বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

ছবিতে দেখুনঃ ঈদুল আযহা উদযাপনে ধ্বংস স্তুপ থেকে জেগে ওঠা গাজাকে

  • Palestinians in Gaza celebrate Eid Al Adha under the hashtags #GazaEid and #غزة_بدها_تعيد (meaning, Gaza wants to celebrate Eid). This photograph shared by the Palestinian Information Center shows children in a busy shopping street marketing the hashtag yesterday

    গাজার ফিলিস্তিনি নাগরিকরা #গাজাঈদ এবং # غزة_بدها_تعيد (যার অর্থ হচ্ছে গাজা ঈদ উদযাপন করতে চায়) নামক হ্যাশট্যাগের মাধ্যমে ঈদ–উল আযহা উদযাপন করেছে। প্যালেস্টাইন ইনফরমেশন সেন্টার প্রদর্শিত এই ছবিতে দেখা যাচ্ছে যে ঈদের আগের দিন শিশুরা কেনাকাটার এক ব্যস্ত রাস্তায় হ্যাশট্যাগ মার্কেটিং করছে।

    গাজায় সম্প্রতি চালানো ইজরায়েলি হামলায় প্রায় ২,০০০ ফিলিস্তিনি নাগরিক নিহত হওয়ার পরেও গাজার নাগরিকরা এখনো ইসলামের অন্যতম উৎসব ঈদুল আযহা স্মরণীয় করে রাখার কারণ খুঁজে পেয়েছে, যে উৎসব সারা মুসলিম বিশ্বে অনুষ্ঠিত হয়।

    ঈদুল আযহা অথবা ত্যাগের উৎসব অনুষ্ঠিত হয় হজ্ব মৌসুমে, যাতে এ বছর সারা বিশ্ব থেকে ২০ লক্ষ মুসলমান অংশ নিয়েছিল।

    গাজায়, ইট পাথরের স্তুপ, ধ্বংসলীলা এবং জীবনহানির মাঝেও আশা জেগে রয়েছে। টুইটার ব্যবহারকারীরা ব্যস্ত রাস্তা এবং বাজারের ছবি ছড়িয়ে দিতে শুরু করে এবং #গাজাঈদ এবং #غزة_بدها_تعيد ( গাজা ঈদ উৎসব উদযাপন) করতে চায় নামক হ্যাশট্যাগের মাধ্যমে ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দিতে শুরু কর।

    ৫০ দিন ধরে চলা হামলা, যা অন্তত ২,১৩৭ জন ফিলিস্তিনি নাগরিকের জীবন হরণ করেছে, আর তার মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ সাধারণ নাগরিক, যার মধ্যে ৫৭৭ জন শিশু এবং এই হামলায় অন্তত ১০,৮৭০ জন নাগরিক আহত হয়েছে, যা হয়ত গাজার উপরিকাঠামো ধ্বংস করে দিয়েছে কিন্তু সাধারণ নাগরিকদের মানসিক শক্তির উপর আঘাত হানতে ব্যর্থ হয়েছে, যার ঈদ উদযাপনের জন্য ধ্বংস স্তুপ থেকে বেরিয়ে এসেছে।

    এই হামলা গাজার অর্থনীতিতে এক উল্লেখযোগ্য প্রভাব রেখেছে, তার ফলে এমন কোন সাধারণ নাগরিক নেই যাদের ঘরবাড়ি অক্ষত রয়েছেঃ গাজায় প্রায় ১৮০০ হাজারের বেশী বাড়ি, তার সাথে ১০০-এর মত স্কুল, ৫০টি স্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং ১৭টি হাসপাতাল ক্ষতিগ্রস্থ অথবা ২০টি হাসপাতাল ধ্বংস হয়ে গেছে।

    টুইটার ব্যবহারকারী সানা মুহাম্মদ এক কিশোরের ছবি প্রদর্শন করেছে যে কিশোর ধ্বংস হয়ে যাওয়া এক খেলার মাঠে খেলছে:

    গাজার ঈদ একেবারে আলাদা।

    এই গতকাল, সিটিজেন ফটোগ্রাফার ওমর এলকাত্তা কোরবানীর পশু বহন করা এক ব্যক্তির ছবি তুলেছে:

    ফিলিস্তিনি এক নাগরিক, সে তার সাথে কোরবানীর এক ছাগল নিয়ে যাচ্ছে, যা ঈদুল আযহার আগে ক্রয় করেছে।

    গাজা থেকে সায়েল ঈদের প্রস্তুতির এক কোলাজ ছবি পোস্ট করেছে:

    আজ সকালে তোলা এক ছবিতে গাজায় ঈদের প্রস্তুতি।

    এই সপ্তাহের শুরুতে গাজার ব্যাস্ত বাজারের আরো কিছু ছবি নীচে প্রদর্শন করা হল যা হাসান মুস্তাফার তোলা:

    গত মাসে ইজরায়েল সৃষ্ট ধ্বংসের পর গাজা আনন্দের ঈদের জন্য প্রস্তুত, গাজা জীবনকে ধারণ করার যোগ্য।

    এবং অবশ্যই, ঈদের চেতন সবসময় দৃঢ় হয় ঐতিহ্যবাহী ঘরে তৈরী মা’মোএল-এর দ্বারা (খেজুরের তৈরি পিঠে):

    ঈদের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ চলছে।

    গাজা থেকে হিবা বলছে, বেদনা সত্ত্বেও শিশুরা ঈদ পালন করছে:

    বেদনা সত্ত্বেও গাজার শিশুরা ঈদ উদযাপন করছে।

    গাজার বাজারের আরো কিছু ছবি, যেখানে সবার মানসিক অবস্থা এখন অনেক চাঙ্গা:

    গাজা ঈদ উদযাপন করতে চায়।

    নুসেইবা উল্লেখ করেছে যে বিগত মাসগুলোতে অজস্র ত্যাগ এবং ক্ষতি (জীবন হানি ) সত্ত্বেও শহরটি ঈদ উদযাপন করতে চায়:

    এই বছর ত্যাগের এই উৎসব গাজায় অনেক দ্রুত এসেছে, যে তার সন্তান এবং সম্পত্তি উৎসর্গ করেছে। এই সকল কিছু সত্ত্বেও, গাজা ঈদ উদযাপন করতে চায়।

    নুয়েসেবার সাথে ফারাহ এবং অন্য সব টুইটার ব্যবহারকারী যোগ দিয়েছে, যখন গত বছরের ঈদ কেমন ছিল তা উল্লেখ করার জন্য, উল্লেখ্য গত বছর ঈদের সময়ও গাজায় ইজরায়েলি হামলা চলছিল:

    যুদ্ধের কারণে গাজা বিগত ঈদুল ফিতর উদযাপন করতে পারেনি, কাজে আমরা এবার দ্বিগুণ উদযাপন করব।

    আর ঘটনা হচ্ছে তারা তা করেছে:

    জনাব, আমরা জীবন শিক্ষা দেই

  • আলোচনা শুরু করুন

    লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

    নীতিমালা

    • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .