বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

ডিজিটাল মিডিয়ার মাধ্যমে ইয়েকুয়ানা আদিবাসী সম্প্রদায়ের ভাষাকে পুনরুজ্জীবিত করা

রাইজিং ভয়েসেস অনুদান প্রাপ্ত প্রকল্পের তাজা সংবাদ।

Saúl López (Kuyujani) realizando registro documental de asamblea de estudiantes en la Universidad Indígena de Venezuela.

ভেনেজুয়েলার ইন্ডিজেনাস ইউনিভার্সিটিতে সোউল লোপেজ (কুইয়ুজানি) এক ছাত্র সমাবেশের ভিডিও ধারণ করছে

ভেনেজুয়েলায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আদিবাসী রয়েছে যাদের নিজস্ব সংস্কৃতি রয়েছে, আর তাদের অনেকে এখনো নিজস্ব ভাষায় কথা বলে।তবে সংস্কৃতিক অভিযোজন প্রক্রিয়া, এই সকল সম্প্রদায়ের পূর্ব পুরুষের সূক্ষ্ম মৌখিক সংস্কৃতিকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিয়েছে। রাইজিং ভয়েসেস এবং সাথে এর সহযোগী সংগঠনের সমর্থনে সামাজিক-সাংস্কৃতিক একদল ম্যানেজার আগ্রহ তৈরী করে এমন কিছু প্রকল্পের উন্নয়ন ঘটাচ্ছে।এর উদ্দেশ্য হচ্ছে ডিজিটাল মিডিয়া এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে (আই সিটিএস) কিছু আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মৌখিক ঐতিহ্যের পুনরুজ্জীবন ঘটানো।

এর উদ্দেশ্য ভিডিওতে ডিজিটাল কন্টেন্ট, টেক্সট, মেসেজ, ফরম্যাট–তৈরীর জন্য জায়গা বানানো, যা হয়ত ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাহিনী, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান (নাচ, শিল্প, উৎসব), সম্প্রদায়ের জীবন এবং বয়োজ্যেষ্ঠদের সাক্ষাৎকার এসব তালিকাবদ্ধ করবে, যা একটা সময়ে হয়ত এখনকার প্রতিটি ক্ষুদ্র জাতিগত দলের তরুণ সদস্য,এবং সবচেয়ে জনপ্রিয় স্যোশাল নেটওয়ার্ক ব্যবহারকারীদের জন্য প্রয়োজনীয় হয়ে উঠতে পারে, তারা তা তুলে ধরতে পারে এবং তাদের পূর্বপুরুষেরা যা রেখে বিশ্বের কাছে তা তুলে ধরতে পারে। ওই সকল উদ্যোগকে ধন্যবাদ, সম্প্রতি মাপোইয়ো সংস্কৃতির ভাষাকে ইউনেস্কো মানবতার সংস্কৃতির ক্ষেত্রে এক ঐতিহ্য হিসেবে ঘোষণা প্রদান করেছে।

জাট্টা ওয়াট্টানো সম্প্রদায়, যারা মাকিরিতারে ভাষাকে তাদের যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করে, সেখানে প্রথম প্রকল্পটি চালু করা হয়, যা কাউরা নদীর তীরে ইয়েকুয়ানা আদিবাসী তরুণদের নিয়ে কাজ করে। তাদের উদ্দেশ্য ছিল সম্প্রদায়ের মাঝে “এটনোকমিউনিকেটর” বা জাতিগত যোগাযোগের জন্য সদস্য গঠন করা, যারা সংবাদপত্র এবং আইসিটির সহযোগিতায় তাদের পূর্ব পুরুষদের রেখে যাওয়া সাংস্কৃতিক সম্পদ সংরক্ষণে আগ্রহী হয়ে উঠবে। সম্প্রদায়ের মাঝে এই সকল উপাদানের আগমন অনিবার্য এবং ক্রমশ ইন্টারনেট সংযোগ, ডিজিটাল স্যাটেলাইট টিভি এবং এম এবং এফএম রেডিও স্টেশনের মাঝে নিজেদের জায়গা করে নেবে। বোকা ডে নিনচারে হচ্ছে তথ্যের উপকেন্দ্রে অবস্থিত। এখানে ১৫ জন তরুণ প্রচার মাধ্যম নিয়ে তাদের ভাবনার ক্ষেত্রে একটা জায়গা তৈরী জন্য প্রতি মাসে একত্রিত হয় এবং একই সময়ে তারা তাদের সংস্কৃতি সম্পর্কিত কন্টেন্ট তৈরী করে। আগামী জানুয়ারি মাসে ছাত্রদের দ্বারা তৈরী ব্লগ এবং এই প্রকল্প সাথে সম্পর্কিত তাদের স্যোশাল নেটওয়ার্ক (ফেসবুক, টুইটার) দেখতে যেতে সমর্থ হব।

মূলত সাউল লোপেজ এই উদ্যোগকে সবার সামনে তুলে ধরেছে ( যার মাতৃভাষা কুয়ুজানি), যিনি যোগাযোগ এবং প্রযুক্তির বিষয়ে তার আগ্রহের কারণে উদ্বুদ্ধ, এ কারণে তিনি এই সমস্ত টুলস বা উপাদান বিশেষ করে ভিডিও ও চলচ্চিত্রের মাধ্যমে, তার প্রধান আগ্রহের ক্ষেত্র সংস্কৃতি সংরক্ষণের জন্য কৌতূহলজনক কৌশল খুঁজে বের করেন, কুইয়ুজানি আমাদের বলছে:

Las nuevas generaciones de indígenas yekuanas tenemos que saber interactuar con el mundo criollo, con respeto y sentido de pertenencia, en los espacios que nos ofrece la interculturalidad. Para ello los medios pueden ser de mucha ayuda pues nos sirven como canales para la comunicación con el otro y al mismo tiempo revitaliza nuestra cultura.

আমরা, ইয়েকুয়ানা আদিবাসী সম্প্রদায়ের তরুণ প্রজন্মকে জানতে হবে ক্রিয়ল বা মিশ্র বিশ্বে কি ভাবে পারস্পরিক সম্পর্ক তৈরী করতে হবে, শ্রদ্ধার সাথে এবং তার মাঝে অবস্থানের অনুভূতি দিয়ে, এমন এক স্থানে যেখানে আন্তসংস্কৃতি উপস্থাপন করা হয়। এখানে প্রচার মাধ্যমে অনেক প্রয়োজনীয় উপাদান হতে পারে, যেহেতু এগুলো একে অন্যের সাথে যোগাযোগের মাধ্যম এবং একই সাথে আমাদের সংস্কৃতিকে নবজীবন দান করে।

সাউল লোপেজ বর্তমানে জাট্টা ওয়াট্টানোর প্রকল্প পরিচালক, এবং ইন্ডিজেনাস ইউনিভার্সিটি অফ ভেনেজুয়েলার সিনিয়র থিসিস প্রস্তুত করছেন যার শিরোনাম: “ইয়েকুয়ানার মৌখিক সংস্কৃতিতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির (আইসিটি) প্রভাব, বলিভার রাজ্যে, আপার এরাবাটোর জাট্টা ওয়াট্টনো সম্প্রদায়ের মাঝে পরিচালনা করা কেস স্টাডি”।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .