বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

জাপানের ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি দিবস মানে টুইটার ভর্তি জিভে জল আনা ‘ওয়াগাশি’

水仙まんじゅう

ইশেইয়াতে সুসেন মাঞ্জু প্রস্তুত করা হচ্ছে, যা ফুকুই জেলার ওবামায় অবস্থিত জাপানের এক ঐতিহ্যবাহী মিষ্টির দোকান। ছবি নেভিন থম্পসনের।

১৬ জুন তারিখটি হচ্ছে জাপানের ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি দিবস এবং টুইটার ব্যবহারকারীরা ওয়াগাশি নো হাই#和菓子の日 নামক হ্যাশট্যাগ ব্যাবহার করে তাদের প্রিয় মিষ্টি জাতীয় নাস্তার ছবি টুইটারে আপলোড করছে।

জাপানের ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি দিবস যা ওয়াগাশি নামে হাই পরিচিত সেটি দীর্ঘ সময় ধরে সৌভাগ্য এবং উপহারের সঙ্গে যুক্ত, আর ঐতিহ্যবাহী এই মিষ্টির দিনটি জাপানে হাজার বছর ধরে পালন হয়ে আসছে। এখনো ওয়াগাশি জাপানের চা উৎসবের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং বিভিন্ন ধরনের মিষ্টি খাওয়ানো এক জনপ্রিয় মেহমানদারি।

যেমন উদাহরণ হচ্ছে, দোরাইয়াকি, এক ধরনের প্যানকেক, যা মিষ্টি লাল সীম-এর পেস্ট দ্বারা পূর্ণ করা হয়, এটি এখনো জাপানের এক জনপ্রিয় নাস্তা।

শুভ ওয়াগাশি, জাপানের ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি দিবস।

দিনের শুরুতে, জাপানের ইয়ারু কায়ারা অথবা মাসকাট একটি ডাঙ্গো হাতে ধরে রয়েছে, যা জাপানের এক জনপ্রিয় মিষ্টি, যা এই দিবসের উৎপত্তির বিষয়টি ব্যাখ্যা করছে:

হাই, আমি তাইশুকুন, ওসাকার আনুষ্ঠানিক ওয়াগাশির অ্যাম্বাসেডর বা শুভেচ্ছা দুত। ১৫ জুন হচ্ছে ওয়াগাশি নো হাই! দিবস। এখন থেকে অনেক অনেক দিন আগে এই ১৬ জুন দিনটিতে আমরা ১৬ টুকরো ওয়গাশি খেতাম, যাতে নিশ্চিত হয় যে সুখ আমাদের সাথে রয়েছে। আদতে এই দিনটিকে কাজোউ নামে ডাকা হত। আর এটা হচ্ছে ১৬ জুন যে দিনটি ওয়াগাশি নো হাই।

আরেকটি মাসকট, গুনমা-চান, যিনি গুনমা জেলার প্রতিনিধিত্ব করে, বিস্তারিত ভাবে বেশ কিছু ওয়াগাশি প্রদর্শন করছে যেগুলো জাপানের কিছু সাধারণ সুস্বাদু খাদ্যের প্রতিনিধিত্ব করছে, যা কিছু ভিন্ন ভিন্ন মিষ্টির মধ্যে এক সাধারণ বৈশিষ্ট্য ধারণ করে:

[…] যেহেতু আজ ওয়াগাশি নো হাই দিবস, তাই আমি কিছু ওয়াগাশি প্রদর্শন করছি যা দেখতে অনেকটা আমার মত। এগুলো গুনামা পাহাড়ের কিরুয়ো শহরে বানানো হয়েছে। মাউন্টেন অফ মেনি পিপল-এর অনেক নাগরিক তাদের প্রিয় ঐতিহ্যবাহী মিষ্টির ছবি আপলোড করেছে।

অনেক নাগরিক তাদের প্রিয় ঐতিহ্যবাহী মিষ্টির ছবি আপলোড করেছে:

যেহেতু আজ ওয়াগাশি নো হাই দিবস। এখানে কিছু মোমাওইয়ামার ছবি রয়েছে (চালের আটা দিয়ে বানানো এক ধরনের মিষ্টি) এবং নেরিকিরি ( অজুকি সিমের হালুয়া, চিনি এবং এক ধরনের শ্বেতসার যুক্ত বিশেষ পাহাড়ি ইয়াম বা শেকড় জাতীয় আলু দিয়ে বানানো খাদ্য) যা আমি কিছুক্ষণ আগে খেয়েছি।

[…] এখানে আমার প্রিয় জাপানের কিছু ঐতিহ্যবাহী মিষ্টির ছবি প্রদান করা হয়েছে।  (❁´ω`❁)

সব ধরনের আকার ও মাপে ওয়াগাশি তৈরি করা হয়, এর মধ্যে কিছু আপন খেয়ালে এবং অন্যগুলো অনেক বেশী শিল্প হিসেবে জন্ম নেয়।

#এইগুলো অসাধারণ সুস্বাদু। #অসাধারণ ছবি।# ছবি।# ওয়াগাশি নো হাই। আমাকে অনুসরণ করুন।

ওয়াগাশি যেমন ঐতিহ্যবাহী জাপানি সংস্কৃতির সাথে যুক্ত তেমনি ভাবে যুক্ত প্রাচীন রাজকীয় রাজধানী কিয়োটো, যার রয়েছে নিজস্ব চা উৎসব এবং মিষ্টি জাতীয় নাস্তা। জাপানের এক ক্যাফে গিয়ান মাতসুরি-এ তার নিজস্ব সুন্দর সৃষ্টি চেখে দেখার জন্য অয়াগাশি নো হাই-এর সুযোগ নিয়ে সবাই তাদের ক্যাফেতে আসার আহ্বান জানিয়েছে, জাপানের অন্যতম এক জনপ্রিয় উৎসব গিয়ন মাতসুরি স্বয়ং ওয়াগাশি নো হাই-এর মত হাজার বছরের বেশী পুরোনো ।

শুভ সকাল! গিয়ন মাৎসুরি এবং কিয়োটোতে গ্রীষ্মের শুরুর আর মাত্র কয়েক সপ্তাহ বাকী[…]। কিয়োগুকু, আমাদের ঐতিহ্যবাহী জাপানী ক্যাফে, ওয়াগাশি নো হাই উৎসবের জন্য খোলা হবে সকাল ১১.৩০ মিনিটে। আমরা আশা করছি এখানে আপনাদের সাথে দেখা হবে!

#শিমুজু টেম্পেল #জাপানিফেস্টিভ্যালক্যাফে#ওয়াগাশিনোহাই

জাপানের ওয়াগাশি উৎসব নিছক সুস্বাদু নাস্তায় সীমাবদ্ধ নয়, শেভড আইস নামের বিশেষ আইসক্রিম, যা কিনা মাচা চা এও মাচা সিরাপের সাথে এই দিনে সরবরাহ করা হয়, এটি একই সাথে জাপানের কিছু ঐতিহ্যবাহী ক্যাফেতে বেশ জনপ্রিয়।

আজ ওয়াগাশি নো হাই, আর তাই আমাদের খাবারের তালিকায় রয়েছে মাচা।.

নিঃসন্দেহে, ১৬ জুন দিবসকে ঘিরে বিপণন কর্মকর্তারা কিছু সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করে, এই দিনটিতে বিশাল আকারের ক্যান্ডি নির্মাতা গ্লিকো তাদের নিজস্ব পণ্যের বিষয়ে সকলকে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে। এদিকে ঠিক ঐতিহ্যবাহী নয়, এমন এক জাপানি নাস্তা সারা বিশ্বে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

জাপানে প্রথম যখন এই ক্যান্ডির সূচনা হয় তারপর একে একে কেটে গেছে ৫০টি বছর।

জাপানের ঐতিহ্যবাহী মিষ্টির আরো ছবি দেখতে চাইলে টুইটারে #和菓子の日 এই জাপানি হ্যাশট্যাগটি অনুসরণ করুন।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .