বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

তিউনিসিয়ার সউসে অবকাশযাপন কেন্দ্রে সন্ত্রাসী হামলায় ২৮ জন নিহত

Police reinforcements in Sousse after gunmen killed 28 people, mostly tourists, on a beach. Photo credit: Saber ben Hasen. Shared on Twitter by @subaruplus

সউসে বন্দুকধারীদের গুলিতে ২৮ জন নিহত হওয়ার পর পুলিশি তৎপরতা। নিহতের বেশিরভাগই বিদেশী পর্যটক। এ সময়ে তারা সৈকতে অবস্থান করছিলেন। ছবি সৌজন্যে সাবের বিন হাসান। টুইটারে শেয়ার করেছেন সুবারুপ্লাস

কমপক্ষে ২৮ জন নিহত হয়েছেন। এদের বেশিরভাগই বিদেশী পর্যটক। পর্যটন শহর হিসেবে পরিচিত সউসে বন্দুকধারীরা গোলাগুলি শুরু করলে তারা নিহত হন। শহরটি তিউনিসিয়ার রাজধানী থেকে ১৪০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত।

পর্যটন মন্ত্রণালয়: ২৭ জন মারা গেছে। আহত হয়েছেন ১৮ জন। এদের বেশিরভাগই জার্মানি, বেলজিয়াম, যুক্তরাজ্য, রাশিয়ার নাগরিক।

পুলিশ বন্দুকধারীদের একজনকে হত্যা করেছে। অভিযুক্ত একজনকে আটক করার কথা স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে।

ব্রেকিং নিউজ: সন্ত্রাসী হামলার সাথে জড়িত দ্বিতীয় অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে।

এ নিয়ে চার মাসের কম সময়ের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো বিদেশী পর্যটকদের ওপর আক্রমণের ঘটনা ঘটলো। এর আগে ১৮ মার্চে তিউনিসিয়ার রাজধানী তিউনিসের বার্দো জাদুঘরে সন্ত্রাসীরা আক্রমণ করে ২২ জন পর্যটককে হত্যা করে।

এ বিষয়ে আরো বিস্তারিত সংবাদ জানতে আমাদের গ্লোবাল ভয়েসেস চেকডেস্ক দেখুন: তিউনিসিয়া: সউসের পর্যটকদের হোটেলে সন্ত্রাসী হামলা

তবে এ হামলার দায়দায়িত্ব এখন পর্যন্ত কেউ স্বীকার করেনি। ২০১২ সালে পুলিশ ও সরকারি বাহিনীর ওপর হামলার দায়দায়িত্ব স্বীকার করেছিল ওকবা ইবনে নাফে ব্রিগেড। এরা আল কায়েদা ইন ইসলামিক মাঘরেব (একিউআইএম)-এর সাথে যুক্ত। তাছাড়া মার্চে বার্দো জাদুঘর হামলার দায়দায়িত্ব আইএসআইএস স্বীকার করেছিল।

এটি একটি সমন্বিত আক্রমণ। আক্রমণকারীরা খুব সম্ভবত আইএসআইএস-এর পতাকাধারী। তিন মহাদেশের তিনটি দেশে ফ্রান্স, কুয়েত এবং তিউনিসিয়ায় আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .