বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

লেবাননে এক আইভরিয়ান মহিলাকে সাত তলা থেকে ধাক্কা

আইভরি কোস্ট ভিত্তিক অনলাইন সংবাদ মাধ্যম কোয়াসি ডট কম জানিয়েছে, একটি এ্যাপার্টমেন্টের সাত তলা থেকে একজন আইভরিয়ান তরুণীকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়ার ফলে তার মৃত্যু হয়। সন্দেহ করা হচ্ছে, এ্যাপার্টমেন্টটিতে তিনি বেতন ভিত্তিক গৃহকর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। হয়তোবা তাঁর গৃহকর্তার সাথে বেতন পরিশোধ সংক্রান্ত কোন দ্বন্দ্ব ছিল।

ক্যারোলে ফেবি সংবাদ মাধ্যম কোয়াসি ডট কমে [ফ্রেঞ্চ] জানিয়েছেনঃ 

Une jeune Ivoirienne est morte Rechercher morte après avoir été poussée du 6ème étage d’un immeuble par son patron pour lui avoir réclamé son salaire à Beyrouth au Liban.
Les faits ont été rapportés à koaci.com par un jeune camerounais, après les révélations de sa sœur voisine de la victime.
Une jeune fille d’une vingtaine d’années de nationalité ivoirienne a été retrouvée morte en bas de son immeuble.
Selon la voisine de la jeune infortunée dont le nom n’a pas été révélé, la fille aurait été poussée du 6ème étage d’un immeuble à Asharfir, un quartier de la ville de Beyrouth au Liban, le mardi 1er Juillet par son patron.
Elle lui réclamait son salaire et l’homme qui a été manifestement contrarié par cette requête, l’aurait poussée sous l’effet de la colère.
Cette jeune expatriée aurait quitté la Côte d’Ivoire depuis des années pour aller travailler en tant que servante au Liban, comme beaucoup de jeunes Ivoiriennes.
Les histoires plus ou moins dramatiques d'Ivoiriennes travaillant au Liban sont malheureusement légions.
Il y a quelques mois, après une révélation de koaci.com un groupe d'africaines avait été rapatrié du Liban après avoir réussi à échapper à leurs patrons qui leurs faisaient subir des sévices corporels et moraux.

২০ বছর বয়সী একজন আইভরিয়ান তরুণীকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। বিবরণ অনুযায়ী, লেবাননের বৈরুতে একটি দালানের সাত তলার একটি এ্যাপার্টমেন্টে সে বেতন দাবি করতে গেলে তাকে সেখান থেকে ধাক্কা দেয়া হয়। নিচে পরার পর তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।  

ক্যামেরুনিয়ান একজন তরুণী এই ঘটনা সম্পর্কে কোয়াসি ডট কমকে রিপোর্ট করেন। তাঁর বোন মৃত তরুণীটির প্রতিবেশী। বোনের কাছ থেকে এই ঘটনা সম্পর্কে জানতে পেরে তিনি কোয়াসি ডট কমের কাছে রিপোর্ট করেছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সেই প্রতিবেশী জানিয়েছেন, ১ জুলাই রোজ মঙ্গলবারে আশারফিরে অবস্থিত একটি দালানের সপ্তম তলা থেকে তরুণীটিকে ফেলে দেয়া হয়েছে। উল্লেখ্যঃ তিনি হয়তোবা আশারফির বলতে আশরাফিয়াহ জায়গাটিকে বুঝিয়েছেন। এটি লেবাননের বৈরুত শহরের একটি নিকটবর্তী এলাকা।

তরুণীটি তাঁর প্রাপ্য বেতন চাইছিল, কিন্তু লোকটি তা পরিশোধ করতে অস্বীকৃতি জানায়। এতে করে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে সে রাগের বশে তরুণীটিকে সাত তলার উপর থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়।

বিবরণ অনুসারে, তরুণীটি কয়েক বছর আগে আইভরি কোস্ট ছেড়ে লেবাননে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতে আসে। আইভরিইয়ান তরুণীদের ক্ষেত্রে দেশ ছেড়ে কাজের সন্ধানে আসাটা খুব সাধারণ বিষয়।

দুঃখ জনক হলেও লেবাননে প্রায়ই এ ধরনের ঘটনা ঘটতে দেখা যায়। কোয়াসি ডট কম কয়েক মাস আগে প্রকাশ করেছে, এক দল আফ্রিকান মহিলাকে এখানে প্রচন্ড নির্যাতন করা হয়েছে। তাদেরকে অবশ্য পরে লেবানন থেকে নিজ নিজ দেশে প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা করা গেছে।  

লেবানন এবং অন্যান্য আরব দেশগুলো, যেখানে কাফালা বা “অন্য দেশ থেকে কাজের জন্য লোক ভাড়া করে আনার” ব্যবস্থা আছে, সেসব দেশে দুঃখজনক হলেও এই ঘটনাগুলো মাঝে মাঝেই ঘটে থাকে। লেবানন নিয়ে করা তাদের ২০১৪ সালের রিপোর্টে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ যেমনটি ব্যাখ্যা করেছেঃ 

অভিবাসী গৃহকর্মীদের শ্রম আইনের বাইরে রাখা হয়েছে। তাদেরকে নির্দিষ্ট নিয়োগ কর্তার স্পন্সরশিপ ভিত্তিক অভিবাসন আইন তথা কাফালা ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণাধীন করা হয়েছে। এই ব্যবস্থার অধীনে অভিবাসী গৃহকর্মীরা প্রতিনিয়ত শোষণ এবং বঞ্চনার ঝুঁকিতে পড়ছেন। বিদায়ী শ্রম মন্ত্রী শারবেল নাহহাস ২০১২ সালের জানুয়ারি মাসে ঘোষণা দিয়েছিলেন যে তিনি কাফালা ব্যবস্থাটি বাদ দেয়ার ব্যবস্থা করবেন। কিন্তু ২০১৩ সালে নিয়োগ প্রাপ্ত নতুন শ্রম মন্ত্রী সালিম জ্রেইসসাতি কাফালা ব্যবস্থা তুলে নিতে ব্যর্থ হন। হিসাব অনুযায়ী দেশটিতে ২ লক্ষ অভিবাসী গৃহকর্মী কর্মরত আছেন। তিনি এই বিপুল সংখ্যক কর্মীকে সুরক্ষা দিতে কোন প্রকার আইন প্রণয়ন করতেও ব্যর্থ হন। একটি ফৌজদারি আদালত জুলাই মাসে একজন নিয়োগকর্ত্রীকে দুই মাসের কারাদণ্ডে দন্ডিত করেন, তাকে জরিমানা করেন এবং সেই গৃহকর্মীকে তাঁর ক্ষতি পূরণ দিতে বাধ্য করেন। আর কয়েক বছর ধরে তাকে বেতন পরিশোধ না করা অর্থ এবং ক্ষতিপূরণ সহ একসাথে পরিশোধ করতে বাধ্য করেন। তবে এখনও অভিবাসী গৃহকর্মীরা তাদের নিয়োগকর্তা বা নিয়োগকর্ত্রীর বিরুদ্ধে নির্যাতনের মামলা করছেন। তবে এসব ক্ষেত্রে তাদেরকে বৈধ কিছু বাঁধা অতিক্রম করতে হচ্ছে। তাদের কারাবরণের ঝুঁকি নিতে হচ্ছে। এমনকি ভিসা ব্যবস্থার কঠোরতার জন্য তাদেরকে নির্বাসনে যাওয়ার ঝুঁকিও নিতে হচ্ছে।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .