ভূমিকম্পের ধ্বংসযজ্ঞ কাটিয়ে উঠতে ভেনেজুয়েলার পুনর্গঠনে কত অর্থ প্রয়োজন?

দুর্যোগের কেন্দ্রস্থল লা গুয়াইরার সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা তানাগুয়ারেনায় ধসে পড়া একটি ভবন।

দুর্যোগের কেন্দ্রস্থল লা গুয়াইরার সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা তানাগুয়ারেনায় ধসে পড়া একটি ভবন। ছবি: গ্যাব্রিয়েলা মেসোনেস রোহো, ২০২৬; অনুমতিসহ ব্যবহৃত।

গত ২৪শে জুন ভেনেজুয়েলার উপকূলীয় অঞ্চলে আঘাত হানা জোড়া ভূমিকম্পের তিন সপ্তাহ পর সরকারি হিসাবে মৃতের সংখ্যা বেড়ে প্রায় ৫ হাজারে পৌঁছেছে। এখনও বাস্তুচ্যুত হয়ে আছেন প্রায় ১৮ হাজার মানুষ। তাৎক্ষণিক উদ্ধার ও জরুরি ত্রাণ কার্যক্রম ধীরে ধীরে পুনরুদ্ধারপর্বে রূপ নিচ্ছে। এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে, এই মানবিক বিপর্যয় মোকাবিলা এবং ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি, অবকাঠামো ও অর্থনীতি পুনর্গঠনে প্রয়োজনীয় বিপুল অর্থের সংস্থান।

প্রাথমিক মূল্যায়নগুলোতে মূলত ভবন, অবকাঠামো এবং অন্যান্য দৃশ্যমান সম্পদের সরাসরি ক্ষয়ক্ষতির হিসাবের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে এসব হিসাবের মধ্যে উৎপাদন, বাণিজ্য, কর্মসংস্থান এবং সরকারি সেবায় বিঘ্নের কারণে তৈরি হওয়া পরোক্ষ অর্থনৈতিক ক্ষতি ধরা পড়ে না।

দুর্যোগের প্রকৃত প্রভাব সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য সামনে আসার সঙ্গে সঙ্গে, এর মোট অর্থনৈতিক ক্ষতির আনুমানিক পরিমাণও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

দুর্যোগের ক্ষতির পরিমাণ কীভাবে নির্ধারণ করা হয়?

দুর্যোগের অর্থনৈতিক প্রভাব নিরূপণের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি পদ্ধতি হলো ইকোনমিক কমিশন ফর লাতিন আমেরিকা অ্যান্ড দ্য ক্যারিবিয়ান (ECLAC) প্রণীত দুর্যোগ মূল্যায়ন পদ্ধতি। এই ক্ষেত্রে পথিকৃৎ হিসেবে বিবেচিত এই সংস্থার তৈরি কাঠামো পরবর্তীতে বিশ্বব্যাংক (WB) এবং ইন্টার-আমেরিকান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (IDB)-সহ বিশ্বের বিভিন্ন বড় আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান গ্রহণ করেছে।

২০১৪ সালে প্যান আমেরিকান হেলথ অর্গানাইজেশন (PAHO)-এর সহযোগিতায় প্রকাশিত এর তৃতীয় সংস্করণে দুর্যোগের শুধু সরাসরি ক্ষয়ক্ষতি নয়, বরং এর আর্থসামাজিক প্রভাবও মূল্যায়নের একটি সমন্বিত পদ্ধতি তুলে ধরা হয়েছে। এতে জাতীয় অর্থনীতি থেকে শুরু করে সাধারণ পরিবারের ওপর প্রভাব এবং পুনরুদ্ধার ও পুনর্গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আর্থিক সম্পদের হিসাবও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এই পদ্ধতিতে দুর্যোগের প্রভাবকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়—ক্ষয়ক্ষতি (damage), লোকসান (losses) এবং অতিরিক্ত ব্যয় (additional costs)।

ক্ষয়ক্ষতি বলতে বোঝায় ভবন, স্থাপনা, যন্ত্রপাতি, সরঞ্জাম, অবকাঠামো এবং মজুত পণ্যের মতো ভৌত সম্পদের ধ্বংস। এসব ক্ষতির মূল্য নির্ধারণ করা হয় দুর্যোগের আগের দামে একই সম্পদ পুনর্নির্মাণ বা প্রতিস্থাপনে যত খরচ হতো, সেই আনুমানিক হিসাবের ভিত্তিতে।

অন্যদিকে, লোকসান হলো দুর্যোগের সময় থেকে শুরু করে পুরোপুরি পুনরুদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত যে পণ্য ও সেবা আর উৎপাদন বা সরবরাহ করা সম্ভব হয় না, তার আর্থিক মূল্য। এই লোকসানের হিসাব করতে হলে দুর্যোগের পর বিভিন্ন অর্থনৈতিক খাতের বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে এমন একটি সম্ভাব্য পরিস্থিতির তুলনা করতে হয়, যেখানে দুর্যোগটি ঘটেনি। তাই এই ধরনের হিসাব অনেকগুলো অনুমানের ওপর নির্ভর করে এবং এতে অনিশ্চয়তা থাকা স্বাভাবিক।

অতিরিক্ত ব্যয় বলতে বোঝায় দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকার ও বেসরকারি খাতের করা জরুরি অতিরিক্ত খরচ। এর মধ্যে রয়েছে জরুরি চিকিৎসাসামগ্রী, মানবিক সহায়তা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় পণ্য ও সেবার জন্য ব্যয়।

সবশেষে, এই পদ্ধতির মাধ্যমে পুনরুদ্ধার ও পুনর্গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের হিসাবও নির্ধারণ করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে অর্থনীতি ও সামাজিক ব্যবস্থাকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় সরকারি নীতি ও বিনিয়োগের খরচ। এর আওতায় পড়ে মৌলিক অবকাঠামো ও সেবা পুনর্নির্মাণ, পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য খাদ্য সহায়তা, নগদ অর্থ সহায়তা এবং অন্যান্য সহযোগিতা কার্যক্রম পরিচালনার ব্যয়।

ভূমিকম্পে অর্থনৈতিক ক্ষতির পরিমাণ কতটা?

ধ্বংসের প্রকৃত চিত্র এখনো পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। ভেনেজুয়েলা সরকার বলছে, ২ হাজারের বেশি অবকাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে নাসার স্যাটেলাইট চিত্র বলছে, এই সংখ্যা আসলে ৩০ হাজারের কাছাকাছি হতে পারে।

জোড়া ভূমিকম্পের মাত্র দুই দিন পর জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP) একটি প্রাথমিক মূল্যায়ন প্রকাশ করে। এতে RAPIDA পদ্ধতি ব্যবহার করে স্যাটেলাইট চিত্র ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সিস্টেম (GIS)-এর সহায়তায় ঘরবাড়ি ও অন্যান্য সম্পদের সরাসরি ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করা হয়।

মূল্যায়নে সরাসরি ক্ষতির পরিমাণ ধরা হয়েছে ৬ দশমিক ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। তবে এই ক্ষতির পরিমাণ ৪ দশমিক ৭ থেকে ৮ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা ভেনেজুয়েলার মোট দেশজ উৎপাদনের (GDP) প্রায় ৬ শতাংশের সমান।

ভেনেজুয়েলার অর্থনীতিবিদ আসদ্রুবাল অলিভেরোসের মতে, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বেশি হতে পারে। তিনি সরাসরি ক্ষতির পরিমাণ ৭ থেকে ৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার হতে পারে বলে ধারণা করছেন। তার মতে, পুনর্গঠনের মোট ব্যয় ১২ থেকে ১৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। এই হিসাব শুধু ক্ষতিগ্রস্ত সম্পদ পুনর্নির্মাণের খরচ নয়, বরং অর্থনীতি পুনরুদ্ধার ও দেশ পুনর্গঠনের বৃহত্তর ব্যয়কেও অন্তর্ভুক্ত করে।

অন্যদিকে, জাতিসংঘের দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস কার্যালয় (UNDRR) এর তুলনায় অনেক বেশি ক্ষতির হিসাব দিয়েছে। তাদের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, সরাসরি ভৌত ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৩৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা ভেনেজুয়েলার মোট দেশজ উৎপাদনের (GDP) প্রায় ৪০ শতাংশের সমান।

এই ক্ষতির প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ এসেছে আবাসিক ভবন, বাণিজ্যিক স্থাপনা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র, সরকারি ভবন ও শিল্প স্থাপনার ক্ষতি থেকে। বাকি এক-তৃতীয়াংশ ক্ষতি হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে—যার মধ্যে রয়েছে টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক, সড়ক, বন্দর, বিমানবন্দর এবং অন্যান্য সরকারি সম্পদ।

স্থানীয় ক্ষতি, জাতীয় প্রভাব

ছয়টি রাজ্য ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও, জোড়া ভূমিকম্পে সৃষ্ট অধিকাংশ ভৌত ক্ষতি কেন্দ্রীভূত হয়েছে লা গুয়াইরা রাজ্যে এবং রাজধানী কারাকাসের কিছু অংশে। ফলে এর অর্থনৈতিক ক্ষতির প্রভাব মূলত এমন একটি অঞ্চলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা ভেনেজুয়েলার উৎপাদন সক্ষমতার বড় অংশের প্রতিনিধিত্ব করে না, বিশেষ করে তেল, উৎপাদনশিল্প ও কৃষি খাতে।

তবে স্থানীয় পর্যায়ে এর প্রভাব অনেক বেশি গুরুতর। মাইক্রোসফট এআই ফর গুড রিসার্চ ল্যাবের সহযোগিতায় থিংকঅ্যানোভা প্রকাশিত একটি নীতিপত্র অনুযায়ী, লা গুয়াইরায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রতি ১০টি ভবনের মধ্যে প্রায় ৭টিই ক্যাতিয়া লা মার এলাকায় অবস্থিত। অন্যদিকে, কারাবায়েদা এলাকায় ক্ষতির মাত্রা এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সংখ্যা বিশেষভাবে বেশি। এসব ক্ষতির কারণে অঞ্চলটির অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, পর্যটন খাতও বড় ধরনের বাধার মুখে পড়েছে।

অলিভেরোসের মতে, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত খাতগুলোর মধ্যে রয়েছে আবাসন, অবকাঠামো, বাণিজ্য, পরিবহন ও লজিস্টিকস। মাইকেতিয়ার সিমন বলিভার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রধান রানওয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায়, যেটি দেশটির প্রধান আন্তর্জাতিক প্রবেশদ্বার, সাময়িকভাবে বিমানবন্দরটি বন্ধ রাখতে হয়। যদিও পরে আংশিকভাবে কার্যক্রম শুরু হয়েছে, তবুও বিমানবন্দরটি এখনো পুরো সক্ষমতায় ফিরতে পারেনি। এর ফলে এয়ারলাইনগুলো ভ্যালেন্সিয়া ও বার্সেলোনার মাধ্যমে ফ্লাইট পরিচালনা করছে, যা এসব অঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও পরিবর্তন আনছে।

তীব্র আর্থিক সংকটের মধ্যে পুনর্গঠন

দেশটির দুর্বল অর্থনৈতিক অবস্থার কারণে ভেনেজুয়েলার পুনর্গঠন এখন বড় এক চ্যালেঞ্জ। অর্থনৈতিক উৎপাদন প্রায় ৭৫ শতাংশ কমে যাওয়া এবং বার্ষিক ৩ লাখ শতাংশের বেশি মূল্যস্ফীতির দীর্ঘ সময় পার করার পর দেশটির মুদ্রা বলিভারের মূল্য ভয়াবহভাবে কমে গেছে। এতে সাধারণ মানুষের আয় কমেছে, পাশাপাশি ব্যাংকগুলোর ঋণ দেওয়ার সক্ষমতা এবং বীমা খাতও ব্যাপকভাবে সংকুচিত হয়েছে। এই দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক দুর্বলতাগুলো দেশটির পুনরুদ্ধার ও পুনর্গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহের পথ কঠিন করে তুলেছে।

আন্তর্জাতিক উৎস থেকেও অর্থায়ন পাওয়ার সুযোগ সীমিত। ২০১৭ সাল থেকে ভেনেজুয়েলা এবং দেশটির রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি পিডিভিএসএ (PDVSA) বৈদেশিক ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হয়ে খেলাপি অবস্থায় রয়েছে। দ্য ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস-এর হিসাব অনুযায়ী, দেশটির বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ প্রায় ২৪০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর ফলে আন্তর্জাতিক পুঁজিবাজার থেকে নতুন অর্থ সংগ্রহের সুযোগ কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে।

অর্থনৈতিক বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট, ব্যাংকো দে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলে (IMF) ভেনেজুয়েলার গভর্নর ক্যালিক্সটো ওর্তেগা জানিয়েছেন, জরুরি পরিস্থিতির মধ্যেও দেশটির বৈদেশিক ঋণ পুনর্গঠন নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে ভেনেজুয়েলার অর্থনীতিবিদ লিওনার্দো ভেরা মনে করেন, শুধু ঋণ পুনর্গঠন করলেই পুনর্গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ পাওয়া সম্ভব হবে না। তার মতে, এর জন্য আলাদা পুনর্গঠন তহবিল, বহুপাক্ষিক আর্থিক সহায়তা এবং আন্তর্জাতিক ও দেশীয় অনুদানের মতো বিকল্প অর্থায়ন ব্যবস্থার প্রয়োজন।

সরকার ইতোমধ্যে কয়েকটি প্রাথমিক অর্থায়ন উদ্যোগের ঘোষণা দিয়েছে। অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ পুনর্গঠনের জন্য একটি তহবিল চালুর ঘোষণা দিয়েছেন, যেখানে প্রাথমিকভাবে আইএমএফে থাকা ভেনেজুয়েলার সম্পদ থেকে ২০ কোটি মার্কিন ডলার বরাদ্দ করা হয়েছে। এই অর্থ আবাসন, অবকাঠামো এবং হাসপাতাল পুনর্নির্মাণে ব্যবহার করার কথা। একইভাবে, লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় উন্নয়ন ব্যাংক (CAF) জরুরি সহায়তা ও দীর্ঘমেয়াদি পুনর্গঠনে সহায়তার জন্য সরকারি, বেসরকারি ও আন্তর্জাতিক অর্থ সংগ্রহে একটি তহবিল গঠন করেছে।

তবে এসব উদ্যোগ সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত যে পরিমাণ অর্থের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, তা প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী প্রয়োজনীয় মোট অর্থের তুলনায় খুবই সামান্য। ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলগুলো পুরোপুরি পুনর্গঠন এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে আরও অনেক বেশি অর্থের প্রয়োজন হবে।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .