বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

ইউক্রেইনিয় শিল্পী সিনিয়া সিমোনোভা বালু শিল্পকর্মের মাধ্যমে কাজাখস্তানের ইতিহাসকে তুলে ধরলেন

Kazakh history in sand frm Kseniya Simonova's YouTube channel.

বালু শিল্পকর্মের মাধ্যমে তৈরি কাজাখস্তানের ইতিহাস। সিনিয়া সিমোনোভার ইউটিউব চ্যানেল থেকে নেয়া হয়েছে।

সিনিয়া সিমোনোভার আবির্ভাব ইউক্রেইন গট ট্যালেন্ট শো-র মাধ্যমে। ২০০৯ সালে তিনি বিজয়ী হয়েছিলেন। সম্প্রতি তিনি বালু দিয়ে একটি অ্যানিমেটেড শিল্পকর্ম বানিয়েছেন। সেখানে কাজাখস্তানের জাতিসত্তার পরিচয় উঠে এসেছে।

প্রকল্পের পিছনে অর্থায়ন করেছে মধ্য এশিয়ার দেশটির সরকার। দেশটির রাজধানী আস্তানার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজন উপলক্ষ্যে এটি বানানো হয়েছে। এতে তুষারময় স্তেপস-এর প্রাচীন যাযাবর সময় থেকে বর্তমানের আকাশছোঁয়া ভবনের দৃশ্যচিত্র দেখানো হয়েছে।

অ্যানিমেশনের একদম শেষে দেশটির বর্তমান রাষ্ট্রপতি নূরসুলতান নাজারবায়েভকে দেখা গেছে। ২০১০ সালে প্রথম সাক্ষাৎকারের সময় থেকেই তিনি সিনিয়া সিমোনোভার শিল্পকর্মের ভক্ত হয়ে আছেন।

ক্যানভাস, আগ্নেয় বালি আর নিপুণ হাতে সিনিয়া সিমোনোভা এ ধরনের অসংখ্য শিল্পকর্ম করেছেন। আর সাত বছর আগে এগুলোই ইউক্রেইন গট ট্যালেন্ট-এ তাকে বিজয়ী হতে সাহায্য করেছিল।

ইউক্রেন গট ট্যালেন্ট শোর চূড়ান্ত পর্বে বালু দিয়ে তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কালীন একজোড়া দম্পতির গল্প বলেছিলেন। এটিই তার সবচে জনপ্রিয় কাজ। ইউটিউবে এটি ৪০ মিলিয়নের বেশিবার দেখা হয়েছে।

তেল-সমৃদ্ধ কাজাখস্তানের রয়েছে দীর্ঘ ইতিহাস, ঐতিহ্য। কিন্তু ২০১৪ সালে রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদামির পুতিন সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে স্বাধীন হওয়ার আগে কাজাখস্তান আগে কখনো রাষ্ট্র ছিল না বলে মন্তব্য করেন। এরপরে দেশটির সরকার প্রচারণার জন্য ঐতিহাসিক থিম বেছে নেয়। আর এর অংশ হিসেবেই এই বালুর শিল্পকর্ম নির্মাণ।

তবে এর আগের বছর অবশ্য দশ পর্বের একটি ঐতিহাসিক নাটক বানিয়েছিল দেশটি। গেইম অব থ্রন স্টাইলের মধ্য এশিয়ান নাটক ছিল সেটা। ১৫ শতকের পটভুমিতে বানানো নাটকটিতে কাজাখস্তান কীভাবে আধুনিক রাষ্ট্র হয়ে উঠছে, সেটা দেখানো হয়েছে।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .