বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উহান থেকে কোভিড-১৯ দিনপঞ্জি: ‘…শুধু একটি শহর নয়, অবরুদ্ধ আমাদের কণ্ঠস্বরও’

উহানের একটি ফার্মাসিতে লাইনে দাঁড়ানো জনগণ। (ছবির কৃতজ্ঞতা: গুও জিং)

২৩ জানুয়ারি, ২০২০ থেকে কোভিড -১৯ এর কেন্দ্র এবং উৎপত্তিস্থল চীনের উহানকে লকডাউন করে দিয়েছে চীন সরকার। প্রাদুর্ভাবের সময় এক কোটি দশ লক্ষ জনগণ অধ্যুষিত এই শহরটির ৬০ লক্ষ মানুষকে কোয়ারেন্টাইন (পৃথকীকরণ) করে রাখা হয়েছিল আর প্রায় ৫০ লক্ষ জন ছুটির অবকাশে শহর ছেড়ে চলে গিয়েছিল।

লকডাউনের সময় উহানের অনেক লোক দিনপঞ্জি রাখতে শুরু করেছিল। তবে উহানের দৈনন্দিন জীবনের নেতিবাচক চিত্রগুলি প্রায়শই চীনের জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ওয়েইবোতে সেন্সর করা হয়। আরেকটি জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের মঞ্চ উইচ্যাট-এ দিনপঞ্জিগুলির বেশিরভাগ বন্ধুদের মধ্যে প্রচারিত হয়।

তবে স্বাধীন চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং নারীবাদী পণ্ডিত এই জিয়াওমিং এবং নারীবাদী কর্মী গুও জিং ম্যাটার্স নিউজে তাদের দিনপঞ্জি ভাগাভাগি করেছেন। হঠাৎ লকডাউনের (অবরুদ্ধ করে দেওয়ার) সময় তাদের দিনপঞ্জি সাধারণ মানুষের সংবেদনগুলিকে জীবন্তভাবে প্রতিফলিত করে।

চীনা কর্তৃপক্ষ এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মহামারীটির উপর চীনের নিয়ন্ত্রণকে “বিজয়” বা “সাফল্য” হিসাবে বর্ণনা করলেও এধরনের আপাদমস্তক নিয়ন্ত্রণ ও নজরদারি ব্যবস্থার মধ্যে সাধারণ মানুষের জীবনকে উপেক্ষা করা যে উচিৎ নয় – মানুষকে ক্ষুদ্রায়িত করে কীভাবে মণ্ডে পরিণত করে, গুও জিং তার দিনপঞ্জিতে তা বর্ণনা করেছেন।

৮ ডিসেম্বর তারিখের সূচক ঘটনাটি থেকেই চীনা কর্তৃপক্ষ জোর দিয়ে বলেছিল যে মহামারীটির প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ২০ জানুয়ারির মধ্যে কর্তৃপক্ষ এক মানবদেহ থেকে আরেক মানবদেহে ভাইরাসটির সংক্রমণের কথা স্বীকার করেছিল।  এই এবং গুওর দিনপঞ্জি বলে দেয় সরকারের শহরটি লকডাউনের ঘোষণার সময় উহানের বাসিন্দারা কতটা অন্ধকারে ও অপ্রস্তুত ছিল।

গ্লোবাল ভয়েসেস একটি ধারাবাহিকে উহান থেকে এই এবং গুওর দিনপঞ্জি প্রকাশ করেছে। নীচের লেখাগুলি ২৩-২৮ জানুয়ারি, ২০২০ এর মধ্যে লকডাউনের প্রথম সপ্তাহে লেখা হয়েছিল।

গুও জিং: ২৩ জানুয়ারি, ২০২০

我算是一个遇事冷静和淡定的人,直到1月20日武汉新增病例过百,别的省市出现病例,我开始感到不知所措。此前公布的消息显然存在瞒报的情况。也是从那天起,武汉街头戴口罩的人突增,好多药店的医用口罩都卖光了,还有很多人在买防治感冒的药。

这几天我一直处于焦虑中,从各地更新的消息来看,大部分确诊的都是在15日前过武汉的。武汉是全球大学生人数最多的城市,而1月中旬是大学放假的时间。现在又正值春运,车站人流量必然很大。然而,武汉火车站也并没有严格的监管。我春节本来就不回家,留在原地是最安全的。今天一早醒来看到封城的消息就不知所措,无法预料这意味着什么,会封多久,要做什么准备。

朋友们让我赶快囤点东西,我本不想出门,看到X了吗还在接单就先下了单,但又担心外卖也随时会停。我也抱着看看外面的情况的心情出了门,外面基本上都是中老年人,年轻人比较少。到了附近的超市,很多人都在排队结帐,米面这些保命的食物已经所剩无几啦,慌乱之中我随便拿了一些。有个男的卖了很多盐,有人说你买那么多盐干啥,他说万一封个一年呢.

屯完食物后,我依然处于震惊中。今天路上的车辆和行人越来越少,一个城市就这样一下子停了下来。它什么时候再活过来?

আমি একজন শান্ত লোক। তবুও আমাদের উহানে ১০০ টিরও বেশি নিশ্চিত ঘটনা এবং অন্যান্য শহর ও প্রদেশে নিশ্চিত ঘটনা দেখা দিতে শুরু করায় ২০ জানুয়ারিতে আমি আতঙ্ক বোধ করতে শুরু করি। এটা স্পষ্ট যে সংক্রামক এই রোগের বিস্তারটি পূর্ববর্তী সংবাদে কাভার করা হয়েছে। সেদিন থেকে মুখে মাস্ক (মুখোশ) পরা লোকের সংখ্যা নাটকীয়ভাবে বেড়েছে এবং মেডিকেল মাস্কগুলি বিক্রি হয়ে গেছে। অনেকে শীত উপশমের ঔষধপত্রও কিনে নিচ্ছেন।

বেশ কয়েকদিন ধরেই আমি উদ্বিগ্ন। হালনাগাদগুলি অনুসারে, অন্যান্য জায়গাগুলির বেশিরভাগ নিশ্চিত ঘটনাগুলির সবাই ১৫ জানুয়ারির আগে উহান ঘুরে গেছে। উহান হলো বিশ্বের সবচেয়ে বেশি সংখ্যক কলেজ শিক্ষার্থীর শহর এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলির ছুটি শুরু হয়েছিল জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে। চীনা নববর্ষের জন্যে সম্প্রতি অনেক লোক বাড়িতে যাচ্ছে বলে রেল স্টেশনগুলিতে অবশ্যই প্রচুর লোক থাকবে। তবে উহানের রেল স্টেশনটি সাবধানতার সাথে পর্যবেক্ষণ করা হয়নি। আমি চীনা নববর্ষে বাড়ি যাওয়ার পরিকল্পনা করিনি। আমি যেখানে আছি সেখানে অবস্থান করাটাই সবচেয়ে নিরাপদ হবে। এই সকালে শহরটি লকডাউনের ঘোষণাটি দেখে আমি আতঙ্কিত হয়েছি। আমি জানি না এই জাতীয় লকডাউনের অর্থ কী এবং এই লকডাউনটি কত দিন থাকবে এবং আমি জানি না যে আমার কী প্রস্তুতি নিতে হবে।

আমার বন্ধুরা আমাকে কিছু প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র জমা করে রাখতে বলেছিল। প্রথমে আমি বাইরে যেতে না চাওয়ার কারণে  , তাই অনলাইনে কিছু অর্ডার দিই। তবে আমি আশঙ্কা করেছি যে এই সরবরাহ পরিষেবাগুলি যে কোন সময় বন্ধ হয়ে যাবে। আমি বাইরে কী ঘটেছে তা দেখতে চেয়েছিলাম বলে আমি বাইরে গিয়েছিলাম। বাইরের বেশিরভাগ লোক মধ্যবয়স্ক বা তার চেয়ে বয়স্ক এবং গুটিকয়েক তরুণকে দেখেছিলাম। কাছাকাছি সুপার মার্কেটটিতে যাওয়ার পর আমি অনেক লোককে নগদ রেজিস্টারের কাছে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখলাম। চাল ও নুডলসের মতো বেঁচে থাকার খাবার খুব বেশি পড়ে ছিল না। হতবাক হয়ে আমি তাড়াতাড়ি কিছু হাতিয়ে নিলাম। একজন লোঙ্কে প্রচুর লবণ কিনেছিল। কেউ তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, এতো লবণ কীসের জন্যে? তিনি বললেন যদি কোন কারণে লকডাউনটি এক বছর স্থায়ী হয়।

আমি কিছু খাবার কিনে নেওয়ার পরেও আমি ধাক্কা খেয়েছিলাম। রাস্তায় একেবারে খুবই কম গাড়ি ও পথচারী রয়েছে। একটি শহর হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর আবার কবে তা জেগে উঠবে?

এই জিয়াওমিং: ২৪ জানুয়ারি, ২০২০

今夜除夕,武汉空前冷寂。这本是团年的日子,无数家庭的年夜饭取消了。昨天看到封城的照片,一边是铁面军人和武警,一边是无奈的旅客。画外音是武汉口音,说:看啊,汉口站,百年以来第一次关闭了。听得人不禁心头一紧,仿佛历史在此敲了一个响点。

我住在江夏区,离汉口站大约四十公里…我能想象到年前无法返乡的旅客内心的焦虑,他们怎么办呢?政府一夜之间决定封城,他们去哪里居住,怎么过年?

我觉得那些握有权力的人有种好消息综合症,就是无论如何,不管真实与否,只听好消息,没有也要编一个。你要说那不是真的,他能跟你拼命。

你们知道我说的是什么,那只小小的蝙蝠,汤菜卤煮,照片视频到处在传;但是房间里的大象,悠游晃荡,那是不能说破的魔障。

এটি চীনা নববর্ষের আগের দিন। উহান এতটা চুপচাপ কখনো হয়নি। আজকের দিনটি পরিবারগুলির একত্রিত হওয়ার দিন হওয়া উচিৎ। অসংখ্য পরিবারিক জমায়েতের নৈশভোজ বাতিল করা হয়েছে। আমি গতকাল লকডাউন হওয়া শহরের ফটোগুলি দেখেছি: সামরিক বাহিনীর সদস্য ও পুলিশ একদিকে দাঁড়িয়ে, আর অন্যদিকে দাঁড়িয়ে হতাশাগ্রস্ত পর্যটকেরা। ক্যামেরার বাইরে উহানের উচ্চারণে কেউ একজন বলেছিল, “দেখেন, কয়েকশ বছরের মধ্যে হানকৌ স্টেশন প্রথমবারে মতো তালাবদ্ধ হয়েছে।” হঠাৎ আমার হৃৎযন্ত্রের মধ্যে কিছু একটা চুপসে গেল, যেন কোন এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের ঘণ্টা বেজেছে।

আমি জিয়াংজিয়া জেলায় থাকি যা হানকৌ স্টেশন থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে… আমি চীনা নববর্ষের আগে বাড়ি যেতে নিষেধ করা সব ভ্রমণকারীদের উদ্বেগটি কল্পনা করতে পারি। তাদের কী করা উচিৎ? সরকার রাতারাতি শহরটি লকডাউন করে দিয়েছে। তারা থাকার জায়গা কোথায় পাবে? এই চীনা নববর্ষে তারা কী করতে পারে?

আমি মনে করি এই শক্তিশালী লোকদের “সুসংবাদ উপসর্গ” রয়েছে: যাই ঘটুক না কেন তারা শুধু সুসংবাদ শুনতে চায় – সেই সুসংবাদটি সত্য বা মিথ্যা যাই হোক তা নিয়ে তাদের কোন চিন্তা নেই। কোন সুসংবাদ না থাকলে তারা একটা তৈরি করবে। আপনি যদি বলেন সেটা সত্য নয় তাহলে তারা এর জন্যে আমৃত্যু লড়াই করবে।

আপনারা জানেন আমি কী বলছি। সেই ছোট্ট বাদুড়, সেই বাদুড়ের ঝোল। এটার ছবি ও ভিডিওগুলি ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়েছে। তবে ঘরের হাতিটি এখনও হেলেদুলে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এটাই সেই বিভীষণ যার প্রতি কেউ ইঙ্গিত করতে সাহস পায় না।

উহান লকডাউনের পরপরই একটি ভিডিও চীনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিল। চীনের বিপুল সংখ্যক সংবাদমাধ্যম বলেছিল যে চীনা বাদুড়খেকোরাই সমস্যাটা তৈরি করেছে। তবে বাদুড় মোটেও উহানের রান্না্র বস্তু নয়। পরে জানা গেল যে প্রশান্ত মহাসাগরীয় কোন দ্বীপে ভিডিওটি চিত্রায়িত

একটি ভাইরাল ভিডিও থেকে নেওয়া ভাইরাল বাদুড়ের ঝোলের ছবিটিতে বলা হয়েছে যে মহামারীটির জন্যে চীনা বাদুড়খেকোদের দোষ দেওয়া উচিৎ।

গুও জিং: ২৪ জানুয়ারি, ২০২০

世界安静得可怕。

我是独居,偶尔听到楼道里的声音才能确定还有其他人在。

我有很多时间思考我怎么活着下。我没有任何体制内的资源和人脉,如果我生病,必然跟很多普通人一样无法得到救治。因此,我的目标之一是尽量不让自己生病,我要坚持锻炼。

目前,政府没有说要封城多久,也没有告诉我们封城后怎么保证城市的运转。而有人根据目前干扰的人数预测过可能封城到5月。

这场战争里,大多个体都只能靠自己,没有体制的保障。我相对年轻,很难想象那些独居老人、残障人士等更弱势的个体要怎么打赢这场仗。

বিশ্ব অসম্ভব রকমের শান্ত।
আমি একা একা থাকি। একই ভবনের লোকদের কাছ থেকে কোন শব্দ শুনলেই কেবল আমি অনুভব করি যে এই পৃথিবীতে অন্য কেউ আমার সাথে অস্তিত্বশীল।

কীভাবে বেঁচে থাকতে পারি তা নিয়ে চিন্তা করার আমার অনেক সময় রয়েছে। এই সংগঠিত ব্যবস্থাটিতে আমার কোন সম্পদ অথবা সামাজিক নেটওয়ার্ক নেই। আমি অসুস্থ হলে, আমি চিকিৎতসা নিতে না পারা লোকদের মতো হ্তাম। অতএব, আমার একটি লক্ষ্য হলো রোগ থেকে দূরে থাকা। আমাকে আমার শরীরকে প্রশিক্ষণের মধ্যে রাখতে হবে।

সরকার ঘোষণা করেনি আসলে এই লকডাউনটা কত দিন থাকবে, এবং তারা আমাদের এটাও জানায়নি লকডাউনের পর এই শহরটি কীভাবে  চালু থাকবে। বর্তমানে নিশ্চিত হওয়া ঘটনার সংখ্যার উপর ভিত্তি করে কিছু লোক বলেছে যে লকডাউনটি মে মাস পর্যন্ত চলতে পারে।

এই যুদ্ধে আমাদের বেশিরভাগই শুধু নিজেদের উপরই নির্ভর করতে পারি। ব্যবস্থা থেকে আমাদের কোন সুরক্ষা নেই। আমি তুলনামূলকভাবে তরুণ। একা থাকা প্রবীণ ব্যক্তি এবং প্রতিবন্ধীদের মতো  সুবিধাহীন মানুষগুলি কীভাবে এই যুদ্ধে বেঁচে থাকবে সেটা কল্পনা করা কঠিন।

গুও জিং: ২৫ জানুয়ারি, ২০২০

这两天做饭的时候我已经开始控制菜量,每顿炒菜的菜量是平时的一半,希望不要那么快过只吃咸菜的生活。

吃饭的时候跟一些朋友视频,我们无法逃过肺炎的话题,其实各地的人都多多少少受到一些影响。

疑病可能是现在最大的心理障碍。我早上擤鼻涕的时候看到有血丝,着实吓了一跳。丢掉纸巾后对生病的担忧就在脑子里挥之不去。

এই দুইদিনে আমার খাবার তৈরি করার সময় আমি শাকসব্জির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করতে শুরু করেছি। আমি যা রান্না করতাম তার তুলনায় আমি এখন কেবল অর্ধেক পরিমাণে শাকসব্জি রান্না করি। আশা করি খুব তাড়াতাড়ি আমার সংরক্ষণ করা শাকসব্জি খাওয়ার দরকার পড়বে না।

খাওয়ার সময় আমি কিছু বন্ধুদের সাথে একটি দলবদ্ধ ভিডিও চ্যাট করছিলাম। আমরা উহানের নিউমোনিয়ার আলোচনা থেকে বেরুতে পারছিলাম না। আসলে পুরো চীনের মানুষ এর দ্বারা কমবেশি প্রভাবিত।

সন্দেহজনক সংক্রমণ হয়তো আমার এখন সবচেয়ে গুরুতর মানসিক চাপ। সকালে হাঁচির সাথে সর্দিতে কিছুটা রক্ত ​​দেখে আমি হতভম্ব হয়ে গিয়েছিলাম। আমি সেই টিস্যু পেপারটা ছুঁড়ে ফেলে দেওয়ার পর থেকে আমার অসুস্থ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে ভাবনাটা থামাতে পারিনি।

গুও জিং: ২৬ জানুয়ারি, ২০২০

正在被封锁的不只是一个个城市,还有人们的声音。

我第一天把笔记发微博的时候图片就上传不了,文字也发不出去,我只得把文字转成图片发。昨天,我把文字转成图片也无法在朋友圈发,微博发出来之后明显被限流。1月24日的微博有近5000人转发,而昨天的微博只有45人转发。有一瞬间我还怀疑是不是我写得不好。互联网的审查和限制不是现在才有,可在这个时候却显得更加残忍。很多封城的人被困在家里,大家靠互联网获取信息,保持和家人朋友的联系,让我们不用真的是孤岛。

এখানে শুধু একটি শহর নয়, অবরুদ্ধ রয়েছে আমাদের কণ্ঠস্বরও।

প্রথম দিন আমার দিনপঞ্জিটি ওয়েইবোতে আপলোড করার সময় আমি ছবিগুলি আপলোড করতে পারিনি I আমি লেখাগুলো পর্যন্ত জমা দিতে পারিনি। জমা দেওয়ার জন্যে আমার লেখাগুলিকে ফটোতে পরিণত করতে হয়েছিল। গতকাল আমি আমার বন্ধু মণ্ডলে লেখা থেকে রূপান্তরিত সেসব ছবি পাঠাতে পারি নি। আমি ওয়েইবোতে প্রকাশ করার পরে নিশ্চিতভাবেই দেখাতে পারার পরিমাণ সীমাবদ্ধ করা হয়েছে। ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত আমার নিবন্ধটি ওয়েইবোতে প্রায় ৫,০০০ লোক ফরোয়ার্ড করলেও আমার আরেকটি নিবন্ধ গতকাল ওয়েইবোতে কেবল ৪৫ জন লোক ফরোয়ার্ড করেছে। এক পর্যায়ে আমি ভেবেছিলাম এটি সম্ভবত ভাল লিখিনি। আজ আমাদের ইন্টারনেট নজরদারি এবং বিধিনিষেধের প্রথম দিন নয়। তবে এই পদক্ষেপগুলি এই মুহূর্তে যে কোন সময়ের চেয়ে অনেক বেশি নিষ্ঠুর। অনেক লোককে বাড়িতে থাকতে বাধ্য করা হয়েছে।  তথ্য সংগ্রহ এবং আমাদের পরিবার ও বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ করার জন্যে রাকেখতে আমাদের ইন্টারনেট দরকার। তা নাহলে আমরা বিশ্ব থেকে পৃথক বিচ্ছিন্ন একটি দ্বীপ হয়ে উঠবো।

Wuhanstreet

লকডাউনের সময় উহানের কোথাও । ছবির কৃতজ্ঞতা: গুও জিং।

গুও জিং: ২৮ জানুয়ারি, ২০২০

整个城市都被沉重的氛围笼罩着,身处其中,我不自觉地小心翼翼起来,不敢随意去和人沟通。封锁让人们的生活进入原子化的状态,失去和他人的联系。

然而人们并不甘于现状。昨晚八点左右,窗外响起呼喊声,大家一起开窗喊“武汉加油”。这个集体的呐喊是一种自我赋权,人们从中寻找联结,从中获取力量。

ভারী পরিবেশে গোটা শহর আচ্ছাদিত।  শহরের একজন সদস্য হিসেবে আমি আরো বেশি বেশি সতর্ক না হয়ে পারি না। আমি অন্যদেরর সাথে কথা বলতে সাহস করি না। অন্যান্যদের সাথে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে  লকডাউন আমাদের জীবনকে পরমাণু পর্যায়ে নামিয়ে এনেছে। তবে জনগণ বর্তমান পরিস্থিতিটির প্রতি আত্মসমর্পণ করতে প্রস্তুত নয়। গতকাল সকাল আটটার দিকে আমার জানালার বাইরে জনগণ চিৎকার করছিল। অনেকে তাদের জানালা খুলে চিৎকার করে বলেছে, “চলতে থাকো, উহান” এই কর্মটি একধরনের আত্ম-ক্ষমতায়ন। জনগণ অন্যান্যদের সাথে সংযোগ খোঁজার চেষ্টা করে এবং তারা একসঙ্গে চিৎকার করে শক্তি খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা করে।

২৭ জানুয়ারি থেকে উহানের বাসিন্দারা সকাল ৮টার দিকে চিৎকার করছিল “উহানে তেল ঢালো।”  একই রকমের চর্চা ঘটেছিল যখন গত বছর হংকংয়ে বহিঃসমর্পণ-বিরোধী বিক্ষোভ চলাকালে শেষের দিনগুলিতে বিক্ষোভ সমর্থকারীরা প্রতি রাতে ১০টার সময় “হংকংয়ে তেল ঢালো” বলে চিৎকার করে উঠতো।

নীচে উহানের বাসিন্দাদের রাতে “চিৎকার করা“ দক্ষিণ চীন মর্নিং পোস্টের একটি ভিডিও:

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .