বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

জাপানের রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা অধ্যাদেশ মত প্রকাশের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে কি অর্থ বহন করে?

Screenshot courtesy Shingetsu News

স্ক্রিনশট শিনগেৎসু সংবাদের সৌজন্যে পাওয়া।

বুধবার, ১০ ডিসেম্বরে জাপানের বিতর্কিত রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা অধ্যাদেশ, আইনে পরিণত হয়। রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা অধ্যাদেশ-এর কারণে “রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা” ফাঁস করে দেওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অপরাধের শাস্তি প্রদানের হার বাড়িয়ে দেবে।

এই নতুন আইনের অধীনে, যারা তথ্য ফাঁস করে দেবে যা রাষ্ট্রের গোপন বিষয় হিসেবে চিহ্নিত তাদের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ দশ বছর, আর যারা এই কাজে সহযোগিতা করবে তাদের সর্বোচ্চ পাঁচ বছর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। সমালোচকেরা শঙ্কিত যে এই নীতি সাংবাদিক এবং পর্যবেক্ষক সংগঠনগুলোকে হুমকি প্রদান করার উদ্দেশ্য করা, যা এক শীতল প্রভাব তৈরী করবে যা তাদেরকে তাদের কাজ করা থেকে বিরত রাখতে পারে। গত বছর সুশীল সমাজের সংগঠন এবং সাংবাদিকদের দলের প্রদর্শিত এক ব্যাপক গণ বিক্ষোভে টোকিও উত্তাল হয়ে ওঠে, যারা এই আইনের প্রচণ্ড বিরোধিতা করছে।

এসএনএ জাপানকে প্রদান করা এক সাক্ষাৎকারে, জাপানের মেইজি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক লরেন্স রেপেতা কিছু মানবাধিকার প্রয়োগে নতুন এই আইনের বিষয়টি ব্যাখ্যা করেন:

গোপন হিসেবে চিহ্নিত কোন তথ্য যদি কোন সরকারী কর্মকর্তা কিংবা যে কেউ তা ফাঁস করে কিংবা তাহলে নতুন এই আইনে তার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা রয়েছে, এসএনএ জাপানকে প্রদান করা সাক্ষাৎকারে রেপেতা এ কথা জানান। তিনি ভবিষ্যদ্বাণী করেন যে “নিঃসন্দেহে যে কোন সরকারি কর্মকর্তার ক্ষেত্রে এর প্রভাব পড়বে যখন সরকারের কোন কার্যক্রম বা নীতি নিয়ে কথা বলার সময় তার সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে”?

রেপেতা একই সাথে ব্যাখ্যা করে যে এই আইন আওয়াজ তোলা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নয়। অন্য কথায়, যদি কোন কর্মকর্তা জনতার মঙ্গলের জন্য, সরকারী কোন নেতৃস্থানীয় ব্যক্তির অবৈধ কার্যকলাপ অথবা ক্ষমতার অপব্যবহারের নির্দশন ফাঁস করে দেয়, তাহলে সে আর বিশেষ সুরক্ষা লাভের যোগ্য থাকবে না।

আইন বিষয়ে এক উল্লেখযোগ্য পণ্ডিত ব্যক্তি যিনি তথ্যে প্রবেশাধিকার, রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা, এবং বাক স্বাধীনতার প্রেক্ষাপটে জাপানের আইন ব্যবস্থা নিয়ে নিবিড় ভাবে লিখেছেন, সেই লরেন্স রেপেতা জাপানের রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা আইন-২০১৩ বিশ্লেষণ করেছেন যা ইংরেজীতে পাঠ করা যাবে এখানে

1 টি মন্তব্য

আলোচনায় যোগ দিন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .