বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

ভারতের উদ্যানের শহরকে এক আবর্জনার স্তূপে পরিণত হতে দেখতে নাগরিকরা অনিচ্ছুক

A truck dumps solid waste at Okhla Landfill in New Delhi, India. Photo by Anil kumar Shakya. Copyright Demotix (5/6/2014)

ভারতের নতুন দিল্লি শহরের ওকহালা নামক ময়লা ফেলার স্থানে একটি ট্রাক শক্ত ধরনের আবর্জনা ফেলছে। ছবি অনিল কুমার শায়কাইয়া-এর। কপিরাইট ডেমোটিক্সের (৫/৬/২০১৪)

ভারতের উদ্যানের শহর নামে পরিচিত ব্যাঙ্গালোর আবর্জনা সঙ্কটের মত এক জটিলতার মুখে পড়েছে যা যথেষ্ট নাটকীয় ভাবে আর্বজনার মাঝ দিয়ে শহর পরিভ্রমণ নিশ্চিত করে। এই শহরে প্রতিদিন প্রায় ৪০০ টন আর্বজনা উৎপন্ন হয়, যার সবগুলো আবদ্ধ এক ময়লা ফেলার রাখার জায়গায় স্তুপ করে রাখা হয়, বিশেষ করে বেশিরভাগ আবর্জনা আলাদা না করে, সেগুলোকে বর্জ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্রে পাঠানো হয়

ব্যাঙ্গালোর মিউনিসিপাল করপোরেশনকে (বিবিএমপি) শহরের বাইরে আবর্জনা নিয়ে যাওয়া এবং সেগুলোকে স্তুপ করে রাখার মত এক সমস্যার মোকাবেলা করতে হচ্ছে। তবে ময়লার স্তুপের কাছে অবস্থিত গ্রামগুলোয় যখন থেকে এই সব বর্জ্য ফেলা শুরু হয় তখন থেকে সে সব গ্রাম এই সকল বর্জ্য থেকে নির্গত বিষাক্ত উপাদানের দ্বারা পানি,বায়ু এবং মাটিকে আক্রান্ত করে সেগুলোর গুণগত মান ক্ষুণ্ণ হওয়ার মত সমস্যা তৈরী করছে।এই সমস্যা এতটাই তীব্র আকার ধারণ করেছে যে একদা শ্যামল হিসেবে পরিচিত গ্রাম মাদুরাই সেই সমস্ত ট্র্যাকের আগমন আটকে দিচ্ছে যেগুলোতে করে আবর্জনা আনা হচ্ছে এবং এবং গ্রামবাসীরা নিকটস্থ আবর্জনা স্তুপ সরানোর দাবী জানাচ্ছে

Screenshot from the 2bin1bag Facebook page

২বিন১ব্যাগ (দুটি আবর্জনার পাত্র একটি ব্যাগ) নামক ফেসবুকের পাতা থেকে নেওয়া স্ক্রিনশট।

এর একটি সমাধান হচ্ছে সমস্ত মূল আবর্জনার উপাদান থেকে বিভিন্ন ধরনের বর্জ্যগুলোকে পৃথক করে ফেলা, যাতে সেগুলোকে জৈব সার বানানোর কাজে কিংবা রিসাইকেল করা অথবা একেবারে ময়লার স্তূপে ফেলার জন্য পাঠানো যেতে পারে। এই প্রেক্ষাপটে, এক নাগরিক অ্যাডভোকেসি গ্রুপ ২বিন১ব্যাগ (টুবিনওয়ানব্যাগ) নামের এক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, যেখানে গৃহের বাসিন্দাদের বর্জ্যের বিভিন্ন উপাদানকে আলাদা করার শিক্ষা প্রদান করা হয়।

বেলান্দার বাজের মতে:

এর জন্য যা প্রয়োজন তা হচ্ছে দুটি দুই রঙের আবর্জনার পাত্র : লাল প্লাস্টিকের পাত্রে থাকবে সেই ধরনের বর্জ্য, যাকে আর কাজে লাগানো যাবে না, আর সবুজটাতে থাকবে সেই ধরনের বর্জ্য যা পরিশোধিত করে পুনরায় ব্যবহার করা যাবে।

মূল উপাদান থেকে তিনটি ধাপে বর্জ্যের উপাদান পৃথক করা বিষয়টি দেখিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এই মডেল ভারতের সকল শহরে অনুকরণ করতে পারে।

স্বল্পদৈর্ঘ্যের এই ভিডিও এই ধারণার বিষয়ে ব্যাখ্যা প্রদান করছে:

বিভিন্ন ক্ষেত্রে থেকে আসা একদল ছাত্র যৌথভাবে একটি দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করেছে, এক গেম নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বর্জ্য ব্যবস্থাপনার খুঁটিনাটি নিয়ে আলোচনা এবং বিষয়টি উপলব্ধির জন্য একটি বিস্তারিত গেম তৈরী করেছে

ব্যাঙ্গালোর-এর বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সমস্যা ছিল বেশ বড় আকারের এবং এটি ছিল বেশ জটিল এক সমস্যা, কিন্তু যখন নাগরিকরা এই সমস্যা মোকাবেলায় এগিয়ে এসেছে, তখন হয়ত খুব দ্রুত এই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .