বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

ইথিওপিয়াঃ জোন নাইন ব্লগারদের সম্পর্কে তদন্তের জন্য আরও সময় চাইল পুলিশ

ইথিওপিয়ার ব্লগার আতনাফ বেরাহানে, জেলালেম কিবরেত এবং নাতনায়েল ফেলেকে (জোন নাইন ব্লগিং জোটের সকল সদস্য) এবং সাংবাদিক আসমামাও হাইলেজর্জিস, তেসফালেম ওয়ালদিয়েস ও ইদম কাসায়েকে গত ২৫শে এপ্রিল আদ্দিস আবাবা আদালতে হাজির করা হয়েছে। ২৫ এপ্রিল তারিখে গ্রেপ্তারের পর এই প্রথম তাদের আদালতে হাজির করা হল। এই দিন একটি সংক্ষিপ্ত শুনানিতে তাদের ব্যাপারে তদন্তের জন্য পুলিশ আদালতের কাছে আরও সময় প্রার্থনা করেছে। 

Scene outside Addis Ababa court. Photo published with permission.

আদ্দিস আবাবার একটি আদালতের বাইরে আটককৃত জেলালেম এবং তেস্ফালেম। ছবিটি অনুমতি নিয়ে প্রকাশিত।   

তাদের আইনজীবীর মতে, গ্রেপ্তার করা সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে একটি বিদেশী এনজিও’র কাছ থেকে সহযোগীতা নেয়া প্রসঙ্গে আনা অভিযোগের মুখোমুখি হতে হবে। এর পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধে “সহিংসতা উস্কে দিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে ব্যবহার করার” অভিযোগও আনা হবে।

ব্লগার বেফেকাদু হাইলু, আবেল ওয়াবেলা এবং মাহলেট ফানতাহুন সহ ছয়জন নারী এবং পুরুষকে এপ্রিল মাসের শেষে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা জোন নাইন গ্রুপেরও সদস্য। গ্রেপ্তারের পর থেকে এখন পর্যন্ত তারা কারাবন্দী অবস্থায় আছেন। এদের সবাই ইথিওপিয়ার রাজনৈতিক এবং সামাজিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে প্রভাব বিস্তারকারী বিভিন্ন লেখা লিখেছেন। তারা রাজনৈতিক বিতর্ক এবং অনলাইন প্রতিবাদের আয়োজন করতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। 

বিভিন্ন দেশের কূটনীতিবিদ এবং অন্যান্যরা শুনানিতে উপস্থিত থাকার অনেক চেষ্টা করা সত্ত্বেও সাধারণ মানুষকে শুনানিতে উপস্থিত থাকতে দেয়া হচ্ছে না। গ্লোবাল ভয়েসেস সম্প্রদায়ের বন্ধুরা যারা সেখানে উপস্থিত ছিলেন তাদের মতে, আদালত ভবনের বাইরে অপেক্ষমাণ লোকজনকে বন্দীদের সাথে কথা বলতে নিষেধ করা হয়েছে। আদালতের বাইরে অপেক্ষমাণ সমর্থকেরা বন্দীদেরকে দেখে হাত নাড়িয়েছেন এবং বন্দীরা এর উত্তরে সমর্থকদের দিকে তাকিয়ে মৃদু হেসেছেন। যেহেতু তাদের হাতে হাতকড়া পরানো ছিল, তাই তারা সমর্থকদের উদ্দেশ্যে হাত নাড়াতে পারেননি।

সেখানে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়ঃ তাদের বন্ধুবান্ধব এবং পরিবার পরিজনেরা কান্নাকাটি করছিলেন। নাতনায়েলকে খুব বেশি বিধ্বস্ত দেখাচ্ছিল। রক্ষী পরিবেষ্টিত অবস্থায় আদালত প্রাঙ্গণে ঢোকা এবং বের হওয়ার সময় তাকে কাঁদতে দেখা গেছে। তাদের উপর হয়তোবা শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে বলে সবাই ধারণা করছেন। তবে নাতনায়েল ছাড়া বাকী দলটিকে বেশ দৃঢ় দেখাচ্ছিল এবং বেশ আত্মবিশ্বাসী বলে মনে হচ্ছিল।

মামলাটির কার্যক্রম ১৭ মে তারিখ পর্যন্ত মুলতবি রাখা হয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও কিছু পোস্টঃ

ইথিত্তপিয় সরকারের জন্য ব্লগিং কেন হুমকি, ১০মে, ২০১৪

আফ্রিকান কমিশন, জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞের কাছে জোন নাইন ব্লগারদের ব্যাপারে সমর্থন চাওয়া হয়েছে, ৩ মে, ২০১৪

বিবৃতিঃ ইথিওপিয়ার নয় জন সাংবাদিকের মুক্তির দাবি গ্লোবাল ভয়েসেসের, ২ মে, ২০১৪

নেটিজেন রিপোর্টঃ ইথিওপিয়ায় মত প্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ, ৩০এপ্রিল, ২০১৪

ইথিওপিয়ায় কালেকটিভ ব্লগিং এর ছয় জন সদস্য গ্রেপ্তার, ২৫এপ্রিল, ২০১৪

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .