বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

ইকুয়েডরে প্রতিবাদের মঞ্চ হিসেবে ব্যবহৃত ইন্টারনেট হুমকিতে

20150611_195854b

ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট রাফায়েল কোরেয়ার বিরুদ্ধে বিক্ষোভের চিত্র। ছবিঃ আলফ্রেডো ভেলাজকো।

এ মাসের শুরুর দিকে সমগ্র ইকুয়েডর জুড়ে বিভিন্ন শহরে জনগণ বিক্ষোভে ফেটে পড়েছে। নতুন উত্তরাধিকার এবং মূলধনী মুনাফা কর আরোপ, সেইসাথে কম তেলের দাম এবং ডলারের মূল্য বৃদ্ধি মোকাবেলায় অন্যান্য অর্থনৈতিক ব্যবস্থার একটি সিরিজ বাস্তবায়ন করতে সরকারের প্রস্তাবনা থেকেই এই বিক্ষোভের সূচনা হয়েছে।

যেহেতু ইকুয়েডরের ১৬ মিলিয়ন বাসিন্দাদের মাঝে শতকরা ৪৬ শতাংশের ইন্টারনেট সুবিধা রয়েছে। তাই সামাজিক নেটওয়ার্কগুলো ব্যবহারের মাধ্যমে নাগরিকদের একত্রিত করে বিক্ষোভ কর্মসূচীগুলোতে বিপুল পরিমাণে তাঁদের অংশগ্রহণ বিশেষভাবে উল্লেখ্য।

দেশের এক মিলিয়ন ব্যবহারকারীর এই টুইটার নেটওয়ার্কে রাষ্ট্রপতি রাফায়েল কোরেয়ার বিরুদ্ধে সর্বাধিক পরিমাণ সমালোচনামূলক হ্যাশট্যাগ কার্যকলাপ সংঘটিত হতে দেখা গেছে।

Captura de pantalla 2015-06-15 a la(s) 15.39.19

বিক্ষোভের সময় অন্তত কুইটো এবং গুয়াকুইলে যারা উপস্থিত ছিলেন তারাও ব্যক্তিগত সেবা প্রদানকারীদের সরবরাহকৃত মোবাইল ইন্টারনেট সেবা পাবার ক্ষেত্রে সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন। মানুষ সমস্যাগুলো লক্ষ্য করেছে এবং বিপুল সংখ্যক ব্যবহারকারীর উপস্থিতি সিগন্যাল জ্যামার ব্যবহারের কারণে নেটওয়ার্কের ভগ্নদশা থেকে শুরু করে সকল সমস্যার ব্যাখ্যা চেয়ে হাজির হয়েছেন। কেননা সিগন্যাল জ্যামার ব্যবহার ইকুয়েডরের আইন অনুযায়ী অবৈধ।

টেলিযোগাযোগ তত্ত্বাবধানের জন্য দায়িত্ব প্রাপ্ত সরকারি সংস্থা আরকোটেল টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার এই ভাঙ্গন সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করেনি।

এই মুহূর্তে লা সিরিসে মোবাইল ফোন সিগন্যাল অনুপস্থিত ?… তারা এখনও এই সেবার বাইরে!

ইকুয়েডর সরকার মোবাইল/ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দিয়েছে।

হংকং বিক্ষোভের সময় যেমন ব্যবহৃত হয়েছে, তেমনভাবে পিয়ার টু পিয়ার এ্যাপগুলো ব্যবহার করা ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে।

গণ সমাবেশের সময়ে মোবাইল ইন্টারনেট সমস্যাগুলো স্বচক্ষে দেখার প্রাক্কালে, সাক্ষী বিরোধীদলীয় সিনেটর আন্দ্রেস পায়েজ ফায়ার চ্যাট অ্যাপ্লিকেশনটি ব্যবহার করার পরামর্শ দেন। এটি এমন একটি মেসেজিং সেবা যা সামাজিক বিক্ষোভ, কনসার্ট বা ফুটবল খেলা এবং এমনকি প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময়ও নিশ্চিতভাবে কাজ করে।

সম্ভাব্য মোবাইল ফোন সিগন্যাল জ্যামারের কথা তারা আমার কাছে উল্লেখ করেছেন। গতকালের প্রতিবাদ স্থলে এটি কাজ করেছে, কিছু … এড়াতে

Posted by Andrés Páez asambleísta on Thursday, June 11, 2015

বিক্ষোভের সময় কিছু মিডিয়া সেবা দিতে অস্বীকার (ডিডুস) করা থেকে শুরু করে তথ্য বিকৃত করার উদ্দেশ্যে জাল অ্যাকাউন্ট সৃষ্টি পর্যন্ত বিভিন্ন প্রকৃতির আক্রমণ নিয়ে নানা প্রতিবেদন প্রচার করেছে।

Captura de pantalla 2015-06-15 a la(s) 13.48.58

আমাদের পাঠকদের উদ্দেশ্যে,

১০ জুন, ২০১৫ তারিখ রোজ বুধবার দুপুরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে একটি নকল প্রোফাইল তৈরি করা হয়। এই প্রোফাইলে এল কোমেরসিও’র নাম, লোগো এবং ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। উল্লেখ্য, এল কোমেরসিও আমাদের বাকস্বাধীনতা এবং মূলত আমাদের মেধাস্বত্ত অধিকার সুরক্ষার উপড় আক্রমণ চালিয়ে এসেছে। আমরা এই কার্যকলাপ সম্পর্কে জানাচ্ছি, যা সন্দেহভাজন “বিরোধীদলীয় সাংবাদিকদের” তালিকাতে অন্তর্ভুক্ত হওয়া আমাদের কয়েকজন সহযোগীর টুইটার এ্যাকাউন্টের সাথে কাকতালীয়ভাবে মিলে গেছে। আমরা আমাদের পাঠকদের প্রহরীদের হাতে ধরা না পড়তে অনুরোধ করছি। আমরা এল কোমেরসিও’তে জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদির উপর স্বাধীন এবং সঠিকভাবে প্রতিবেদন তৈরি করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

প্রতিবাদ কর্মসূচীতে অবস্থান করা লোকজনের মোবাইল ইন্টারনেট সেবাকে প্রভাবিত করার মত কাজ এবং বিরোধীদলকে জনসম্মুখে লজ্জা দিতে সরকারের চালানো বিভিন্ন প্রচারাভিযানের মাঝপথে প্রচার মাধ্যমের উপর আক্রমণ এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে জনমতকে নিজেদের কাজে লাগাতে “দানব কেন্দ্র” স্থাপনের দাবি জানাই।

১৫ জুন তারিখে ইউরোপ সফর থেকে ফেরা এবং প্রতিবাদ কর্মসূচীর বিরুদ্ধে কথা বলার কয়েক ঘন্টা পর কোরেয়া ঘোষণা দিয়েছেন, উত্তরাধিকার ও মূলধনী মুনাফার উপর কর খসড়া আইনগুলো পাস করার কাজ সাময়িকভাবে আটকে রাখা হল। আগামী ৫ থেকে ৮ জুলাই তারিখে পোপ ফ্রান্সিসের সফরকালে সুসম্পর্ক গড়ে তুলতে দেশে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টির প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .