বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

বর্ণবাদী সরকারের আমলে নিহত শিক্ষার্থীদের স্মরণ করলো দক্ষিণ আফ্রিকা

A photo of Soweto where the protests began before they spread in other parts of the country. Photo released under Creative Commons by Flickr user Michael Denne.

সোয়েটার সাম্প্রতিক ছবি। এখান থেকেই আন্দোলন শুরু হয়েছিল। পরে তা সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে। ছবি মাইকেল ডেন্নির ফ্লিকার অ্যাকাউন্ট থেকে নেয়া। ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইন্সেসের আওতায় প্রকাশিত।

চলতি সপ্তাহে দক্ষিণ আফ্রিকার নেটিজেনরা টুইটারে ব্যাপকভাবে #আমি৭৬ এবং #জুন১৬ হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করেছেন। ১৯৭৬ সালের ১৬ জুনের সোয়েটো আন্দোলনের স্মরণে এই হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করেন।

The iconic image taken by South African photojournalist Sam Nzima of Antoinette Sithole and Mbuyisa Makhubo carrying and 12-year-old Hector Pieterson  after he was shot by South African police.

দক্ষিণ আফ্রিকার আলোকচিত্রী স্যাম এনজিমা’র তোলা অবিস্মরণীয় ছবি। ১২ বছর বয়সী হেক্টর পাইটারসনকে নিয়ে হাসপাতালের দিকে ছুটছেন অ্যানটোইনেট্টো সিথলা এবং এমবুসিয়া মাখুব। দক্ষিণ আফ্রিকার পুলিশ ছেলেটিকে গুলি করেছে।

ওইদিন সোয়েটোর শিক্ষার্থীরা স্থানীয় স্কুলগুলোতে আফ্রিকান্স ভাষা চালুর প্রতিবাদে আন্দোলনে নেমেছিল। উল্লেখ্য, ১৯৭৪ সালের আফ্রিকান্স মিডিয়াম ডিক্রি’র অংশ হিসেবে কর্তৃপক্ষ স্কুলগুলোতে এই ভাষা প্রবর্তনের উদ্যোগ নেয়।

আন্দোলনের সময়ে বর্ণবাদী সরকারের পুলিশের গুলিতে ৭০০ জনের বেশি শিক্ষার্থী নিহত হয়।

এদিকে ছাত্র হত্যার প্রতিবাদে কৃষ্ণাঙ্গ শ্রমিকরাও রাস্তায় নেমে আসেন। এতে দক্ষিণ আফ্রিকার কৃষ্ণাঙ্গ বসবাসকারী অন্যান্য শহরগুলোতেও দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ে।এ কারণে দেশটির ওপর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।

ওই ঘটনার স্মরণে টুইটারে অনেকেই টুইট করেছেন। এদের একজন হলেন জিম্বাবুয়ের নাগরিক অধিকার কর্মী লেভি কাওয়াতো। তিনি বর্তমানে দক্ষিণ আফ্রিকায় বসবাস করছেন। তিনি জিম্বাবুয়ের কবি ডামবুডজো মারেচেরা’র সোয়েটার আন্দোলন নিয়ে লেখা একটি কবিতা শেয়ার করেছেন:

তাদের অপরাধ হলো: তারা
প্রাণঘাতী বুলেটকে তুচ্ছ ভেবেছিল
এটাই নিপীড়িতের অমর গ্রন্থ
– ডামবুডজো মারেচেরা #আমি৭৬ #তরুণদিবস

এনডিজাভি ডেরেক তরুণদের ক্ষমতায়নের পরামর্শ দিয়ে লিখেছেন:

সরকারের দুগ্ধপোষ্য যুব মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা করে কী লাভ! এর চেয়ে তরুণরা যাতে চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে পারে, সেজন্য তরুণদের জন্য একটি স্বাধীন মন্ত্রণালয় করা ভালো। #আমি৭৬

৭৬-এর তরুণরা স্বাধীনতার জন্য লড়াই করেছেন। আর আজকের তরুণরা খাবার টেবিলে দু’মুঠো খাবার নিশ্চিত করতে সংগ্রাম করে। এটা #আমি৭৬ হতে পারে না।

তরুণদের ক্ষমতায়নের বিষয়ে কিউহুবা গামবি ডিলামিনি লিখেছেন:

সোয়েটো আন্দোলনের ৩৯তম বার্ষিকীতে আমাদের তরুণদের জন্য এমন নীতি করা উচিত, যাতে তারা নিজেদের সমৃদ্ধির শিখরে নিয়ে যেতে পারে।

জেনাইদা মাচাদো একটি মজার কার্টুন শেয়ার করেছেন। কার্টুনে সত্তর দশকের ‘আত্মত্যাগী প্রজন্ম’র সাথে বর্তমানের ‘সেলফি প্রজন্মের’ মধ্যকার পার্থক্য তুলে ধরা হয়েছে:

কার্টুনিস্ট সত্তর দশকের ‘আত্মত্যাগী প্রজন্ম’র সাথে বর্তমানের ‘সেলফি প্রজন্মের’ মধ্যে ব্যবধান তুলে ধরেছেন। #আমি৭৬

স্বাধীনতা পেতে কতোটা ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকানরা তা ভুলেনি। আলেক্স জে লিখেছেন:

১৬/৬/১৯৭৬ সোয়েটো আন্দোলন: ১৭৬ জন মারা গেছেন। আহত হয়েছেন হাজার খানেকের বেশি মানুষ। আমরা স্বাধীনতাকে উদযাপন করবো। তবে যাদের রক্তের বিনিময়ে এটা পাওয়া তাদের ভুলে নয়। #দক্ষিণআফ্রিকারতরুণ২০১৫

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .