বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

একজনের মর্মভেদী অভিজ্ঞতা দেখে সবার জন্য জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশের হাইকোর্ট

Road accident in Bangladesh can be fatal due to lack of emergency services. Image from Flickr by Global Panorama. CC BY-SA

জরুরি চিকিৎসাসেবার অভাবে বাংলাদেশের সড়ক দুঘর্টনায় আক্রান্ত রোগীদের অবস্থা আরো বেদনাদায়ক হয়ে ওঠে। ছবি কৃতজ্ঞতা ফ্লিকার ব্যবহারকারী গ্লোবাল প্যানারোমা। সিসিবিওয়াই-এসএ নিবন্ধনের আওতায় প্রকাশ করা হয়েছে।

বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনা খুব স্বাভাবিক ব্যাপার। পরিসংখ্যান-মতে, প্রতি বছর সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ হাজারের বেশি মানুষ মারা যান। আর আহত হন ২০ হাজারের বেশি মানুষ। দুঃখের বিষয় হলো, দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত ব্যক্তিদের জরুরি চিকিৎসাসেবা দিতে চায় না নিকটস্থ হাসপাতালগুলো। তারা সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকে। এতে করে মৃত্যুর সংখ্যা আরো বাড়ে।

বাংলাদেশে এখনো স্বাস্থ্য বিমা চালু হয়নি। তাছাড়া সাশ্রয়ী মূল্যে স্বাস্থ্যসেবার অভাব রয়েছে। তাই গুরুতর আহত রোগীদের টাকা কে পরিশোধ করবে, এই অনিশ্চয়তায় বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলো এই ধরনের রোগীদের চিকিৎসাসেবা দিতে অপারগতা প্রকাশ করে থাকে। এরই প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের হাইকোর্ট দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত রোগীদের সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে জরুরি চিকিৎসাসেবা দিতে সরকারকে পদক্ষেপ নেয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

আর এটার শুরু হয়েছিল ফেসবুকের একটি পোস্টের সূত্র ধরে। ফেসবুকে পোস্টটি দিয়েছিলেন সামাজিক ব্যবসায় উদ্যোক্তা, বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের গ্লোবাল শেপার কমিউনিটি’র সদস্য সাইফ কামাল। গত ২২ জানুয়ারি ২০১৬-এ বনানী’র কাছে এয়ারপোর্ট রোডে আরাফাত নামের একজন পরিবহনকর্মী সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হন। এ সময়ে তিনি দুর্ঘটনাস্থলের কাছেই ছিলেন। ঘটনাটি নিয়ে তিনি ফেসবুকে লিখেছেন:

In a few seconds what I see – the experience is surreal. A man trying to get onto a bus which was moving through the traffic. He slips and the same bus runs him over. He in on the road and raises his hand. I press the brakes of my car. The car behind me hits mine. Vehicles still running like crazy around me. Honking goes on.. I cant get off the car yet.

I get off and run to the man. A bus was approaching us from the left. I pull his hands to save it from being run over… People on the walkway, first look. As I begin to scream for help. They block the road from at least one side. I rush to get water from my car. His lower body was smashed. There was no blood but white mass.. I had never seen human muscle this close.

কয়েক মূহূর্ত মাত্র, আমি যা দেখলাম- যেন এক পরাবাস্তব ব্যাপার। একজন লোক দৌড়ে চলন্ত বাসে উঠতে গিয়ে পা পিছলে নিচে পড়ে গেলেন। বাসটি তার উপর দিয়ে চলে গেল। লোকটি রাস্তায় পড়ে আছে। হাত উঠানোর চেষ্টা করছে। আমি আমার গাড়ির ব্রেক চেপে ধরি। পিছনের গাড়ি আমার গাড়িকে ধাক্কা মারে। অন্যান্য সব গাড়ি পাশ কাটিয়ে দ্রুত চলে গেল। হর্ন বাজছিল… আমি তখনো গাড়ি থেকে নামিনি।

আমি গাড়ি থেকে নেমে দৌড়ে তার কাছে গেলাম। বামদিক থেকে একটি গাড়ি আমাদের দিকে আসছে। আমি দ্রুত তার হাত ধরে টান মেরে বাসের নিচে পড়া থেকে বাঁচলাম। লোকজন ফুটপাত ধরে হাঁটছে। আমি চিৎকার করে তাদের সাহায্য চাই। তারা একদিকে গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দেয়। দৌড়ে গিয়ে আমার গাড়ি থেকে পানি নিয়ে আসি। তার শরীরের নিচের অংশ একদম গুঁড়ো হয়ে গেছে। সেখানে কোনো রক্ত ছিল না। শুধু সাদা মাংসপিণ্ড দেখা যাচ্ছে। আমি এরকম দৃশ্য কখনো দেখিনি।

সাইফ কামাল গুরুতর আহত আরাফাতকে নিজের গাড়িতে তুলে নিয়ে নিকটস্থ তিনটি হাসপাতালে যান। কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ চিকিৎসা দিতে অস্বীকার করে। বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনার খবর জানানোর জন্য ৯১১ এর মতো সার্বজনীন কোনো ফোন নম্বর নেই। আবার দুর্ঘটনায় আক্রান্তদের ১০ শতাংশেরও কম অ্যাম্বুলেন্স সেবার সুযোগ পান।

সাইফ কামাল আরো লিখেছেন:

Dodging the traffic, I rush through as quick I can to Lab Aid in Gulshan 2. They tell me NO. Then I went to Shikder Medical. I asked if there is an emergency. They tell me yes. I park the car. The security takes a look at the man and says ” no we cant serve here, take him to Sahabuddin”. I get to Shahabuddin. I scream for help at the emergency. They get the stretcher. The doctor stands casually at the door waiting for assistants to pull the person out. I lose it and scream at him. He then comes and checks the patient. Who is still alive and gasping. The doctor refuses to serve tells me to take him to Dhaka Medical (government) ASAP. I asked why? “I will give you the money but please help. He will die by the time I get him there. Its heavy traffic”. He refuses!

ট্রাফিক ঠেলে খুব তাড়াতাড়ি গুলশান ২-এর ল্যাব এইড হাসপাতালে চলে আসি। তারা চিকিৎসা দিতে অস্বীকার করে। এরপরে আমি সিকদার মেডিক্যালে যাই। সেখানে জরুরি চিকিৎসার ব্যবস্থা আছে কিনা জানতে চাই। তারা জানায়, আছে। তাদের কথা শুনে আমি গাড়ি পার্ক করি। নিরাপত্তাকর্মী আহত লোকটিকে দেখে আমাকে বলে, তারা চিকিৎসা দিতে পারবে না। তারা আমাকে সাহাবুদ্দিন মেডিক্যালে নিয়ে যেতে পরামর্শ দেয়। আমি সাহাবুদ্দিনে চলে যাই। আমি জরুরি সাহায্যের জন্য চিৎকার করি। তারা স্ট্রেচার নিয়ে চলে আসে। হঠাৎ একজন ডাক্তার এসে দরজায় দাঁড়ান। রোগীর জন্য অপেক্ষা করতে থাকা সহকারীকে টান দিয়ে সরিয়ে নেন। আমি ধৈর্য্য হারিয়ে ফেলি। তার উদ্দেশ্যে চিৎকার করতে থাকি। পরে তিনি আক্রান্ত রোগীর কাছে আসেন। তাকে পরীক্ষা করেন। সে তখনো বেঁচে ছিল, টেনে টেনে নিশ্বাস নিচ্ছিল। এরপর ডাক্তার চিকিৎসা দিতে অস্বীকার করেন এবং দ্রুত ঢাকা মেডিক্যালে নিতে বলেন। আমি তাকে জিজ্ঞেস করি, কেন? যত টাকা লাগে আমি দিব, দয়া করে চিকিৎসা করেন। ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে যেতে যেতে রোগী মারা যেতে পারে। রাস্তায় ব্যাপক জ্যাম।
কিন্তু তিনি চিকিৎসা দিতে অস্বীকৃতি জানান!

এরপর পুলিশের সাহায্য নিয়ে তাকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে সে মারা যান। এরই পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট এর সহায়তায় তিনি হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন।

অনেকেই সাইফ কামালের এই উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন। তার ফেসবুক পোস্টের উত্তরে আফ্রা সুবাহ হাসান লিখেছেন:

So, whom do we claim to be the actual killer? The bus driver? The screwed up traffic system of Bangladesh? The amazing crowd out there who didn't bother to come and help? The doctors whose first and foremost duty is to “serve” their patients? OR US because we the so called educated society can actually work as one team to bring a change, but we are too busy to care?

And the saddest part, events like this are so common here in Bangladesh but a man like Mr.Saif Kamal is too hard to be found.

তাহলে, এখন আমরা কাকে প্রকৃত হত্যাকারী হিসেবে অভিহিত করবো? গাড়ির চালককে? ভয়াবহ ট্রাফিক ব্যবস্থাকে? সেইসব উৎসুক জনতাকে, যারা ভিড় করে দাঁড়িয়ে তামাশা দেখে? সেইসব ডাক্তারদের, যাদের একমাত্র কাজ হলো রোগী’র সেবা করা? না আমাদের নিজেদের? কারণ আমরা তথাকথিত শিক্ষিত সমাজ একযোগে কাজ করে পরিবর্তন আনতে পারি। কিন্তু আমরা এর থোড়াই কেয়ার করি।

দুঃখের কথা হলো, বাংলাদেশে এই ধরনের ঘটনা অহরহ দেখা যায়। তবে সাইফ কামালের মতো একজন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন।

‘আমাদের মূল্যবোধ কোথায়?

মৃত্যুপথযাত্রী রোগীদের চিকিৎসা দিতে না চাওয়ার ঘটনা বাংলাদেশে নতুন নয়। এর আগে সচলায়তনে ব্লগার হিমু “হাসপাতাল কি সংকটাপন্ন রোগীকে ভর্তিতে অস্বীকৃতি জানাতে পারে?” শিরোনামের পোস্টে লিখেছেন:

হাসপাতাল একজন সংকটাপন্ন রোগীকে ভর্তিতে অস্বীকৃতি জানানোর মানে তার মৃত্যুকে ত্বরান্বিত করা। হাসপাতাল কোনো মুদি দোকান নয়, কোনো ফাস্ট ফুডের দোকানও নয় যে কাস্টোমারকে পছন্দ না হলে রাস্তা দেখতে বলবে।

অস্বীকৃতি জানানোর কারণ প্রসঙ্গে শান্ত ওই পোস্টে মন্তব্য করেছেন:

লক্ষ্য করলে দেখা যাবে রোগী ভর্তির ব্যাপারে অস্বীকৃতি জানায় সব প্রাইভেট মেডিক্যাল হাসপাতাল। এখানে বাণিজ্য একটা বড় ইস্যু। যদি কোন রোগী এই হাসপাতালে মারা যায় এবং এই খবরটা সংবাদপত্রে আসে তাহলে হাসপাতার বা ক্লিনিকটির বদনাম রটে যাবে, সেক্ষেত্রে হাসপাতাল বা ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ বেশী সংকটাপন্ন রোগীকে ভর্তি করতে অস্বীকৃতি জানায়।

সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশের বাৎসরিক ক্ষতির পরিমাণ জিডিপি'র ২ শতাংশ বলে অনুমান করা হয়। তাছাড়া দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের চিকিৎসায় জাতীয় স্বাস্থ্য বাজেটের প্রায় ৩০% খরচ হয়ে থাকে।

সচলায়তনের ওই পোস্টে কাদামাটি নামের একজন পাঠক হাসপাতালগুলোর অস্বীকৃতি জানানোর পিছনে পুলিশ কেসের কথা উল্লেখ করেছেন:

মোটর গাড়ীর ধাক্কায় আহত বন্ধুকে নিকটস্থ কোন ক্লিনিকে ভর্তি করাতে পারিনি, পুলিশ কেইসের দোহাই দিয়ে ফেরত পাঠিয়েছে। এ সবের আসলেই আইন থাকা উচিত।

ব্লগার ও চিকিৎসক ওডিন মন্তব্য করেছেন:

নৈতিক দৃষ্টিতে হাসপাতালের এই অস্বীকৃতি জ্ঞাপন মোটেও সমর্থনযোগ্য না। আইনী ব্যপারটা সম্বন্ধে আমার ধারণা নাই, তবে যেইসব ‘হাসপাতাল’ (ক্লিনিক বা নার্সিং হোম না) চব্বিশ ঘন্টা ইমার্জেন্সি সুবিধা দেয়ার কথা বলে তারা এইরকম করলে অবশ্যই আইনত দণ্ডনীয় হয়া উচিত।

জিয়াউর রহমান নামের একজন আইনজীবী ফেসবুকে বাংলাদেশে মানুষের জীবনের দাম বিষয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন:

Saif Kamal raises some critical questions and Bangladesh needs to respond. We need to respond. Where is our value system with so many religious worship places? The desperate condition in the traffic system and human traffic in the roads are scary. [..] The government and the public in general need to address these issues because the scary life that this poor conductor faced may be awaiting you or your dear ones.

সাইফ কামাল কিছু গুরুতর প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন। বাংলাদেশের এগুলোর উত্তর দেয়া দরকার। আমাদের সবার উত্তর দেয়া দরকার। আমাদের এত এত ধর্মীয় স্থাপনা, কিন্তু কোথায় মূল্যবোধ। মরিয়া ট্রাফিক ব্যবস্থা আর মানুষের জটে ভীতিকর অবস্থার তৈরি হয়েছে। সরকার এবং সাধারণ মানুষকে এই পরিস্থিতির মোকাবেলা করতে হবে। কেননা, ভয়ের ব্যাপার হলো, এই পরিবহন শ্রমিকের জীবন নিয়ে যে ছিনিমিনি খেলা হল তা হয়ত আপনার ও আপনার প্রিয় কারো জন্যেও অপেক্ষা করছে।

সঠিক পথে যাত্রার ছোট্ট পদক্ষেপ

সাইফ কামালের মর্মভেদী অভিজ্ঞতার তিন সপ্তাহ পরে ২০১৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালগুলোর গুরুতর আহত রোগীদের জরুরি চিকিৎসাসেবা দিতে অস্বীকার জানানো মৌলিক মানবাধিকারের লংঘন কিনা তা ব্যাখ্যা করতে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে সবার জন্য জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য এবং পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়কে একযোগে কাজ করতে নির্দেশ দিয়েছে।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাক্সিডেন্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউটের তথ্য মতে,বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনার কারণগুলোর অন্যতম হলো রাস্তার বেহাল অবস্থা। দেশের প্রধান সড়কগুলোর মধ্যে ৬০ শতাংশের অবস্থাই খারাপ। তাছাড়া ফিটনেসবিহীন গাড়ি,অদক্ষ চালকের কারণে দুর্ঘটনার ঘটনাগুলো ঘটে থাকে। কথিত আছে, সময় মতো হাসপাতালে পৌঁছতে না পারার কারণে সড়ক দুর্ঘটনায় আক্রান্তদের মধ্যে ৮৫ শতাংশ মারা যান। যদি দ্রুত চিকিৎসাসেবা দেয়া যায়, তাহলে অনেক রোগী রক্ষা পাবেন।

বাংলাদেশের স্বাস্থ্য নীতি অনুযায়ী,“পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যসেবা পাওয়া প্রত্যেক নাগরিকের মৌলিক অধিকার।” স্বাস্থ্য বীমা না থাকা, হাসপাতালের অপ্রতুলতা, ডাক্তারের অভাব, ঔষধপত্র অপর্যাপ্ততা এই মৌলিক অধিকার অর্জনের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। আশা করা যায়, সড়ক দুর্ঘটনায় আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হাইকোর্টের আদেশ প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হবে।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .