাদা হানি করছে বলে ব্লগারের অভিযোগ

কুষ্টিয়ার ছেউড়িয়াতে ফকির লালন শাহ এর মৃত্যুবার্ষিকীতে তার অনুসারীরা জড়ো হন প্রতি বছর। ছবি শুভ্র কান্তি দাস এর। সর্বসত্ত্ব ডেমটিক্স (18/10/2009)

কুষ্টিয়ার ছেউড়িয়াতে ফকির লালন শাহ এর মৃত্যুবার্ষিকীতে তার অনুসারীরা জড়ো হন প্রতি বছর। ছবি শুভ্র কান্তি দাস এর। সর্বসত্ত্ব ডেমটিক্স (18/10/2009)

বাংলাদেশের ইতিহাসে দেখা যায়, অতীতে রাজা-জমিদাররা সাহিত্য সংস্কৃতিচর্চায় দান-দক্ষিণা করতেন। এখন সেই স্থান দখল করে নিয়েছে কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো। বিশেষ করে টেলিকম কোম্পানিরা। তারা বাংলাদেশের শিল্প-সংস্কৃতির সবকিছুতেই স্পন্সর করছে, পার্টনারশিপ হচ্ছে। বাউল সাধক লালন ফকির’ও বাদ পড়েননি। কর্পোরেটরা লালনকে কীভাবে ব্যবহার করছে তাই তুলে ধরেছেন জাহিদ ইসলাম:

In 2007 for the first time in history, Lalon Phokir’s Dol Uthshob was held under sponsorship, with promotion campaigns so aggressive and ill designed it disgusts me to even remember it. Since then Grameenphone and Banglalink (telecom brand) took turns in sponsoring the festivals.

আমি যতোদূর মনে করতে পারি, ২০০৭ সালে প্রথমবারের মতো লালন ফকিরের দোল উৎসব কর্পোরেট স্পন্সরে অনুষ্ঠিত হয়। তখন থেকে এর ব্যাপক বাণিজ্যিক প্রচারণা আর দৃষ্টিকটু ডিজাইন আমাকে পীড়া দিয়ে আসছে। মূলত সে সময় থেকেই গ্রামীণফোন এবং বাংলালিংক (টেলিকম ব্র্যান্ড) উৎসবগুলো স্পন্সর করা শুরু করে।

কর্পোরেট থাবায় লালন উৎসব কেমন রূপ নিয়েছে তিনি সেটাও উল্লেখ করেছেন:

The first time around, those of us who had been visiting Cheuria for many years, were shocked to find the sponsorship junk.

আমাদের মতো যারা অনেক বছর ধরে ছেউড়িয়ায় আসেন, তারা কাছাকাছি সময়ে আবার আসলে স্পন্সরশিপের আবর্জনা দেখে ব্যথিত হবেন।

এবং কেন লালনসংস্কৃতিকে এই আগ্রাসন থেকে রক্ষা করা দরকারঃ

There are many people and organisations, home and abroad, that feel we need to “protect” the baul way of life. I do not necessarily agree with this notion. Rather I feel our intervention is what creates most of the “problems.”

দেশের ও বিদেশের অনেক লোক বা প্রতিষ্ঠানই মনে করে যে বাউলদের জীবনযাপনকে সংরক্ষণ করা উচিৎ। আমি তেমন মনে করি না। আমি মনে করি তাদের অতিমাত্রায় নাক গলানোই বেশিরভাগ সমস্যার সৃষ্টি করছে।

আইভরি কোস্টের আবিদজানে আফ্রিকার প্রথম ওয়েব উৎসব অনুষ্ঠিত হবে

আইভরি কোস্টের আবিদজানে প্রথম আফ্রিকা ওয়েব উৎসব অনুষ্ঠিত হবে (২৪-২৬ নভেম্বর)। এই উৎসব আফ্রিকার ডিজাইনারদের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ দিয়েছে। নিবন্ধন চলবে আগামী ১২ অক্টোবর পর্যন্ত।

Vous êtes journalistes, développeurs, producteurs de web tv, de web radio ; vous êtes créateurs et innovateurs et avez une idée ou un projet en tête? Inscrivez-vous au premier Africa Web Festival dans l’une des six catégories de compétition : documentaire, tourisme, fiction, animation, éducation, publicité et tourisme.
 
L’Africa Web Festival est également une plateforme d’échanges entre experts, passionnés et novices du monde entier, qui fera l’état des avancées actuelles dans le domaine du numérique et animera le débat sur la planète numérique : ses espoirs, ses enjeux et les défis auxquels l’Afrique est exposée, afin que le continent prenne sa place dans la nouvelle planète numérique.

আপনি কি সাংবাদিক, ওয়েব ডেভেলপার, ওয়েব টিভি অথবা পডকাস্ট প্রযোজক? আপনি কি সৃজনশীল ব্যক্তি, উদ্ভাবনী প্রতিভাবান, আপনার কাছে কি নতুন কিছু করার চিন্তা বা আইডিয়া আছে? তাহলে আপনি আফ্রিকায় প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত ওয়েব উৎসবে প্রতিযোগিতার ৬টি বিভাগে অংশ নিন। বিভাগগুলো হলো: তথ্যচিত্র, ভ্রমণ, গল্প, বিনোদন, শিক্ষা এবং বিজ্ঞাপন। সারাবিশ্বের বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিবর্গ, ওয়েব উদ্যোক্তা, উদ্যোগী তরুণদের মিলনমেলা হলো আফ্রিকার ওয়েব উৎসব। এখানে এসে তারা নিজেদের মধ্যে মতবিনিময় করে থাকেন। তাছাড়া ওয়েব ডেভলপমেন্টের সর্বশেষ অবস্থা নিয়েও এখানে আলোচনা করা হয়। আফ্রিকার ইন্টারনেটের আশাবাদী দিক এবং সমস্যাগুলো নিয়েও বিতর্ক হয়। আর এর ফলে ডিজিটাল বিশ্বে একটা সুন্দর অবস্থান করে নেয়ার দৌড়ে এই মহাদেশ অনেকটা এগিয়ে যাবে।

অ্যাপলের নতুন আইওএসে পাঁচটি ভারতীয় ভাষা ব্যবহার করা যাচ্ছে

A comparison of some Indic scripts vs. Latin. Image via wikipedia . CC BY-SA 3.0

কয়েকটি ভারতীয় ভাষার স্ক্রিপ্ট এবং ল্যাটিন ভাষার মধ্যে পার্থক্য। ছবি: উইকিপিডিয়া। CC BY-SA 3.0

২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে অ্যাপল নতুন অপারেটিং সিস্টেম আইওএস ৮, চালু করে আইপড টাচ, আইপড এবং আইফোনের জন্য। এতে নানা ধরনের উল্লেখযোগ্য বিভিন্ন সেবা থাকলেও গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় যুক্ত হয়েছে যেটি হলো ল্যাটিন ভাষার অক্ষর ছাড়াও নতুন আইওএস ৮ অন্য ভাষার অক্ষর সমর্থন করে। অনেকদিন ধরেই এ সুবিধাটি ব্যবহার করা যেত না। নতুন এ সুবিধার ফলে অনেক আইওএস ব্যবহারকারী নিজের ভাষায় টাইপ করার সুবিধা পাবেন। প্রথম আইওএস চালু হওয়ার পর থেকে মাইক্রোব্লগিং, সোস্যাল মিডিয়া, ই-মেইল কিংবা উইকিপিডিয়ায় অবদান রাখার ক্ষেত্রে নিজস্ব ভাষায় লেখার সুবিধা না থাকায় নানা সমস্যা হতো। তবে নতুন আইওএস ৮ ৫টি ভারতীয় ভাষার স্ক্রিপ্ট সমর্থন করে। এর মধ্যে রয়েছে: হিন্দি, বাংলা, মারাঠি, তামিল এবং উর্দু। অ্যাপলের নানা গ্যাজেট বাজারে আসার পর থেকে এবারই প্রথম এ সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে। এর ফলে নতুন এ আইওএসে ব্যবহারকারীরা চাইলেই নিজের পছন্দসই ভাষা নির্বাচন করে আইওএস চালিত গ্যাজেট ব্যবহার করতে পারবেন যা এশিয়ার ব্যবহারকারীদের জন্য দারুন এক সুবিধা।

ফেসবুকে ব্যবহারকারী জয়ন্ত নাথ এতে উচ্ছসিত এবং এ সুবিধা ব্যবহার করে একটি স্ট্যাটাসও দিয়েছে:

আইওএস ৮ হালনাগাদ করার পর ডিফল্ট কীবোর্ড হিসেবে বাংলা যুক্ত হয়েছে।