বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

বিশ্বকাপে ব্রাজিলের বিপক্ষে অবিশ্বাস্য মেক্সিকোর গোলরক্ষক অচোয়া

Ochoa

সম্পূর্ণ অ্যাকশনে মেক্সিকান গোলরক্ষক গুলেরমো অচোয়া। ছবিটি পোস্ট করেছেন টুইটার ব্যবহারকারী @futbolperu.com.

শূন্য-শূন্য গোলের ড্র দিয়ে শেষ হওয়া ব্রাজিল-মেক্সিকো বিশ্বকাপ ম্যাচের নায়ক মেক্সিকান গোলরক্ষক গুলেরমো অচোয়া, যিনি ব্রাজিলিয়ান খেলোয়াড়দের একাধিক  অসাধারণ আক্রমণ রুখে দিয়ে তার জাতীয় দলের পরাজয় এড়াতে সহায়তা করেছেন। ম্যাচটি গোল শূন্য ড্র দিয়ে শেষ হয়।  

ম্যাচটিতে দু দলের কেউই গোলের দেখা না পেলেও, খেলাটি ছিল খুবই উত্তেজনাকর। স্প্যানিশ ভাষার ওয়েবসাইট আপুন্টেস ডা ফুটবল লিখেছে, “ব্রাজিলিয়ানরা তাঁদের আক্রমণ থামিয়ে দেয়নি, যদিও প্রতিমুহূর্তে তাঁরা অবিশ্বাস্য অচোয়ার কাছে পরাজিত হয়েছে, যিনি ​​নির্ভয়ে ও পরম আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে প্রতিপক্ষের আক্রমণের বিরুদ্ধে একটি প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন।”

এই টুইট থেকে পাওয়া একটি ছবি সেই মুহূর্তকে দেখাচ্ছে যখন ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার নেইমারের একটি শক্তিশালী হেড শট অচোয়া ফিরিয়ে দিচ্ছেন:

নেইমারের একটি হেড শট রুখে দিচ্ছেন মেমো অচোয়া।  

তার অসাধারণ খেলা সেই মুহূর্ত থেকে সামাজিক মিডিয়াতে বিভিন্ন পোস্টকে অনুপ্রানিত করেছে।  

এটা এমনকি গুলেরমো অচোয়ার সেরা খেলা ছিল না – দেখুন গত আগস্টে সে কিভাবে পিএসজি’র সাথে খেলেছিল। 

অক্টোপাস অচোয়া। ভার্সন ২। 

আজ, অচোয়া যেন ম্যাট্রিক্স দেখতে পাচ্ছিলেন। তিনি সবকিছু অবরুদ্ধ করে দিচ্ছিলেন।  

একটি টুইটে মেক্সিকান গোলরক্ষককে অসাধারণ মোহনীয় ভঙ্গিতে দেখা যাচ্ছে:

অচোয়া…… মহানায়ক। 

লাইফবক্সের এই পোস্টে খেলাটি সম্পর্কে আরো মেমে একবার দেখে নিন। এদিকে, খেলা সম্পর্কিত অনেক হ্যাশট্যাগের মধ্যে #গ্রাসিয়াসঅচোয়া (ধন্যবাদ ওচোয়া) হ্যাশট্যাগটি মেক্সিকোতে এই মুহূর্তে খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

কলম্বিয়া থেকে আলফ্রেডো ক্যারেনো তাঁর সকার ক্যাপসুল (ক্যাপসুল ফুটবল) ব্লগে ব্রাজিলিয়ান দলের খেলোয়াড়দের কর্মক্ষমতা সম্পর্কে লিখেছেন:

Fiado todo a Neymar sin demasiado, la ‘canarinha’ acabó sufriendo ante Chicharito, Guardado y compañía mientras el ‘canta y no llores resonaba entre una confundida ‘torcida’ brasileña. Primera lección que tiene que aprender un Neymar que se pasó de emociones en la previa y se apagó más de la cuenta en el momento de la verdad.

অনুজ্জ্বল নেইমারের উপর সম্পূর্ণভাবে নির্ভরতার কারণে ‘কানারিনহা’রা [হলুদ জার্সির জন্য ব্রাজিল দল এই নামে পরিচিত] যখন চিচারিতো, গুয়ারডাডো এবং কো’দের বিপক্ষে লড়াই করতে যথেষ্ট ভুগেছিল, তখন একজন বিভ্রান্ত ব্রাজিলিয়ান ‘টোরকিডো’ [ব্রাজিলের ভক্তদের এই নামে ডাকা হয়] ‘গান গাঁও, কেঁদো না’ [জনপ্রিয় মেক্সিকান লোক গানের কথা] গানটি গাইছিলেন। সেটি ছিল প্রথমত নেইমারের জন্য একটি শিক্ষা, যে খেলা শুরুর পূর্বেই মাত্রাতিরিক্ত আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিল এবং প্রকৃত মুহূর্তে ঠিক ভাবে জ্বলে উঠতে পারেনি। 

অনলাইনে জনপ্রিয় হয়ে ওঠা স্টেডিয়ামে একজন মেক্সিকান মহিলার আরেকটি দৃশ্য:

অচোয়ার প্রতিটি গোল বাঁচানোর পর আমাদের অভিব্যক্তি……… 

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .