বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

গল্পগুলো মাস রাউন্ডআপ

যুক্তরাষ্ট্র: অভিবাসন আইনের সংস্কার, এক অসম্পূর্ন সমাধান

রাষ্ট্রপতি বারাক ওবামা অভিবাসন সংস্কার বিষয়ে এক ঘোষণা প্রদান করেছেন, তিনি নির্বাহী আদেশ বলে এই আদেশ জারি করেন। এই ঘোষণা একদিকে যেমন ল্যাটিন আমেরিকার নাগরিকদের মাঝে স্বস্তি এনে দিয়েছে, তবে অন্য দিকে এই বিষয়ে অসন্তোষের আওয়াজ শোনা যাচ্ছে। সোনিয়া তেজাদা ব্যাখ্যা করছে যে, এর ফলে কাগজ নেই এমন অভিবাসীদের তিন বছরের চাকুরীর অনুমতি প্রদান করা হবে, তবে এই পদক্ষেপ যদিও পঞ্চাশ লক্ষ নাগরিককে সুবিধা প্রদান করতে যাচ্ছে, কিন্তু এটি তাদের বৈধ অভিবাসী হবার সুযোগ কিংবা নাগরিকত্বের সুবিধা প্রদান করছে না। সোনিয়ার মতে, বৈধ কাগজপত্রহীন দুই ধরনের অভিবাসী সৃষ্টির লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে, যারা প্রথমে এই শর্ত সাপেক্ষ সুবিধা লাভ করবে এবং যাদের দেশটির অভিবাসন মন্ত্রণালয়ের দয়ার উপর নির্ভর করে থাকতে হবে। এই আইনের সুবিধা পেতে হলে:

[…] los inmigrantes deben haber residido en el país por cinco años, tener niños, sean ciudadanos estadounidenses o residentes legales, y, por supuesto, no haber delinquido.

[…] […] অভিবাসীদের অবশ্য পাঁচ বছর দেশটিতে বসবাস করতে হবে, তাদের ছেলেমেয়ে থাকতে হবে, যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হতে হবে অথবা বৈধ বাসিন্দা হতে হবে, এবং অবশ্যই তাদের কোন অপরাধমূলক কাণ্ডের রেকর্ড থাকা চলবে না।

সোনিয়া একই সাথে ওবামার ভাষণের সমালোচনা করে, তার মতে যা অভিবাসনকে শাস্তি দেওয়া:

Obama habló incesantemente de que los EE. UU. es una nación de leyes, y de que los inmigrantes por haber cometido “el crimen” de entrar al país sin documentos ni autorización, deben expurgar su culpa.

ওবামা বার বার বলে আসছে যে যুক্তরাষ্ট্র হচ্ছে একক আইন মেনে চলা এক জাতির রাষ্ট্র এবং বৈধ কাগজপত্র না থাকা কিংবা কোন ধরনের অনুমোদন ছাড়া দেশটিতে অভিবাসীর প্রবেশকে “অপরাধ” হিসেবে চিহ্নিত করার বিষয়টিকে অবশ্যই সংশোধন করতে হবে।

এই পদক্ষেপ নিছক এক অসম্পূর্ণ সমাধান, এই আইনের দ্বারা যারা সুবিধাপ্রাপ্ত হবে, সেই সমস্ত অভিবাসীদের বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই দেশটিতে থাকতে হবে, যদিও তাদের খানিকটা কাজ করার সুযোগ থাকবে। এদিকে ৬০ লক্ষ অবৈধ অভিবাসীর ক্ষেত্রে তাদের বৈধ হওয়ার বিষয়টি ঝুলেই রইল।

আপনি টুইটারে সোনিয়া তেজাদেকে অনুসরণ করতে পারেন

এই ব্লগটি লুনেসডেব্লগজিভি (সোমবারে জিভিতে ব্লগ লেখা) নামক প্রকল্পের অধীনে ত্রিশতম পোস্ট যা ২৪ নভেম্বর ২০১৪-এ পোস্ট করা হয়েছে।

কারাদণ্ডপ্রাপ্ত কার্টুনশিল্পী এতেনা ফারাগদানি'র আইনজীবিকে তার সাথে করমর্দন করার কারণে গ্রেফতার করা হয়ছে

ইরানীয় সক্রিয় কর্মী এবং কার্টুনশিল্পী এতেনা ফারাগদানির আইনজীবি মোহাম্মদ মোঘিমিকে তার মক্কেলের সাথে কারাগারে দেখা করার পর ১০ জুন তারিখে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি ফারাগদানির সাথে করমর্দম করেছেন এ ঘটনার উপর ভিত্তি করে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। ফেসবুকের পাতায় সরকাররের সমালোচনামূলক অংকন ও লেখা পোষ্ট করার দায়ে ফারাগদানিকে সম্প্রতি ১২.৫ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।

মানবাধিকার কর্মী সংবাদ সংস্থার মতে মোঘিমিকে কারজ-এর রাজাই শহর জেলখানার ১০ নম্বর ওয়ার্ডে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। তার জামিন-এর মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ কোটি তোমান  যা প্রায় ৭,০০০ মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ। ফারাগদানিকেও একই ধরনের অভিযোগের সম্মুখীন হতে হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

#ইরান -এর আইনজীবি মোহাম্মাদ মোঘিমি তার মক্কেল #এতেনাফারগাদানির সাথে করমর্দনের মতো মারাত্মক অপরাধ করেছে

@মিনানেইসতানি অংকিত কার্টুন: #মুক্তকরএতেনা ও তার আইনজীবি উভয়কেই জেল থেকে

সামাজিক মাধ্যমগুলোতে ফারাগদানির মুক্তির প্রচারণাগুলো #freeAtena হ্যাসট্যাগের অধীনে অনুসরণ করা যাবে।

বুর্কিনা ফাসো এবং বুরুন্ডির নাগরিক অভ্যুত্থানের পর, এবার কি নাইজার ও টোগো'র পালা ?

নিয়ামে, নাইজার প্রতিবাদ সমাবেশ, টুইটারে আবদুল্লায়ে হামিদুয়ের মাধ্যমে সংগৃহীত  (অনুমতি নিয়ে প্রকাশিত)

নিয়ামে, নাইজার প্রতিবাদ সমাবেশ, টুইটারে আবদুল্লায়ে হামিদুয়ের মাধ্যমে সংগৃহীত (অনুমতি নিয়ে প্রকাশিত)

২০,০০০ নাইজারিয়ান রাস্তায় নেমে আসেন নাইজারের নিয়ামে শহরে, গত ৬ জুন। প্রতিবাদের পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে: দারিদ্র্যের ব্যাপকতা, সরকারী দুরবস্থা ও বাক স্বাধীনতার হস্তক্ষেপ নাইজারিয়ান সুশীল সমাজের করা অভিযোগের মধ্যে অন্যতম। এই প্রতিবাদ এমন সময়ে হলো যখন বুর্কিনা ফাসো, বুরুন্ডি ও টোগোতে একই রকম প্রতিবাদ সমাবেশ হচ্ছে। বুর্কিনা ফাসোর সরকার পদত্যাগ করেছে এবং বুরুন্ডির নির্বাচন পিছিয়ে দেয়া হয়েছে। মে মাসে লোম'র নাগরিকেরা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে প্রতিবাদ করেছে  যে নির্বাচনে টোগোলিজ প্রেসিডেন্ট ফরা নাসিঙ্গবেকে তৃতীয়বারের মতো জয়ী দেখানো হয়েছে।

একদা বিলুপ্ত হয়েছে বলে বিশ্বাস করা লিমা অর্কিড আবারও পেরুভীয় রাজধানীতে ফুটেছে

Variedades de orquídea.

বিভিন্ন ধরনের অর্কিড। CC BY-SA 3.0 লাইসেন্স-এর অধীনে উইকিমিডিয়া কমোন্স-এ প্রকাশিত ছবি।

৫০ বছরেরও বেশী সময় ধরে লিমা অর্কিডকে একটি লোপ পাওয়া প্রজাতি বলে মনে করা হয়েছিল; কিন্তু পেরুভীয় কৃষি মন্ত্রণালয়ের একটি অংশ জাতীয় বন ও বন্যপ্রাণী সেবা বিভাগে কর্মরত একটি দলের কাছ থেকে সুখবর আসে:

Los especialistas encontraron ejemplares de dicha orquídea, típica de las lomas de la cuenca del río Rímac, en las cercanías de dicho cuerpo de agua. Pronto corrió el rumor sobre la mítica flor, que se creía desaparecida desde hace más de cincuenta años.

বিশেষজ্ঞদের একটি দল রিমাক নদীর অববাহিকায় বিশেষত পাহাড়ে দেখা যায় এমন ধরনের অর্কিডের কিছু নমুনা জলভাগের কাছাকাছি খুঁজে পেয়েছে। এই পৌরানিক ফুল সম্পর্কে গুজব খুব শীঘ্রই ছড়িয়ে পড়লো, যে ফুলটি ৫০ বছরেরও বেশী সময় ধরে লোপ পেয়েছে বলে বিশ্বাস করা হতো।

এই সংবাদটি টুইটারে ধ্বনিত হয়েছে:

লিমার অর্কিড ‘ক্লোরাইয়া উন্ডুলাটা’ পুনরাবির্ভূত হয়েছে, যদিও এটি লুপ্ত হয়েছে বলে বিশ্বাস করা হয়েছিল। উপভোগ করুন।

এখন এর যত্ন নেয়া ও এটিকে সংরক্ষণ করার দায়িত্ব কর্তৃপক্ষ ও জনগণের উপর।

আইএসআইএস যোদ্ধারা ইরাকের রামাদি শহর দখল করেছে

রামাদি, ইরাকের আল আনবার প্রদেশের রাজধানী, আইএসআইএস যোদ্ধাদের দ্বারা অধিকৃত হয়েছে। জোয়ি আইয়ুব গ্লোবাল ভয়েসেস এবং মিদান চেকডেস্কের সমন্বিত প্রকল্প গ্লোবাল ভয়েসেস চেকডেস্কের পক্ষ থেকে নাগরিক সাংবাদিকদের রিপোর্ট, খবর এবং সাক্ষ্য একত্রিত করা এবং তুলে ধরার কাজ করে যাচ্ছেন।

শহরটি ইরাকের কেন্দ্রীয় অঞ্চলে, বাগদাদের প্রায় ১১০ কিলোমিটার পশ্চিমে এবং ফালুযা থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার পশ্চিমে। শত শত মানুষ নিহত হয়েছে বলে রিপোর্ট পাওয়া গেছে, এবং হাজার হাজার মানুষ নিজেদের বাস্তুভিটা থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে।

আইএসআইএস, আল কায়েদার একটি অঙ্গসংগঠন, ইরাক ও সিরিয়ার একটি বড় অংশ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে এবং এসকল অঞ্চলে বসবাসরত বেসামরিক নাগরিকদের সাথে তাদের ভয়াবহতার কারণে তারা খবরের শিরোনাম হয়েছে।

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক সমন্বয় অফিসের মতে, জাতিসংঘের ইরাক বিষয়ক মানব সহযোগিতা:

UN agencies are rushing humanitarian assistance to people fleeing Ramadi for the second time in a month.

Close to 25,000 people have fled Ramadi following ISIL attacks and fierce fighting in the city. Most of the displaced are fleeing towards Baghdad, with many trying to enter through security checkpoints.

জাতিসংঘের সংস্থাসমূহ এক মাসের মধ্যে দ্বিতীয় বারের মতো মানবীয় সহযোগিতা পৌঁছে দেবার জন্য রামাদি ছুটে যাচ্ছে।

প্রায় ২৫০০০ মানুষ রামাদি ছেড়ে চলে গেছে আইএসআইএলের আক্রমণ পর থেকে এবং শহরে প্রচণ্ড যুদ্ধ চলছে। বাস্তুচ্যুত অধিকাংশই বাগদাদ অভিমুখে যাচ্ছে, যাদের অনেকেই চেকপয়েন্টের মাধ্যমে প্রবেশ করতে চেষ্টা করছে।

রিপোর্টটি আরো যুক্ত করেছে:

Within the past month, UN agencies and non-governmental organisations have provided life- assistance to more than 130,000 people who fled Ramadi following ISIL attacks in April. Tens of thousands of kits and rations have been distributed to more than 35 locations across Anbar Governorate. Thousands of families who had fled earlier had returned to their homes in Ramadi, when fighting again broke out, forcing them to flee a second time.

গত মাসের মধ্যে, জাতিসংঘের সংস্থাসমূহ এবং বেসরকারি সংস্থাসমূহ এপ্রিলে আইএসআইএলের হামলার পর রামাদি ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া ১৩০০০০ এর অধিক মানুষকে সহায়তা প্রদান করেছে। আনবার প্রদেশ জুড়ে অধিক ৩৫টিরও বেশি অবস্থানে শত সহস্র মানুষের মাঝে রশদ ও রেশন বিতরণ করা হয়েছে। আগে পালিয়ে আসা হাজার হাজার পরিবার নিজ নিজ গৃহে ফিরে আসে, কিন্তু আবার যুদ্ধ শুরু হওয়ায় তারা দ্বিতীয়বারের মতো পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়।

In July, the food pipeline will break. “Nothing is more important right now than helping the people fleeing Ramadi. They are in trouble and we need to do everything possible to help them.” Lise Grande, the UN's Humanitarian Coordinator said. “Thousands of people had to sleep in the open because they didn't have places to stay. We would be able to do much more if we had the funding.”

জুলাই মাসে, খাদ্য সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাবে। “রামাদি থেকে পালিয়ে মানুষকে সাহায্য করার চেয়ে এই মুহূর্তে বেশি গুরুত্বপূর্ণ অন্য কিছু নয়। তারা এখন বিপদের সম্মুখীন এবং তাদের সাহায্য করার জন্য যা কিছু করার সম্ভব সবকিছু করতে হবে।” লিসে গ্র্যান্ডে, জাতিসংঘের মানবিক সমন্বয়কারী বলেন। “হাজার হাজার মানুষকে খোলা আকাশের নিচে রাত কাটাতে হয়েছেকারণ তাদের থাকার জায়গা ছিল না। আমরা আরো অনেক কিছু করতে পারতাম যদি আমাদের হাতে তহবিল থাকতো।”

প্রথমবারের মতো আফ্রিকান কোন সাবেক রাষ্ট্রপতি আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে বিচারের সম্মুখীন

ওমর বা চাদের সাবেক রাষ্ট্রপতি হিসসেন হাবরে'র ঐতিহাসিক বিচার নিয়ে আলোচনা করেছেন:

For the first time in history, a former head of an African state will stand trial in Africa, before an internationalized tribunal, the Extraordinary African Chambers in Senegalese Courts. The EAC is an ad hoc court which is set up by the African Union under the principle of universal jurisdiction. It focuses solely on crimes of genocide, war crimes, torture, and crimes against humanity committed in Chad between 1982 and 1990. That happens to be the period of Habré’s tenure. The Chambers are made of judges of Senegalese nationality, nominated by Senegal’s Minister of Justice and appointed by the AU Chairperson.

If all goes as planned, the Habré’s trial will start in Dakar, this summer. Habré stands accused of crimes against humanity and torture during his rule in Chad in the 1980s. His reign was brutal, but he was literally “our man in Africa,” eager and willing to do for the CIA and the Reagan administration what no one else would.

ইতিহাসে এই প্রথম, একটি আফ্রিকান রাষ্ট্রের সাবেক প্রধান, সেনেগলিজ আদালতের অসাধারণ আফ্রিকান চেম্বারসের মাধ্যমে একটি আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের সামনে আফ্রিকায় বিচারের মুখোমুখি হবেন। ইএসি (Extraordinary African Chambers) একটি বিশেষ আদালত যা আফ্রিকান ইউনিয়ন দ্বারা সার্বজনীন বিচারব্যবস্থা নীতির অধীনে গঠন করা হয়। এই আদালত শুধুমাত্র ১৯৮২ থেকে ১৯৯০ সালের মধ্যে চাদে সংঘটিত মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ, গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ, নির্যাতনের প্রতি দৃষ্টি নিবদ্ধ করবে। হেবরে'র মেয়াদকাল এই সময়ে ছিল। এই চেম্বারের বিচারকগণ সেনেগালিজ জাতীয়তার অধিকারী, সেনেগালের বিচারমন্ত্রী এবং আফ্রিকান ইউনিয়ন দ্বারা নিযুক্ত হয়েছেন।

সবকিছু পরিকল্পনামাফিক হলে গ্রীষ্মেই চাদের রাজধানী ডাকারে হাবরে'র বিচার শুরু হবে। হাবরের বিরুদ্ধে ১৯৮০ এর পরবর্তী সময়ে তার শাসনামলে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের এবং অত্যাচারের অভিযোগ রয়েছে। তার শাসনামল পাশবিক ছিল, কিন্তু তিনি আক্ষরিক অর্থেই সিআইএ এবং রেগান প্রশাসন জন্য কাজ করতে আগ্রহী এবং ইচ্ছুক ‘আফ্রিকায় আমাদের লোক’ ছিলেন, যা অন্য কেউ হতে চাইতো না।