বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

আর্জেন্টিনার শহর নারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতা প্রতিরোধ প্রচারণায় স্কুল ব্লগসমুহকে পুরস্কৃত করেছে

An image from one of the Argentinan blogs to receive an award. Decilenoalaviolencia2014.blogspot.com.

আর্জেন্টিনার শহর নারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতা প্রতিরোধ প্রচারণায় স্কুল ব্লগসমুহকে পুরস্কৃত করেছে।সিলেনোয়ালাভায়েন্সিয়া২০১৪ ব্লগস্পস্ট.কম।

আর্জেন্টিনা ২০০৯ সালে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করে, যখন দেশটি ২৬৪৮৫ নাম্বার আইন কার্যকর করে, যে আইনের লক্ষ্য “নারীর প্রতি সহিংসতার ক্ষেত্রে প্রতিরোধ গড়া, শাস্তি প্রদান করা এবং এই বিষয়টির নির্মূল ঘটানো”। এরপর থেকে, বিগত পাঁচ বছরে লিঙ্গ-ভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য উৎসর্গকৃত অনেকগুলো সংগঠনের জন্ম হয়েছে। এই সকল অগ্রগতি সত্ত্বেও আর্জেন্টিনায় নারী নির্যাতন ক্রমশ বাড়ছে। ২০১৩ সালে আর্জেন্টিনায় ২৯৫টি নারী হত্যার ঘটনা ঘটেছে-২০১২ সালের তথ্যের সাথে তুলনা করলে দেখা যাচ্ছে এর ১৬ শতাংশ বৃদ্ধি ঘটেছে।

নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে রোজারিওর নগর পরিষদ যা করতে পারে,পরপর তিন বছরের মত তারা সেটি করে আসছে, তারা এক গণ সচেতনতা মূলক প্রচারণা চালু করেছে,যেখানে লিঙ্গ ভিত্তিক সহিংসতা নিয়ে আলোচনা করার ভিত্তিতে সেরা ব্লগসমূহকে পুরস্কার প্রদান করা হয়। এ বছর সেরা ব্লগের পুরস্কার লাভ করেছে “মাধ্যমিক শিক্ষা প্রদানকারী স্কুল (ইইএসও) নং ৫৭২”। এই স্কুলের এক ভিডিওতে ‘কি ভাবে নির্যাতনকারী ছেলেবন্ধুকে চিহ্নিত করতে হবে’ তার কৌশল প্রদান করা হয়েছে:

একই স্কুলের অন্য এক ভিডিওতে গুইদো রোলদান ২৬৪৮৫ নাম্বার আইনের বিস্তারিত সারাংশ তুলে ধরেছে:

সান মার্টিন ডে পোরেস নং ৩১৪৩ তার ব্লগের জন্য দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে, যার শিরোনাম, “নারী নির্যাতনকে না বলুন” (ডেসিলে নো এ লা ভায়োলেন্সিয়া ডে জেনেরো)। এই ব্লগের একটি পোস্টে বেশ কয়েকটি নারী নির্যাতনের ঘটনার উপর নজর প্রদান করা হয় যেগুলো সম্প্রতি আর্জেন্টিনায় ঘটেছে। ওয়ান্ডা তাডেয়ির ঘটনা এখানে উদ্ধৃত করা হয়েছে,২০১০ সালে যাকে তার স্বামী আগুনে পুড়িয়ে মারে। এই মামলা বিশেষ মনোযোগ আকর্ষণ করে কারণ ওয়ান্ডার স্বামীর আইনজীবীর দাবী করেছিল যে “প্রচণ্ড মানসিক অবস্থায়” সে এই অপরাধ করেছে, যার ভিত্তিতে আদালত উক্ত ব্যক্তির অপরাধ মওকুফ করে দেয়। আসামীকে খুনের দায় থেকে অব্যহতি ও পরবর্তীতে এই ঘটনার উৎসাহে একই ধরনের এক অপরাধ ঘটার কারণে এই মামলা প্রচারণায় উঠে আসে।

তবে শুধু টাডেই-এর আত্মীয়দের করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তার স্বামীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়, কিন্তু এই ঘটনার পর আর্জেন্টিনা জুড়ে একই ধরনের অপরাধ সংঘঠিত হতে থাকে।

Y el más reciente, el caso de  “Wanda Taddei” en 2010, cuyo crimen derivó en una condena “ejemplar” de prisión perpetua para su esposo, Eduardo Vázquez, ex baterista del grupo Callejeros, de parte de la Cámara Federal de Casación Penal después de varias apelaciones por parte de la familia de la víctima. A partir de ese homicidio fueron registrados más de 50 casos similares, bajo la modalidad de violencia de género incendiaria.

অতি সাম্প্রতিক ঘটনা হচ্ছে ২০১০ সালে ওয়ান্ডা টাডেই-এর ঘটনা, যা ওয়ান্ডার পরিবারের করার বেশ কয়েকটি আবেদনের পর ফেডারেল ক্রিমিনাল ক্যাশাশন চেম্বার নামক আদালত তার স্বামী কালেজেরো নামক ব্যান্ডের প্রাক্তন ড্রামবাদক এ্যাদুয়ার্দো ভাজকুয়েজকে “উদাহরণ স্বরূপ” যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করে। কিন্তু এই হত্যাকাণ্ডের পর আদালতে নারীকে পুড়িয়ে মারার ৫০টির বেশী মামলা দায়ের করা হয়।

জেসাস ডে নাজারাথ ২০৪৬ নং স্কুল, উপরের ব্লগের সাথে দ্বিতীয় পুরস্কার ভাগ করে নিয়েছে। তাদের ব্লগে এই স্কুল লিঙ্গ-ভিত্তিক সহিংসতার সত্যিকারের কাহিনী তুলে ধরেছে।

এই পুরস্কার বিতরণীর শুরুতে রোজারিও সিটি কাউন্সিলের ভাইস প্রেসিডেন্ট নরমা লোপেজ বলেন:

Esta es una actividad muy querida por nosotros porque vemos el trabajo y el esfuerzo que ponen cada una de las escuelas y la forma en que se organizan, así como el interés que aportan para que nos percatemos que somos iguales, porque de eso se trata cuando hablamos de la violencia contra las mujeres.

আমরা একে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কর্মকাণ্ড বলে অভিহিত করছি, কারণ প্রতিটি স্কুল যে পরিশ্রম এবং প্রচেষ্টা এতে বিনিয়োগ করেছে আমরা তা দেখতে পাচ্ছি। আমরা সেই সংগঠন কে দেখতে পাচ্ছি যারা এর ভেতর দিয়ে গেছে। নারীর প্রতি সহিংসতা নিয়ে যখন আমরা কথা বলি, তখন যে বিষয়টি সবার আগে স্মরণ রাখতে হবে, সেই সমতার বিষয়ে সচেতনতা ছড়িয়ে দিতে ছাত্রছাত্রীদের আগ্রহের বিষয়টিও আমরা দেখেছি।

এই বিষয়ে আরো লেখার জন্য গৃহে এবং বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের সহিংসতার সমাপ্তির ১৬ দিন নামক বিশেষ সংবাদের পাতায় প্রবেশ করুন।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .