বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

ফিলিপাইনের স্বাধীন বইয়ের দোকানগুলোকে লাল চিহ্নিত করা হচ্ছে

ছবি > সৌজন্যে পপুলার বুকস্টোর।

মার্চের শেষের দিকে ফিলিপাইনের জাতীয় রাজধানী অঞ্চলের দুটি স্বাধীন বইয়ের দোকান কুয়েজন সিটির পপুলার বুকস্টোর এবং ম্যানিলা শহরের সলিদারিদাদ (সংহতি) বুকশপ ব্যক্তি ও সংস্থাকে উগ্র, বামঘেঁষা কমিউনিস্ট চিহ্নিত করার চর্চার অংশ হিসেবে লাল দাগের সর্বশেষ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। এটা তাদের অন্তর্ঘাতী বা সন্ত্রাসবাদীচিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে সহিংসতাকে বৈধতা ও ন্যায্যতা দেয়। ফিলিপাইনে লাল চিহ্নিতকরণের একটি দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে।

২০২২ সালের ২২ মার্চ তারিখে “এনপিএ সন্ত্রাসবাদী” শব্দ দিয়ে পপুলার বুকস্টোরের সাইনবোর্ড এবং সম্মুখভাগ ভাংচুর করা হয়েছে। এই স্লোগানটি ফিলিপাইনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিপি) সশস্ত্র শাখা রদ্রিগো দুতার্তে সরকারের সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে মনোনীত নয়া গণবাহিনীকে বোঝায়। একই দিন সকালে সলিদারিদাদের দোকানের সম্মুখভাগও একইভাবে লাল রঙের স্প্রে-পেইন্ট করা হয়।

বাক স্বাধীনতা এবং শিক্ষার স্বাধীনতার উপর আক্রমণ

নানা স্তরের শিক্ষাবিদ, বই বিক্রেতা, প্রকাশক এবং সুশীল সমাজ সংস্থা স্বাধীন বইয়ের দোকান দুটির লাল চিহ্নিতকরণকে বাকস্বাধীনতা এবং শিক্ষার স্বাধীনতার উপর আক্রমণ হিসেবে নিন্দা করেছে।

ফিলিপাইনের শিক্ষক, গবেষক, স্কুল প্রশাসক এবং অন্যান্য শিক্ষা কর্মীদের একটি জোট গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের জন্যে শিক্ষাবিদদের ঐক্যের হিসেবে সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনা এবং ভিন্নমতের ধারণার শত্রুরা যে ফিলিপাইনে বুদ্ধিবৃত্তিক বিষয়বস্তুর শিরোনামের এবং অন্যান্য দুষ্প্রাপ্য বই বিক্রেতা অবশিষ্ট কয়েকটি বইয়ের দোকানগুলির কোন একটিকে যে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করবে, তাতে অবাক হওয়ার কিছু নেই:

বইয়ের দোকানের তাকগুলি একটি জাতি তার ইতিহাসের প্রতিটি মুহুর্তে কীভাবে চিন্তা করে তার একটি ঝলক। বইয়ের দোকানে বইয়ের তাক খালি বা শুধু একটি একদেশদর্শী ধারণা বা ধারণাহীন বইয়ে ভরা থাকা একটি জাতির গভীর বুদ্ধিবৃত্তির দারিদ্র্যকে প্রতিফলিত করে। #পপুলার_বুকস্টোর_থেকে_হাত_গুটাও

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষের অল্প পরেই প্রতিষ্ঠিত পপুলার বুকস্টোর লাল চিহ্নিতকরণের সাথে অপরিচিত নয় — এর মালিকরা মার্কসবাদী বই বিক্রি করার জন্যে ১৯৫০ এর দশকের কমিউনিস্টবিরোধী ডাইনী শিকারের ভুক্তভোগী হয়েছিল। ১৯৫৭ সালে ঔপন্যাসিক এবং জাতীয় শিল্পী এফ. সিওনিল হোসে প্রতিষ্ঠিত সলিদারিদাদ দেশের রাজধানীতে লেখক, শিল্পী এবং মুক্তচিন্তকদের একটি দীর্ঘ সময়ের প্রিয় কেন্দ্র।

শুধু যারা জ্ঞান এবং শেখাকে ভয় পায় তারাই পপুলার বুকস্টোর এবং সলিদারিদাদের মতো বইয়ের দোকানকে হুমকি মনে করে। #ফিলিপাইনের পাঠাগারগুলিতে স্থানীয় কমিউনিস্টদের সশস্ত্র সংঘর্ষ অবসানের জাতীয় টাস্ক ফোর্সের (NTF-ELCAC) [ভিন্নমতের] বই পরিষ্কার অভিযানের পরেই এটা এলো।

ফিলিপাইন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রগতিশীল শিক্ষক এবং শিক্ষা সংক্রান্ত কর্মচারীদের সংগঠন জাতীয়তাবাদ এবং গণতন্ত্রের জন্যে শিক্ষক/ শিক্ষাবিদদের কংগ্রেস (কন্টেন্ড) বইয়ের দোকান লাল চিহ্নিতকরণের পিছনে একমাত্র সম্ভাব্য অপরাধী হিসেবে দুতার্তে সরকারের স্থানীয় কমিউনিস্টদের সশস্ত্র সংঘর্ষ অবসানের জাতীয় টাস্ক ফোর্সের (NTF-ELCAC) দিকে আঙুল তুলেছে

২০২১ সালের সেপ্টেম্বর থেকে জাতীয় টাস্ক ফোর্স-ELCAC এবং ফিলিপাইনের সেনাবাহিনী রাষ্ট্র-পরিচালিত বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের পাঠাগার থেকে তথাকথিত “অন্তর্ঘাত্মূলক” বই সরানো শুরু করেছে। লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে রয়েছে সিপিপি-এর রাজনৈতিক সংগঠন  ফিলিপাইনের জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের (এনডিএফপি) সাথে শান্তি আলোচনার বিভিন্ন নথির পাশাপাশি ফিলিপাইনে কমিউনিস্ট বিদ্রোহ এবং মার্কসবাদের অন্যান্য শিরোনামের বইগুলি।

লাল চিহ্নিতকরণের ঔপনিবেশিক শেকড়

২০ শতকের গোড়ার দিকে মার্কিন ঔপনিবেশিক শাসনের সময় থেকে ফিলিপাইনের রাজনীতির একটি নিয়মিত বৈশিষ্ট্য হলো লাল চিহ্নিতকরণ। মার্কিন উপনিবেশ স্থাপনকাড়ি এবং স্থানীয় অভিজাতরা মার্কিন-শৈলীর পুঁজিবাদ এবং চরম শ্রেণীবিভক্ত সমাজে শ্রমিক ও কৃষকদের সমাবেশ ঘটানোর ক্ষমতার জন্যে বড় ধরনের হুমকির বিভিন্ন বিষয়ের বিস্তার দমনের জন্যে কমিউনিস্টবিরোধী মতাদর্শের জন্ম দেয়।

দেশে লাল চিহ্নিতকরণের প্রথমদিককার ঘটনাগুলির মধ্যে একটি হলো ১৯২৭ সালে ডাচ নিপীড়ন থেকে বাঁচার জন্যে ফিলিপাইনে আসা-যাওয়া করা এবং ফিলিপাইনের শ্রমিকদের সংগঠিত হতে সাহায্যকারী ইন্দোনেশীয় স্বাধীনতা সংগ্রামী ও ইন্দোনেশীয় কমিউনিস্ট পার্টি – পিকেআইয়ের নেতা তান মালাকার নির্বাসন।

সমাজতান্ত্রিক বিশ্বাসের কারণে মালাকাকে মার্কিন কর্মকর্তারা উপনিবেশের নিরাপত্তার জন্যে বিপদ হিসেবে দেখতো এবং তখনকার সংবাদপত্রে বিভিন্নভাবে তাকে “জাভা লাল” এবং “বলশেভিক চর” বলে ডাকা হতো।

১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লবের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে ক্রিসান্তো ইভাঞ্জেলিস্তার নেতৃত্বে কট্টরপন্থী ইউনিয়নবাদীরা শ্রমিকদের অধিকার ও কল্যাণ এবং মার্কিন শাসন থেকে অবিলম্বে স্বাধীনতার জন্যে কাজ করার উদ্দেশ্যে  ১৯৩০ সালে আগেকার ফিলিপাইন দ্বীপপুঞ্জের কমিউনিস্ট পার্টি (পিকেপি) প্রতিষ্ঠা করেন। পিকেপি’র অস্তিত্বের মাত্র এক বছর পরে ঔপনিবেশিক কর্তৃপক্ষ দমনাভিযানের মাধ্যমে এর নেতা ও সদস্যদের গ্রেপ্তার করে দলটিকে অবৈধ ঘোষণা করে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৬ সালে মার্কিন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে সদ্য স্বাধীন ফিলিপাইনের সরকার রাজধানী ম্যানিলার উত্তরে মধ্য লুজোনের গ্রামীণ কেন্দ্রস্থলে কমিউনিস্ট নেতৃত্বাধীন হুক কৃষক বিদ্রোহের উপর তাদের নজরদারি প্রশিক্ষিত করে সমস্ত ভিন্নমত এবং বামপন্থী রাজনীতির অভিব্যক্তিকে “লাল বিপদ” হিসেবে চিহ্নিত করে।

১৯৪৯ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাককার্থির ডাইনি শিকারের পথ ধরে ফিলিপাইন কংগ্রেস সন্দেহভাজন কমিউনিস্টদের অনুসরণ করার জন্যে অফিলিপিনো কর্মকাণ্ড বিষয়ক কমিটি বা সিইউএফএ এর নিজস্ব কমিটি গঠন করে। ১৯৫৭ সালে অন্তর্ঘাতবিরোধী আইন প্রণয়ন এবং সিইউএফএ এর নাম পরিবর্তন করে ফিলিপিনো কর্মকাণ্ড বিষয়ক কমিটি বা সিএএফএ রাখা হয়।

শুধু কমিউনিস্টদেরই নয়, মার্কিনপন্থী নীতি নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপনকারীদেরও লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা হয়।

১৯৫০ এর দশকে কৌশলগত ত্রুটির মিশ্রণ এবং ব্যাপক রাষ্ট্রীয় দমন-পীড়নের কারণে হুক বিদ্রোহ গুঁড়িয়ে যায়। কিন্তু ১৯৬০-এর দশকে অস্থিরতার বিস্ফোরণ এবং সক্রিয়তার পুনরুত্থানের সময় পরিণত বয়সে আসা তরুণ কট্টরপন্থীরা ১৯৬৮ সালে ফিলিপাইনের কমিউনিস্ট পার্টি পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করে একটি সমাজতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে জাতীয় গণতন্ত্র অর্জনের জন্যে “জনযুদ্ধ” শুরু করে।

মার্কোস থেকে দুতার্তে

দেশকে ঘিরে থাকা তীব্রতর সামাজিক সংকটের প্রতিক্রিয়ায় রাষ্ট্রপতি ফার্দিনান্দ মার্কোস ১৯৭২ সালে সামরিক আইন জারি করে ১৯৮৬ সালের অভ্যুত্থানে উৎখাত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত একনায়ক হিসেবে শাসন করেন।

মূলত কমিউনিজম বিরোধিতা ভিত্তিক মার্কোসের একনায়কত্ব নিয়মতান্ত্রিকভাবে সামাজিক অস্থিরতাকে অবদমন করে স্বৈরশাসকের পরিবার ও বন্ধুদের প্রচুর সম্পদ ও ক্ষমতা সংগ্রহ করতে দেয়। কোটি কোটি ডলারের মার্কিন সামরিক সহায়তায় গ্রামাঞ্চলে মার্কোসের বিদ্রোহবিরোধী যুদ্ধ নৃশংস “অনুসন্ধান ও ধ্বংস” অভিযান শুরু করে এবং কমিউনিস্ট বিদ্রোহীদের তাড়িয়ে দেওয়ার জন্যে গ্রামীণ জনগণকে বাস্তুচ্যুত করে “কৌশলগত গ্রামে”র ভেতরে আটকে ফেলে।

স্বৈরাচারবিরোধী হাজার হাজার কর্মী এবং বিরোধীদের অনেকে “কমিউনিস্ট-সন্ত্রাসী” হিসেবে লাল চিহ্নিত হয়ে ৭০ হাজারেরও বেশি পরোয়ানাবিহীন গ্রেপ্তার, ৩০ হাজার নির্যাতন এবং ৩,২৫৭টি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের একটি নৃশংস পরিসংখ্যানের অংশ হয়ে উঠে৷

তবে মার্কোসের একনায়কতন্ত্রের পতন এবং গণতান্ত্রিক স্থানের আপেক্ষিক প্রসারের মানেই লাল-চিহ্নিতকরণের অবসান নয়। কোরাজন একুইনো থেকে দুতার্তে পর্যন্ত পরবর্তী প্রশাসনের নেতৃবৃন্দ মার্কিন নিন্ম-মাত্রার সংঘাত (এলআইসি) এবং বিদ্রোহীবিরোধী (সিওআইএন) মতবাদের অনুকরণে বিদ্রোহীবিরোধী কর্মসূচির একটি ধারাবাহিক বাস্তবায়ন করেছে।

পরবর্তী বিদ্রোহীবিরোধী দমনাভিযানগুলি গ্রামীণ ভিত্তিক সশস্ত্র বিদ্রোহীদেরই লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা ছাড়াও গ্রামীণ গ্রামগুলিকেও বিদ্রোহী “গণ ঘাঁটি” বলে সন্দেহ এবং নাগরিক সমাজের সংগঠনগুলিকে “কমিউনিস্ট ফ্রন্ট সংগঠন” হিসেবে লাল চিহ্নিত করা হয়েছে। বর্তমান কমিউনিস্ট-বিরোধী দমনাভিযানটি দুতার্তের উত্থানের সাথে সাথেই উঠে এসেছে। তিনি ২০১৮ সালে ইন্দোনেশিয়ার স্বৈরশাসক সুহার্তোর কমিউনিস্ট-বিরোধী গণহত্যার পুনরাবৃত্তি করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। ১৯৬৫ সালে ইন্দোনেশিয়ার এই গণহত্যায় কমপক্ষে ৫ লক্ষ লোককে হত্যার মাধ্যমে আসন্ন নির্বাচনে রাষ্ট্রপতি ভবনে মার্কোসরা ভয়ঙ্করভাবে ফিরে আসে। নিবর্তনমূলক সন্ত্রাসবিরোধী আইন ২০২০ প্রণয়নের মাধ্যমে একনায়কতন্ত্রের দিকে এই সরে আসা দৃঢ়তর হয়।

সমগ্র রাষ্ট্রযন্ত্রের সব ধরনের ভিন্নমতকে লাল-চিহ্নিতকরণের তালিকাভুক্তির ফলে গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের উপর এই ক্রিয়াকলাপের প্রতিক্রিয়া সাংঘাতিক। রাষ্ট্রীয় মদদপুষ্ট কমিউনিজম বিরোধিতা এমন অযৌক্তিক মাত্রায় পৌঁছেছে যে এমনকি ২০২২ সালের মে মাসের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে নেতৃস্থানীয় বিরোধী প্রার্থী বিদায়ী ভাইস প্রেসিডেন্ট লেনি রব্রেডোর প্রচারণাকে পর্যন্ত জাতীয় টাস্ক ফোর্স-ELCAC কমিউনিস্ট-সমর্থিত হিসেবে লাল চিহ্নিত করেছে।

সুশীল সমাজের সংগঠন এবং লাল-চিহ্নিতকরণের শিকারদের পরিবারগুলি জাতীয় টাস্ক ফোর্স-ইএলসিএসি’র কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে একগাদা অভিযোগ দায়ের করেছে৷ ফিলিপাইনে পপুলার বুকস্টোর এবং সলিদারিদাদকে লক্ষ্য করা লাল-চিহ্নিতকরণ এবং ভিন্নমত ও সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনার রাষ্ট্রীয় দমনের দীর্ঘ ও নৃশংস ইতিহাসের সাম্প্রতিকতম ঘটনা। কিন্তু কমিউনিস্ট-বিরোধী উন্মাদনার বাড়াবাড়ি ফিলিপিনোদের স্বৈরাচার প্রতিরোধের দীর্ঘ ঐতিহ্যকেও স্তব্ধ করে দিচ্ছে।

প্রকাশ: লেখক, ফিলিপাইন দিলিমান বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সহকারী অধ্যাপক, কনটেন্ড এবং গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের জন্যে শিক্ষাবিদ উভয়েরই সদস্য।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .