বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

শুধু গুগল করবেন? চীনে সম্ভব নয়, কারণ গুগল ব্লক রয়েছে

XXPLEASE INSERT TRANSLATION HEREXX. Image via Kgen Bao on Twitter.

বামপাশের পাখি: আমি এখান থেকে বের হতে চাই। ডানপাশের পাখি: তোমরা নাটক করছো। এখানে আমাদের খাবার ও পানি আছে। এই চিত্রটি চীনে গুগল বন্ধের প্রতিক্রিয়া হিসেবে একজন নেটিজেনের বানানো। ছবি: টুইটারে কেগেন বাও

প্রায় তিন সপ্তাহ হতে চললো চীনে গুগল নিষিদ্ধ এবং অনেকে ধারণা করছেন তা আরও দীর্ঘদিন চলতে পারে। 

তিয়েনমেন স্কয়ার গণহত্যার বার্ষিকী, ৪ জুন এর ঠিক আগে দিয়ে গুগল সার্চ, জিমেইল এবং ইন্টাররনেট সেবাদানকারী এই প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য সুবিধাদি গত ৩০ মে থেকে ব্যবহার করা যাচ্ছে না।  ১৯৮৯ সালের ৪ জুন তিয়েনমেন স্কয়ারে চৈনিক সৈন্যরা নিরস্ত্র গণতন্ত্রকামী প্রতিবাদকারীদের ওপর হামলা করে কয়েক'শ থেকে প্রায় কয়েক হাজার মানুষকে হত্যা করে। দেশটির সেন্সর এ বিষয়ে আলোচনাসমূহের ওপর কড়া নজর রাখছে এবং কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে। 

গুগল নিশ্চিত করেছে যে তারা কোনকিছু ব্লক করেনি, এবং তাদের দিক থেকে কোন প্রযুক্তিগত সমস্যা সৃষ্টি হয়নি। প্রতিষ্ঠানটি অনুসন্ধানের ফলাফলের ওপর নিজে থেকে সেন্সর আরোপ করা চালিয়ে যেতে অস্বীকৃতি জানানো পর ২০১০ সালে চীনের মূল ভূ-খণ্ড থেকে হংকং-এ তাদের সার্ভার সরিয়ে নেয়।

চীনা ওয়েব ব্যবহারকারীরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছেন ব্লকটাকে কাটানোর। এক্ষেত্রে চীনের মূল ভূ-খণ্ড থেকে গুগলে প্রবেশ করতে ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক (ভিপিএন) ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়ছে। আরেকটি জনপ্রিয় উপায় হচ্ছে গুগল মিরর সাইট, যেখানে একটি বাক্য জুড়ে দেওয়া হয়েছে, “সংগ্রাম ছাড়া, কোন স্বাধীনতা আসে না।” গুগলের লোগো'র সাথে।  ওয়েবসাইটটি ব্যবহারকারীদেরকে টুইটারের মত সাইট-সিনা ওয়েইবো এবং মোবাইল বার্তা অ্যাপ ইউচ্যাটে প্রতিবাদ করার জন্যে  আহ্বান জানিয়েছে:

GFW(中国国家防火长城)屏蔽了所有谷歌(Google)的服务,包括对科研至关重要的Google学术。如果你认为这是不可接受的,请将本页面转发到微博,微信。 在2013年初,GFW封锁了Github(代码分享网站)后,大量程序员在微博和工信部投诉,最后GFW被迫解封。没有抗争就没有自由!请大家转发此页面给GFW施压!

জিএফডাব্লিউ (গ্রেট ফায়ারওয়াল) গুগলের সকল সেবা বন্ধ করে দিয়েছে যার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞান এবং গবেষণার একাডেমিক তথ্য আছে। আপনি যদি মনে করেন যে এই অবস্থা গ্রহণযোগ্য নয়, তাহলে দয়া করে এই বার্তাটি ওয়েইবো এবং ইউচ্যাটে রিপোস্ট করুন। ২০১৩ সালের শুরুতে, জিএফডাব্লিউ গিটহাব [হোস্টিং সেবা] ব্লক করেছিল, অনেক প্রোগ্রামার এর অভিযোগ করেছিল ওয়েইবোতে এবং শেষে জিএফডাব্লিউ ব্লক অপসারণ করতে বাধ্য হয়েছিল। সংগ্রাম ছাড়া, কোন স্বাধীনতা আসে না। দয়া করে এই বার্তাটি রিপোস্ট করুন এবং জিএফডাব্লিউ এর ওপর চাপ সৃষ্টি করুন। 

ওয়েবসাইটটির মতে, প্রতিদিন প্রায় ১০০,০০০ দর্শনার্থী ওয়েবসাইটটিতে আসে। ফ্রিওয়েইবো ডট কম ওয়েবসাইটটি সিনা ওয়েইবো সাইটে যেসব ওয়েইবো অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধ করা হয়েছে সেগুলোকে সেন্সরমুক্ত হিসেবে ব্যবহার করতে দিচ্ছে, “গুগল” এবং “সংগ্রাম ছাড়া, কোন স্বাধীনতা আসে না।” উভয়ই সেন্সর করা হচ্ছে।  . 

সেন্সর বিষয়ে নজরদারি করা ওয়েবসাইট গ্রেটফায়ার ডট অর্গের একজন প্রতিষ্ঠাতা ইমেইলের মাধ্যমে গ্লোবাল টাইমসকে বলেন যে গুগলের সকল সেবার ওপর এই নিষেধাজ্ঞা চীনের মূল ভূ-খণ্ডের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ:

Google products are critical for users in high-tech industry, especially programmers. Such effects might not be immediate, but over the long-term, the Chinese technology sector will lag behind if the block is permanent.

গুগলের সেবাসমূহ হাই-টেক শিল্পের ব্যবহারকারীদের, বিশেষ করে প্রোগ্রামারদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর প্রভাব হয়তো সাথে সাথে বোঝা যাবে না, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে চীনা প্রযুক্তি খাত পিছিয়ে যাবে যদি নিষেধাজ্ঞা স্থায়ী হয়।

অনেক শিক্ষাবিদ চিন্তিত  গুগল স্কলারের মত একাডেমিক সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার না করতে পারার কারণে। “চেন সি'কো“, একজন ওয়েইবো ব্যবহারকারী লিখেছেন:

个人对政府停止Google的全面服务表示遗憾,我是一个经常用Google做专业文献查询和检索的人,没有Google等于全中国专业人员通往世界的门户被关闭。

আমি গুগলের সকল সেবা বন্ধের সরকারী সিদ্ধান্তে খুবই হতাশ, আমি সাধারণত গুগল ব্যবহার করে থাকি আমার গবেষণা কাজের কাগজপত্র খোঁজার জন্য, সুতরাং গুগলের ওপর নিষেধাজ্ঞার মানে হচ্ছে চীনের সব পেশাদারদের বাকি দুনিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখা।

তার পোস্টটি পরে মুছে ফেলা হয় এবং তা এখন কেবলমাত্র ফ্রিওয়েইবো ডট কমে দেখা যাচ্ছে। 

ঝান জিয়াং, একজন প্রফেসর বলেন গুগল নিষিদ্ধ করার ফলে তার শিক্ষাদান প্রক্রিয়ার ওপর প্রভাব পড়েছে, কেননাএকাডেমিক উপকরণসমূহ এখন ডাউনলোড করা সম্ভব হচ্ছে না। তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন যে, এই নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের মধ্যে সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে সৃষ্ট উত্তেজনা প্রশমিত না হওয়া পর্যন্ত চলতে পারে। 

কিন্তু সমস্যাটা শুধুমাত্র একাডেমিকদের জন্য নয়, ওয়েইবো ব্যবহারকারী “ওয়াং রান” ব্যাখ্যা করেন:

屏蔽google, 被伤害的首先是中国人的利益。

গুগলকে নিষিদ্ধ করা প্রথমত চীনাদের স্বার্থকেই ক্ষতিগ্রস্থ করে। 

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .