বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

গত শতকে জাপান, হংকং এবং এশিয়ার কিছু চিত্তাকর্ষক ১৬ মিলিমিটার ফরম্যাটের চলচ্চিত্র

Pathé News

বরফে ঢাকা জাপান। ১৯১৬ সাল-পাথে নিউজ। মিশেল রোগের ইউটিউব চ্যানেল থেকে নেওয়া স্ক্রিনশট

ইউটিউব ব্যবহারকারী, মিশেল রোগে তার নিজস্ব চ্যানেলে বিংশ শতকের জাপান এবং হংকং, মালয়েশিয়া এবং ইন্দোনেশিয়া সহ এশিয়ার কিছু অংশের দৈনন্দিন জীবনের অসাধারণ কিছু ভিডিও আপলোড করেছে।

১৯৬০-এর দশকে হংকং এবং জাপানে বসবাস করার সময় স্বয়ং রোগে নিজে এইসব ভিডিও ধারণ করেছেন। রজার্স-এর ইউটিউবে চ্যানেলে তার সংগৃহীত অন্যান্য ভিডিও যার মধ্যে টেলিভিশন কর্মসূচি এবং সংবাদ কণিকার দৃশ্য রয়েছে যা সে উদ্ধার করেছে, সেগুলোকে সে ডিজিটাল ফরম্যাটে রূপান্তরিত করেছে এবং ইন্টারনেটে আপলোড করেছে।

যেমন এর এক উদাহরণ হচ্ছে রজার্স ১৯১৬ সালে জাপানের বরফপাত প্রবণ এলাকার জীবনের বর্ণনা সম্বলিত পাথে নিউজের সংবাদটি আপলোড করেছে:

হজে এ রকম অন্য অনেক শত শত ভিডিও আপলোড করেছে, যার মধ্যে রয়েছে যুদ্ধপূর্ব জার্মানের কিছু সংবাদ কণিকা, যা কিনা জাপানের কাঠের ভেলা নিয়ে করা:

অনলাইনে তার নিজের আত্মজীবনীতে রোগে জানিয়েছেন তিনি ১৯২৯ সালে আমস্টারডামে জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৪৯ সালে তিনি হংকং –এর একটি ব্যাংকে চাকুরি লাভ করেন এবং সাথে সাথে তিনি সেখানকার প্রতিদিনের জীবনের ঘটনাবলী নথিবদ্ধ করা শুরু করেন। তার সে সময়কার অনেক ছবি মিশেল রজার্সের ফিক্লার একাউন্টে আপলোড করা হয়েছে।

হংকং-এ অবস্থিত নেদারল্যান্ডের দূতাবাস তার এক সাক্ষাতকার ২০১২ সালে পুনরায় ছাপা হয়, রজার্স বলেন, আমি যা করেছিলাম সে সময় আমি তা উপলব্ধি করতে পারিনি যে আমি ছাড়া আর প্রায় কেউ জীবনের এই অসাধারণ মুহূর্তের ছবি ধারণ করেনি।

আমি চলচ্চিত্র ধারণ করতে এবং ছবি তুলতে দারুণ পছন্দ করি। আর আমার মনের আনন্দের জন্য ক্রমশ এই ধরণের কাজ করা বেড়ে গেছে, যা আমি আমার পরিবারের কাছে ছবির ডাইরি হিসেবে তুলে ধরেছি। এটা আমার জীবনকে পরিপুর্ণতা করে তুলেছে।

১৯৫০-এর দশকে রোগে বেশ কয়েক বছর জাপানে বাস করেছিল

১৯৫৮ সালে কোবতে বসবাসের সময় তার জীবন কেমন ছিল সেটি তার পরিবারের কাছে বর্ণনা করার জন্য রোগের বানানো এক স্বল্পদৈর্ঘ্য গৃহ উপযোগী চলচ্চিত্র তুলে ধরা হল।

তিনি ছয় বছর হংকং-এ কাটান। এরপর তিনি জাপানে চলে যান, যেখানে তিনি ১৯৫৫ থেকে ১৯৬০ পর্যন্ত বাস করেন। ১৯৬১ সালে তিনি হল্যান্ডে ফিরে যান।

এটা হচ্ছে রোগের হংকং-এর ছবি এবং ঘরোয়া চলচ্চিত্র সমূহ যা সবচেয়ে বেশী মনোযোগ আকর্ষণ করেছে।

ব্লগার ডেভিড ডেরিক উল্লেখ করছে:

এখন থেকে এক থেকে দুই প্রজন্ম আগে এশিয়ান শহরগুলোর চলচ্চিত্র দেখে উত্তেজনা বোধ হচ্ছে যেন আপনি এখনো তাদের চেনেন। কারণ এই শহরগুলোকে কল্পনা করতে তেমন একটা কষ্ট করতে হয় না যে এখন থেক শতবর্ষে আগে সেগুলো কেমন ছিল, ৫০, ৬০, ৭০ অথবা ৮০-এর দশকে যেমনটা তারা ছিল। আমি প্রথম হংকংকে দেখি ৮৪-এর প্রথম দিকে এবং এবং ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত ৫০ বারের মত এই শহরে প্রবেশ গিয়েছি। হংকংকে চীনের কাছে হস্তান্তর করার পর,আমি সেখানে মাত্র দুবার থেকে তিনবার গিয়েছি। আমি ১৯৮৪ সালে প্রথম সিঙ্গাপুর গিয়েছিলাম, এরপর আমি ২৫ বার সেখানে গিয়েছি।

মিশেল রোগে ফ্লিকার, ইউটিউব এবং তাঁর নিজের ব্যাক্তিগত ওয়েবসাইটে সক্রিয় রয়েছেন।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .