বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

সামরিক জান্তা সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছে বলে অভিযোগ জানালেন থাই শিক্ষার্থী সক্রিয় কর্মী

nattanan

থাইল্যান্ডে ক্ষমতাসীন জান্তা সরকার স্বাধীনভাবে সমাবেশ করা এবং বাকস্বাধীনতার উপর বৃহত্তর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এর সাথে সাথে সরকার আরও কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করছে বলে সক্রিয় কর্মী শিক্ষার্থীরা আওয়াজ তুলেছেন। তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর বিভিন্ন সুবিধা ব্যবহার করে সারা বিশ্বের সাথে যোগাযোগ করছেন।

জান্তা সরকার দেশটির শিক্ষা ব্যবস্থার উপর কয়েকটি নতুন আইন আরোপ করেছে। এই আইনানুযায়ী শিক্ষাঙ্গনে মত বিরোধ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। “১২টি মূল্যবোধ” মুখস্ত করতে বলা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের বশ্যতা স্বীকার করা এবং “সঠিক গণতন্ত্রের” প্রতি বেশি গুরুত্ব আরোপ করে এই গুরুত্বপূর্ণ বিবৃতিগুলো তৈরি করা হয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রা সম্পর্কে ইতিহাস পাঠ্যপুস্তকে উল্লেখিত সকল কিছু অপসারণ করারও প্রয়োজন বোধ করেছে সরকার।

১৭ বছর বয়সী নাট্টানান ওয়ারিনারাওয়েট “শ্যাম দেশের স্বাধীনতার জন্য শিক্ষা” নামক একটি গ্রুপের মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করছেন। থাই শিক্ষা পাঠ্যসূচীতে “১২টি মূল্যবোধ” বাধ্যতামূলকভাবে বাস্তবায়নের বিরুদ্ধে যখন থেকে তিনি আওয়াজ তুলেছেন, তখন থেকেই তাকে জানান হয়েছে সামরিক জান্তা সরকার তার শিক্ষকদের মাধ্যমে তার গতিবিধি এবং কার্যকলাপ পর্যবেক্ষণ করছে। যথেষ্ট ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও ওয়ারিনারাওয়েট তার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে গ্লোবাল ভয়েসেসের অনলাইন লেখকদের সাথে কথা বলেছেন

তিনি বলেছেন, “আমি বিশ্বাস করতে পারছি না যে আমি যা কিছু করছি তা সামরিক জান্তা পর্যবেক্ষণ করছে। আমি শুধুমাত্র আমার মতামত প্রকাশ করছি এবং ১২ টি মূল্যবোধ সম্পর্কে আমার প্রতিবাদ শেয়ার করছি।”

এই মুহূর্তে জান্তা শাসনতন্ত্রে যে কোন কিছু ঘটে যেতে পারে। তবু আমি আশা করি এবং মনে করি এটি আমার জীবনে একটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এ সরকারের অধীনে আমি নিজেকে যথেষ্ট ক্ষমতাপ্রাপ্ত মনে করছি। এমনকি আমি মনে করি আমার মতো একটি মেয়েও ব্যাপক পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারে। আমি উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে বাকস্বাধীনতার পক্ষে যুদ্ধ করছি। কেননা আমি সচেতনভাবে বুঝতে পারছি এই মুহূর্তে তা আমাদের জন্য কতোটা গুরুত্বপূর্ণ।

তার দেয়া সাক্ষাৎকারের বাকি অংশটুকু নিচে দেখতে পাবেনঃ

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .