বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

স্পর্ধার সাথে হিজাব ত্যাগ করছেন ইরানি নারীরা

নারীদের প্রতি সরকারের বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে সমগ্র ইরান জুড়ে নারী সক্রিয় কর্মীরা স্পর্ধার সাথে তাদের হিজাব ত্যাগ করছেন। “آزادیهاییواشکیزناندرایران” অথবা “ইরানি নারীদের গোপনীয় স্বাধীনতা” শিরোনামে দুইটি ভিন্ন  ভাষায় প্রচারাভিযান শুরু করার মাত্র দুই মাসের মাথায় ইতোমধ্যে প্রায় ৩ লক্ষ ২০ হাজার সমর্থক প্রচারাভিযানটির প্রতি তাদের সমর্থন জানিয়েছেন। প্রচারাভিযানটিতে সমগ্র ইরানের নারীদেরকে তাদের হিজাব খুলে ফেলার আহ্বান জানান হয়েছে। এমন আচরণের জন্য তাদেরকে ইরানের ৬৩৮ নম্বর ধারা অনুযায়ী হয়তোবা মারাত্মক পাল্টা প্রতিক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হবে। ইরানের ৬৩৮ নম্বর ধারায় বলা হয়েছেঃ “কোন মহিলা ইসলামিক হিজাব পরিধান না করে প্রকাশ্যে কোন স্থানে এবং রাস্তায় বের হলে তাকে শাস্তি স্বরূপ ন্যূন্যতম দশ দিন থেকে সর্বোচ্চ দুই মাসের কারাদন্ডে দন্ডিত করা হবে, অন্যথায় ন্যূন্যতম পাঁচ শত রিয়াল থেকে সর্বোচ্চ পঞ্চাশ হাজার রিয়াল জরিমানা পরিশোধ করতে হবে।”

কেউ কেউ ছবিতে তাদের চেহারা লুকিয়ে রেখেছেন আবার কেউবা চেহারা দেখাতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেছেন।
গোপনীয় স্বাধীনতা পাতায় শেয়ার করা এই ভিডিওটিতে একজন মহিলাকে মাথায় হিজাব না পরে তাঁর বাড়ি থেকে হেঁটে কাছের একটি ব্যাংকে যেতে দেখা গেছেঃ

 

তিনি ব্যাখ্যা করেছেনঃ

আমার স্বামী আমার এই ভিডিওটি ধারণ করেছেন। এতে দেখা যাচ্ছে, আমি আমার বাড়ির দরজা থেকে হেটে খুব কাছে অবস্থিত মেল্লাত ব্যাংকে যাচ্ছি। আমাকে দেখে লোকজনের প্রতিক্রিয়া ছিল দারুন। দেখা যাচ্ছে, মহিলাটি যে লোকের সাথে হাঁটছিল সে মহিলাটির হাত চেপে ধরল। এরপর তারা তাদের রাস্তার দিক বদলে ফেলল। আপনি খুব অল্প সময়ের জন্যই ভিডিওতে তাদের দেখতে পাবেন। এরপর দেখবেন, একজন দোকানদার জিজ্ঞাসা করছেন যে তারা কোন স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেলের জন্য এই ভিডিওটি ধারণ করছেন কিনা। ভিডিওটির শেষদিকে আমার স্বামীকে সেই দোকানদারের সাথে কথা বলতে দেখা যাচ্ছে। শেষের দৃশ্যটি ভিডিওটিকে কিছুটা কম গোপনীয় বলে প্রমাণ করেছে।

নারীদের এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার আরও কয়েকটি উদাহরণ এখানে দেখা যাবে–মরুভূমিতে, সমুদ্র তীরে, কোন লেকের ধারে এবং একটি রেল স্টেশনে।

 

 

 

 

 

নাসরিন সতৌদেহ একজন মানবাধিকার আইনজীবী। তিনি সরকারি মহিলা উকিলের পক্ষে, নারী অধিকার এবং সাধারণ কারাবন্দীদের অধিকার নিয়ে আইনী লড়াই চালানোর জন্য ৩ বছর কারারুদ্ধ ছিলেন। গোপনীয় কোন উপায় অবলম্বন করে স্বাধীনতা দাবি করার এই ধারণা সম্পর্কে নাসরিন সতৌদেহ কিছুটা ভিন্ন কথা (সম্পূর্ণ বার্তাটি পেতে ক্লিক করুন) বলেছেনঃ

 

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .