ঋণ সংকটে বিশ্বের অনেক দেশ

জিওভানা ফ্লেকের অলংকরণ।

মহামারীর পর থেকে মুদ্রাস্ফীতি সারাবিশ্বে বিঘ্ন সৃষ্টি করলেও সাম্প্রতিক আক্রমনাত্মক সুদের হার বৃদ্ধি অর্থনীতিগুলির মোকাবেলা করা ক্রমাগত মুদ্রাস্ফীতির সমাধান করেনি। প্রকৃতপক্ষে, মুদ্রাস্ফীতির প্রকৃত কারণ, সরবরাহ শৃঙ্খলে বিঘ্ন ঘটানো ও পণ্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি বর্তমানে কমে গেলেও  এখন জল্পনা-কল্পনা বিশ্বব্যাপী খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার সমস্যা বাড়িয়ে তোলা বাণিজ্য হ্রাস পেয়েছে; পশ্চিমা নেতৃত্বের প্রভাবে ঋণ সংকটে বৈশ্বিক সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলির শ্বাসরোধের জোগাড়।

কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে বিশ্বের সংখ্যাগরিষ্ঠদের ঋণ ২০২০ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৮.৬ লক্ষ কোটি থেকে ৯ লক্ষ কোটি ডলার হয়েছে, যা বৃদ্ধির হারে তাদের মোট জাতীয় আয় ও রপ্তানির চেয়ে বেশি। একইভাবে সম্ভবত ভ্যাকসিন, পরীক্ষার উপকরণ ও অন্যান্য মহামারী ব্যবস্থাপনা কেনার কারণে বাহ্যিক স্বল্পমেয়াদী ঋণও বেড়েছে, অনেক দেশে তা বেড়েছে দুই অঙ্কের ঘরে।  মহামারীর ফলে রপ্তানি, পর্যটন ও প্রেরিত অর্থের তীব্র হ্রাসের পাশাপাশি খাদ্য ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রার মুনাফা দ্রুত কমে বিশ্বের বেশিরভাগ দেশে ব্যয় বেড়েছে। জনগণ দেশের ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থা থেকে তাদের অর্থ সরিয়ে নেওয়ায় পুঁজি পলায়নে জর্জরিত উন্নয়নশীল বিশ্বে মুদ্রামান হ্রাস পাওয়ায় তাদের আমদানি ব্যয় বেড়েছে, পণ্যের চড়া দামের কারণে গৃহস্থালি ভোগ কমেছে— যার সবকিছু কিছু দেশে ঋণের বোঝা বৃদ্ধি এমনকি ঋণ খেলাপের একটি বিস্ফোরণ তৈরি করেছে।

এছাড়াও ২০২২ সালে “লোভস্ফীতি” সৃষ্ট মুদ্রাস্ফীতি ঘটে – অধিক মুনাফা অর্জনের জন্যে বড় কর্পোরেশনগুলির দাম বাড়ানো বা “মজুদস্ফীতি” সৃষ্ট সরবরাহের ঘাটতি বিশ্ব অর্থনীতিতে মূল্যবৃদ্ধি ঘটায়। মূলত মার্কিন  কেন্দ্রীয় রিজার্ভের নেতৃত্বে আক্রমনাত্মকভাবে সুদের হার বাড়ানোর ফলে বৈশ্বিক সংখ্যাগরিষ্ঠের বেশিরভাগের জন্যে বিপর্যয়কর পরিণতি সৃষ্টি হয়। উচ্চ সুদের হার ডলারকে বিনিয়োগকারীদের কাছে আরও আকর্ষণীয় করে তোলায় অন্যান্য মুদ্রার তুলনায় এর মূল্য বৃদ্ধি ঘটে।  যার মানে ডলারে কিনতে চাওয়া বিশ্বের সংখ্যাগরিষ্ঠের কাছে তাদের নিজস্ব মুদ্রায় অনেক বেশি ব্যয়বহুল হয়ে পড়ে। অনুমিত পণ্যের দাম (যেমন ধাতু, তেল, কৃষি, ইত্যাদি) ও মহামারীর মতো বাহ্যিক নিয়ামকের কারণে ইতোমধ্যে এই দেশগুলির অভ্যন্তরীণ আর্থিক নীতি বিধিনিষেধের মুখে পড়ে গেলে আক্রমনাত্মক সুদের হার পরবর্তীতে বিশ্বের সংখ্যাগরিষ্ঠের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে হুমকির মুখে ফেলে। এই উদ্বেগজনক পরিস্থিতির অর্থ বৈশ্বিক সংখ্যাগরিষ্ঠ ঋণ সংকটে পড়ে একটি বড় অর্থনৈতিক মন্দার সম্মুখীন।

বাণিজ্য ও উন্নয়ন বিষয়ক জাতিসংঘ সম্মেলন ঋণ পরিশোধের খরচের চাপ মূল্যায়ন করে পূর্বাভাস দিয়েছে ধনী দেশগুলির শুরু করা আগ্রাসী সুদের হারের চাপ বিশ্বের বাকি সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশে গুরুতর ঋণ সঙ্কটের কারণ হবে। এই খরচ কমপক্ষে ৮০,০০০ কোটি ডলার হতে পারে। জাতিসংঘের উপ-মহাসচিব আমিনা মোহাম্মাদের মতে বিনিয়োগ ও সরকারি ব্যয়ের কারণে ঋণ সেবা ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় এই দেশগুলি “ঋণ ও জনগণে বিনিয়োগের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি“তে পড়ে যাবে। আসন্ন বিশেষ করে “ইতোমধ্যে দারিদ্র্য হ্রাস থমকে যাওয়া অনেক দরিদ্রতম অর্থনীতির জন্যে ধ্বংসাত্মক”  ঋণ সংকট “তীব্রতর হচ্ছে” বলে বিশ্বব্যাংক সতর্ক করেছে। উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের ঋণের চাপের সর্বশেষ মূল্যায়নের ইঙ্গিত অনুসারে ঋণ সংকটে (অর্থাৎ ঋণ খেলাপি বা খেলাপির দ্বারপ্রান্তে) থাকা ১০টি দেশ এবং গুরুতর থেকে মাঝারি ঋণের চাপে থাকা ৫২টি দেশ মিলে বর্তমানে মোট ৩ লক্ষ কোটি ডলার ঋণী, যা ২০১০ সাল থেকে দ্বিগুণ।

অর্থনৈতিক চিন্তাবিদ নয়া অর্থনৈতিক চিন্তা প্রতিষ্ঠানের (আইএনইটি) সাম্প্রতিক একটি গবেষণাপত্র পশ্চিমের অর্থ-সঙ্কোচন নীতিতে সৃষ্ট  পরিস্থিতির গুরুত্বকে স্পষ্ট করেছে। পূর্বে আলোচিত সমস্যা ছাড়াও এসব দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কগুলি তাদের সুদের হার বাড়ানোর সুযোগ থাকলেও কাগুজে যুক্তি অনুসারে তা একটি সহজ উত্তরণের পথ অসম্ভব করে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি মন্থর ও উল্লেখযোগ্য কর্মসংস্থান হ্রাসের দিকে পরিচালিত করে তাদের জিডিপি ও অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতে যথেষ্ট ক্ষতি করবে। এছাড়াও মার্কিন মুদ্রানীতিতে সৃষ্ট মন্দার ফলে তৈরি ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সম্ভাব্য “ক্ষত” তাদের ঋণ পরিশোধ অসম্ভব করে তুলবে।

উন্নয়নের আরেকটি হেরে যাওয়া দশকের বিপদ বৈশ্বিক সংখ্যাগরিষ্ঠের দৈনন্দিন জীবনের জন্যে মারাত্মক পরিণতি ঘটাবে। আসলে ইউএনসিটিএডি এর অনুমান, মার্কিন সুদের হার বৃদ্ধি বিশ্বব্যাপী সংখ্যাগরিষ্ঠদের (চীন ব্যতীত) ভবিষ্যতের আয় ন্যূনতম ৩৬,০০০ কোটি ডলারে সংকুচিত হতে পারে। ঋণগ্রস্ত এসব দেশের অনেকগুলির সুদ পরিশোধের পরিমাণ রপ্তানি আয়ের প্রায় ৫ শতাংশ

পশ্চিমাদের প্রতিক্রিয়া ছিল হাস্যকর ও প্রহসনমূলক। মহামারী চলাকালে উদ্যোগটির দেশগুলির কোনো ঋণ বাতিল না করে শুধু দীর্ঘমেয়াদী বাহ্যিক ঋণ পরিশোধ সাময়িকভাবে স্থগিত করার সিদ্ধান্ত তাদের অর্থপ্রদানে বিরতি কর্মসূচি সম্পূর্ণ অপর্যাপ্ত ছিল –  “সুদের অর্থের পরিমাণ বাড়তে থাকা সত্ত্বেও এখনো ২০২২-২৪ সালের মধ্যে সম্পূর্ণ পরিশোধ করতে হবে।” আরো গুরুত্বপূর্ণভাবে একটি সরকারের পক্ষে কোনো সংস্থার করা দ্বিপাক্ষিক ঋণের উপর তারা দৃষ্টি নিবদ্ধ করেছে। তবে দেশগুলি ক্রমবর্ধমানভাবে অন্য সরকার বা আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান ব্যাতিরেকে উচ্চ সুদের হার ও পরিশোধের কম সময় বিশিষ্ট বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলি থেকে ঋণ নিচ্ছে। বিশেষ করে বেসরকারী ঋণদাতারা ধারাবাহিকভাবে পুনর্গঠন, পুনঃঅর্থায়ন বা ত্রাণ প্রস্তাব অস্বীকার করে বলে পুনর্গঠন যথেষ্ট বেশি চ্যালেঞ্জের বলে এটি ঋণের অনিশ্চয়তার একটি প্রধান উৎস

সম্প্রতি ঋণ খেলাপি হওয়া শ্রীলঙ্কার মতো অনেক দেশ ঠিক এই সমস্যায় পড়ে। দুই দশক আগে শ্রীলঙ্কার বেশিরভাগ বৈদেশিক ঋণ বহুপাক্ষিক ও দ্বিপাক্ষিক উন্নয়ন সংস্থা অর্থাৎ বিশ্বব্যাংক ও জাইকার সমন্বয়ে ব্যাপক বাড়তি সময়সহ পরিশোধের দীর্ঘ সময়সীমা (২৫ থেকে ৪০ বছর) এবং আরো গুরুত্বপূর্ণভাবে ব্যাপক কম সুদের হার (কিছু ক্ষেত্রে, এমনকি ১ শতাংশের নিচে) বিশিষ্ট ছিল। বাণিজ্যিক ঋণের গঠন ২০০০-এর দশকের মাঝামাঝি প্রায় ২ শতাংশ থেকে আজ ৬০ শতাংশে উঠে এসেছে। দীর্ঘমেয়াদী না হয়ে বেশিরভাগ ঋণ পরিশোধের স্বল্পমেয়াদ বিষয়টিকে আরো খারাপ করেছে। বিগত দুই দশকে বেশিরভাগ বৈশ্বিক সংখ্যাগরিষ্ঠ ক্ষেত্রে বিশ্বজুড়ে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের পতন ও সুদের হার বৃদ্ধির কারণে এটি আরো ঘোরতর হয়েছে।

আরেকটি পদ্ধতি ছিল আইএমএফের বিশেষ উত্তোলন অধিকার (এসডিআর) অর্থাৎ অভাবী দেশগুলিতে রিজার্ভ সরবরাহ করা। কোভিড-১৯ মহামারীর আর্থিক ধাক্কার প্রতিক্রিয়া হিসেবে আইএমএফ ২০২১ সালের আগস্টে এসডিআর-এর জন্যে ৬৫,০০০ কোটি ডলার যুক্ত করে।

এর কিছুকাল পরেই বৈশ্বিক সংখ্যাগরিষ্ঠ অন্তত ৮০টি দেশ অভ্যন্তরীণ আর্থিক ব্যয়ের জন্যে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় বৈদেশিক মুদ্রা কেনার এই সুযোগটি গ্রহণ করে। আরো গুরুত্বপূর্ণ হলো বৈশ্বিক সংখ্যাগরিষ্ঠের কাছে  এটি পূর্ববর্তী আইএমএফ বরাদ্দের মতো নয়া-উদারবাদী (বেসরকারিকরণ, সরকারি ব্যয় হ্রাস, নিয়ন্ত্রণমুক্তকরণ, আর্থিককরণ) শর্তে আসেনি। তবে দেশগুলির অর্থনৈতিক আকার নির্ভর আইএমএফ কোটাভিত্তিক এসডিআর এর চাহিদার মাত্রার তুলনায় বরাদ্দ সম্পূর্ণ অপর্যাপ্ত ছিল। এর মানে হলো সবচেয়ে বেশি সহায়তার প্রয়োজন সম্পন্ন ক্ষুদ্রতম অর্থনীতির দেশগুলি সবচেয়ে কম পেয়েছে। বৈশ্বিক সংখ্যাগরিষ্ঠের কাছে তাদের এসডিআর এর অংশ সরবরাহের প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের মতো প্রধান পশ্চিমা দেশগুলি তাদের অংশের প্রায় ২০ শতাংশ পুনঃনির্দেশ করায় নতুন বরাদ্দের এসডিআরগুলির প্রায় ৪০,০০০ কোটি ডলার অব্যবহৃত থেকে গেছে।

পুঁজিবাদের স্বর্ণযুগের ব্রেটন উডস ব্যবস্থার একটিপদক্ষেপ বিদেশী পুঁজির প্রবাহ ও বহিঃপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা – পুঁজি নিয়ন্ত্রণ বাদ দেওয়ার পর থেকে বৈশ্বিক সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলিকে অপরিহার্য তহবিল চাহিদা পূরণে  আন্তর্জাতিক আর্থিক বাজারের উপর নির্ভর করতে হলেও তারা ক্রমবর্ধমান অনিয়ন্ত্রিত আর্থিক বাজারের শিকার হতে হয়েছে। মহামারী ও অন্যান্য অস্থিতিশীল বাস্তবতার মতো বৈশ্বিক ধাক্কার পাশাপাশি স্বল্প-মেয়াদী লাভের জন্যে দেশগুলির মধ্যে সাধারণত অবৈধ অনুমানমূলক পুঁজির প্রবাহ – তাৎক্ষণিক অর্থের ঘটনা তাদের আরো বেশি এবং ঝুঁকিপূর্ণ ও অনিশ্চিত ঋণের বোঝার মধ্যে ফেলেছে। আসলে বৈশ্বিক সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ প্রায়শই বিদেশী মুদ্রায় ঋণ নেয় বলে তাদের ঋণের সুদ প্রদানের বৈদেশিক মুদ্রা লাভের ক্ষমতাকে প্রভাবিত করা পণ্যমূল্যের ওঠানামার মতো বাহ্যিক ধাক্কার ক্রমবর্ধমান ঝুঁকিতে রয়েছে। এটা তাদের বাজেটে এসব অর্থনৈতিক সংকট মোকাবেলার জায়গা সংকুচিত করে। আরো গুরুত্বপূর্ণ, এই বদ্ধ উচ্চ ঋণের বোঝা জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতা গড়ে তোলা ও টেকসই লক্ষ্যে অগ্রগতি অর্জনের একটি প্রত্যক্ষ বাধা। আসলে জলবায়ু পরিবর্তন ২০১০ সাল থেকে বৈশ্বিক সংখ্যাগরিষ্ঠের মোট জিডিপির প্রায় এক-চতুর্থাংশ কমিয়ে দিয়েছে।এর চেয়েও খারাপ, জলবায়ু পরিবর্তনের সকল সরকারি ব্যয়ের প্রায় ৮০ শতাংশ ঋণ তৈরি করে বলে জাতিগুলি এসব গুরুতর সমস্যা মোকাবেলা করার জন্যে ঋণ নিচ্ছে৷

সম্প্রতি প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে অক্সফ্যাম বৈশ্বিক সংখ্যাগরিষ্ঠের মুখোমুখি হওয়া বড় সংকটের উপর জোর দিয়ে বলেছে “আগামী পাঁচ বছরে বিশ্বের দরিদ্রতম অর্ধেকেরও বেশি (৫৭ শতাংশ) দেশের ২৪০ কোটি জনগণের জন্যে মোট ২২,৯০০ কোটি ডলারের বেশি সরকারি ব্যয় কমাতে হচ্ছে।” প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে বৈশ্বিক সংখ্যাগরিষ্ঠরা “এখন থেকে ২০২৯ সালের মধ্যে সুদ ও ঋণ পরিশোধে প্রতিদিন প্রায় ৫০ কোটি ডলার দিতে বাধ্য হবে।”

আজকের অর্থনৈতিক পটভূমিতে জলবায়ু সংকটের মূলে থাকা এই মারাত্মক বাস্তবতাগুলি সকলের জন্যে একটি বড় হুমকি। বিশেষ করে বাস্তব ও বিশ্বাসযোগ্য বিকল্প থাকলে পরাজয়ের দশকের আরেকটি পুনরাবৃত্তি ঘটবে না।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .