বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

নেটনাগরিক প্রতিবেদন: দীর্ঘ কারাবাসের পর মুক্তির অপেক্ষায় মিশরের শীর্ষ দুই ডিজিটাল কর্মী

নেটনাগরিক প্রতিবেদন: দীর্ঘ কারাবাসের পর মুক্তির অপেক্ষায় মিশরের শীর্ষ দুই ডিজিটাল কর্মী

অ্যাডভক্স নেট-নাগরিক প্রতিবেদন বিশ্বজুড়ে ইন্টারনেট অধিকারগুলির ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা, সমস্যা থেকে উত্তরণ এবং উদীয়মান প্রবণতাগুলির একটি আন্তর্জাতিক আলোকপাত উপস্থাপন করে। এই প্রতিবেদনটিতে ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের ২২ থেকে ২৮ তারিখের বিভিন্ন সংবাদ এবং ঘটনা কাভার করা হয়েছে।

আগামী সপ্তাহগুলিতে মিশরের দুইজন বিশিষ্ট ডিজিটাল কর্মী কারাগার থেকে মুক্তি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। একজন হলেন ফটোগ্রাফার মাহমুদ আবু জাইদ এবং অন্যজন হলেন ব্লগার এবং রাজনৈতিক কর্মী আলা আব্দ এল ফাত্তাহ – যারা দু’জনই গত পাঁচ বছরের বেশিরভাগ সময় জেলে কাটিয়েছেন।

তাদের পরিবার এবং সমর্থকরা তাদের সময়মত মুক্তি দেখতে দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ। কিন্তু রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা সংস্থা তাদের মুক্তি বিলম্বিত করতে পারে এই আশংকায় উদ্বেগ বাড়ছে। ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতে আব্দ এল ফাত্তাহসহ ১৮ জন রাজনৈতিক বন্দীর পরিবারকে জেলখানায় তাদের প্রিয়জনদেরকে দেখা করার অনুমতি দেয়া হয়নি

২০১৯ সালের ১৭ মার্চ থেকে আব্দ এল ফাত্তাহ কারাগারের মেয়াদ শেষ করে পুলিশের ঘনিষ্ঠ নজরদারিতে থাকবেন এবং তাকে থানায় পরবর্তী পাঁচ বছরের প্রতিটি রাত কাটাতে হবে।

২০১১ সালে সাবেক রাষ্ট্রপতি হোসনি মুবারককে উৎখাতে সাহায্যকারী বিক্ষোভের নেতৃস্থানীয় কন্ঠস্বর ছিলেন আলা আব্দ এল ফাত্তাহ এবং তার জীবদ্দশায় ক্ষমতাসীন প্রত্যেকটি মিশরীয় রাষ্ট্রপ্রধান তাকে হয় জেলে রেখেছে নয় তদন্ত-জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। পুলিশের পূর্বানুমতি ছাড়া প্রকাশ্য বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করা মিশরীয় বিক্ষোভ আইন লঙ্ঘন করার দায়ে তাকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। এছাড়াও সরকারি অভিশংসক আব্দ এল ফাত্তাহার বিরুদ্ধে একটি টুইটের মাধ্যমে বিচার বিভাগকে “অপমান করার” কথিত অভিযোগে একটি পৃথক মামলা করেছিল। টুইটটিতে ফাত্তাহ স্বাধীনতার অভাবের জন্যে মিশরের বিচার ব্যবস্থার সমালোচনা করেছিলেন।

২০১৬ সালে নির্বিচারে আটক বিষয়ক জাতিসংঘের কার্যনির্বাহী গোষ্ঠী এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিল যে আব্দুল ফাত্তাহার আটকটি “নির্বিচার” ছিল এবং তার ক্ষেত্রে যথাযথ প্রক্রিয়া এবং ন্যায্য বিচারের নিশ্চয়তা অস্বীকার করা হয়েছিল। ২০১৮ সালের ডিসেম্বর থেকে তার পরিবার তার সময়মত মুক্তির সমর্থন করে অনলাইনে “আলার ১০০ দিন” নামে একটি সক্রিয় প্রচারণা চালাচ্ছে।

মাহমুদ আবু জাইদ ওরফে শওকান। @সিলুনা২৭  টুইটারে ছবিটি শেয়ার করেছে।

অনলাইনে শওকান হিসেবে পরিচিত মাহমুদ আবু জাইদকে ডেমোটিক্সে কর্মরত অবস্থায় ২০১৩ সালের রাব্বা আল আদাওয়েয়ার অবস্থান ধর্মঘটের রক্তাক্ত ছত্রভঙ্গের ছবি তোলার দায়ে অবৈধভাবে আটক করে বিচার করা হয়েছে। সাবেক মিশরীয় রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ মুরসির রাষ্ট্রপতিত্বের অবসান ঘটানো একটি সামরিক অভ্যুত্থানের পরপরই তার সমর্থকরা বিক্ষোভের জন্যে এখানে জড়ো হয়েছিল। মানবাধিকার পর্যবেক্ষক সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের সেসময়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী মিশরের নিরাপত্তা বাহিনী এই ঘটনায় কমপক্ষে ৮১৭জনকে হত্যা এবং আরো অনেককে আহত করেছিল।

তারপর শওকান অপরাধের গম্ভীরতার উপর নির্ভর করে ছয় মাস থেকে দুই বছর কারাদণ্ডের শাস্তির সীমা নির্ধারিত মিশরীয় আইন লঙ্ঘনের দায়ে প্রাক-বিচারের আটকাদেশে প্রায় চার বছর অতিবাহিত করেছিলেন। এরপর ২০১৮ সালের ৮ সেপ্টেম্বর তারিখে তাকে হত্যা এবং বর্তমানে মিশরীয় সরকার ঘোষিত একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী মুসলিম ব্রাদারহুডের সাথে যুক্ত থাকার বানোয়াট অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।  ইতোমধ্যে জেলে  অনেকটা সময় কাটিয়ে ফেলা সত্ত্বেও তাকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে তার মুক্তি পাওয়ার কথা থাকলেও এই লেখার সময়েও তিনি কারান্তরালে রয়েছেন। ২৭ ফেব্রুয়ারি তারিখে আন্তর্জাতিক প্রেস ইন্সটিটিউট মিশরীয় কর্তৃপক্ষের কাছে অবিলম্বে তার মুক্তির আহ্বান জানিয়েছে।

বিক্ষোভের কারণে আলজেরিয়ায় মাঝে মাঝে ইন্টারনেট বন্ধ থাকছে

মধ্য ফেব্রুয়ারি থেকে আলজেরীয়রা আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে আলজেরিয়ার রাষ্ট্রপতি আব্দেলাজিজ বুতেফ্লিকার অংশগ্রহণ প্রত্যাহারের দাবি করে  বিক্ষোভ আইনকে অগ্রাহ্য এবং রাস্তায় রাস্তায় বিক্ষোভ প্রদর্শন দাবি করছে। ২১ এবং ২২ ফেব্রুয়ারি তারিখে স্বাধীন প্রযুক্তিগত গবেষণা গোষ্ঠী নেটব্লকস সম্ভবতঃ বিক্ষোভের ফলেই কয়েকটি ইন্টারনেট পরিষেবা প্রদানকারী নেটওয়ার্ক মাঝে মাঝে বন্ধ  থাকার কথা জানায়।

১৯৯৯ সাল থেকে রাষ্ট্রপতি পদ আঁকড়ে থাকা বুতেফ্লিকা দুর্বল স্বাস্থ্য সত্ত্বেও পঞ্চম মেয়াদে ক্ষমতায় থাকতে চাইছেন। ২০১৩ সালে একটি স্ট্রোকের শিকার হয়ে এই ৮১ বছর বয়সী হুইলচেয়ারে থাকতে বাধ্য হওয়ার পর থেকে মাত্র কয়েকবার জনসমক্ষে উপস্থিত হয়েছেন। বিক্ষোভকারীরা দেশের দুর্বল এবং ক্রম-অস্থিতিশীল অর্থনীতির উপর জোর দিয়েছে – যেখানে ৩০ বছরের নিচের ২৯% জনগণ বেকার।

ভেনিজুয়েলায় টুইটার এবং সাউন্ড_ক্লাউড অফলাইনে

২৭ ফেব্রুয়ারি তারিখে ভেনিজুয়েলার প্রযুক্তিগত গবেষণা গোষ্ঠী ফিল্টারবিহীন_ভিই জানিয়েছে যে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন দেশের বৃহত্তম ইন্টারনেট সরবরাহকারী সিএএনটিভির সকল গ্রাহকদের জন্যে টুইটার এবং সাউন্ড_ক্লাউড উভয়ই অবরুদ্ধ ছিল।

মধ্য-জানুয়ারিতে বিরোধীদলীয় রাজনীতিবিদ জুয়ান গুয়েদো ক্ষমতাসীন রাষ্ট্রপতি নিকোলাস মাদুরোর প্রতি একটি উন্মুক্ত চ্যালেঞ্জের মাধ্যমে নিজেকে প্রজাতন্ত্রের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসাবে ঘোষণা করার সময় মাদুরোপন্থী সামরিক বাহিনী এবং মার্কিন সমর্থিত বিরোধী নেতাদের মধ্যে প্রকাশ্য বিক্ষোভ এবং সংঘর্ষগুলো অসংখ্যবার ইন্টারনেট বিভ্রাট এবং উইকিপিডিয়া, ইনস্টাগ্রাম এবং গুগলের ইউটিউবসহ কয়েকটি পরিষেবার ওয়েবসাইট অবরোধের জন্ম দেয়।

‘মিথ্যা বক্তব্য’ প্রদানের কারণে সামোয়ার ব্লগার গ্রেপ্তার

অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসকারী ব্লগার মালেলে পাওলো তার মায়ের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় অংশগ্রহণের সময় দেশটি সফর করতে গিয়ে ৮ ফেব্রুয়ারি তারিখে সামোয়াতে গ্রেপ্তার হয়েছেন। মালেলে সরকারের একজন সুপরিচিত সমালোচক যিনি ফেসবুকে রাজা ফিয়াপোপো ছদ্মনামে লিখে থাকেন।

সামোয়ার প্রধানমন্ত্রী টুইলেপা সাইলেলে মালিলেগাওই প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতি ও চুরির সঙ্গে যুক্ত এমন অভিযোগ করা মালেলের একটি পোস্টের বিষয়ে মালেলের বিরুদ্ধে মানহানির অভিযোগ দায়ের করেছেন। “সামোয়া সম্প্রদায়ের একজন সদস্যের সুনাম ক্ষুন্ন করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা বিবৃতি”র মাধ্যমে সামোয়ার অপরাধমূলক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে । আগামী ৫ মার্চ তার আদালতে হাজির হওয়ার কথা।

রুশ জনগণ হয়তো ‘ভুল করার অধিকার’ পাবে, মুক্তভাবে কথা বলার অধিকার পাবে না

দ্যুমায় দু’টি নতুন আইন গৃহীত হলে অনলাইনে “অনির্ভরযোগ্য তথ্য” ভাগাভাগি অথবা সরকারের সমালোচনা করার জন্যে রাশিয়ার নেট নাগরিকদের সেন্সর এবং জরিমানা করা হতে পারে। তবে তুলনামূলকভাবে ইতিবাচক দিক বিবেচনায় খসড়া আইনটিতে নতুন পরিবর্তন হিসেবে “ভুল করার অধিকার” অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

এই পরিবর্তনের সাথে সাথে রুশ কর্তৃপক্ষ মিথ্যা বা আপত্তিকর বলে মনে হয় এমন ব্যক্তি বা গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের প্রতি অগ্রীম সতর্কতা জারি করতে পারে। কর্তৃপক্ষের সতর্কতাগুলো মেনে তারা আপত্তিকর বিষয়বস্তু মুছে ফেললে ব্যক্তিবৃন্দ তাদের প্রথম লঙ্ঘনের শাস্তি এবং গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলি তাদের ওয়েবসাইট অবরোধ এড়াতে পারবে। তবে লক্ষণীয়, সরকার প্রদত্ত লাইসেন্স নেই এমন গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলিকে এই ধরনের সতর্কতা প্রদান করা হবে না।

নেপালের তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থাপনা আইন বাক-স্বাধীনতার কণ্ঠরোধ করবে

নেপালের সংসদের সামনে উপস্থাপিত একটি খসড়া আইন দেশে নিবন্ধিত না হলে  সামাজিক গণমাধ্যমের বিষয়বস্তু অপসারণ, “অনুপযুক্ত” পোস্টগুলির জন্যে ব্যবহারকারীদের দণ্ডিত এবং সমগ্র অনলাইন মঞ্চটিই অবরোধ করার আদেশ প্রদানের ব্যাপক ক্ষমতা কর্তৃপক্ষগুলিকে দিতে পারে। দেশে ব্যাপকভাবে উপস্থিত ফেসবুক ও গুগলের মতো বিদেশী প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলিকে দেশের ভেতর দপ্তর প্রতিষ্ঠা এবং নেপালী ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে তাদের অর্জিত আয়ের উপর বিশেষ কর প্রদান করতে হবে।

খসড়া আইনটি বিগত তিন বছরে ১০৬টি মামলায় অনলাইন বিষয়বস্তু নিয়ে অভিযুক্ত করতে সরকার ব্যবহৃত বিদ্যমান ইলেক্ট্রনিক লেনদেন আইনটিকে প্রতিস্থাপন করবে। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা প্রচারকরা নতুন আইনটি আরও নির্বিচারে অভিযুক্ত করার দরজাটি খুলে দিতে পারে বলে সতর্ক করছে। কারণ খসড়া আইনটি অনুসারে কর্তৃপক্ষগুলিকে ইন্টারনেট পরিষেবা প্রদানকারীদের (আইএসপি) বিভিন্ন ওয়েবসাইট অবরোধ করার আদেশ দেওয়ার আগে  আদালতের অনুমোদন চাইতে হবে না। আর যে সব আইএসপি এসব  আদেশ মেনে চলবে না  তাদের জরিমানা করা হবে।

ইন্দোনেশীয় সত্য-যাচাই সাইটে সাইবার আক্রমণ

দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি বিতর্কের জাতীয় সম্প্রচারের মাত্র দুইদিন পরে ১৯ ফেব্রুয়ারি তারিখে ইন্দোনেশীয় সত্য-যাচাইয়ের ওয়েবসাইট চেকফ্যাক্টা.কম-এ কথিত আক্রমণ এবং অনুপ্রবেশ ঘটেছে। আক্রমণকারীরা সাইটটির ডিএনএস (ডোমেন নামসমূহের সার্ভার) রূপরেখা পরিবর্তন করে ব্যবহারকারীদেরকে ইউটিউবের একটি বেনামী ভিডিওতে পুনঃনির্দেশিত করে। চেকফ্যাক্টা ডট কম ইন্দোনেশিয়ার ২৪টি গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের মিথ্যা সংবাদ এবং অপসংবাদ মোকাবেলা করার একটি যৌথ প্রকল্প। প্রেসের জন্যে আইনী সাহায্য প্রতিষ্ঠান এই হামলার নিন্দা করে আইন প্রয়োগকারীদের  অবিলম্বে ঘটনাটির তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে। তারপর থেকে সাইটটি থেকে পুনরুদ্ধার করা হয়েছে।

নতুন গবেষণা

  • Cuba blocks independent media amid 2019 constitutional referendum (২০১৯ সালের সাংবিধানিক গণভোট স্বত্ত্বেও কিউবা স্বাধীন মিডিয়া ব্লক করে) [ইন্টারনেট সেন্সরের উপাত্ত] – নেটওয়ার্ক হস্তক্ষেপের মুক্ত মানমন্দির
  • A Skeptical View of Information Fiduciaries (তথ্য জিম্মাদারীর একটি সন্দেহজনক দৃষ্টিপাত) – লিনা খান এবং ডেভিড পোজেন

নেট-নাগরিক প্রতিবেদনের গ্রাহক হোন

1 টি মন্তব্য

এই জবাবটি দিতে চাই না

আলোচনায় যোগ দিন -> jahid

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .