বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

প্রতিবেদক হত্যা মেক্সিকোতে সাংবাদিকদের বিক্ষুদ্ধ করে তুলছে

Miroslava Breach Velducea 1962-2017. Foto tomada del perfil público de Twitter de La Jornada.

মিরোস্লাভা ব্রিচ ভেলদুসেয়া (১৯৬২-২০১৭)। লা জোর্নাদা (কর্মদিবস)-এর প্রকাশ্য টুইটার প্রোফাইল থেকে নেয়া ছবিটি ব্যাপকভাবে সব সামাজিক গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোতে ভাগাভাগি করা হয়েছে।

মেক্সিকো থেকে আবার দুঃসংবাদ। এবার এসেছে উত্তর সীমান্তবর্তী চিহুয়াহুয়া রাজ্য থেকে।

এই সপ্তাহের গোড়ার দিকে জাতীয় সংবাদপত্র লা জোর্দানা  এবং স্থানীয় ওয়েবসাইট নোর্তে (উত্তর)-এর মতো বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের জন্যে কাজ করা সাংবাদিক মিরোস্লাভা ব্রিচকে কোনো তার বাড়ির বাইরে এক অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তি খুন করেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

জাতীয় সংবাদপত্র এল উনিভার্সাল (সার্বজনীন) এবং এক্সেলসিওর (আরো ভাল) (আরো ভালো) এর প্রতিবেদন অনু্সারে, সকাল বেলায় হিংস্র কাণ্ডটি সংঘটিত হয়েছে। যতদুর জানা গেছে, একজন পুরুষ লোক মিরোস্লাভা্র কাছে গিয়ে একটি আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে তার মাথায় আটবার গুলি করেছে।

রিকার্ডো আলেমান মিলেনিও (সহস্রাব্দ) সংবাদপত্রে তার কলামে লিখেছেন:

Miroslava Breach fue asesinada por ejercer su profesión, el periodismo de investigación, crítico e independiente. (…) Dicho de otro modo, mataron a Miroslava por hablar, por hacer pública la información que reclama la sociedad y molesta al poder, en cualquiera de sus formas.

মিরোস্লাভা ব্রিচ তার পেশাগত স্বাধীন এবং জটিলতা অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার চর্চা করতে গিয়ে নিহত হয়েছেন। (…) অন্য কথায়, তারা মিরোস্লাভাকে – কথা বলার জন্যে, সমাজের জন্যে তথ্য প্রকাশ, আর সব ধরনের ক্ষমতাসীনদের বিরক্ত করার জন্যে – হত্যা করেছে।

এই মাসে আরো দুইজন সাংবাদিকের পর মিরোস্লাভার হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত হয়েছে। স্পেনীয় সংবাদপত্র এল পিয়াস (দেশ) যেমন প্রতিবেদন করেছে:

El asesinato se ha producido cuatro días después del ataque contra Ricardo Monlui, otro periodista que murió a tiros en el Estado de Veracruz el pasado 19 de marzo. Cecilio Pineda, un periodista del sureño Estado de Guerrero, fue ejecutado el pasado 2 de marzo. Suman ya 30 periodistas asesinados durante el mandato de Enrique Peña Nieto, ha informado la organización Artículo 19.

১৯ মার্চ তারিখে ভেরাক্রুজ রাজ্যের আরেকজন সাংবাদিক রিকার্ডো মনলুইকে গুলি করে হত্যা করার চার দিন পর এই হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত হয়েছে। মার্চের ২ তারিখে দক্ষিণের প্রদেশ গুয়েরোর একজন সাংবাদিক সেসিলিও পিয়েন্দাকে খুন করা হয়েছে। এনরিকে পেনা নিয়েতোর মেয়াদে প্রায় ৩০ জন সাংবাদিক নিহত হয়েছে, সংগঠন আর্টিকেল-১৯ জানিয়েছে।

টুইটারে আর্টিকেল-১৯ নিচের বার্তাটি ভাগাভাগি করেছে:

এছাড়াও এপিফানিও দিয়াজ প্রতিবেদক হত্যাকাণ্ডটির নিন্দা করেছেন:

বৈশ্বিক অপরাধ সূচক ২০১৬ অনুসারে, সিরিয়া ও ইরাকের মতো সহিংসতার মাত্রায় মেক্সিকো সাংবাদিকদের জন্যে লাতিন আমেরিকার সবচেয়ে বিপজ্জনক দেশ এবং সাধারণভাবে সারা বিশ্বের মধ্যে তৃতীয় বিপজ্জনক দেশ

মেক্সিকীয় প্রতিযোগিতামূলক প্রতিষ্ঠান-এর সাম্প্রতিকতম পরিসংখ্যান অনুযায়ী মেক্সিকোতে অবিশ্বাস্যভাবে ৯৫% অপরাধের কোন শাস্তি হয় না।

আপাতদৃষ্টে মনে হচ্ছে প্রেসিডেন্ট এনরিকে পেনা অতীতের মুক্ত গণমাধ্যমের স্বপক্ষে কথা বলছেন।

উদাহরণস্বরূপ, ২০১৬ সালের অক্টোবর মাসে তিনি বলেছেন:

Una nación democrática como lo es México, no puede explicarse sin medios de comunicación que ejerzan a plenitud esa libertad (de expresión). Por eso el gobierno de la República defiende la pluralidad de ideas como una conquista democrática y un derecho irrenunciable de los mexicanos.

মেক্সিকোর মতো একটি গণতান্ত্রিক জাতি (মত প্রকাশের) পরিপূর্ণ স্বাধীনতার চর্চা করা যোগাযোগের পদ্ধতি ছাড়া নিজেদের ব্যাখ্যা করতে পারবে না। এই কারণে প্রজাতন্ত্রটির সরকার বহুমাত্রিক ধারণাকে গণতান্ত্রিক একটি বিজয় এবং মেক্সিকীয়দের অবিচ্ছেদ্য একটি অধিকার হিসেবে সুরক্ষা প্রদান করে থাকে।

কিন্তু এগুলো দীর্ঘ সময় ধরে মেক্সিকোর জীবনযাত্রার একটা বাস্তবতা হয়ে যাওয়া গণমাধ্যম কর্মীদের এবং সামগ্রিকভাবে সবার বিরুদ্ধে করা হিংসাত্মক অপরাধ সংঘটনকারীদের জন্যে বুলি এবং দায়মুক্তি মাত্র। বর্তমানে এই হতাশাগুলো #ইম্পিউনিদাদ-মাতা এবং #ইয়া-বাস্তা-দে-বালাস  (#দায়মুক্তিহত্যাকরে, #যথেষ্টবুলেটহয়েছে) হ্যাশট্যাগ হিসেবে সামাজিক গণমাধ্যমে প্রচারিত হচ্ছে।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .