বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

রাশিয়ার সর্ববৃহৎ স্যোশাল নেটওয়ার্ক সাইট তরুণদের মাঝে যে কোন ওয়েবসাইট অথবা টিভি চ্যানেলের চেয়েও জনপ্রিয়

Vkontakte's popularity on the rise. Images edited by Kevin Rothrock.

ভিকোনটাকটের জনপ্রিয়তা ক্রমশ বাড়ছে। ছবি সম্পাদনা করেছেন কেভিন রুথরক

রাশিয়ার সবচেয়ে বড় অনলাইন সোশ্যাল নেটওয়ার্ক একটি ওয়েবসাইট যা ভিকোনটাকটে নামে পরিচিত ( “সংস্পর্শে থাকুন”) যা ক্রমশ আরো বড় হচ্ছে। ঘটনা হচ্ছে, ভিকোনটাকটে এত জনপ্রিয় হয়েছে যে ১২ থেকে ৩৪ বছর বয়স্ক দর্শকদের মাঝে এর জনপ্রিয়তা রাশিয়ার যে কোন টিভি চ্যানেলকে ছাড়িয়ে গেছে, নতুন এক গবেষণায় এই তথ্যটি উঠে এসেছে ।

সেপ্টেম্বরে সংগৃহিত তথ্য অনুসারে, তরুণদের মাঝে ভিকোনটাকটে প্রবেশ করার বিষয়টি আকাশ ছুঁয়েছে, যেখানে এখন প্রতিদিন নাগরিক প্রবেশের পরিমাণ ২২ লক্ষ। এই বয়স ভিত্তিক দলে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ইয়ান্ডেক্স যা প্রতিদিন ২১ লক্ষ দর্শকের মনোযোগ আকর্ষণ করে, আর তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে গুগল.রু ( গুগুল রাশিয়া,যেখানে প্রতিদিন প্রায় ১৭ লক্ষ নাগরিক প্রবেশ করে), আর তালিকায় চতুর্থ স্থানে রয়েছে মেইল.রু (যেখানে প্রতিদিন ১৪ লক্ষ নাগরিক প্রবেশ করে), যেখানে রাশিয়ার সবচেয়ে জনপ্রিয় টিভি চ্যানেল টিএনটি, গড়ে প্রতিদিন যার দর্শক ১৩ লক্ষ। এমনকি রোশিইয়া -১ এবং এনটিভি নামক টিভি চ্যানেলের এই বিশেষ বয়স শ্রেণীর দর্শক সংখ্যা ১০ লাখেরও নীচে।

মেইল.রু (ভিকোনটাকটে-এর সহযোগী সাইট)-এর প্রধান কর্মকর্তা নির্বাহী দিমিত্রি সের্গেইয়েভ, বলছেন মোবাইল ফোনের জনপ্রিয়তার বাড়তে থাকার কারণে ওয়েবসাইটগুলো এত সফলতা লাভ করছে।

Люди проводят время ВКонтакте, даже когда смотрят телевизор. Особенно это заметно в городах-миллионниках, прежде всего в Москве и Петербурге, но постепенно тенденция охватывает всю страну.

এমনকি টিভি দেখার সময়ও দর্শকরা ভিকোনটাকটে প্রবেশ করে থাকে। আমরা মস্কো এবং সেন্ট-পিটার্সবুর্গ–এর মত শহরে এই ঘটনা ঘটতে দেখছি,যেখান লক্ষ লক্ষ নাগরিকের বাস, তবে এখন এই ধারা সারা দেশে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে।

ভিকোনটাকটের জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকার বিষয়টি ধারণা দিচ্ছে যে রাশিয়ার তরুণদের টেলিভিশনের দেখানো সংবাদের প্রতি বিশ্বাস কম, যেখানে সরকার তথ্য প্রবাহের উপর আরো বড় ধরনের নিয়ন্ত্রণ আরোপের বিষয়টির অনুশীলন করে থাকে। সংবাদের বিষয়ে দেশটির তরুণরা এর বদলে তুলনামূলক কম নিমন্ত্রিত ইন্টারনেটের উপর বেশী নির্ভরশীল। তবে, রুশ সরকারে প্রিয় জরিপকারী প্রতিষ্ঠান এফওএম দ্বারা জুন ২০১৪-এ পরিচালিত এক ত্রুটিপূর্ণ গবেষণায় দেখা গেছে ৮৭ শতাংশ রুশ নাগরিক টিভি থেকে প্রাপ্ত সংবাদ পেয়ে থাকেন, যদিও স্যোশাল নেটওয়ার্কে নাগরিকদের প্রবেশের সংখ্যা টিভির দর্শকের চেয়ে ঢের বেশী, দৃশ্যত যার কারণ ভিডিও গেমস, ভিডিও এবং অন্য সব বিভিন্ন ধরনের বিনোদন।

যদি বিনোদনের বদলে তথ্য প্রদানে বেশী সময় ব্যায় করা হয়, তাহলে সরকারি নিয়ন্ত্রণহীন সংবাদ প্রদানে স্যোশাল নেটওয়ার্কে বিশাল পরিমাণ নাগরিকের প্রবেশ রাশিয়া কি আরো ভাল ভাবে কাজে লাগাতে পারবে? খুব জরুরী নয়, এমনকি ভিকোনটাকটের বেলায় বলা যায়, রাশিয়ার গণমাধ্যমে সরকারি নিয়ন্ত্রণ জোরালো করার ক্ষেত্রে একে পাল্টা এক শক্তি হিসেবে সরকার এক ব্যবহার করে, যার মালিক রুশ কোটিপতি আলিশের উসমানভ, যিনি দ্বিধাহীন ভাবে পুতিনের প্রতি বিশ্বস্ত।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .