বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

মৃতপ্রায় এক আর্মেনীয় গ্রামের শেষ বাসিন্দারা

নীচের পোস্টটি চায়-খানার একটি গল্প, যা গ্লোবাল ভয়েসেস অনলাইন এর সাথে কন্টেন বিনিময় চুক্তির অধীনে এখানে পুনরায় প্রকাশ করা হয়েছে। এই কাহিনী লিখেছেন এবং এর ভিডিওগুলো করেছেন লিলিথ মিখতেরিয়ান।

লেরনাগেইউঘ হচ্ছে আর্মেনিয়ার একটি গ্রাম, যা দেশটির রাজধানী ইয়ারাভান থেকে ১৫০ মাইল দূরে অবস্থিত, এখন সেটি এক বিরান গ্রামে পরিণত হতে যাচ্ছে।

এক সময় এই গ্রামে এক প্রাণ প্রাচুর্যে ভরপুর এক সম্প্রদায়ের বাস ছিল, আর এখন সেখানে মাত্র চারজন বাসিন্দা রয়েছে। এই গ্রাম এক দূর্গম এলাকায় অবস্থিত, আর শীতকালে গ্রামটি দেশের বাকী অংশে সাথে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। গ্রামটিতে জীবনের জন্য যে সব মৌলিক উপাদানের দরকার সেগুলোর অভাব রয়েছে, যেমন শিক্ষা গ্রহণের জন্য এখানে কোন স্কুল নেই।

জীবন ধারণের পরিস্থিতি এখন এতটাই জটিল আকার ধারণ করেছে যে এই গ্রামের বাসিন্দা ৬০ বছর বয়স্ক নিকোল মারতিরোসায়ান এবং তাঁর স্ত্রী হায়খুশ নিকোগোসায়ান এখন এই গ্রাম ছেড়ে চলে যাওয়ার কথা ভাবছেন।

এখনো এই গ্রামে যারা রয়ে গেছেন তাদের মধ্যে আছেন হার্নেট মিনাসিয়ান এবং তাঁর স্ত্রী মার্গারিট কোচিয়ান, যারা ৩০ বছর ধরে এই গ্রামে বাস করছেন। হার্নেট এর বয়স এখন ৬২, সে মনে তার নিজের মৃত্যুর পরিবারের অন্য সদস্যদের এই গ্রামে থাকার আশা ক্রমশ ক্ষীণ হয়ে আসছে। তার দুই ছেলের একজন চাকুরীর কারণে বিদেশে আছে, আর দ্বিতীয় পুত্র অন্য এক গ্রামে গিয়ে বাস করছে।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .