বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

· মে, 2015

গল্পগুলো আরও জানুন দুর্যোগ মাস মে, 2015

কলোম্বিয়ার গ্রামে ভূমিধসে কমপক্ষে ৪৮জন হতাহত হয়েছে

২০১৫ সালের ১৮ই মে'র ভোরের দিকে প্রচণ্ড বৃষ্টির কারণে কলোম্বিয়ার আন্তিয়কিয়া বিভাগের সালগার‘এ ভূমি ধসের মর্মান্তিক ফলাফল হলো কমপক্ষে ৪৮ জন মৃত্যুবরণ করেছে এবং অজ্ঞাত সংখ্যক লোকের অন্তর্ধান...

নেপালের সকলেই ভারতীয় মাধ্যমগুলোর ব্যাপারে খুশী নয়

ভারতীয় মাধ্যমগুলোতে অদায়িত্বশীল প্রতিবেদন লেখার ফলে রাগান্বিত হয়ে নেপালীয়রা অনলাইনে #ভারতীয়মাধ্যমঘরেফেরো শীর্ষক হ্যাসট্যাগ ব্যবহার করা শুরু করে দিয়েছে যা বেশ কয়েকদিন ধরে টুইটারে দেখা গেছে।

জাপানের একটি সামাজিক মিডিয়া দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা আবহাওয়ার খবর প্রচার করছে

আবহাওয়া বিষয়ক খবরাখবর জানতে আপনার যদি আগ্রহ থাকে, তাহলে জাপানের ওয়েদারনিউজ নামের সামাজিক নেটওয়ার্কে ঢুঁ মারতে পারেন। এরা দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা আবহাওয়ার খবর প্রচার করছে।

দ্বিতীয় মারাত্মক ভূমিকম্পের সময় খোলা জায়গায় যেতে নেপালীয়দের মধ্যে হুড়োহুড়ি শুরু হয়

এখন পর্যন্ত ৫৭টি মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে আর আহতের সংখ্যা হাজারেরও বেশী।

ইয়েমেনের দুর্দশার ইনফোগ্রাফিক এর মাধ্যমে দেশটির বেদনার কাহিনী তুলে ধরা হচ্ছে

সংখ্যায় ইয়েমেন (ইন নাম্বার নামক) নামক হ্যাশট্যাগের মাধ্যমে ইয়েমেনী ছাত্রী রুবা আলেরইয়ানি মনোমুগ্ধকর এবং সহজবোধ্য ইনফোগ্রাফিকের সৃষ্টিশীল উপস্থাপনার মাধ্যমে ইয়েমেনের দুর্দশার চিত্র তুলে ধরেছে।

ভূমিকম্পের আগে ও পরের ছবিতে ফুটে উঠলো নেপালের ঐতিহ্যবাহী স্থানগুলোর প্রকৃত অবস্থা

ভূমিকম্পে নেপালের ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ হলেও, নেপালের সাধারণ মানুষ আশা হারাননি। তারা একদিন ঠিকই এই ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো পুনর্নির্মাণ করতে সক্ষম হবে।

ধ্বংসের মুখেও ভেঙ্গে পড়তে রাজি নয় নেপাল

একটি বিধ্বংসী ভূমিকম্পের পর নেপালি মানুষজনের মাঝে আশা এবং সংহতি একসাথে দানা বেঁধেছে। যদিও সেখানকার শক্তিশালী সরকারের দুঃখজনক অনুপস্থিত লক্ষ্য করা গেছে।

#নেপালকম্প: ব্যক্তিগত ও জাতীয় শোকের কাহিনী

নেপালে এপ্রিল ২৫শের ভূমিকম্পের ফলে নারায়ণ অধিকারীর গ্রামের মতো প্রত্যন্ত এলাকাগুলো সবথেকে বেশী আঘাত হানা জায়গাগুলোর মধ্য অন্যতম, কিন্তু এখনো এগুলো ত্রাণের অপেক্ষায় আছে।