বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

চলচ্চিত্রে উঠে এসেছে জাপানের নেট ক্যাফের উদ্বাস্তুদের আবদ্ধ জীবন

internet cafe

““জাপানের অস্থায়ী কর্মী:নেট ক্যাফের উদ্বাস্তু” (২০১৫) নামক ভিডিওর স্ক্রিনশট।

মিডিয়াস্টর্ম এবং পুলিৎজার সেন্টারের সাথে যৌথ ভাবে মিলে শিহো ফুকাদা “জাপানের অস্থায়ী কর্মী” (যাদের অস্থায়ী ভাবে চাকুরীতে নিয়োগ করা হয়, অথবা খুব সহজ শর্তে চাকুরীতে যোগ দেয়- এমন কর্মীরা ডিসপোজাল ওয়ার্কার্স নামে পরিচিত) নামক এক তথ্যচিত্র নির্মাণ করেছেন, যা ইন্টারনেট ক্যাফের বাসিন্দাদের জীবনকে তুলে ধরেছে, নিজস্ব অ্যাপার্টমেন্টে বাস করার মত আয় করার মত সামর্থ্য যাদের নেই।

এক দশক ধরে জাপানে ইন্টারনেট ক্যাফেগুলো তাদের অস্তিত্ব বজায় রেখেছে, কিন্তু এই দশকের মাঝমাঝি সময়ে গ্রাহকেরা এই সমস্ত স্থানগুলোকে বাসগৃহে পরিণত করে। এই তথ্যচিত্র অনুসারে জাপানের বিভিন্ন কর্মীর মাঝে ৩৮ শতাংশ হচ্ছে অস্থায়ী কর্মী, যারা স্থায়ী বেতনভুক্ত কর্মীদের তুলনায় ৫০ শতাংশ কম আয় করে থাকে।

জাপানের বৃহৎ শহরগুলোয় জীবনযাত্রা অনেকক্ষেত্রে ব্যয়বহুল হতে পারে, এবং আধা সরকারি ইন্টারনেট ক্যাফের ছোট কক্ষগুলো, রাস্তায় বাস করার চেয়ে অন্তত খানিকটা বেশী নিরাপত্তা প্রদান করতে সক্ষম।

এই তথ্যচিত্র, জাপানের অস্থায়ী কর্মীদের নিয়ে তৈরী করা ধারাবাহিক কয়েকটি তথ্যচিত্রের একটি, ফটোসাংবাদিক শিহো ফুকাদা তার এই ধারাবাহিক তথ্যচিত্রের মাধ্যমে অস্থায়ী কর্মীদের প্রতিকৃতি নির্মাণ করেছেন।

জাপানের অস্থায়ী কর্মী (জাপানস ডিজপোজাল ওয়ার্কার্স)” হচ্ছে ধারাবাহিক এক তথ্যচিত্র, যেটিতে শ্রমের সমস্যার ধরন আবিস্কারের চেষ্টা করেছে, যা জাপানের তিনটি বিভাগকে আক্রান্ত করেছে, এই তথ্যচিত্রে বিশ্ব জুড়ে চলতে থাকা কর্মক্ষেত্রে ব্যাপক যে শ্রম সঙ্কট তৈরী হয়েছে তা অঙ্কন করা হয়েছে।

ফুকাদারা কাজের ভিত্তিতে তৈরী করা ধারাবাহিক এই তথ্যচিত্রের আগের পর্ব গুলো হচ্ছে “কাজের চাপে আত্মহনন” (ওভারওয়ার্ক টু সুইসাইড) এবং “আবর্জনা কেন্দ্র” (ডাম্পিং গ্রাউন্ড)।

“কাজের চাপে আত্মহনন” নামক তথ্যচিত্রে ৯০-এর দশকে জাপানে শুরু হওয়া অর্থনৈতিক মন্দার পর দেশটিতে যে সৃষ্ট কাজের পরিবেশ তুলে ধরা হয়েছে, যখন থেকে হোয়াইট কালার বা বুদ্ধিবৃত্তিক ও বেতনভুক্ত স্থায়ী কর্মচারীদের যারা চাকুরী হারানোর ভয়ে অনেক বেশী সময় ধরে কাজ করতে হয়, যার ফলে দেশটিতে হতাশা এবং আত্মহত্যার হার বেড়ে গেছে।

আবর্জনা কেন্দ্র” নামক তথ্যচিত্র ওসাকার কামাগাসাকি নামক এক এলাকার কাহিনী তুলে ধরছে, যা প্রতিষ্ঠিত এক দিনমজুরদের এলাকা, যেখানে প্রায় ২৫,০০০ বেকার এবং বয়স্ক নাগরিক বাস, যাদের অনেকে আবার গৃহহীন।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .