বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

এই বইগুলো পড়ার সৌভাগ্য হবে না আপনার, তবে নাতির নাতি-পুতিরা পড়তে পারবে!

Margaret Atwood, right, hands over her transcript for Future Library, a 100-year project by Scottish artist Katie Paterson, left. Credit: Katie Paterson

ছবির ডানের মহিলার নাম মার্গারেট অ্যাটউড। তিনি স্কটল্যান্ডের শিল্পী কেটি পিটারসনের কাছে ভবিষ্যতের পাঠাগার প্রকল্পের পাণ্ডুলিপি হস্তান্তর করছেন। ছবি কৃতজ্ঞতা: কেটি পিটারসন।

পাবলিক রেডিও ইন্টারন্যাশনালের দ্য ওয়ার্ল্ডের জন্য এই লেখা এবং রেডিও প্রতিবেদন তৈরি করেছেন সুসান্নাহ রোবাসন। আর প্রথম প্রকাশিত হয় ২০১৫ সালের ১৬ জুলাই তারিখে। কনটেন্ট শেয়ারিং চুক্তির আওতায় এখানে পুনর্প্রকাশিত হয়েছে।

টাইম ক্যাপসুলের কথা আমরা অনেকেই শুনেছি। তবে এটা সেটার থেকে একটু ভিন্ন। এর নাম দেয়া হয়েছে ভবিষ্যতের পাঠাগার। আর এটা নরওয়ের একটি বনে রূপ নিবে।

সেটা আবার কেমন? কিংবা কিভাবে কাজ করবে? অসলোর নর্ডমার্কা বনের বাইরে হাজারখানেক গাছ লাগানো হয়েছে। এই গাছ থেকে সে কাগজ পাওয়া যাবে, তা দিয়ে একশ’ বছর পরে বই প্রকাশ করা হবে। স্কটল্যান্ডের শিল্পী কেটি পিটারসনের মাথায় প্রথম এই প্রকল্পের ধারনা আসে। একদিন কাগজে হিজিবিজি করতে করতেই এই আইডিয়া পান।

পিটারসন জানান, “একদিন আমি নোটবুকে স্কেচ করছিলাম। সিরিয়াস কোনো কাজ ছিল না। বৃক্ষের একটি বৃত্ত আঁকছিলাম আনমনে। আঁকতে আঁকতেই হঠাৎ খেয়াল করলাম, গাছের বৃত্তের সাথে বইয়ের অধ্যায়ের একটা যোগসূত্র রয়েছে।”

পিটারসনের এই প্রকল্পের সময়সীমা ১০০ বছর। এজন্য তিনি পরিকল্পনা করেছেন, প্রতি বছর একজন করে লেখককে প্রকল্পে অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানাবেন। পুরস্কার বিজয়ী কানাডিয়ান লেখক মার্গারেট অ্যাটউড গত মে মাসে প্রকল্পের জন্য প্রথম পাণ্ডুলিপি জমা দিয়েছেন।

পিটারসন বলেছেন, “আমার হাতে তার একটা লেখা আছে। তবে আমি সেটা পড়তে পারবো না। এমনকি কেউ-ই পড়তে পারবেন না। ভবিষ্যতের এই মুহূর্তটা নিশ্চয় অনেক আকর্ষণীয় হবে। কথা দিচ্ছি, আমি এ ব্যাপারে খুব কঠোর থাকবো। এই বইয়ের কোনো পাতা কখনোই খুলে পড়ে দেখবো না।”

পিটারসন আশা করছেন, তার প্রকল্প ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য শিক্ষনীয় হয়ে থাকবে। তার ধারনা এই বই পুরাকালের অনাবিস্কৃত লেখা পড়ার অভিজ্ঞতা দিবে।

পিটারসন বলেছেন, আমি কল্পনা করছি, প্রতি বছর লেখাগুলো একটি জমাটবাঁধা মুহূর্ত হয়েই থাকবে, তা ২০১৫ হোক কিংবা ২০৫৫। তাই আমি ভাবতে পছন্দ করবো, প্রথম পাঠকই বইয়ের প্রথম পাতা খুলবেন।”

তবে তার জন্য ম্যালা বছর অপেক্ষা করতে হবে, সেই ২১১৪ সাল পর্যন্ত। পিটারসন ইতোমধ্যে প্রকল্পের দ্বিতীয় লেখকের নাম ঘোষণা করেছেন। তিনি হলেন ব্রিটিশ লেখক ডেভিড মিটচেল। এদিকে নরওয়ের সেই বনও বেড়ে উঠছে।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .