বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

নেট-নাগরিক প্রতিবেদন: বার্লিনে বিক্ষোভকারীদের ইইউ প্রস্তাবিত ইন্টারনেটের প্রাক-সেন্সর পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান

২০১৯ সালের ২ মার্চ তারিখে ইইউ’র নতুন কপিরাইট নির্দেশনার বিরুদ্ধে বার্লিনে বিক্ষোভ। টিম লুডেম্যানের ছবি, (সিসি বাই-এনসি-এসএ ২.০)

অ্যাডভক্স নেট-নাগরিক প্রতিবেদন বিশ্বজুড়ে ইন্টারনেট অধিকারগুলির ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা, সমস্যা থেকে উত্তরণ এবং উদীয়মান প্রবণতাগুলির একটি আন্তর্জাতিক আলোকপাত উপস্থাপন করে। এই প্রতিবেদনটিতে মার্চ মাসের ১ থেকে ৮ তারিখের বিভিন্ন সংবাদ এবং ঘটনা কাভার করা হয়েছে।

গত ২ মার্চ, ২০১৯ তারিখে আনুমানিক ৫,০০০ মানুষ জমে যাওয়ার মতো তাপমাত্রাকে পরোয়া না করে ইইউ প্রস্তাবিত একটি কপিরাইট বিধির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছে। বিধিটি অনলাইনে বিষয়বস্তু পোস্ট এবং ভাগাভাগি করার গতিকে ব্যাপকভাবে পরিবর্তন করে ফেলতে পারে।

ইইউ কপিরাইট নির্দেশনার সর্বশেষ খসড়া অনুসারে ইউটিউব-এর মতো ইন্টারনেট মঞ্চগুলির জন্যে এর ব্যবহারকারীদেরকে কপিরাইট-সুরক্ষিত বিষয়বস্তু আপলোড করতে বাধা দিতে পারার মতো একটি প্রযুক্তিগত প্রক্রিয়া – “ফিল্টার আপলোড” ইনস্টল করার প্রয়োজন হবে। ইনস্টল করা ফিল্টারটি আসলে ইন্টারনেট এবং সামাজিক মিডিয়ার মঞ্চগুলিতে কার্যকরভাবে একটি “প্রাক-সেন্সর” ব্যবস্থা আরোপ করবে।

বিক্ষোভকারীরা “আমরা রোবট নই,” “আপলোড ফিল্টারের পরিবর্তে ডিজেল ফিল্টার চাই,” “ইন্টারনেট বাঁচাও” লেখা রঙিন ব্যানার-ফেস্টুন কাঁধে নিয়ে ইউটিউব ব্যবহারকারী উইলবয়-এর তৈরী ইইউর ব্যবস্থাটির বিরোধী “ভিয়ার জিন্ড কাইন বটস” (আমরা রোবট নই) গানের কথাগুলো সুর করে গাইছিল। বিক্ষোভের একদিন আগে শুক্রবার মুক্তি পাওয়া এই গানটি কয়েকদিনের মধ্যে পাঁচ লক্ষেরও বেশিবার দেখার মাধ্যমে ভাইরাল হিট হয়ে ওঠে।

কপিরাইট নির্দেশনাটি অনুমোদিত হোক বা না হোক, অনলাইন বিষয়বস্তু মোকাবেলায় স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তিগত সমাধানের আশ্রয় নেয়ার নীতি প্রস্তাবগুলির ক্ষেত্রে ডিজিটাল অধিকার প্রচারকদের সামনে নিকটবর্তী সময়ে করার মতো আরো অনেক যুদ্ধ রয়েছে।

অনলাইনে “সন্ত্রাসী বিষয়বস্তু” মোকাবেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত ইউরোপীয় কমিশনের একটি কমিটি অনুরূপ সমাধান প্রস্তাব করেছে। সমাধানটি সন্ত্রাসী বিষয়বস্তুগুলো চিহ্নিত, সনাক্ত এবং দ্রুত এদের সরাতে বা এদের অনুপ্রবেশ নিষ্ক্রিয় করার জন্যে স্বয়ংক্রিয় সরঞ্জামাদি ব্যবহার শুরু করতে অনলাইন মঞ্চগুলোকে বাধ্য করবে

খসড়া প্রবিধানটি আরো আগ্রাসীভাবে “সন্ত্রাসী বিষয়বস্তু” (যা অস্পষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত) মুছে সরিয়ে ফেলার  দ্রুত কার্যসম্পাদন দাবি করে। কিন্তু এটা অনলাইনের জটিল কোন বিষয়বস্তু মূল্যায়নের চেষ্টারত কোম্পানিগুলিকে নির্দেশনা দিতে পারার মতো কোন বিশেষ আদালত অথবা অন্যান্য বিচার প্রক্রিয়াকে প্রতিষ্ঠিত করে না।

এর পরিবর্তে এটি হোস্টিং পরিষেবা প্রদানকারীদেরকে “সন্ত্রাসী বিষয়বস্তু”র অনলাইন প্রচার প্রতিরোধের জন্যে স্বয়ংক্রিয় সরঞ্জামগুলি ব্যবহার করতে বাধ্য করবে। ফলে মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং যুদ্ধাপরাধের দলিলাদি সেন্সরের জন্যে কোম্পানিগুলির যে ধরনের ব্যবস্থার দরকার হবে তা ইতোমধ্যে ইউটিউব স্বেচ্ছায় জায়গামতো এনে রেখেছে।

মুক্ত অভিব্যক্তি, সাংবাদিকতা এবং প্রকাশ্য তথ্যের জন্যে সামান্যতম উদ্বেগ প্রকাশ না করা ইইউ প্রস্তাব এবং কপিরাইট নির্দেশনা উভয়ই এসব সরঞ্জামের উপর অগাধ আস্থা রাখে।

জানুয়ারি মাসে একটি  প্রকাশ্য জনসভায় নেদারল্যান্ডস-ভিত্তিক ডিজিটাল অধিকার সংস্থা টুকরো_টুকরো_স্বাধীনতা-এর এভেলিন অস্টিন স্বয়ংক্রিয় প্রাক-সেন্সরের দিকে ধাবমান নীতিমালার বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন:

আমরা এমন একটি বাধ্যতামূলক পরিস্থিতি দেখতে পাচ্ছি যেখানে কপিরাইটযুক্ত বিষয়বস্তুর জন্যে একটি ফিল্টার, কথিত সন্ত্রাসী বিষয়বস্তুর জন্যে একটি ফিল্টার, সম্ভাব্য প্রকাশ্য যৌন বিষয়বস্তু জন্যে একটি ফিল্টার, সন্দেহজনক ঘৃণা বক্তব্য এবং আরো এরকম কিছুর জন্যে একটি ফিল্টার রয়েছে – যা এমন একটি ডিজিটাল তথ্য প্রতিবেশ তৈরি করছে যেখানে আমরা যাই বলি, বা এমনকি বলতে চেষ্টা করি না কেন তার সবকিছু নিরীক্ষণ করা হয়ে থাকে।

মিশরীয় কর্মী এবং সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে গোয়ান্দা যন্ত্রপাতি ব্যবহারের নতুন প্রমাণ

এ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের তদন্তে পাওয়া গেছে যে মিশরের মানবাধিকার কর্মী ও সাংবাদিকরা এই বছরের শুরু থেকেই প্রতারণামূলক যোগাযোগের হামলার শিকার হচ্ছে। প্রতারণার এই ইমেলগুলি ওঅথ ফিশিং নামে একটি কৌশল ব্যবহার করে। কৌশলটি ব্যবহারকারীদের অ্যাকাউন্টগুলিতে প্রতারণামূলক বিশ্বস্ততার মাধ্যমে ক্ষতিকারক তৃতীয়পক্ষের বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনের প্রবেশাধিকার লাভের উপর নির্ভরশীল।

এই হামলাগুলি ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রনের সফরসহ বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক ঘটনার একই সময়ে এবং প্রেসিডেন্ট আল-সিসির সুশীল সমাজের উপর দমন অভিযানের তীব্রতার মাঝেই সংঘটিত হয়েছিল।

মিশরের আলোকচিত্রশিল্পী শাওকান মুক্ত

পাঁচ বছরেরও বেশি সময় মিশরে কারাগারে রাখার পর শাওকান নামে পরিচিত মাহমুদ আবু জাইদকে ৪ মার্চ তারিখে জেল থেকে মুক্ত করা হয়েছে। রাবা এল আদাওয়েয়ার অবস্থান ধর্মঘটের ছবি তোলা অবস্থায় শাওকানকে ২০১৩ সালের আগস্ট মাসে আটক করা হয়েছিল। সেই অবস্থান ধর্মঘটটিতে সাবেক মিশরীয় প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসির সমর্থকরা একই বছর ৩ জুলাই তারিখে তার রাষ্ট্রপতিত্বের অবসান ঘটানো একটি সামরিক অভ্যুত্থানের প্রতিবাদ করার জন্যে জমায়েত হয়েছিল। হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মতে সেই ধর্মঘটটি ছত্রভঙ্গ করতে মিশরীয় নিরাপত্তা বাহিনী কমপক্ষে ৮১৭ জনকে হত্যা এবং আরো অনেককে আহত করেছিল।

গ্রেপ্তারের সময় ডেমোটিক্সের জন্যে কর্মরত শাওকান তার শাস্তি ঘোষণার আগে প্রাক-বিচার সময়ে প্রায় চার বছর জেলে কাটিয়েছিলেন

দুইবছর কারাবাসের পর আলজেরীয় ব্লগার মুক্ত

৪ মার্চ তারিখে আলজেরিয়ায় স্কিকদা আদালত ব্লগার মেরজুগ তুয়াতির কারাদণ্ড হ্রাস করে তাকে মুক্ত করে দেয়। কৃচ্ছতাবিরোধী বিক্ষোভের প্রতিবেদন করার জন্যে ২০১৭ সালের জানুয়ারি থেকে তিনি কারাগারে ছিলেন। একজন ইসরাইলী কর্মকর্তার সাক্ষাৎকার গ্রহণ করে সেটা অনলাইনে পোস্ট করার মাধ্যমে “আলজেরিয়ার সামরিক বা কূটনৈতিক অবস্থান বা এর প্রয়োজনীয় অর্থনৈতিক স্বার্থগুলির সম্ভাব্য ক্ষতি করার জন্যে বিদেশী শক্তির এজেন্টদের কাছে গোয়েন্দা তথ্য” প্রদানের দায়ে অভিযুক্ত করে ২০১৮ সালের মে মাসে তাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছিল।

দেশে চলমান আন্দোলনের মাঝে তার মুক্তি ঘটে। মধ্য-ফেব্রুয়ারি থেকে দেশের অর্থনৈতিক ধ্বসের প্রতিবাদ এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচন থেকে আলজেরিয়ার রাষ্ট্রপতি  আব্দেলাজিজ বুতেফ্লিকার প্রত্যাহারের দাবিতে আলজেরীয়রা রাস্তায় বিক্ষোভ প্রদর্শন করছে

তাজিক ভিডিও কর্মী গ্রেপ্তারের পর মুক্ত

তাজিকিস্তানে গত মাসে ভ্রমণের সময় রাশিয়ার নিরাপত্তা কর্মীদের সম্ভাব্য সহায়তায় অপহৃত হওয়ার পর ডিজিটাল আন্দোলনের কর্মী শারোফিদ্দিন গাদোয়েভ আবার ইউরোপে ফিরে গিয়েছেন

তাজিকিস্তানের ডিজিটালভাবে সক্রিয় সদা অপদস্থ বিদেশ-ভিত্তিক বিরোধীদের একজন গাদোয়েভ ১৫ ফেব্রুয়ারি তারিখে একটি উদ্ভট ভিডিওতে হাজির হয়ে বলেছিলেন যে তিনি স্বেচ্ছায় তাজিকিস্তানে এসেছেন এবং কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতা করছেন। নেদারল্যান্ডসে আশ্রয়প্রার্থী গাদোয়েভ সম্পর্কে নেদারল্যান্ডসের কূটনীতিকরা তার ভালমন্দের কথা জানতে চাইলে তাজিকিস্তানের কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেন যে অনির্দিষ্ট অপরাধের জন্যে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তবে সৌভাগ্যক্রমে গাদোয়েভ পূর্বে একটি ভিডিও তৈরি করেছিলেন যাতে তিনি সমর্থকদের তার তাজিকিস্তান ভ্রমণের কোনো পরিকল্পনা না থাকার কথা নিশ্চিত করে তাকে জোরপূর্বক তাজিকিস্তানে পাঠানোর বিষয়ে তার বলা যে কোন কথাকে অগ্রাহ্য করার কথা বলেছিলেন। ১৯ ফেব্রুয়ারি তারিখে মুক্তি পাওয়া এই অদ্ভুত ভবিষ্যদ্বানীর ভিডিওর পাশাপাশি পশ্চিমা কূটনীতিক ও আন্তর্জাতিক অধিকার সংস্থাগুলির সম্মিলিত চাপ ২ মার্চ তারিখে তাজিক কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তার আটকের মতো নাটকীয় ও অপ্রত্যাশিত মুক্তি ঘটিয়েছে।

ভারত-পাকিস্তান সংঘর্ষে অনলাইনে অপতথ্যের মচ্ছব

ভারতবর্ষের পুলওয়ামাতে ১৪ ফেব্রুয়ারি তারিখের বোমা হামলা পরবর্তী সময়ে পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা এবং তৎপরবর্তী পাল্টা আক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে এই দ্বন্দ্ব সম্পর্কে অপতথ্য ইন্টারনেটকে আচ্ছন্ন করে ফেলে। উভয় দেশেসত্য-যাচাইকারী গোষ্টীগুলি মিথ্যা তথ্য এবং বানোয়াট নানা ধরনের ছবির তীব্র প্রবাহ সামাল দেয়ার জন্যে কাজ করছে। নিউইয়র্ক টাইমসের নিউ ইয়র্ক টাইমসের জন্যে লিখতে গিয়ে ফরহাদ মঞ্জু অনলাইন মিডিয়ার প্রতিক্রিয়া বর্ণনা করেছেন:

সংঘাতটি চলার সময় ভারত বা পাকিস্তান ভিত্তিক যে সংস্থা থেকেই আপনি আপনার খবর পেয়ে থাকেন না কেন, মিথ্যের একটি বিষবাষ্পের মধ্য দিয়ে আপনার পথ খোঁজার জন্যে আপনাকে সংগ্রাম করতে হবে…

মিথ্যাগুলোর অধিকাংশেরই নির্দিষ্ট লক্ষ্য ছিল, (এগুলো) যুদ্ধের কুয়াশায় ছুটে যাওয়া নির্দোষ কোন কিছু নয়। বরং এগুলো ছিল শত্রুর দাবিকে অস্বীকার করে জাতীয়তাবাদী দম্ভকে জাগিয়ে তুলে উগ্রজাতীয়তাবা্দের তাল মিলাতে না পারা কাউকে লজ্জিত করার প্রচেষ্টা। যুদ্ধের দামামা বাজানো এসব মিথ্যা একটি ছাঁচের সঙ্গে খাপে খাপে মিলে যায় যা সীমান্তের দু’পাশে যৌক্তিকতার বন্ধনের বাইরে থাকা একটি সমাজকে নির্দেশ করে এবং এদের অবস্থান বিচারবুদ্ধিতার সম্পূর্ণ বাইরে।

তাঞ্জানীয় কর্তৃপক্ষ ‘নাগরিক’ সংবাদপত্র এবং ওয়েবসাইট স্থগিত করেছে

তাঞ্জানীয় কর্তৃপক্ষ ২৭ ফেব্রুয়ারি তারিখে মিথ্যা তথ্য ও পরিসংখ্যান প্রকাশের নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করার কথিত অভিযোগে  ব্যক্তিগত মালিকানাধীন সংবাদপত্র এবং সংবাদ সাইট নাগরিককে সাত দিন বন্ধ রাখার আদেশ দিয়েছিল। তাঞ্জানীয় শিলিংয়ের পতনশীল মূল্য সম্পর্কে ২৩ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত একটি গল্প থেকে এই অভিযোগটির জন্ম।

সাংবাদিক সুরক্ষা কমিটিসাংবাদিকদের আন্তর্জাতিক ফেডারেশন, সাংবাদিকদের রক্ষা করার জন্যে কমিটি, সাংবাদিকদের আন্তর্জাতিক ফেডারেশন, এবং আফ্রিকীয় সাংবাদিক ফেডারেশন সবাই এই বন্ধের নিন্দা জানিয়েছে।

গোপনীয়তার প্রচারকেরা কেনিয়ার ডিজিটাল পরিচয়পত্র পরিকল্পনা পেছনে ঠেলছে

কেনীয়দের গোপনীয়তা, সমতা, বৈষম্যহীনতা এবং প্রকাশ্য অংশগ্রহণের অধিকারগুলি লঙ্ঘন করে বলে অধিকার সংস্থাগুলি কেনিয়ার নতুন জাতীয় ডিজিটাল পরিচয়পত্র নিবন্ধন প্রচলন বন্ধের দাবি করছে

জাতীয় সমন্বিত পরিচয় ব্যবস্থাপনা পদ্ধতিটি (এনআইআইএমএস) জন্ম ও মৃত্যু, অভিবাসন অবস্থা, পাসপোর্টের বিবরণ এবং গাড়ি চালনার ইতিহাস সম্পর্কে সংগৃহীত তথ্যসহ বিভিন্ন ধরনের তথ্যের নিবন্ধনকে একীভূত করতে যাচ্ছে। এছাড়াও এটা সরকারকে একজন ব্যক্তির বাড়ির জিপিএস অবস্থান এবং ডিএনএর মতো বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ করার ক্ষমতা দেয়। আইনটিতে এই সমস্ত তথ্য সুরক্ষার কোন ব্যবস্থা নেই।

ইকুয়েডর ‘মিথ্যা তথ্য’ এবং ‘অবমাননাকর প্রকাশনা’ নিষিদ্ধ করতে যাচ্ছে

ইকুয়েডরের আইন পরিষদ সামাজিক মিডিয়াতে “মিথ্যা” তথ্য ভাগাভাগি করার জন্যে ব্যবহারকারীদের শাস্তি প্রদানের একটি আইন চালু করেছে। উপরন্তু, সামাজিক নেটওয়ার্কগুলির দায়িত্বপূর্ণ ব্যবহার সম্পর্কিত “অবমাননাকর প্রকাশনা” আইনটি আক্রান্তদের কারো প্রোফাইল থেকে অনুমতি ছাড়া তথ্য নেয়া  বা কারো মর্যাদা, সুনাম অথবা গোপনীয়তা ক্ষুন্ন করা পোস্টগুলির লেখকদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার সুযোগ দেবে।

এটির ভাল একটি দিক হলো যে এই আইন অনুসারে ব্যক্তিগত ডেটা ধারণ এবং সঞ্চয় করতে ইচ্ছুক ব্যক্তি বা সংস্থাকে প্রথমেই ব্যবহারকারীদের অনুমতি নিতে হবে।

নেট-নাগরিক প্রতিবেদনের গ্রাহক হোন

1 টি মন্তব্য

  • একদিক থেকে ভাবলে মনে হয় আইনটা জরুরি আবার আরেক দিক থেকে ভাবলে অনেকের ক্ষতি। বিশেষ করে ব্লগার আর ইউটিবারদের।

আলোচনায় যোগ দিন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .