বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

প্রবীণ ফকল্যান্ডস যোদ্ধার অতীত স্মৃতি রোমন্থন

আর্জেন্টিনার তিয়েরা দেল ফুয়েগো প্রদেশের উসুআইয়া শহরে অবস্থিত ফকল্যান্ড যুদ্ধের বীর শহীদদের একটি স্মৃতিস্তম্ভ। ডেভিড বোল্ট-এর তোলা ছবি, ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্সের অধীনে তার ফ্লিকার অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত।

মিগুয়েল স্যাভেজ ফকল্যান্ডস দ্বীপপুঞ্জ –এর মালিকানা নিয়ে গ্রেট ব্রিটেন ও আর্জেন্টিনার মধ্যেকার দশ-সপ্তাহব্যাপী দীর্ঘ এই সংঘাতটির একজন আর্জেন্টিনীয় প্রবীণ যোদ্ধা। প্রায় বিশ বছর নীরবতার পর ২০০০ সালে স্যাভেজ  দ্বীপটিতে ফিরে গিয়ে তার অতীতের প্রেতাত্মাদের মোকাবেলা করে তার (যুদ্ধের মানসিক) ক্ষতগুলো নিরাময় করে নেয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

দক্ষিণ আটলান্টিক যুদ্ধ নামেও পরিচিত ১৯৮২ সালের এই সংঘাতে প্রায় ১,০০০ জন মারা যায় যাদের বেশিরভাগ আর্জেন্টিনার।

২০১১ সালে তার প্রকাশিত বই মালভিনাস, ভিয়াহে আল পাসাদো  (ফকল্যান্ডস, অতীত যাত্রা)–তে স্যাভেজ “অবাস্তব যুদ্ধ”টি সম্পর্কে তার বেদনাদায়ক অভিজ্ঞতার বিস্তারিত ক্ষমাহীনভাবে বর্ণনা করেছেন। মাত্র ১৯ বছর বয়সী স্যাভেজ এবং তার আর্জেন্টিনীয় সহযোদ্ধা তিনটি প্রধান শত্রু: ঠান্ডা, ব্রিটিশ এবং তার নেতাদের মুখোমুখি হয়েছিলেন।

স্যাভেজের স্মৃতিকথাটিতে একজন ব্রিটিশ প্রবীণ যোদ্ধার সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং বন্ধুত্ব স্থাপনের একটি চলমান গল্প রয়েছে যা সংঘাতটি সম্পর্কে তাঁর দৃষ্টিকোণকে প্রসারিত করেছে, তিনি বলেছেন।

স্যাভেজ কাদেনা-৩ (আর্জেন্টিনার কর্ডোবার বাইরের একটি রেডিও স্টেশন)-কে দেয়া এই সাক্ষাৎকারে একটি দ্বীপ খামারবাড়িতে পাওয়া অবিশ্বাস্য “নীল সোয়েটারের গল্প” বলেছেন। তিনি বলেছেন এটা তার জীবন রক্ষা করেছিল।

২০০৬ সালে স্যাভেজ সোয়েটারটির প্রকৃ্ত মালিকের কন্যা শ্যারনকে ফিরিয়ে দেয়ার জন্যে শেষ পর্যন্ত আরেকবার দ্বীপটি সফর করতে সফল হয়েছিলেন।

El pulóver era de su papá quien había fallecido a causa del estrés luego de la guerra. Tomé unos mates con ella, lloramos juntos.

সোয়েটারটি যুদ্ধের পরে পিএসটিডি (দুর্ঘটনা পরবর্তী মানসিক বৈকল্য)-তে ভুগে মৃত্যুবরণ করা তার পিতার। আমি তার সঙ্গে কয়েকজন সতীর্থ-কে নিয়ে গিয়েছিলাম এবং (আমরা) একসঙ্গে কেঁদেছি।

নিচে আপনারা ২০১৩ সালের জানুয়ারিতে তেএদেইক্স রিও দে লা প্লাতা  সম্মেলনে স্যাভেজের আলাপটি দেখতে পারেন (ইংরেজি সাবটাইটেলসহ):

Creo que hay tres formas de enfrentar situaciones de gran sufrimiento: tapar todo, victimizarse o abrazar la herida y transformarla en algo positivo. Es por eso que narro con alegría mi historia de vida, compartiendo los aprendizajes y la resiliencia.

Lo dedico con emoción a la memoria de los que murieron en el 82, y los que luego se quitaron la vida. Argentinos y británicos.

আমি বিশ্বাস করি ভয়ানক দুর্ভোগের পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেয়ার তিনটি উপায় রয়েছে: “সবকিছুকে বন্ধ করে দেয়া, শিকারের ভূমিকা গ্রহণ করা, অথবা ব্যথাকে আলিঙ্গন করে একে ইতিবাচক কোন কিছুতে পরিবর্তন করা। এ কারণেই আমি আমার শেখা নমনীয়তা এবং সবকিছু ভাগাভাগি করে সানন্দে আমার গল্প বলতে পারি।

সর্বান্তকরণে, আমি এটা ’৮২ (১৯৮২) সালে মৃত্যুবরণ করা এবং নিজেরাই নিজেদের জীবন নেয়া সব আর্জেন্টিনীয় এবং ব্রিটিশদের স্মৃতির প্রতি উৎসর্গ করছি।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .