বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উহান থেকে কোভিড-১৯ দিনপঞ্জি: বিধিনিষেধ কঠোরতর

রাস্তার কোন মোড়ে টেবিলসহ কমিউনিটি পরিষেবা কেন্দ্রের কর্মীবৃন্দ। (ছবির কৃতজ্ঞতা: গুও জিং)

স্বাধীন চলচ্চিত্র নির্মাতা ও নারীবাদী পণ্ডিত এই জিয়াওমিং  এবং নারীবাদী কর্মী গুও জিং রচিত ধারাবাহিক দিনপঞ্জির মধ্যে নীচের পোস্টটি চতুর্থ। দুজনই কোভিড -১৯ মহামারীর কেন্দ্রস্থল উহান শহরে বসবাস করছেন। এখানে ধারাবাহিকটির প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় অংশ পাবেন।

এই চতুর্থ কিস্তিটি লেখা হয়েছিল ১১ থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ এর মধ্যে। মূল চীনা দিনপঞ্জিগুলি ম্যাটার নিউজে প্রকাশিত হয়।

গুও জিং: ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০

今天是阴天,早上我本不打算出门,结果看到武汉市新冠状肺炎防控指挥部在半夜发布通知,决定在全市范围内所有住宅小区实行封闭管理。这下我必须出去了。我要确认这是不是真的已经开始落实,以及封闭管理究竟是怎么回事。
小区门口除了保安还有3个人,我出门的时候并没有人阻止我。我去了超市,蔬菜很多,肉基本被抢空,酸奶在半价卖。我到肉柜前的时候刚好称重的工作人员又称了几包肉放过来,我就买了3袋肉。一些零食也被卖光了,我买了一些牛肉干。
这可能是我最后一天出门,我想在外面多待会,就骑着车游荡。
我进小区的时候,他们对我说:“尽量少出门。”我担忧地说:“那买菜怎么办?”
“多买一些。”
“那吃完了也要出去买。”
“可以出”
“你们每天都在这里吗?”
“不会,保安会在,市里检查。”
面子工程总还是会有人力。封锁的不只是病毒,还有人。
回家后,我把3袋肉分成了14份,接下来的两周我都有肉吃。

আজ মেঘাচ্ছন্ন। আজ সকালে বেরুনোর ​​পরিকল্পনা করিনি। তবে, আমি গত রাতে উহান কোভিড-১৯ প্রতিরোধ ও আদেশ কেন্দ্রের একটি বিজ্ঞপ্তি দেখেছি, তারা পুরো শহর জুড়ে সমস্ত আবাসিক এলাকা বন্ধের ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই নতুন ব্যবস্থাটি শুরু হয়েছে কিনা এবং বন্ধ ব্যবস্থাপনার অর্থ কী তা দেখার জন্যে আমি বাইরে যাওয়ার দরকার বোধ করি।

আবাসিক এলাকার প্রবেশপথে নিরাপত্তা প্রহরী ছাড়াও আরো তিন জন লোক ছিল। আমি বাইরে যাওয়ার সময় কেউ আমাকে বাধা দেয় নি। আমি সুপারমার্কেট গিয়েছিলাম। সেখানে প্রচুর শাকসবজি পড়ে থাকলেও বেশিরভাগ মাংস বিক্রি হয়ে গিয়েছিল। দই ৫০% ছাড়ে বিক্রি হচ্ছিল। আমি মাংসের কাউন্টারে গিয়ে দেখলাম কর্মীদেরকে তাকগুলিতে কয়েক ধরনের নতুন মাংসের প্যাকেট রাখতে দেখে আমি তিনটি প্যাকেট কিনেছিলাম। কিছু কিছু হাল্কা খাবার বিক্রি হয়ে গিয়েছিল। আমি কিছু শুকনো গরুর মাংস কিনলাম।

এটিকে আমার বাইরে যাওয়ার শেষ দিন অনুমান করে আমি যতটা সম্ভব বেশিক্ষণ বাইরে থাকতে চেয়েছিলাম। আমি আমার সাইকেলে করে শহটির চারিদিকে ঘুরে বেড়ালাম। আমি আমার সম্প্রদায়ের কাছে ফিরে এলে তারা আমাকে বলেছিল, “এতো ঘন ঘন বাইরে না যাওয়াই ভাল।” আমি উদ্বিগ্ন হয়ে তাদের জিজ্ঞাসা করলাম, “খাবার কেনার পরিস্থিতি কেমন?”
“আরও কিনুন।”
“(তাহলে তো) খাবার শেষ হয়ে গেলে আমার এখনো বাইরে যাওয়া দরকার।”
“আপনি এখনো বাইরে যেতে পারেন।”
“আপনি কি প্রতিদিন এখানে থাকবেন?”
“না। প্রতিদিন নিরাপত্তা প্রহরীটি এখানে থাকবে। আজ নগর সরকারের একটি পরিদর্শন রয়েছে।”

তারা শুধু ভাইরাসটিকে আটক করেনি, মানুষকেও করেছে।.
বাড়ি ফিরে আমি তিন প্যাকেট মাংসকে ছোট ছোট ১৪টি প্যাকেটে ভাগ করলাম। এভাবেই আমি পরবর্তী দুই সপ্তাহের প্রতিদিন খাওয়ার জন্যে কিছু মাংস পাওয়ার ব্যবস্থা করলাম।

গুও জিং: ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২০

风尘之后,有个女权伙伴问我是否了解风尘中的家暴问题,她担心地说“如果女人受到家暴,Jing茶还会不会出警?她能否获得支持?”
在封锁的城市里,一个女人遭受了家暴,一些认为这是家务事的Jing这个时候更加不愿意处理这样的案件。
受暴者此时也很难获得社会支持,社工机构也都没有上班。
她想离开家都是困难的,很难有人会收留她,没有交通也很难走远,酒店、旅舍也都没有营业。

লকডাউন শুরুর পরে আমাদের নারী অধিকার কর্মী দলের একজন সহকর্মী আমাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন লকডাউনকৃত শহরে পারিবারিক সহিংসতা সম্পর্কে আমি কতটা জানি। তিনি উদ্বেগের সাথে বলেছিলেন, “পারিবারিক সহিংসতার শিকার হয়ে কোন নারী পুলিশে অভিযোগ জানালে পুলিশ কী এটি যাচাই করতে যায়? ক্ষতিগ্রস্তরা কি তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা পায়?”

লকডাউন হওয়া কোন শহরে কোন নারী পারিবারিক সহিংসতার শিকার হলে, সাধারণত যে পুলিশকর্মীরা পারিবারিক সহিংসতার বিষয়টি পারিবারিক বিবেচনা করে সেটা পরীক্ষা করে দেখতেও অনীহা প্রকাশ করে থাকে।
তার ওপর, তখন সমস্ত সমাজসেবা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার কারণে  ক্ষতিগ্রস্তদের সামাজিক সমর্থন পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। তখন ভুক্তভোগীকে জায়গা দিতে ইচ্ছুক কাউকে পাওয়া না পাওয়ার সম্ভাবনা থাকার কারণে  তার পক্ষে বাড়ি ছেড়ে যাওয়াটাও বেশ কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। এসময় গণপরিবহন এবং বেশিরভাগ হোটেল বন্ধ থাকায় সে আর কোথাও যেতেও পারবে না।

একটি সুপারমার্কেটের বাইরে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা জনগণ। (ছবির কৃতজ্ঞতা: গুও জিং)

গুও জিং: ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০

早上出门的时候,阳光刚刚透过云层照到地上。我出门的时候,保安没有拦下我,也没有问我,能自由地出门让我感到幸运。昨天有朋友问我现在缺什么,我没有任何思考,脱口而出说缺自由”
风尘后,城市的马路上没有了喧嚣,可以听到鸟叫声。有个老人家在一栋楼的侧面打太极,超市开始控制人进入,队伍是从离门口五六米的地方才开始排的,人与人之间隔着一米的距离。
有一个路口摆着桌子,是供社区工作人员用的,桌子上放着体温仪和洗手液,旁边有八九个人,有两个人坐在桌子后面。有个老人家跟两个人说着什么,其中一个戴着社区工作人员专属的红帽子。
过了一会,老人家离开了,我走过去问她怎么回事。她着急地说:“老伴要去医院看病、开药,但他不是肺炎,是脑溢血,要一个月去一次医院,哪晓得出了这个事,都熬了好几天啦。他也走不到医院,社区不给安排车。”
她老伴吃的药有处方药,很难买。前面站着五个穿制服的人,老人家又过去跟他们说自己的情况,穿制服的人说:“这个还是找社区。”老人家无奈地走了。

আজ সকালে আমি বাইরে যাওয়ার মেঘের মধ্যে দিয়ে রোদকে মাটি স্পর্শ করতে দেখলাম। আমি বাইরে বেরুনোর পর  নিরাপত্তা প্রহরী আমাকে বাধা দেয়নি অথবা কোন প্রশ্নও করেনি। নির্দ্বিধায় বাইরে যেতে পেরে আমি নিজেকে ভাগ্যবান মনে করলাম। গতকাল এক বন্ধু জিজ্ঞাসা করেছিল এই মুহূর্তে আমার কিছু অভাব আছে কিনা? আমার স্বাধীনতার অভাব রয়েছে

শহরটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় যানবাহনের শব্দ কম হচ্ছে। আমী পাখিদের গান শুনতে পারছি। আমি একজন প্রবীণ নাগরিককে ভবনের অন্য পাশে তাই চি অনুশীলন করতে দেখলাম। সুপারমার্কেটগুলি তাদের গ্রাহকদের ব্যবস্থাপনা করতে শুরু করেছে: জনগণকে নিজেদের মধ্যে ১ মিটার দূরত্ব বজায় রেখে প্রবেশদ্বারগুলি থেকে ৫ থেকে ৬ মিটার দূরে লাইনে দাঁড়াতে হয়।

একটি রাস্তার মোড়ে কমিউনিটি কর্মীদের জন্যে একটি টেবিল ছিল। টেবিলে থার্মোমিটার এবং স্যানিটাইজার ছিল। আমি একজন বৃদ্ধ নারীকে তাদের দুজনের সাথে কথা বলতে দেখলাম।

কিছুক্ষণ পর সেই বৃদ্ধা চলে গেলে আমি তার কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসা করলাম কি হয়েছে। তিনি আমাকে বললেন, “আমার স্বামীর চিকিৎসকের সাথে দেখা করার জন্যে হাসপাতালে গিয়ে কিছু ঔষধ কিনতে হবে। তার নিউমোনিয়া নেই। তিনি স্ট্রোকের শিকার হয়েছেন এবং মাসে একবার তাকে হাসপাতালে যেতে হয়। কে বলতে পারে যে এখন কী হয়? আমরা বেশ কয়েকদিন অপেক্ষা করছিলাম। তিনি হেঁটে হাসপাতালে যেতে পারা সত্ত্বেও কমিউনিটি তার জন্যে গাড়ির ব্যবস্থা করতে অস্বীকার করেছে।”

তার স্বামীর প্রয়োজনীয় ঔষধগুলি কেনা কঠিন। তিনি আমাদের সামনে ইউনিফর্মে অন্য পাঁচজনের সাথে কথা বলেলেন। তারা তাকে কমিউনিটি কর্মীদের জিজ্ঞাসা করার পরামর্শ দিলে তিনি চলে গেলেন।

গুও জিং: ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০

一个在湖北某县城的朋友说她所在的小区已经被限制出入好几天,社区通知昨天开始完全禁止出入,买菜都不行。
昨天早上,她家人赶快带着口罩和通行证出门买菜,很多人在菜市场抢菜,她家人去买土豆的时候前面一个人打算买完所有的土豆,她家人请求他留一些,她家人才买到一点土豆。下午,她家人想再出去买一些东西就出不了小区了。这如同武汉风尘时的套路,临时通报,没有告知居民生活如何得到保障。
Z_F在应对传染病的时候,除了控制病毒本身,还要将人们的恐惧考虑在内。可是恰恰相反,有的地方开始鼓励举报,举报一个新冠状病毒肺炎病人奖励1万元,病人自觉去医院也会奖励一些钱。
人们对Z_F的信任、人与人之间的信任不断地被消耗,恐慌却在被加强。这几天周围被管控得越来越严,超市限制进入的人数、周边被封起来的地方越来越多、更多的隔离区域。而很多人需要帮助的时候,社区工作人员、穿制服的人都成了无能者。我感到深深地绝望。

হুবেই প্রদেশের অন্য একটি শহরের এক বন্ধু আমাকে বলেছিল যে তাকে বেশ কয়েক দিন ধরে বাইরে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। গতকাল, তিনি একটি ঘোষণা পেয়েছেন যে কমিউনিটির কাউকেই এমনকি খাবার কিনতেও বাইরে যেতে দেওয়া হবে না।

গতকাল সকালে তার পরিবারের একজন সদস্য একটি মুখোশ পরে এবং একটি পাস নিয়ে তাড়াতাড়ি কিছু খাবার কিনতে যায়। বাজারে অনেকে আতঙ্কিত হয়ে কেনাকাটা করছিল। সে আলু কেনার স্থানে গেলে তার সামনের ব্যক্তিটি তাকের সমস্ত আলু ধরে ফেললে তাকে সেই ব্যক্তিকে কিছু ছেড়ে দিতে অনুরোধ করতে হয়েছিল। বিকেলে তার পরিবারের সদস্যরা আরো বেশি খাবার কিনতে বাইরে যাওয়ার চেষ্টা করলে তখন কাউকে আর দেওয়া হয়নি। উহানকে বদ্ধ করার সময় ঠিক এমনটাই ঘটেছিল – বাসিন্দাদের অবহিত না করে হঠাৎ এটা ঘোষণা করায় এভাবেই তাদের জীবন পরিচালনা করতে হয়েছিল

ভাইরাসটিকে নিয়ন্ত্রণ করার পাশাপাশি মহামারী মোকাবেলা করার সময় সরকারের মানুষের ভয়কেও বিবেচনা করা উচিৎ ছিল। তবে বিপরীতক্রমে কিছু কিছু স্থানীয় সরকার জনগণকে কোভিড-১৯ সন্দেহভাজনদের বিষয়ে জানাতেও উৎসাহিত করেছিল। একটি তথ্য প্রদানের জন্যে দশ হাজার রেনমেনবি  (প্রায় এক লক্ষ ২০ হাজার টাকা) পুরস্কার দেওয়া হবে। কোন রোগী নিজে তথ্য দিলে সে নিজেও নগদ কিছু পাবে।
সরকারের প্রতি আমাদের বিশ্বাস এবং অন্যান্য লোকদের প্রতি আমাদের বিশ্বাস সময়ের সাথে সাথে ক্ষয়ে গেলেও আমাদের ভয় আরো বেড়েছে। এই দিনগুলিতে নিয়ন্ত্রণ আরও কঠোর হয়ে উঠছে। সুপারমার্কেটগুলি ভিতরে গ্রাহকদের সংখ্যা সীমাবদ্ধ করে দিয়েছে। আরো বেশি এলাকা আবদ্ধ হয়ে যাচ্ছে এবং আরো বেশি করে কোয়ারেন্টাইন কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। জনগণের সাহায্যের প্রয়োজন হলে সমাজকর্মী এবং ইউনিফর্ম পরিহিতরা সাহায্যের জন্যে কিছুই করতে পারে না। আমি হতাশ বোধ করছি।

গুও জিং: ১৫ ফেব্রুয়ারি,২০২০

下午我发现我住的房子外侧漏雨,水渗进了里面…我跟房东说了房子漏水,房东让我跟物业讲一下。这也不是紧急的事情,现在物业肯定不会管。
下午下了雪,作为一个北方人这几年在南方很少见到雪,我想着可以顺便看看雪,就下了楼。我看到物业的门关着,以为没人,就去门卫室问一下物业的情况。到了小区的门口,我还没开口,保安就拦下我,说:“现在只有看病和上班可以出门,要去物业开出门证。”我担心地问:“那买菜怎么办?”
“买菜也可以,要开出入证才行。”
“什么时候不让出门的?”
“今天开始,市里发的通知。”
我问社区的人说:“买菜怎么开出入证吗?”
“三天出一次。”
“我刚好下了楼,这个口罩都用了,能不能让我出门买个菜?”
“不能因为这个出门”
我只得上了楼。

আমি আজ বিকেলে আমার অ্যাপার্টমেন্টের দেয়ালের বাইরে জল চুঁইয়ে পড়তে দেখলাম এবং সেই জলটি আমার অ্যাপার্টমেন্টে প্রবেশ করেছে … আমি বাড়িওয়ালাকে এই সম্পর্কে জানালে তিনি আমাকে ভূসম্পত্তি ব্যবস্থাপককে বলতে বললেন। এটা জরুরি কিছু নয় বলে আমি ভাবলাম এটা ঠিক করার জন্যে ব্যবস্থাপককে বিরক্ত করার দরকার নেই।

আজ বিকেলে তুষারপাত হচ্ছিল। আমি উত্তর চীনে বড় হলেও দক্ষিণ চীনে যাওয়ার পর থেকে আমি খুব কমই তুষার দেখেছি। আমি ভাবলাম নীচে চলেগেলে আমি তুষার দেখতে পাবো। নীচে নেমে এসে আমি ভূসম্পত্তি ব্যবস্থাপকের দরজা বন্ধ দেখে ভাবলাম ভেতরে কেউ নেই। সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা পরিষেবা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে আমি নিরাপত্তা রক্ষীর কাছে গেলাম। আমি আমাদের কমিউনিটির সদর দরজার দিকে হেঁটে যাওয়ার সময় নিরাপত্তা রক্ষী কথা বলার আগেই থামিয়ে দিয়ে আমাকে বললো, “আপনি চাইলে হাসপাতালে বা আপনার কাজে র জন্যে বাইরে যেতে পারবেন তবে এজন্যে ভূসম্পত্তি ব্যবস্থাপককে আপনাকে একটি পাস দিতে বলতে হবে। আমি উদ্বিগ্ন হলাম,” তাহলে খাবার কেনার কী হবে?”
“পাস হলে আপনি খাবার কিনতে বাইরে যেতে পারবেন।”
“আমাদের বাইরে যেতে নিষেধ করার নতুন নিয়মটি কখন হয়েছে?”
“এটি আজ শুরু হয়েছে। আমরা স্থানীয় সরকার থেকে এই ঘোষণা পেয়েছি।”
আমি এই কমিউনিটির অন্যান্যদের জিজ্ঞেস করলাম, “আমরা কীভাবে খাবার কেনার জন্যে পাস পেতে পারি?”
“আমরা প্রতি তিন দিনে একবার বাইরে যেতে পারি।”
“আমি ইতোমধ্যে এই মুখোশটি ব্যবহার করে  নীচে হেঁটেছি, আপনি কি আমাকে কিছু খাবার কিনতে বাইরে যেতে দিতে পারেন?”
“আপনি বাইরে যেতে পারবেন না।”
আমি আমার অ্যাপার্টমেন্টে ফিরে যাওয়া ছাড়া আর কিছুই করতে পারলাম না।

কমিউনিটিগুলিকে আলাদা করার বেষ্টনী। (ছবির কৃতজ্ঞতা: গুও জিং)

গুও জিং: ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২০

我对限制出门感到担忧,我再次有一种恐慌感,聊天的时候我有点像吃东西,好像也不是因为饿,但不知道什么时候会没吃的,吃了一个牛肉粒,也不敢多吃。
睡前我开始胡思乱想:如果物业不让出门,我可以从被暴风雨破坏的临时围栏的空隙中偷着跑出去。可是,我不知道如果我偷着跑出小区被发现会有什么惩罚,我担心我现在承受不起破坏规则的代价,尽管这个规则是不合理的。
因为昨天要求出小区被拒绝,我不知道今天能不能开到出门证。我抱着试一试的心态到了物业管理室,我说要出去买菜,工作人员给我开了个“居民临时通行证”,这个通行证看起来是批量生产的,上面写着住址和出入日期,出入日期最早是2月12日。
超市门口水果架上的水果比以往空了一些。蔬菜挺齐全的。有个放速冻食品的冰柜空了,酸奶的架子比较空,午餐肉、香肠这些都没了。今天的肉柜里有肉。
我今天的心情和第一天风尘有点像,再次为生存担忧。现在是三天外出一次,不知道明天会不会改成五天一次,甚至十天一次,一个月一次。我又买了5公斤大米、两袋面条和够我吃一星期的菜。
从风尘到封小区,我们的活动被控制得越来越紧,我们对世界的掌控感被一点点剥夺。
我下次出门的日期是2月19日。

আমি আমাকে বাইরে যেতে নিষেধ করা যে নতুন নিয়ম নিয়ে উদ্বিগ্ন। আবার আমি আতঙ্ক বোধ করছি। আমার বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেওয়ার সময় আমি কিছু খাবার খেয়েছিলাম, ক্ষুধার জন্যে নয় বরং একারণে যে আমি জানি না যে কখন আবার আমার খাবার কিছু থাকবে না। আমি গরুর মাংসের একটি টুকরো খেয়েছি। আমি খুব বেশি খাওয়ার সাহস পাচ্ছি না।

ঘুমিয়ে পড়ার আগে আমার মাথায় কিছু উদ্ভ্রান্ত চিন্তা ছিল: ভূসম্পত্তি ব্যবস্থাপক আমাকে বাইরে যেতে না দিলে আমি একটি ভাঙা বেড়া দিয়ে পালিয়ে বেরুবো। তবে আমি পালিয়ে বেরুলে আমার কী ধরনের শাস্তির মুখোমুখি হতে সে সম্পর্কে আমি নিশ্চিত নই। আমি আশঙ্কা করছি যে আইনটি যুক্তিসঙ্গত না হলেও আমি এখন নিয়ম ভাঙার পরিণতিগুলি সহ্য করতে পারবো না।

গতকাল বাইরে যাওয়ার অনুরোধ জানানোর পর আমাকে প্রত্যাখ্যান করার কারণে আমি জানিনা যে আজ আমি পাস পাবো কিনা। চেষ্টা করার জন্যে আমি ভূসম্পত্তি ব্যবস্থাপকের দপ্তরে গেলাম। আমি তাকে কিছু খাবার কিনতে চাওয়ার কথা বললে ব্যবস্থাপক আমাকে একটি “বাসিন্দাদের জন্যে সাময়িক পাস” দিয়েছিল। পাসে আমার ঠিকানা এবং আমি যে তারিখগুলিতে বের হতে পারি সেগুলি লেখা। এটির প্রথম তারিখটি হলো ১২ ফেব্রুয়ারি।

সুপারমার্কেটের বাইরের তাকের ফলগুলি স্বাভাবিকের চেয়ে কম পরিমাণে ছিল। সেখানে প্রচুর সবজি ছিল। এক ফ্রিজের জমাট ফাস্ট ফুড সবই বিক্রি হয়ে গিয়েছিল। এখানে স্বাভাবিকের চেয়ে কম দই ছিল। কোন টিনজাত মাংস অথবা সসেজ ছিল না। আজ মাংসের কাউন্টারে মাংস ছিল।
আমি আজ শহরটি লকডাউনের প্রথম দিনের মতোই অনুভব করেছি। আমি আবার বেঁচে থাকা নিয়ে উদ্বিগ্ন। এখন আমরা প্রতি তিনদিনে একবার বাইরে যেতে পারি। আমি জানি না যে এটি প্রতি পাঁচ দিনে একবার বা প্রতি দশ দিনে একবার, বা এমনকি মাসে একবার হয়ে যাবে কিনা। আমি আরো পাঁচ কেজি চাল, দুই প্যাকেট নুডলস এবং এক সপ্তাহের জন্যে যথেষ্ট পরিমাণে শাকসবজি কিনেছি।
নগরের অবরোধ থেকে সম্প্রদায়ের মধ্যে রুদ্ধ হওয়া পর্যন্ত আমাদের কর্মকাণ্ডের সীমাবদ্ধতা আরো সংকুচিত হয়ে উঠেছে, আর ধীরে ধীরে আমরা আমাদের ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছি।

পরের বার আমার বাইরে যাওয়ার তারিখ ১৯ ফেব্রুয়ারি।

কোভিড-১৯ এর বৈশ্বিক প্রভাব সম্পর্কে গ্লোবাল ভয়েসেসের বিশেষ কভারেজটি দেখুন।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .